ঢাকা ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ ছিনতাইকারী গ্রেফতার জার্সিতে ‘ভোজিনহা’ নামেই খেলবেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ৬ হাজার ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার এক বছরেই ৩০ পারা মুখস্থ, হাফেজ হলো ৮ বছরের আব্দুর রহমান লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে টোল নেবে না হুথিরা অনির্দিষ্টকালের জন্য এস আলম গ্রুপের ১১ কারখানা বন্ধ র‍্যাবের ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও প্রসিকিউশন টিম চারদিক বন্যার পানিতে ডুবলেও ডুবে না ক্লাস্টার বসতভিটা

ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ নেই মায়ের

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১২:১৩:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুন ২০২১
  • ৪৭৭ বার পড়া হয়েছে

ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ নেই মায়ের

সিএনএম প্রতিনিধিঃ

 

বৌয়ের কথায় ঝাড়ুপেটা, তাও ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ নেই মায়েরঅন্যের বাড়িতে কাজ ও ভিক্ষাবৃত্তি করে সন্তানদের বড় করেছেন। ছেলেদের বিয়ে দিয়ে বৃদ্ধ বয়সে সুখে থাকার আকাঙ্ক্ষা ছিল তার।স্বামীর মৃত্যুর পর ৫ ছেলে-মেয়েকে নিয়ে বসবাস করতেন হালিমা বেগম (৬৫)।কিন্তু বৌয়ের কথা শুনে ছেলে তাকে ঝাড়ুপেটা করবে ভাবতে পারেননি তিনি। মারধরের শিকার হলেও ছেলের প্রতি কোনো অভিযোগ নেই হালিমার!

বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের মধ্য কালমেঘা গ্রামে। হালিমা বেগম ওই গ্রামের মৃত বাহের আলী হাওলাদারের স্ত্রী। তিন মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। ছেলেরাও বিয়ে করে আলাদা ঘরে বসবাস করে।

জানা গেছে, বয়সের ভারে আগের মতো কাজ করতে পারেনা হালিমা বেগম। তা নিয়ে বৌ-শাশুড়ির মধ্যে মাঝে মাঝে ঝগড়া হতো। বেশ কয়েকবার মিমাংসাও করেন স্থানীয়রা।
গত রোববার রাতে দিন মজুরের কাজ শেষে বাড়ি ফেরেন হালিমার ছেলে দুলাল। তখন তার কাছে শাশুড়ির বিরুদ্ধে নালিশ করেন পুত্রবধূ। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে হালিমাকে ঝাড়ুপেটা করেন দুলাল। গতকাল সোমবার বিষয়টি ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মিজানুর রহমানকে জানান হালিমা।

ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান জানান, হালিমা বেগমকে ঝাড়ুপেটা করার বিষয়টি নিয়ে দুলালের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তাকেও হয়রানির শিকার হতে হয়। দুলাল এ কারণে তার মাকে ঘর থেকে বের কের দেন।

বিষয়টি স্থানীয় সাংবাদিকরা জানার পর দুলালের বাড়ি গিয়ে তার কাছে বিষয়টি জানতে চান। এ সময় দুলাল তার ভুল স্বীকার করে মায়ের পা ধরে মাফ চান। ভবিষ্যতে এ ধরনের আচরণ করবেন না বলেও মায়ের কাছে প্রতিশ্রুতি দেন।

হালিমা বেগমের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, ‘বৌয়ের কথায় দুলাল মোরে ঝারু (ঝাড়ু) দিয়া মারসে। হেয়ার পরেও তার লাইগ্যা মোর কোনো অবিযোগ (অভিযোগ) নাই। মুই তারে বরদোয়া (অভিশাপ) দেলে হে ধ্বংস হয়ে যাইবে। মুই তারে মাফ কইররে দিসি।’

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু

ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ নেই মায়ের

আপডেট সময় ১২:১৩:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুন ২০২১

সিএনএম প্রতিনিধিঃ

 

বৌয়ের কথায় ঝাড়ুপেটা, তাও ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ নেই মায়েরঅন্যের বাড়িতে কাজ ও ভিক্ষাবৃত্তি করে সন্তানদের বড় করেছেন। ছেলেদের বিয়ে দিয়ে বৃদ্ধ বয়সে সুখে থাকার আকাঙ্ক্ষা ছিল তার।স্বামীর মৃত্যুর পর ৫ ছেলে-মেয়েকে নিয়ে বসবাস করতেন হালিমা বেগম (৬৫)।কিন্তু বৌয়ের কথা শুনে ছেলে তাকে ঝাড়ুপেটা করবে ভাবতে পারেননি তিনি। মারধরের শিকার হলেও ছেলের প্রতি কোনো অভিযোগ নেই হালিমার!

বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের মধ্য কালমেঘা গ্রামে। হালিমা বেগম ওই গ্রামের মৃত বাহের আলী হাওলাদারের স্ত্রী। তিন মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। ছেলেরাও বিয়ে করে আলাদা ঘরে বসবাস করে।

জানা গেছে, বয়সের ভারে আগের মতো কাজ করতে পারেনা হালিমা বেগম। তা নিয়ে বৌ-শাশুড়ির মধ্যে মাঝে মাঝে ঝগড়া হতো। বেশ কয়েকবার মিমাংসাও করেন স্থানীয়রা।
গত রোববার রাতে দিন মজুরের কাজ শেষে বাড়ি ফেরেন হালিমার ছেলে দুলাল। তখন তার কাছে শাশুড়ির বিরুদ্ধে নালিশ করেন পুত্রবধূ। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে হালিমাকে ঝাড়ুপেটা করেন দুলাল। গতকাল সোমবার বিষয়টি ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মিজানুর রহমানকে জানান হালিমা।

ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান জানান, হালিমা বেগমকে ঝাড়ুপেটা করার বিষয়টি নিয়ে দুলালের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তাকেও হয়রানির শিকার হতে হয়। দুলাল এ কারণে তার মাকে ঘর থেকে বের কের দেন।

বিষয়টি স্থানীয় সাংবাদিকরা জানার পর দুলালের বাড়ি গিয়ে তার কাছে বিষয়টি জানতে চান। এ সময় দুলাল তার ভুল স্বীকার করে মায়ের পা ধরে মাফ চান। ভবিষ্যতে এ ধরনের আচরণ করবেন না বলেও মায়ের কাছে প্রতিশ্রুতি দেন।

হালিমা বেগমের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, ‘বৌয়ের কথায় দুলাল মোরে ঝারু (ঝাড়ু) দিয়া মারসে। হেয়ার পরেও তার লাইগ্যা মোর কোনো অবিযোগ (অভিযোগ) নাই। মুই তারে বরদোয়া (অভিশাপ) দেলে হে ধ্বংস হয়ে যাইবে। মুই তারে মাফ কইররে দিসি।’