পুলিশের গোপন সহায়তায় আবাসিক হোটেলের অর্ন্তরালে আইন বর্হিভূত পতিতালয় অপরাধ তথ্য অনুসন্ধানকালে যাহা জানতে পারলাম গত ১৫/০৬/২০২৬ইং তারিখ আনুমানিক সন্ধ্যা ৬ ঘটিকার সময় তেজগাঁও থানাধীন বিজয় সরনী মোড়, এয়ারপোর্ট রোড এর দক্ষিণ পাশে ৮০নং হোল্ডিং এর ক্যাপিটাল আবাসিক হোটেলের সামনে দাড়িয়ে থাকার সময় দাঁড়িয়ে যাত্রাবাড়ি যাওয়ার জন্য সিএনজি খুঁজছিলাম এরি মধ্যে দেখতে পাই ক্যাপিটাল নামক আবাসিক হোটেলের সামনে কিছু লোক দাঁড়িয়ে বলাবলি করছে যে উক্ত ক্যাপিটাল আবাসিক হোটেলে ৩-৪ জন নারীকে নারী পাঁচারকারী দালাল চক্র মেয়েদের বিবিন্ন কৌশলে হোটেলের রুমে আটক করে দেহ ব্যবসা করাচ্ছে (নারীদের গণ ধর্ষণ করছে)। এ রকম একটি খবর জানতে পেরে খদ্দের বেশে আমার সাথে থাকা সঙ্গি ও সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম রাজু, নাজমুল, আব্বাসকে সহ ক্যাপিটাল আবাসিক হোটেলে প্রবেশ করে খদ্দের সেজে গিয়ে হোটেলের রুম গুলোতে বিভিন্ন বয়সী মেয়েদের দেখতে পাই। কৌশলে নাসিমা, নাজমা নামে দুই মেয়ের সাথে খদ্দের সেজে কথা বলি নাসিমা ও নাজমা জানায়
তাদেরকে গার্মেন্টস এ চাকুরী দেওয়ার কথা বলে উক্ত ক্যাপিটাল আবাসিক হোটেলে এনে রুম গুলোতে আটক করে দেহ ব্যবসা করাচ্ছে। তারা তাদের পরিবারের কাছে ফিরে যেতে চায়। কিন্তু দালাল চক্ররা যেতে দিচ্ছে না। এছাড়া আরোও বেশ কিছু মেয়ে ঝর্ণা, আইরিন তারা জানায় তাদেরকেও একই কায়দায় ঐ হোটেলে এনে দেহ ব্যবসা করাচ্ছে। ঐ সকল খারাপ কাজ করতে না চাইলে মেয়েদের নানা ধরনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে। সাথী নামে অন্য আরেক মেয়ে আমাদের কাছে বলে তারা চার বান্ধবী বরিশাল এলাকা হতে কাজের সন্ধানে ঢাকায় আসে এরপর হারুন ্অর- রশিদ ও আবু কালাম জয় নামে দুইজনের সাথে তাদের পরিচয় হয় হারুন-অর রশিদ ও আবু কালাম জয় নিজেদেরকে তেজগাঁও বিভাগের আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্য পরিচয় দেয়। তখন সাথী, সুমা, বিথি, রেখাদের তাদের চার বান্ধবী হারুন অর রশিদের কথায় বিশ^াস করে হারুন গংদের সাথে থাকা ইউসুফ রিপন নামে আরেক ব্যক্তি হারুন অর রশিদের বন্ধু পরিচয় দেয়। তারা তাদের তিন বান্ধবীকে ক্লিনিকে কাজ দেওয়ার কথা বলিয়া কৌশলে প্রথমে সাথীকে ক্যাপিটাল আবাসিক হোটেলে নিয়ে যায়। এরপর সুমাকে ইনসাফ আবাসিক হোটেলে নেয়। তাদের অন্য বান্ধবী রেখাকে লাব্বাইক আবাসিক হোটেলে নিয়ে যায়। তাদের অন্য বান্ধবী বিথিকে নিয়ে যায় রুপসী বাংলা আবাসিক হোটেলে।
এরপর তাদের চার বান্ধবীর কাছ থেকে মোবাইল গুলো হারুন-অর রশিদ ও ইউসুফ রিপনগংরা নিয়া যায়। এরপর থেকে আর তার বান্ধবীদের ভাগ্যেও কি জুটেছে তা সুমা জানতে পারে নি।
এমতাবস্থায় হোটেল মালিক পরিচয়ে ১। মোঃ সেলিম ২। মোঃ সুমন সহ আরোও ২-৩ জন অজ্ঞাতনামা লোক এসে আমাদের পরিচয় জানতে চায়। আমাদের পরিচয় পাওয়ার পর হোটেল মালিক ও ম্যানেজার ও অজ্ঞাতনামা ৫-৭ স্টাফগণরা সহ আরো কয়েকজন
অজ্ঞাতনামা হোটেল স্টাফ আমাদের হুমকির সুরে বলে আপনারা মানবাধিকার কর্মী। আমাদের বিরুদ্ধে লেখা লেখি করেন লেখা লেখি করে কোন লাভ হবে না। কেননা এই হোটেলে পতিতা ব্যবসার লভ্যাংশের সিংহ ভাগ তেজগাঁও থানার ইন্সেপেক্টর, অপারেশন,
ইন্সেপেক্টর তদন্ত, অফিসার ইনচার্জকে দেই। এছাড়া টহল ডিউটিতে যে সকল পুলিশ কর্মকর্তারা থাকেন সবাইকে লভ্যাংশের ভাগের একটি অংশ দিয়ে থাকি ও আমাদের হোটেলের পাশেই রয়েছে তেজগাঁও ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার সেখানকার নারী কর্মকর্তাদের ও প্রতিমাসে একটা মোটা অংকের মাসোয়ারা দেই। তাই ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার ডিএমপির শত শত মামলার ভিকটিমদের সাপোর্ট দিলেও আমাদের এখানে যত ভিকটিমই নির্যাতনের শিকার হউক তারা অর্থ পাওয়ার কারনে দেখে ও না দেখার ভান করে থাকে। তাই আপনারা বাংলা বুঝেন না তেজগাঁও ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের আশেপাশেই আমাদের চারটি আবাসিক হোটেল লাব্বাইক, ইনসাফ, ক্যাপিটাল, রুপসী বাংলা। বড়ভাইরা আমাদের নিরাপত্তা দেয় বলেই আমার নির্ভয়ে নির্দিধায় নারী ব্যবসা ও মাদক সহ নানা ধরনের ব্যবসা পরিচালনা করতে পারি। আপনারা আমাদের বিরুদ্ধে লেখা লেখি আর পুলিশের ভয় দেখাইয়েন না। এছাড়া আমাদের হোটেলের পাশেই তেজগাঁও থানা ও ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার রহিয়াছে। পুলিশ যদি আমাদের ম্যানেজ না থাকত তাহলে আমরা কি কোন দিন এই নারী ব্যবসা করতে পারতাম। আপনারা সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীরা আমাদের নিয়ে মাথা ঘামাইয়েন না তাহলে নিজেরাই বিপদে পরবেন। ভালো চাইলে এখান থেকে চলে যান। আমাদের সাথে থাকা মোবাইল ক্যামেরায় তাদের কথোপকথন ভিডিও রেকর্ড করছিলাম। আমাদের হাত থেকে মোবাইল নিয়ে ঐ রেকর্ডগুলো কেটে দেয়। এক পর্যায় আমরা সেখান থেকে নেমে এসে ক্যাপিটাল হোটেলের পাশেই ইনসাফ আবাসিক হোটেল ঐ হোটেলে খদ্দের সেজে একই কায়দায় সাথী ও রেখাকে খোজতে যাই। কিন্তু ইনসাফ আবাসিক হোটেলে গিয়ে ও একই রকম দৃশ্য দেখতে পাই। সেখানে সাথী সহ আরো বেশ কিছু মেয়েকে হোটেলের একটি রুমে দেহ ব্যবসা করতে দেখতে পাই। খোজ নিয়ে সাথী নামের মেয়েটিকে পাওয়ার পর সাথীর কাছে জানতে পারি তাকে দিয়েও বহিরাগত পুরুষ দ্বারা অসামাজিক কার্যকলাপ করাচ্ছে হোটেল ভাড়াটিয়া মালিক ও দালালরা।
সাথীর পর পাশের আরেকটি রুমে গিয়ে ১৩-১৪ বছর বয়সী আয়শা ও উপজাতি ফুলমালা, জোনাকি তাদের কাছ থেকে জানতে পারি ফুলমালা ও জোনাকীকে রাঙ্গামাটি হতে শাহিদা নামে এক মেয়ে পার্লারে কাজ দেওয়ার কথা বলে নিয়ে আসে। আর আয়শাকে বাসা বাড়ির কাজ দেওয়ার কথা বলে দালাল রিপন মেয়েটিকে হোটেলে আনে। এরপর এই চারজন কে পৃথকভাবে হোটেলের রুমে আটক করে প্রায় ৩-৪ দিন বিবস্ত্র করে বিভিন্ন খদ্দের দিয়ে শারীরিক নির্যাতন করে প্রথমে হোটেলে মালিক এরপর স্টাফ পরিচয়দানকারী নারী ব্যবসায়ী দালালরা তাদের ধর্ষণ করে এরপর হোটেলের পেশাদার পতিতাদের সাথে কক্ষগুলোর পতিতালয়ে সাজুগুজো করে বসিয়ে রেখে স্টাফরা খদ্দের সংগ্রহ করে এনে তাদের দিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ করায়। কোন পুরুষের এই মেয়েরা থাকতে না চাইলে তাদের করা হয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। এই মেয়েদের মতো নবাগত অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জন মেয়েকে ইনসাফ হোটেলের অন্য আরেকটি কক্ষে আটক রেখে বাহির থেকে তালা মেরে রেখে খদ্দের এলে শুধু তালাটুকু খুলে ঐ মেয়েদের দেখানো হয়। আমরাও খদ্দেরের কায়দায় ঐ চারজন মেয়েকে দেখতে পাই। কিন্তু তাদের সাথে কথা বলতে পারি নাই বিধায় নাম জানতে পারি নাই।
এরপর কৌশলে সেখান থেকে নেমে এসে ঐ হোটেলের পাশেই ফার্মগেট মোড়স্থ লাব্বাইক আবাসিক হোটেলে একই কৌশলে যাই। সেখানে যাওয়ার পর লাব্বাইক আবাসিক হোটেলে খদ্দের সেজে ঘোরে ঘোরে একই রকমের দৃশ্য দেখতে পাই। এরিমধ্যে একজন মেয়ে এক রুম হতে দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে হোটেল মালিক রিপন দৌড়ে এসে মেয়ের চুলের মুঠি ধরে প্রথমে দেয়ালের সাথে ধাক্কা দেয়। এক পর্যায়ে মাথা দেয়ালের সাথে আঘাত লেগে তার কপালের পাশ দিয়ে ফেটে যায়। এমতাবস্থায় আমরা গোপনে আমার সাথে থাকা মোবাইল ক্যামেরায় ঐ মেয়েটিকে নির্যাতনের ভিডিও চিত্র ধারণ করি। এরিমধ্যে একটু সুযোগ বুঝে ঐ মেয়ের সাথে কথা বলি। মেয়েকে আমরা সাংবাদিক পরিচয় দেই। এবং তার সাথে কি হচ্ছে নির্ভয়ে আমাদের কাছে বলতে বলি।
তখন ঐ মেয়েটি আমাদেরকে জানায় যে, এখানে শুধু আমি না আরো ৭-৮ জন মেয়ে আছে যাদেরকে এই রিপন বাহিনীর প্রায় অর্ধশত দালাল ঐ মেয়েদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে এই হোটেলে এনে খারাপ কাজের জন্য একেকটি রুমে আটক করে রাখছে। এরপর ঐ মেয়ের কাছে জানতে চাই লাব্বাইক হোটেলে সাথী নামে কোন মেয়ে আছে কিনা? তখন ঐ মেয়ে জানায় সাথীকে তো এই রিপনদের ঢাকা শহরে আরো বহু হোটেল আছে সেই হোটেলগুলো সাথীকে দেহ ব্যবসা করাইতে নিয়া গেছে। এরিমধ্যে রিপনসহ ৭-৮ জন দালাল এসে আমাদের পরিচয় জানতে চায় আমরা আমাদের পরিচয় বলি পরিচয় জানার পর আমাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে আমাদের হাত থেকে মোবাইলটি নিয়ে ঘটনাস্থলের এবং নির্যাতনের দৃশ্যের তোলা ছবি ডিলেট করে পাকার ভিতর আচড়ে আমার টার্চ সেটটি ভেঙ্গে ফেলে। এমতাবস্থায় আমরা কথা বাড়াবাড়ি না করে হোটেল থেকে নেমে আসি।
এরপর রুপসী বাংলা হোটেলে গিয়ে দেখতে পাই নিরবতা কিছু দিন আগে নাকি পুলিশ হোটেলে অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু খদ্দের মেয়েকে গ্রেফতার করে নিয়ে মামলা দিয়েছে তাই তারা আগের মতো জমজমাট ভাবে বেশি মেয়ে রেখে ব্যবসা করতে পারে না। সেখানে ৪-৫ জন মেয়েকে দেখতে পাই তাদেরকে সিকরেট ভাবে রাখা হয়েছে এর মধ্যে বিথি চার বান্ধবীর একজন সেও অন্য মেয়েদের মতো একই ধরনের কথা বলে তাকে দিয়েও অসামাজিক কার্যকলাপ করানো হচ্ছে কোন পুরুষের কাছে যেতে না চাইলে তাকে মারধর সহ মধ্যযুগীয় কায়দায় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয় দালালদের কথা শুনলে আর তাদের মারধর করা হয় না। এ সকল হোটেলে অজ্ঞাতনামা আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরাও এসে তাদের সাথে অসামাজিক কার্যকলাপ করে যায়। আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর অনেক সদস্যকেই তাদের লোমহর্ষক ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন কেউ তাদের উদ্ধারের সহযোগিতা করেন নি।
এরপর আমারা রাস্তায় আসার পর তেজগাঁও থানার টহল ডিউটিরত একজন এসআইকে বিষয়টি বলি তিনি আমাদেরকে জানান যে, ভাই আপনারা মানবাধিকার কর্মী আমার কাছে বলছেন আমি শুনে রাখলাম কিন্তু আমার কিছুই করার নাই। আমি এই হোটেলেগুলোতে আটক
মেয়েদের উদ্ধারের জন্য গেলে পরবর্তীতে আমার চাকুরীর সমস্যা হবে। এই সকল হোটেলের অপকর্মের বিষয়ে তেজগাঁও থানার ওসি স্যার, ওসি তদন্ত, ওসি অপারেশন স্যার তারাই ভালো জানে আপনি তাদের কাছে গিয়ে বলে দেখেন তারা কি করে? তারা যদি আমাকে বলে তাহলে আমি ঐ হোটেলের নারী ব্যবসা, মাদক ব্যবসা, সহ বিভিন্ন অপকর্মের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে পারব। নয়ত হোটেল গুলোতে আমি যে, অভিযান চালাইলে ওসি স্যার আমার বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন মহলে তাদের মনগড়া নালিশ করে আমার চাকরির ক্ষতি করবে।
আপনারা একটু কষ্ট করে বিষয়টি থানায় যেয়ে বলেন ওসি স্যার যদি আমাকে বলে তাহলে আমি হোটেলে অভিযান চালাইতে পারব। এভাবে আমাকে বলে কোন লাভ হবে না। এরপর আমরা বিভিন্ন ভাবে খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারি এই চার হোটেলে চলা অপকর্মের বিষয় তেজগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ সহ অন্যান্য অসাধু পুলিশ কর্মকর্তারা সবই অবগত আছেন। এবং নারী পাচারকারীদের সাথে অসাধু পুলিশ কর্মকর্তাদের গোপনে যোগাযোগ ও রয়েছে এই চার হোটেলে প্রায় অর্ধশত নারী আটকের ঘটনার খবর তেজগাঁও থানা পুলিশ জানার পর ও না জানার ভান ধরে আছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ঘটনার বিষয়টি জানানোর প্রয়োজন মনে করে অদ্য অভিযোগটি দায়ের করা হলো।
যারা নারী সংগ্রহকারী এরাই নারী পাচারকারী ও খদ্দের সংগ্রহকারী দালাল
১। মোঃ ইউসুফ ওরফে রিপন, বয়স-৩০, মোবাইলঃ ০১৮১৮-৪৮৩৩৫৯, পিতাঃ ইউনুস মিয়া, স্থায়ী সাং-নিজ পানুয়া, থানাঃ ছাগল নাইয়া ও ফেনী সদর, জেলাঃ ফেনী, বর্তমানঃ লাব্বাইক আবাসিক হোটেল মালিক, রইছ ভবন, হোল্ডি নং : ৪৯/এ, পূর্ব তেজকুুনি বাজার, ৪র্থ এবং ৫ম তলা, থানা-তেজগাঁও, জেলাঃ ঢাকা।
২। মোঃ আমিন ওরফে আমির (৪০), মোবাইল ঃ ০১৯৫০-১১০৭৪০, সাং-১০৬, আওলাদ হোসেন মার্কেট, তেজকুনি বাজার, ইনসাফ আবাসিক হোটেল ভাড়াটিয়া মালিক।
৩। মোঃ বাদল (৪০) ক্যাপিটাল আবাসিক হোটেল ভাড়াটিয়া মালিক, সাং-৮০নং, এয়ারপোর্ট রোড, বিজয় সরনী, তেজকুনি বাজার থানা-তেজগাঁও, ঢাকা।
৪। মোঃ লিমন/রিমন ক্যাপিটাল আবাসিক হোটেল ভাড়াটিয়া মালিক, সাং-৮০নং, এয়ারপোর্ট রোড, বিজয় সরনী, তেজকুনি বাজার থানা-তেজগাঁও, ঢাকা।
৫। মোঃ হৃদয় (৩৫), ক্যাপিটাল আবাসিক হোটেল ভাড়াটিয়া মালিক, সাং-৮০নং, এয়ারপোর্ট রোড, বিজয় সরনী, তেজকুনি বাজার থানা-তেজগাঁও, ঢাকা।
৬। মোঃ সেলিম, (৪২ ) সাং-৮০নং, এয়ারপোর্ট রোড, বিজয় সরনী, তেজকুনি বাজার থানা-তেজগাঁও, ঢাকা।
৭। মোঃ সুমন (৪০) পিতা-অজ্ঞাত, সাং-হোল্ডিং নং- ৬১/এ, রুপসী বাংলা আবাসিক হোটেল ভাড়াটিয়া মালিক, মোবাইলঃ ০১৭৭০-৩৩৯৯৪৪, থানা-তেজগাঁও, ঢাকা।
৮। মোঃ আবুল কালাম জয় (৩৯), পিতা-আবু বক্কর, মাতা-মোর্শেদা, সাং-খংসর্দি, পোঃ আনন্দ বাজার-১৪৪০, থানা-সোনারগাঁও, জেলাঃ নারায়ণগঞ্জ।
৯। গুপ্তসমীর (৫০), পিতা-লাট্টু বাবু, সাং-হোল্ডিং নং- ৬১/এ, রুপসী বাংলা আবাসিক হোটেল ভাড়াটিয়া মালিক, থানা-তেজগাঁও, ঢাকা।
১০। অজ্ঞাতনামা লাব্বাইক, ইনসাফ, ক্যাপিটাল ও রুপসী বাংলা আবাসিক হোটেলের ভাড়াটিয়া মালিক ও নারী সংগ্রহকারী পাচারকারী স্টাফ পরিচয়দানকারী দালাল ৬০-৭০ জন।
ভিজিটিং কার্ড বিলি করে খদ্দের সংগ্রহকারী দালাল যাদের নাম ও মোবাইল নাম্বার জানা গেছে
১। রনি ভাই (০১৬২০৫৫৩৩১০) ২। আমির ভাই (০১৯১৯৪০৪৫৩৮)
৩। খোকন ভাই (০১৬২৩৭৫৪৪৯১) ৪। ডেভিড ভাই (০১৯৫৯৪৬২৭৫৪)
৫। অপু ভাই (০১৩১৭৬৯২৬৩৬) ৬। পাখি ভাই (০১৯৫৭১৪৬৯৬৬)
৭। টিটু ভাই (০১৬২৩৪৬৪২৬৯)
ক্যাপিটাল, ইনসাফ, লাব্বাইক ও রুপসী বাংলা আবাসিক হোটেলে যে ভিকটিমরা জিম্মি দশায় রয়েছে
১। সাথী (১৫) ২। সুমা (১৪) ৩। বিথি (১৪) ৪। রেখা (১৫) ৫। আয়শা (১৩)
৬। উপজাতি ফুলমালা (১৪) ৭। জোনাকি (১৬), ৮। রাঙামাটির শাহিদা (১৩)।
সুপারিশমালা
১। ক্যাপিটাল, ইনসাফ, লাব্বাইক ও রুপসী বাংলা আবাসিক হোটেলের নারী ঘটিত অপরাধ কর্ম বন্ধ করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
২। থানা এলাকায় খদ্দের সংগ্রহকারী দালালদের প্রকাশ্যে পথে ঘাটে ভিজিটিং কার্ড বিলিকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া।
৩। নারী পাচারকারীদের জিম্মি দশায় থাকা নারীদের উপর নির্যাতনকারীদের চিহ্নিত করে তাদের উদ্ধার পূর্বক পরিবারের কাছে ফিরে যাওয়ার যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
৪। ক্যাপিটাল, ইনসাফ , লাব্বাইক ও রুপসী বাংলা আবাসিক হোটেলের ভাড়াটিয়া মালিক, বাড়ির মালিক ও কেয়ার টেকার সহ সেখানে অপরাধ কর্মে প্রকাশ্যে ও পরোক্ষভাবে জড়িত ব্যক্তিবর্গকে আইনের আওতায় আনার যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
৫। ক্যাপিটাল, ইনসাফ , লাব্বাইক ও রুপসী বাংলা আবাসিক হোটেল ট্রেড লাইসেন্স প্রদানের পর ঐ হোটেলে লাইসেন্স বিরোধী কোন কার্যক্রম হয় কিনা তাহা দেখভাল কারী সিটি কর্পোরেশন জোনের ইন্সেপেক্টর এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
৬। মানব পাচার আইন বিধি মোতাবেক বাড়ির মালিক, আশ্রয়দাতাদের চিহ্নিত পূর্বক তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
পরবর্তী পদক্ষেপ
ক) সংস্থার পক্ষে দেশব্যাপী চিহ্নিত নারী পাচারকারীদের আদালতের দারস্থ্য করার যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
খ) অপরাধীদের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর অসাধু কর্মকর্তাদের চিহ্নিত পূর্বক তালিকা প্রকাশ করা।
গ) ক্যাপিটাল, ইনসাফ , লাব্বাইক ও রুপসী বাংলা আবাসিক হোটেল সহ দেশব্যাপী যে সকল আবাসিক হোটেল, ফ্ল্যাট বাসা সহ পতিতালয়ে আটক ও জিম্মি থাকা নারীদের পরিচয় চিহ্নিতপূর্বক উদ্ধার করে তাদের ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা করা।
ঘ) নারীদের কর্মসংস্থানের প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় জীবিকা নির্বাহে কর্ম ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
ঙ) পথে ঘাটে ভিজিটিং কার্ড বিলি করে খদ্দের সংগ্রহকারী দালালদের চিহ্নিত করে যাবতীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা।
চ) সারাদেশ ব্যাপী নারী পাচারকারী, দালাল, অর্থের যোগানদাতা ও আশ্রয়, প্রশ্রয়দাতাসহ, তাদের সহায়তাকারীদের চিহ্নিত পূর্বক তালিকা প্রকাশ করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে আদালতের দারস্থ্য হওয়া।
Reporter Name 





















