ঢাকা ০২:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লালবাগ থানায় ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০১:৪৫:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

লালবাগ থানায় ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত

মোঃ ইসমাইল হোসেনঃ

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) লালবাগ জোনের আওতাধীন লালবাগ থানায় নিয়মিত বিরতিতে মাসিক ‘ওপেন হাউজ ডে’ (Open House Day) অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে লালবাগ থানা কনফারেন্স রুমে ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) লালবাগ থানায় সাধারণ জনগণ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আলোচনার প্রতিপাদ্য পুলিশই জনগণ, জনগণই পুলিশ। থানার আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের সাথে সঙ্গতি রেখে সুশীল সমাজকে সম্পৃক্ত রেখে পুলিশকে সহযোগিতা করায় কমিউনিটি পুলিশিং এর কাজ।

ওপেন হাউজ ডে-এর মূল উদ্দেশ্যঃ
জনসচেতনতা বৃদ্ধি: অপরাধ প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সাধারণ মানুষের মতামত ও সহযোগিতা নেওয়া।

সরাসরি আলোচনাঃ
স্থানীয় সমস্যা, ইভটিজিং, মাদক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত অভিযোগ থানার কর্মকর্তার কাছে সরাসরি তুলে ধরার সুযোগ।

পুলিশ-জনতা সম্পর্কঃ
“পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ” এই স্লোগানে আস্থার পরিবেশ তৈরি করা।

জনতার মুখোমুখি পুলিশঃ
স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সরাসরি উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে এলাকার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরছেন।

অপরাধ দমন আলোচনাঃ
এলাকায় মাদক, ইভটিজিং, চুরি-ছিনতাই, কিশোর গ্যাং এবং আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা প্রতিরোধে পুলিশের ভূমিকা ও জনসাধারণের সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে।

সচেতনতা বৃদ্ধিঃ
অপরাধ দমনের পাশাপাশি অগ্নিনির্বাপণ সচেতনতা কিংবা এলাকার সাধারণ নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশের পক্ষ থেকে দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

পুলিশ কর্মকর্তাদের মূল বক্তব্য: এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা পুলিশের প্রধান লক্ষ্য। তারা মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত, চুরি-ছিনতাই এবং ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণার কথা বলেন।
পুলিশ কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলেন যে, অপরাধমুক্ত সমাজ গড়তে সাধারণ মানুষের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করা অত্যন্ত জরুরি এবং তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বক্তব্য:
তারা এলাকার বিভিন্ন সুনির্দিষ্ট সমস্যা (যেমন—রাস্তার নিরাপত্তা, রাতে পুলিশের টহল বাড়ানো, মাদক বিক্রির স্পটগুলো উচ্ছেদ করা) কর্মকর্তাদের সামনে তুলে ধরেন। একই সাথে পুলিশের যেকোনো ইতিবাচক ও আইনি পদক্ষেপে সাধারণ জনগণের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহায়তার আশ্বাস দেন।

সাধারণ নাগরিকদের মতামত:
উপস্থিত সাধারণ জনগণ সরাসরি পুলিশের কাছে বিভিন্ন হয়রানি বা ভয়ের কথা ব্যক্ত করেন এবং জিডি বা মামলা করার প্রক্রিয়া আরও সহজ করার অনুরোধ জানান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

লালবাগ থানায় ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ০১:৪৫:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

লালবাগ থানায় ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত

মোঃ ইসমাইল হোসেনঃ

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) লালবাগ জোনের আওতাধীন লালবাগ থানায় নিয়মিত বিরতিতে মাসিক ‘ওপেন হাউজ ডে’ (Open House Day) অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে লালবাগ থানা কনফারেন্স রুমে ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) লালবাগ থানায় সাধারণ জনগণ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আলোচনার প্রতিপাদ্য পুলিশই জনগণ, জনগণই পুলিশ। থানার আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের সাথে সঙ্গতি রেখে সুশীল সমাজকে সম্পৃক্ত রেখে পুলিশকে সহযোগিতা করায় কমিউনিটি পুলিশিং এর কাজ।

ওপেন হাউজ ডে-এর মূল উদ্দেশ্যঃ
জনসচেতনতা বৃদ্ধি: অপরাধ প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সাধারণ মানুষের মতামত ও সহযোগিতা নেওয়া।

সরাসরি আলোচনাঃ
স্থানীয় সমস্যা, ইভটিজিং, মাদক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত অভিযোগ থানার কর্মকর্তার কাছে সরাসরি তুলে ধরার সুযোগ।

পুলিশ-জনতা সম্পর্কঃ
“পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ” এই স্লোগানে আস্থার পরিবেশ তৈরি করা।

জনতার মুখোমুখি পুলিশঃ
স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সরাসরি উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে এলাকার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরছেন।

অপরাধ দমন আলোচনাঃ
এলাকায় মাদক, ইভটিজিং, চুরি-ছিনতাই, কিশোর গ্যাং এবং আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা প্রতিরোধে পুলিশের ভূমিকা ও জনসাধারণের সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে।

সচেতনতা বৃদ্ধিঃ
অপরাধ দমনের পাশাপাশি অগ্নিনির্বাপণ সচেতনতা কিংবা এলাকার সাধারণ নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশের পক্ষ থেকে দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

পুলিশ কর্মকর্তাদের মূল বক্তব্য: এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা পুলিশের প্রধান লক্ষ্য। তারা মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত, চুরি-ছিনতাই এবং ইভটিজিংয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণার কথা বলেন।
পুলিশ কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলেন যে, অপরাধমুক্ত সমাজ গড়তে সাধারণ মানুষের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করা অত্যন্ত জরুরি এবং তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বক্তব্য:
তারা এলাকার বিভিন্ন সুনির্দিষ্ট সমস্যা (যেমন—রাস্তার নিরাপত্তা, রাতে পুলিশের টহল বাড়ানো, মাদক বিক্রির স্পটগুলো উচ্ছেদ করা) কর্মকর্তাদের সামনে তুলে ধরেন। একই সাথে পুলিশের যেকোনো ইতিবাচক ও আইনি পদক্ষেপে সাধারণ জনগণের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহায়তার আশ্বাস দেন।

সাধারণ নাগরিকদের মতামত:
উপস্থিত সাধারণ জনগণ সরাসরি পুলিশের কাছে বিভিন্ন হয়রানি বা ভয়ের কথা ব্যক্ত করেন এবং জিডি বা মামলা করার প্রক্রিয়া আরও সহজ করার অনুরোধ জানান।