ঢাকা ১২:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন সাময়িকভাবে বন্ধ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১২:১৮:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

সিএনএম ডেস্কঃ

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি যোদ্ধারা কৌশলগত বাব আল-মান্দেব প্রণালির পেরিম দ্বীপে পৌঁছে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই ইরাক থেকে আসা ড্রোন হামলার পর সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার ইয়েমেন সরকারের চারটি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে, হুতি যোদ্ধারা পেরিম দ্বীপে পৌঁছেছে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই দ্বীপটি বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে অবস্থিত। ফলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটির ওপর হুতিদের নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাব আরও বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

একই সময়ে সৌদি কর্মকর্তারা দেশটির পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে সৌদি তেল আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছানোর জন্য প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পাইপলাইনটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সৌদি-সমর্থিত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের দুটি সূত্র জানিয়েছে, তাদের বাহিনী পেরিম দ্বীপ থেকে সরে গেছে। একই সময়ে হুতিরা লোহিত সাগর উপকূলের ধুবাব শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। শহরটি পেরিম দ্বীপের ঠিক বিপরীতে অবস্থিত।

বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, পেরিম দ্বীপ ও বাব আল-মান্দেবের ওপর হুতিদের প্রভাব শক্তিশালী হলে হরমুজ প্রণালির পাশাপাশি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথও ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীর প্রভাবের আওতায় চলে আসতে পারে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়ে তেলের দাম আরও বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে।

হুতিদের হামলার আশঙ্কা বাড়ার মধ্যে সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সামরিক সহায়তা চেয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। তবে ওয়াশিংটন আপাতত সরাসরি সামরিক পদক্ষেপে যেতে রাজি হয়নি। এর পরিবর্তে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় ও সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু শনাক্তকরণে সহায়তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বৃহস্পতিবার অন্তত দুবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফোন করে হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়তা চেয়েছেন বলে বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত দুটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে। এর আগে অ্যাক্সিওসও একই তথ্য প্রকাশ করে।

সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্রের বরাতে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, রিয়াদ ও মদিনা অঞ্চলে পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনে একাধিক হামলার পর এর বিদ্যমান সক্ষমতাও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইনটি হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে সৌদি তেল বৈশ্বিক বাজারে পাঠানোর প্রধান বিকল্প পথ। জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান ও বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এই পাইপলাইন দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৪০ থেকে ৫০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন করা হয়েছে।

এই পরিমাণ বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ৪ থেকে ৫ শতাংশের সমান। ফলে পাইপলাইনটি দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে আন্তর্জাতিক তেলবাজারে সরবরাহের ওপর উল্লেখযোগ্য চাপ তৈরি হতে পারে।

তবে সৌদি তেল অবকাঠামোয় হামলাটি কারা চালিয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ড্রোনগুলো ইরাক থেকে এসেছে। ইরাকে ইরান-সমর্থিত বিভিন্ন সশস্ত্র মিলিশিয়ার উপস্থিতি রয়েছে।

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধের পর এখন পর্যন্ত রিয়াদ কোনো পাল্টা হামলা চালায়নি। হামলার নিন্দা জানিয়েছে ইরাক সরকারও।

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলায় কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে। তবে এর ফলে সৌদি তেল রপ্তানিতে ঠিক কী ধরনের প্রভাব পড়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) শুক্রবার জানিয়েছে, তিন দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সৌদি আরবের অপরিশোধিত তেল সরবরাহ সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। এর অন্যতম কারণ হিসেবে বাব আল-মান্দেব দিয়ে চলাচলকারী জাহাজে হুতি-ঘনিষ্ঠ গোষ্ঠীগুলোর হামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

চলমান সংঘাতের মধ্যে শুক্রবার তেলের দাম কিছুটা কমলেও সপ্তাহ শেষে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে থাকার পথে রয়েছে। মে মাসের মাঝামাঝির পর প্রথমবারের মতো তেলের দাম এমন পর্যায়ে পৌঁছানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেছেন, সৌদি জাহাজ ছাড়া অন্য সব ধরনের নৌযানের জন্য সামুদ্রিক চলাচল নিরাপদ। তবে সৌদি জাহাজের ওপর আগে ঘোষণা করা নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সৌদি যুবরাজের অনুরোধের পরও যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি সামরিক অভিযানে যুক্ত হচ্ছে না বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। তবে সৌদি আরব ও ইয়েমেন সরকারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে ওয়াশিংটন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরব ও ইয়েমেন সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে।

হুতিদের পেরিম দ্বীপে উপস্থিতি, সৌদির গুরুত্বপূর্ণ তেল অবকাঠামোয় ড্রোন হামলা এবং বাব আল-মান্দেব ও হরমুজ—দুটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ঘিরে অনিশ্চয়তা মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তুলেছে। সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে এর প্রভাব আন্তর্জাতিক তেলের বাজার ও বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তায় পড়তে পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন সাময়িকভাবে বন্ধ

আপডেট সময় ১২:১৮:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিএনএম ডেস্কঃ

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি যোদ্ধারা কৌশলগত বাব আল-মান্দেব প্রণালির পেরিম দ্বীপে পৌঁছে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই ইরাক থেকে আসা ড্রোন হামলার পর সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার ইয়েমেন সরকারের চারটি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে, হুতি যোদ্ধারা পেরিম দ্বীপে পৌঁছেছে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই দ্বীপটি বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে অবস্থিত। ফলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটির ওপর হুতিদের নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাব আরও বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

একই সময়ে সৌদি কর্মকর্তারা দেশটির পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার তথ্য নিশ্চিত করেছেন। হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে সৌদি তেল আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছানোর জন্য প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পাইপলাইনটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সৌদি-সমর্থিত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের দুটি সূত্র জানিয়েছে, তাদের বাহিনী পেরিম দ্বীপ থেকে সরে গেছে। একই সময়ে হুতিরা লোহিত সাগর উপকূলের ধুবাব শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। শহরটি পেরিম দ্বীপের ঠিক বিপরীতে অবস্থিত।

বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, পেরিম দ্বীপ ও বাব আল-মান্দেবের ওপর হুতিদের প্রভাব শক্তিশালী হলে হরমুজ প্রণালির পাশাপাশি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথও ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীর প্রভাবের আওতায় চলে আসতে পারে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়ে তেলের দাম আরও বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে।

হুতিদের হামলার আশঙ্কা বাড়ার মধ্যে সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সামরিক সহায়তা চেয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। তবে ওয়াশিংটন আপাতত সরাসরি সামরিক পদক্ষেপে যেতে রাজি হয়নি। এর পরিবর্তে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় ও সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু শনাক্তকরণে সহায়তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বৃহস্পতিবার অন্তত দুবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফোন করে হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়তা চেয়েছেন বলে বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত দুটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে। এর আগে অ্যাক্সিওসও একই তথ্য প্রকাশ করে।

সৌদি জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্রের বরাতে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, রিয়াদ ও মদিনা অঞ্চলে পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনে একাধিক হামলার পর এর বিদ্যমান সক্ষমতাও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইনটি হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে সৌদি তেল বৈশ্বিক বাজারে পাঠানোর প্রধান বিকল্প পথ। জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান ও বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এই পাইপলাইন দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৪০ থেকে ৫০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন করা হয়েছে।

এই পরিমাণ বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ৪ থেকে ৫ শতাংশের সমান। ফলে পাইপলাইনটি দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে আন্তর্জাতিক তেলবাজারে সরবরাহের ওপর উল্লেখযোগ্য চাপ তৈরি হতে পারে।

তবে সৌদি তেল অবকাঠামোয় হামলাটি কারা চালিয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ড্রোনগুলো ইরাক থেকে এসেছে। ইরাকে ইরান-সমর্থিত বিভিন্ন সশস্ত্র মিলিশিয়ার উপস্থিতি রয়েছে।

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধের পর এখন পর্যন্ত রিয়াদ কোনো পাল্টা হামলা চালায়নি। হামলার নিন্দা জানিয়েছে ইরাক সরকারও।

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলায় কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে। তবে এর ফলে সৌদি তেল রপ্তানিতে ঠিক কী ধরনের প্রভাব পড়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) শুক্রবার জানিয়েছে, তিন দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সৌদি আরবের অপরিশোধিত তেল সরবরাহ সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। এর অন্যতম কারণ হিসেবে বাব আল-মান্দেব দিয়ে চলাচলকারী জাহাজে হুতি-ঘনিষ্ঠ গোষ্ঠীগুলোর হামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

চলমান সংঘাতের মধ্যে শুক্রবার তেলের দাম কিছুটা কমলেও সপ্তাহ শেষে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের ওপরে থাকার পথে রয়েছে। মে মাসের মাঝামাঝির পর প্রথমবারের মতো তেলের দাম এমন পর্যায়ে পৌঁছানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেছেন, সৌদি জাহাজ ছাড়া অন্য সব ধরনের নৌযানের জন্য সামুদ্রিক চলাচল নিরাপদ। তবে সৌদি জাহাজের ওপর আগে ঘোষণা করা নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সৌদি যুবরাজের অনুরোধের পরও যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি সামরিক অভিযানে যুক্ত হচ্ছে না বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। তবে সৌদি আরব ও ইয়েমেন সরকারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে ওয়াশিংটন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরব ও ইয়েমেন সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে।

হুতিদের পেরিম দ্বীপে উপস্থিতি, সৌদির গুরুত্বপূর্ণ তেল অবকাঠামোয় ড্রোন হামলা এবং বাব আল-মান্দেব ও হরমুজ—দুটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ঘিরে অনিশ্চয়তা মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তুলেছে। সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে এর প্রভাব আন্তর্জাতিক তেলের বাজার ও বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তায় পড়তে পারে।