ঢাকা ০৪:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুমার নামাজের নিয়ম ও নিয়ত

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১২:১৯:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের বিশেষ দিন শুক্রবার।
এদিন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা শরিক হন জুমার নামাজে।

বলা হয়ে থাকে শুক্রবার তথা জুম্মাবার হচ্ছে মুসলিম জাহানের সাপ্তাহিক ঈদ।

এদিন যোহরের নামাজের পরিবর্তে দুই রাকাত জুমার নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের উপর ফরজ।

জুমার নামাজের নিয়ম ও নিয়ত সম্পর্কে জানুন:

চার রাকাত কাবলাল জুমার নিয়ত:

বাংলা উচ্চারণ: নাওয়াইতু আন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তায়ালা আরবায়া রাকাআতি ছালাতি কাব্‌লাল জুমুয়াতি, সুন্নাতি রাসূলিল্লাহি তয়ালা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল্‌ ক্বাবাতিশ্‌ শারীফাতি আল্লাহু আক্‌বার।

অর্থ: আমি কেবলামুখী হয়ে আল্লাহর ওয়াস্তে চার রাকায়াত কাবলাল জুমার সুন্নতে মুয়াক্কাদা নামাজের নিয়ত করলাম। আল্লাহু আকবর।

জুমার দুই রাকাত ফরজ নামাজের নিয়ত:

বাংলা উচ্চারণ: নাওয়াইতু আন্‌ উসকিতা আন্‌ জিম্মাতী ফারদুজ্জহ্‌রি, বি-আদায়ি রাকয়াতাই ছালাতিল্‌ জুমুয়াতি, ফারজুল্লাহি তায়ালা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল্‌ ক্বাবাতিশ্‌ শারীফাতি আল্লাহু আক্‌বার।

অর্থ: আমার উপর জুহরের ফরজ নামাজ আদায়ের যে দায়িত্ব রয়েছে, আমি কেবলামুখী হয়ে, জুম্মার দুই রাকায়াত ফরজ নামাজ আদায়ের মাধ্যমে তা পালনের নিয়ত করলাম। আল্লাহু আকবর।

চার রাকাত বাদাল জুমার নিয়ত:

বাংলা উচ্চারণ: নাওয়াইতু আন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তায়ালা আরবায়া রাকাআতি ছালাতি বাদাল জুমুয়াতি, সুন্নাতি রাসূলিল্লাহি তয়ালা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল্‌ ক্বাবাতিশ্‌ শারীফাতি আল্লাহু আক্‌বার।

অর্থ: আমি কেবলামুখী হয়ে আল্লাহর ওয়াস্তে চার রাকায়াত বাদাল জুম্মা সুন্নাতে মুয়াক্কাদা নামাজের নিয়ত করলাম। আল্লাহু আকবর।

জুমার নামাজ যাদের উপর ফরজ ও যাদের উপর নয়:

বালেগের উপর জুমার নামাজ পড়া ফরজ। না-বালেগের উপর বাকি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ যেমন ফরয নয়, তেমনি জুমার নামাজও ফরজ নয়। পুরুষের উপর জুমার নামাজ ফরজ।

যে ব্যক্তি মুকিম তার উপর জুম্মার নামাজ ফরজ নয়। যে ব্যক্তি কারো ক্রীতদাস নয়, তার উপর জুমার নামাজ পড়া ফরজ। পরের খরীদা-গোলাম এর উপর জুম্মা ফরজ নয়। যে সমস্ত ওজরের কারণে জামায়াতে উপস্থিত না হওয়ার অনুমতি রয়েছে, সে সমস্ত ওজরের কোনটি যার নাই, তার উপর জুম্মার নামাজ ফরজ।

জুমার নামাজের দিন বেশ কিছু সুন্নত রয়েছে। এদিন ভালো বা পারলে নতুন জামা বা পাঞ্জাবি পরা, খোশবু নেওয়া, হাত-পায়ের নখ কাটা সুন্নত।

 

সংগৃহীত

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জুমার নামাজের নিয়ম ও নিয়ত

আপডেট সময় ১২:১৯:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের বিশেষ দিন শুক্রবার।
এদিন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা শরিক হন জুমার নামাজে।

বলা হয়ে থাকে শুক্রবার তথা জুম্মাবার হচ্ছে মুসলিম জাহানের সাপ্তাহিক ঈদ।

এদিন যোহরের নামাজের পরিবর্তে দুই রাকাত জুমার নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের উপর ফরজ।

জুমার নামাজের নিয়ম ও নিয়ত সম্পর্কে জানুন:

চার রাকাত কাবলাল জুমার নিয়ত:

বাংলা উচ্চারণ: নাওয়াইতু আন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তায়ালা আরবায়া রাকাআতি ছালাতি কাব্‌লাল জুমুয়াতি, সুন্নাতি রাসূলিল্লাহি তয়ালা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল্‌ ক্বাবাতিশ্‌ শারীফাতি আল্লাহু আক্‌বার।

অর্থ: আমি কেবলামুখী হয়ে আল্লাহর ওয়াস্তে চার রাকায়াত কাবলাল জুমার সুন্নতে মুয়াক্কাদা নামাজের নিয়ত করলাম। আল্লাহু আকবর।

জুমার দুই রাকাত ফরজ নামাজের নিয়ত:

বাংলা উচ্চারণ: নাওয়াইতু আন্‌ উসকিতা আন্‌ জিম্মাতী ফারদুজ্জহ্‌রি, বি-আদায়ি রাকয়াতাই ছালাতিল্‌ জুমুয়াতি, ফারজুল্লাহি তায়ালা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল্‌ ক্বাবাতিশ্‌ শারীফাতি আল্লাহু আক্‌বার।

অর্থ: আমার উপর জুহরের ফরজ নামাজ আদায়ের যে দায়িত্ব রয়েছে, আমি কেবলামুখী হয়ে, জুম্মার দুই রাকায়াত ফরজ নামাজ আদায়ের মাধ্যমে তা পালনের নিয়ত করলাম। আল্লাহু আকবর।

চার রাকাত বাদাল জুমার নিয়ত:

বাংলা উচ্চারণ: নাওয়াইতু আন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তায়ালা আরবায়া রাকাআতি ছালাতি বাদাল জুমুয়াতি, সুন্নাতি রাসূলিল্লাহি তয়ালা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল্‌ ক্বাবাতিশ্‌ শারীফাতি আল্লাহু আক্‌বার।

অর্থ: আমি কেবলামুখী হয়ে আল্লাহর ওয়াস্তে চার রাকায়াত বাদাল জুম্মা সুন্নাতে মুয়াক্কাদা নামাজের নিয়ত করলাম। আল্লাহু আকবর।

জুমার নামাজ যাদের উপর ফরজ ও যাদের উপর নয়:

বালেগের উপর জুমার নামাজ পড়া ফরজ। না-বালেগের উপর বাকি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ যেমন ফরয নয়, তেমনি জুমার নামাজও ফরজ নয়। পুরুষের উপর জুমার নামাজ ফরজ।

যে ব্যক্তি মুকিম তার উপর জুম্মার নামাজ ফরজ নয়। যে ব্যক্তি কারো ক্রীতদাস নয়, তার উপর জুমার নামাজ পড়া ফরজ। পরের খরীদা-গোলাম এর উপর জুম্মা ফরজ নয়। যে সমস্ত ওজরের কারণে জামায়াতে উপস্থিত না হওয়ার অনুমতি রয়েছে, সে সমস্ত ওজরের কোনটি যার নাই, তার উপর জুম্মার নামাজ ফরজ।

জুমার নামাজের দিন বেশ কিছু সুন্নত রয়েছে। এদিন ভালো বা পারলে নতুন জামা বা পাঞ্জাবি পরা, খোশবু নেওয়া, হাত-পায়ের নখ কাটা সুন্নত।

 

সংগৃহীত