সিএনএম ডেস্কঃ
১৭০০ বছর ধরে খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, যিশু খ্রিস্টের সমাধি জেরুজালেমের ‘চার্চ অফ দ্য হোলি সেপালকার’-এর ভিতরেই অবস্থিত।
চতুর্থ শতাব্দীতে রোমান সম্রাট কনস্ট্যানটাইন এই স্থানে প্রথম গির্জাটি নির্মাণ করার পর থেকেই প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তীর্থযাত্রীরা এখানে প্রার্থনা করতে এসেছেন। এবার গির্জাটির নিচে খননকাজ সম্পন্ন হওয়ার পর প্রত্নতাত্ত্বিকরা এর একটি পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন। এর সঙ্গে ‘গসপেল অফ জন’-এ বর্ণিত স্থানের বিস্ময়কর মিল রয়েছে।
প্রত্নতাত্ত্বিক ফ্রান্সেস্কা রোমানা স্টাসোল্লা সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘‘আমরা এখানে এমন সমাধিক্ষেত্রের নিদর্শন পেয়েছি, যার পাশেই আঙুর ও জলপাই গাছ লাগানো ছোট ছোট ভূখণ্ড রয়েছে। এখানে গ্রামীণ পরিবেশের প্রমাণ মিলেছে।” বাইবেলে যিশুর সমাধিস্থলকে পাথরের ভেতর খোদাই করা একটি সমাধি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যা তাঁকে ক্রুশবিদ্ধ করার স্থানের কাছাকাছি একটি বাগানের মধ্যে অবস্থিত ছিল। জোহনের সেই বর্ণনার সঙ্গে এই এলাকাটির আশ্চর্য মিল! যদিও সমাধির ভিতরে সমাহিত ব্যক্তিকে শনাক্ত করার মতো ভৌত প্রমাণ হাতে নেই। কিন্তু এতটা সাদৃশ্য থেকে এই সম্ভাবনাই প্রবল হয়ে ওঠে যে, আদি খ্রিস্টানরা যিশুর ‘আসল’ সমাধিস্থলটি সংরক্ষণ করে রেখেছিলেন।
কে ছিলেন এই জোসেফ? আরিমাথিয়ার জোসেফ ছিলেন এক ধনী ব্যক্তি। তিনি যিশুর দেহকে নিজের এক নতুন পাথরের সমাধিতে সমাহিত করেছিলেন। সমাহিত করার তিন দিন পর যিশু মৃত অবস্থা থেকে পুনরুত্থিত হলে সমাধিটি শূন্য হয়ে যায়।
জাপানের একটি স্থানীয় লোককথা অনুযায়ী, যিশু ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার পর ফিরে এলে জাপানের আওমোরি প্রিফেকচারের শিঙ্গো গ্রামে চলে যান। সেখানে দীর্ঘকাল বাস করার পর তিনি মারা যান। সেখানে একটি স্থানকে ‘যিশুর কবর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা পর্যটকদের আকর্ষণ করে।
Reporter Name 





















