ঢাকা ১২:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থেকে মানব পাচার মামলার আসামি গ্রেফতার

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১১:৫২:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

সিএনএমঃ

মানব পাচার মামলার আসামি মোঃ কাইয়ুম (৪৬)’কে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ এলাকা হতে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০।

বাদীনি ও আসামি মোঃ কাইয়ুম (৪৬) পরস্পর পূর্বপরিচিত। গত ১৭/১২/২০২৪ তারিখ সময় অনুমান ১২.০০ ঘটিকার সময় আসামি মোঃ কাইয়ুম (৪৬) বাদীনির বাড়িতে গিয়ে তাকে ও তার স্বামী ( ভিকটিম) জুয়েল রানাকে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সম্মুখে আশ্বস্ত করে যে আগামী ০১ বছরের মধ্যে ওয়ার্ক পারমিট সহ ভিকটিম জুয়েল রানাকে অস্ট্রেলিয়া পাঠাবে এবং এতে ১২ লক্ষ টাকা খরচ হবে। আসামির কথায় আশ্বস্ত হয়ে বাদিনী ও তার স্বামী (ভিকটিম) আসামীকে বিভিন্ন সময়ে নগদ ও ব্যাংকের মাধ্যমে ১২ লক্ষ টাকা প্রদান করেন। পরবর্তীতে আসামী মোঃ কাইয়ুম (৪৬) অপরাপর আসমিরা পরস্পর যোগসাজশে বাদীনির স্বামী জুয়েল রানাকে অস্ট্রেলিয়া না পাঠিয়ে কাজাখস্তানের একটি দালাল চক্রের হাতে বিক্রি করে দেয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্ত্রীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে যশোর জেলার বাঘারপাড়া থানার মামলা নং-০৩/৫৩, তারিখ- ০৬/০৪/২৬ খ্রিঃ, ধারা-২০২৬ সালের মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন এর ৬/৭/৯/১০ রুজু করা হয়।

পরবর্তীতে উক্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ঘটনায় জড়িত আসামীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে অধিনায়ক, র‌্যাব-১০, ঢাকা বরাবর একটি অধিযাচনপত্র প্রেরণ করেন। উক্ত অধিযাচনপত্রের ভিত্তিতে র‌্যাব-১০, সিপিএসসি, লালবাগ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল উল্লেখিত আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে।

এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল ০৮/০৮/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ২১.৪৫ ঘটিকায় র‌্যাব-১০ এর উক্ত আভিযানিক দল তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকা জেলার দক্ষিন কেরানীগঞ্জ থানাধীন হাসনাবাদ ব্রিজের মোড় সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বর্ণিত মামলার এজাহারনামীয় আসামি মোঃ কাইয়ুম(৪৬), পিতা- সামসু উদ্দিন, সাং-মুসলিমনগর, থানা-কেরানীগঞ্জ, জেলা- ঢাকা’কে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব-১০ এ ধরনের অমানবিক অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে আসছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র‌্যাব সর্বদা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থেকে মানব পাচার মামলার আসামি গ্রেফতার

আপডেট সময় ১১:৫২:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

সিএনএমঃ

মানব পাচার মামলার আসামি মোঃ কাইয়ুম (৪৬)’কে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ এলাকা হতে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০।

বাদীনি ও আসামি মোঃ কাইয়ুম (৪৬) পরস্পর পূর্বপরিচিত। গত ১৭/১২/২০২৪ তারিখ সময় অনুমান ১২.০০ ঘটিকার সময় আসামি মোঃ কাইয়ুম (৪৬) বাদীনির বাড়িতে গিয়ে তাকে ও তার স্বামী ( ভিকটিম) জুয়েল রানাকে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সম্মুখে আশ্বস্ত করে যে আগামী ০১ বছরের মধ্যে ওয়ার্ক পারমিট সহ ভিকটিম জুয়েল রানাকে অস্ট্রেলিয়া পাঠাবে এবং এতে ১২ লক্ষ টাকা খরচ হবে। আসামির কথায় আশ্বস্ত হয়ে বাদিনী ও তার স্বামী (ভিকটিম) আসামীকে বিভিন্ন সময়ে নগদ ও ব্যাংকের মাধ্যমে ১২ লক্ষ টাকা প্রদান করেন। পরবর্তীতে আসামী মোঃ কাইয়ুম (৪৬) অপরাপর আসমিরা পরস্পর যোগসাজশে বাদীনির স্বামী জুয়েল রানাকে অস্ট্রেলিয়া না পাঠিয়ে কাজাখস্তানের একটি দালাল চক্রের হাতে বিক্রি করে দেয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্ত্রীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে যশোর জেলার বাঘারপাড়া থানার মামলা নং-০৩/৫৩, তারিখ- ০৬/০৪/২৬ খ্রিঃ, ধারা-২০২৬ সালের মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন এর ৬/৭/৯/১০ রুজু করা হয়।

পরবর্তীতে উক্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ঘটনায় জড়িত আসামীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে অধিনায়ক, র‌্যাব-১০, ঢাকা বরাবর একটি অধিযাচনপত্র প্রেরণ করেন। উক্ত অধিযাচনপত্রের ভিত্তিতে র‌্যাব-১০, সিপিএসসি, লালবাগ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল উল্লেখিত আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে।

এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল ০৮/০৮/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ২১.৪৫ ঘটিকায় র‌্যাব-১০ এর উক্ত আভিযানিক দল তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকা জেলার দক্ষিন কেরানীগঞ্জ থানাধীন হাসনাবাদ ব্রিজের মোড় সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বর্ণিত মামলার এজাহারনামীয় আসামি মোঃ কাইয়ুম(৪৬), পিতা- সামসু উদ্দিন, সাং-মুসলিমনগর, থানা-কেরানীগঞ্জ, জেলা- ঢাকা’কে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব-১০ এ ধরনের অমানবিক অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে আসছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র‌্যাব সর্বদা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।