ঢাকা ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ড. ইউনূসের ৬৬৬ কোটি টাকার কর মওকুফের খবর মিথ্যা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৫:০৫:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • ৫৭ বার পড়া হয়েছে

সিএনএমঃ

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ৬৬৬ কোটি টাকার কর মওকুফ বা মামলা তুলে নেওয়ার খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন।

মঙ্গলবার হাইকোর্টে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ব্যারিস্টার মামুন।

তিনি জানান, গ্রামীণ কল্যাণের কর সংক্রান্ত মামলাটি এখনও হাইকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। ২০০৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত চুক্তির ভিত্তিতে পাওয়া মুনাফার ওপর গ্রামীণ কল্যাণ ইতিমধ্যে ১৫ শতাংশ হারে উৎস কর বা ট্যাক্স অ্যাট সোর্স পরিশোধ করেছে। কিন্তু ২০১৭ সালে একজন জয়েন্ট কমিশনার তার এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে বেআইনিভাবে পুনরায় এই ৬৬৬ কোটি টাকা কর আরোপ করেন। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গ্রামীণ কল্যাণের দায়ের করা দুটি রিট মামলা বর্তমানে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।

তিনি আরও জানান, ড. ইউনূস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে যোগ দেওয়ার পরই গ্রামীণ প্রতিষ্ঠানগুলোর চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। এসব প্রতিষ্ঠান কোম্পানি আইনের ২৮ ধারায় পরিচালিত অলাভজনক সংস্থা, যার কোনো ব্যক্তিমালিকানা নেই। তাই কর ফাঁকি বা মওকুফের বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রচারিত খবরগুলো সম্পূর্ণ গুজব ও বিভ্রান্তিকর।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

ড. ইউনূসের ৬৬৬ কোটি টাকার কর মওকুফের খবর মিথ্যা

আপডেট সময় ০৫:০৫:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

সিএনএমঃ

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ৬৬৬ কোটি টাকার কর মওকুফ বা মামলা তুলে নেওয়ার খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন।

মঙ্গলবার হাইকোর্টে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ব্যারিস্টার মামুন।

তিনি জানান, গ্রামীণ কল্যাণের কর সংক্রান্ত মামলাটি এখনও হাইকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। ২০০৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত চুক্তির ভিত্তিতে পাওয়া মুনাফার ওপর গ্রামীণ কল্যাণ ইতিমধ্যে ১৫ শতাংশ হারে উৎস কর বা ট্যাক্স অ্যাট সোর্স পরিশোধ করেছে। কিন্তু ২০১৭ সালে একজন জয়েন্ট কমিশনার তার এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে বেআইনিভাবে পুনরায় এই ৬৬৬ কোটি টাকা কর আরোপ করেন। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গ্রামীণ কল্যাণের দায়ের করা দুটি রিট মামলা বর্তমানে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।

তিনি আরও জানান, ড. ইউনূস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে যোগ দেওয়ার পরই গ্রামীণ প্রতিষ্ঠানগুলোর চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। এসব প্রতিষ্ঠান কোম্পানি আইনের ২৮ ধারায় পরিচালিত অলাভজনক সংস্থা, যার কোনো ব্যক্তিমালিকানা নেই। তাই কর ফাঁকি বা মওকুফের বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রচারিত খবরগুলো সম্পূর্ণ গুজব ও বিভ্রান্তিকর।