ঢাকা ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দলের ভেতরে গণতন্ত্র না থাকলে রাষ্ট্রে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তির অভিযোগে তেজগাঁও থানার ওসি ও ওসি তদন্তসহ ৪ পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিরাপত্তার কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কনসার্ট বাতিল করা হয়েছে: ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫০১ জন, মামলা ৫৩ টি শহীদ কাজী নাজিম উদ্দীন সেতু’র উদ্বোধন জরুরী নোটিশ  নোবিপ্রবি অভ্যন্তরীণ যাতায়াতের সুবিধার্থে পরিবেশবান্ধব দুটি ই-কার উদ্বোধন ৪ টি বিদেশি পিস্তল, ৩টি ম্যাগাজিন ও ১২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার,গ্রেফতার ৬ শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের শ্রদ্ধা সরকার মিথ্যা তথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে

জামায়াত নিষিদ্ধ হলে শূন্যস্থান পূরণ করবে কে? :

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১০:০৫:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
  • ৪৫ বার পড়া হয়েছে

সিএনএমঃ

জামায়াতের সংসদ সদস্য এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, ‘ধরলাম, আমরা নিষিদ্ধ হয়ে গেলাম। এই শূন্যস্থান পূরণ করবে কে? আপনারা কি একাই দেশ চালাবেন? আপনারা কি একদলীয় শাসন কায়েম করবেন?’

রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে এমন মন্তব্য করেন এ টি এম আজহার।

গত ২২ জুন জামায়াতকে ইঙ্গিত করে তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছিলেন বিএনপির সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম।

আজহারুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আমি মনে করি, আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করতে চাচ্ছেন। কারণ, চার মাসেও আপনারা একজন লোক খুঁজে পেলেন না যে প্রেসিডেন্ট কে হবে?’ প্রশ্ন রেখে তিনি আরও বলেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতিকে কেন বিএনপির এত পছন্দ?’ তাকে পদে রাখার জন্য কোনো দিক থেকে বিএনপি ইঙ্গিত পেয়েছে কি না সেই প্রশ্নও রাখেন জামায়াতের এই এমপি। তিনি জানান, ফ্যাসিবাদ নির্মূল করতে চাইলে সব চিহ্ন মুছে ফেলতে হবে।

বক্তব্যের শুরুতেই জামায়াতে ইসলামীর প্রয়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামী, আলী হাসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, কামারুজ্জামান, আবদুল কাদের মোল্লা, মীর কাশেম আলীকে স্মরণ করেন আজহার। তিনি দাবি করেন, মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত জামায়াতের এই নেতাদের মিথ্যা মামলায় জুডিশিয়াল কিলিংয়ের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। যারা এর সঙ্গে জড়িত, তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানান তিনি।

সুদমুক্ত আর্থিক ব্যবস্থারি দাবিও জানান তিনি। বলেন, ‘রাজস্ব আহরণে অনিশ্চয়তা, ঋণের অতিরিক্ত নির্ভরতা এবং উন্নয়ন ব্যয়ের সংকোচন বাজেট বাস্তবায়নকে কঠিন করে তুলতে পারে। অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য থাকলেও মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক চাপ এবং বৃহৎ রাজস্ব–ঘাটতির মতো বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে।’

এ টি এম আজহার বলেন, ‘সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, পরিচালন ব্যয়ের ক্রমবর্ধমান চাপ। বাজেটে পরিচালন ব্যয়ের পরিমাণ ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৫ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের একটি বড় অংশ। এর মধ্যে শুধু সুদ পরিশোধে ব্যয় হবে ১ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। সুদ পরিশোধের এই রেকর্ড পরিমাণ দায় সরকারের আর্থিক সক্ষমতার ওপর গুরুতর চাপ সৃষ্টি করবে। এই পরিস্থিতি উত্তরণের জন্য সুদমুক্ত আর্থিক উপকরণ ‘ফিন্যান্সিয়াল ইন্সট্রুমেন্ট’ চালুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।’

সুদ একটি বড় পাপ উল্লেখ করে আজহার বলেন, ‘বেশির ভাগ মুসলমানের দেশে সুদ চলতে দেয়া যায় না। সুদভিত্তিক ঋণের পরিবর্তে ইসলামি শরিয়াহ মোতাবেক রিটেইল সুকুক ইস্যুর মাধ্যমে জনগণের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের বিকল্প বিবেচনা করা যায়।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

দলের ভেতরে গণতন্ত্র না থাকলে রাষ্ট্রে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়

জামায়াত নিষিদ্ধ হলে শূন্যস্থান পূরণ করবে কে? :

আপডেট সময় ১০:০৫:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

সিএনএমঃ

জামায়াতের সংসদ সদস্য এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, ‘ধরলাম, আমরা নিষিদ্ধ হয়ে গেলাম। এই শূন্যস্থান পূরণ করবে কে? আপনারা কি একাই দেশ চালাবেন? আপনারা কি একদলীয় শাসন কায়েম করবেন?’

রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে এমন মন্তব্য করেন এ টি এম আজহার।

গত ২২ জুন জামায়াতকে ইঙ্গিত করে তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছিলেন বিএনপির সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম।

আজহারুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আমি মনে করি, আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করতে চাচ্ছেন। কারণ, চার মাসেও আপনারা একজন লোক খুঁজে পেলেন না যে প্রেসিডেন্ট কে হবে?’ প্রশ্ন রেখে তিনি আরও বলেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতিকে কেন বিএনপির এত পছন্দ?’ তাকে পদে রাখার জন্য কোনো দিক থেকে বিএনপি ইঙ্গিত পেয়েছে কি না সেই প্রশ্নও রাখেন জামায়াতের এই এমপি। তিনি জানান, ফ্যাসিবাদ নির্মূল করতে চাইলে সব চিহ্ন মুছে ফেলতে হবে।

বক্তব্যের শুরুতেই জামায়াতে ইসলামীর প্রয়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামী, আলী হাসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, কামারুজ্জামান, আবদুল কাদের মোল্লা, মীর কাশেম আলীকে স্মরণ করেন আজহার। তিনি দাবি করেন, মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত জামায়াতের এই নেতাদের মিথ্যা মামলায় জুডিশিয়াল কিলিংয়ের মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। যারা এর সঙ্গে জড়িত, তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানান তিনি।

সুদমুক্ত আর্থিক ব্যবস্থারি দাবিও জানান তিনি। বলেন, ‘রাজস্ব আহরণে অনিশ্চয়তা, ঋণের অতিরিক্ত নির্ভরতা এবং উন্নয়ন ব্যয়ের সংকোচন বাজেট বাস্তবায়নকে কঠিন করে তুলতে পারে। অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য থাকলেও মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক চাপ এবং বৃহৎ রাজস্ব–ঘাটতির মতো বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হবে।’

এ টি এম আজহার বলেন, ‘সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, পরিচালন ব্যয়ের ক্রমবর্ধমান চাপ। বাজেটে পরিচালন ব্যয়ের পরিমাণ ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৫ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের একটি বড় অংশ। এর মধ্যে শুধু সুদ পরিশোধে ব্যয় হবে ১ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। সুদ পরিশোধের এই রেকর্ড পরিমাণ দায় সরকারের আর্থিক সক্ষমতার ওপর গুরুতর চাপ সৃষ্টি করবে। এই পরিস্থিতি উত্তরণের জন্য সুদমুক্ত আর্থিক উপকরণ ‘ফিন্যান্সিয়াল ইন্সট্রুমেন্ট’ চালুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।’

সুদ একটি বড় পাপ উল্লেখ করে আজহার বলেন, ‘বেশির ভাগ মুসলমানের দেশে সুদ চলতে দেয়া যায় না। সুদভিত্তিক ঋণের পরিবর্তে ইসলামি শরিয়াহ মোতাবেক রিটেইল সুকুক ইস্যুর মাধ্যমে জনগণের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের বিকল্প বিবেচনা করা যায়।’