ঢাকা ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে ছেলেকে হত্যা,বাবা বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৬:৫১:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ এপ্রিল ২০২১
  • ৪৮৯ বার পড়া হয়েছে

স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে ছেলেকে হত্যা,বাবা বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

সিএনএম প্রতিনিধিঃ

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে ছেলেকে গলা কেটে হত্যার পর তার বাবা বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন।

রোববার (২৫ এপ্রিল) রাতে কালকিনি উপজেলার গোপালপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রনি পৌর এলাকার ৯নং ওয়ার্ডের গোপালপুর গ্রামের তোফাজ্জেল সরদারের ছেলে ও খৈয়ারভাঙা হাফিজিয়া মাদ্রাসাছাত্র।

পুলিশ ও এলাকা সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে মো. তোফাজ্জল হোসেন তার স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে তার মাদ্রাসা পড়ুয়া ছেলে রনিকে দা দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে ঘরের মেঝেতে ফেলে রাখে। তোফাজ্জেল নিজেই বিষপান করে অচেতন অবস্থায় ঘরের মধ্যে পড়ে থাকে।

পরে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি দেখতে পেয়ে কালকিনি থানা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ নিহত ছাত্র রনির মরদেহ উদ্ধার করে মাদারীপুর মর্গে পাঠায়। অসুস্থ অবস্থায় তোফাজ্জেল সরদারকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

কালকিনি থানার ওসি ইশতিয়াক আসফাক রাসেল বলেন, আমরা এসে ছেলেটি ও তার বাবাকে খাটের ওপর একসঙ্গে পেয়েছি। বাবাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তবে জেনেছি তোফাজ্জল হোসেন ছেলে হত্যা করে নিজেই বিষপান করে মরতে চেয়েছেন। তবে এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে ছেলেকে হত্যা,বাবা বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

আপডেট সময় ০৬:৫১:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ এপ্রিল ২০২১

সিএনএম প্রতিনিধিঃ

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে ছেলেকে গলা কেটে হত্যার পর তার বাবা বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন।

রোববার (২৫ এপ্রিল) রাতে কালকিনি উপজেলার গোপালপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রনি পৌর এলাকার ৯নং ওয়ার্ডের গোপালপুর গ্রামের তোফাজ্জেল সরদারের ছেলে ও খৈয়ারভাঙা হাফিজিয়া মাদ্রাসাছাত্র।

পুলিশ ও এলাকা সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে মো. তোফাজ্জল হোসেন তার স্ত্রীর সঙ্গে অভিমান করে তার মাদ্রাসা পড়ুয়া ছেলে রনিকে দা দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে ঘরের মেঝেতে ফেলে রাখে। তোফাজ্জেল নিজেই বিষপান করে অচেতন অবস্থায় ঘরের মধ্যে পড়ে থাকে।

পরে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি দেখতে পেয়ে কালকিনি থানা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ নিহত ছাত্র রনির মরদেহ উদ্ধার করে মাদারীপুর মর্গে পাঠায়। অসুস্থ অবস্থায় তোফাজ্জেল সরদারকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

কালকিনি থানার ওসি ইশতিয়াক আসফাক রাসেল বলেন, আমরা এসে ছেলেটি ও তার বাবাকে খাটের ওপর একসঙ্গে পেয়েছি। বাবাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তবে জেনেছি তোফাজ্জল হোসেন ছেলে হত্যা করে নিজেই বিষপান করে মরতে চেয়েছেন। তবে এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।