1. hrhfbd01977993@gmail.com : admi2017 :
  2. editorr@crimenewsmedia24.com : CrimeNews Media24 : CrimeNews Media24
  3. editor@crimenewsmedia24.com : CrimeNews Media24 : CrimeNews Media24
রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ০২:০৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
"ফটো সাংবাদিক আবশ্যক" দেশের প্রতিটি থানা পর্যায়ে "ক্রাইম নিউজ মিডিয়া" সংবাদ সংস্থায় ১জন রিপোর্টার ও ১জন ফটো সাংবাদিক আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীরা  যোগাযোগ করুন। ইমেইলঃ cnm24bd@gmail.com ০১৯১১৪০০০৯৫
সংবাদ শিরোনাম ::
জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে কেউ যেন বৈষম্যের শিকার না হন: রাষ্ট্রপতি ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আওয়ামী লীগ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে : প্রধানমন্ত্রী বিদেশী সাহায্যপ্রাপ্ত প্রকল্পগুলো দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর টেকসই উন্নয়নের জন্য কার্যকর জনসংখ্যা ব্যবস্থাপনা চান প্রধানমন্ত্রী সরকারি বরাদ্দকৃত অর্থ নকল কাগজ তৈরি পূর্বক আত্মসাৎ ও লুটপাট তিতাসে দাবিকৃত চাঁদা না দেয়ায় গুলাগুলি, দুই ভাই আহত হজ যাত্রীদের ভিসা অনুমোদনের সময় বাড়াতে সৌদি আরবের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে মুখস্ত শিক্ষার ওপর নির্ভরতা কমাতে পাঠ্যক্রমে পরিবর্তন আনা হচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে টেকসই কৌশল উদ্ভাবনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আওয়ামী লীগ মাঠে না থাকলে বিএনপি সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালাবে : ওবায়দুল কাদের

দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে টেকসই কৌশল উদ্ভাবনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

  • আপডেট সময় শনিবার, ১১ মে, ২০২৪, ৪.১৯ পিএম
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে

সিএনএম ডেস্কঃ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে গণমূখী, পরিবেশবান্ধব, সাশ্রয়ী, উপযুক্ত ও টেকসই কৌশল এবং পরিকল্পনা গ্রহণের জন্য প্রকৌশলীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘দেশের উন্নয়নকে দ্রুততর করতে আলোচনার মাধ্যমে কৌশল ঠিক করুন যাতে আমরা দেশকে সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি।’
প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি)’র ৬১তম কনভেনশনে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।
আইইবি ঢাকা সেন্টার রাজধানীতে আইইবি সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে ‘প্রকৌশল ও প্রযুক্তির জন্য স্মার্ট বাংলাদেশ’ মূল প্রতিপাদ্য নিয়ে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।
শেখ হাসিনা বলেন, আপনাদের এই কনভেনশন যখন হয় তখন অতীতে বিভিন্ন সময়ে যারা দায়িত্বপ্রাপ্ত তাদের যে কর্মকান্ড তার সাফল্য ব্যর্থতা সম্পর্কে পর্যালোচনা করবেন, বিশ্লেষণ করবেন। পাশাপাশি আমরা ভবিষ্যতে কীভাবে এগিয়ে যাব, আরও দ্রুত উন্নতি করতে পারবো সেই কৌশল কী হবে সেই বিষয়গুলোও আপনারা আলোচনা করবেন এবং সেই কৌশল নির্ধারণ করবেন। অন্তত আমরা যখন সরকারে আছি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবার ক্ষেত্রে কাজে লাগাতে পারবো। সেটাই আমি আপনাদের কাছ থেকে আশাকরি।
তাঁর সরকার যত পরিকল্পনা করছে বা দেশের উন্নয়ন করছে সেখানে প্রকৌশলীদের বিশাল ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার একটা অনুরোধ থাকবে যে পরিকল্পনা হোক সেই পরিকল্পনা যেন প্রথমত, পরিবেশবান্ধব হতে হবে। কারণ, জলবায়ুর অভিঘাত থেকে আমাদের দেশকে রক্ষা করা আমাদের লক্ষ্য এবং এটা আমাদের করতেই হবে। আমাদের খরা, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস প্রতিনিয়ত মোকাবেলা করতে হয়। কাজেই সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমাদের পরিকল্পনা প্রহণ করতে হবে। জলাধারগুলোকে আমাদের রক্ষা করতে হবে। প্রয়োজনে জলাধার সংরক্ষিত রেখে এবং নদী-নালা,খাল-বিল, হাওড় এলাকায় পানির প্রবাহ ধরে রেখে স্থাপনা নির্মাণ করতে হবে। বৃষ্টির পানি ধরে রেখে তা কাজে লাগানোর প্রচেষ্টা নিতে হবে।
সরকার প্রধান বলেন, এর পাশাপাশি পরিকল্পনাগুলো যেন টেকসই হয় এবং খরচের দিকটাও বিবেচনায় নিতে হবে। অহেতুক যে কোন পরিকল্পনা যেন আমরা গ্রহণ না করি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা একনেক বৈঠকেও তিনি নির্দেশ দিয়েছেন যে, কোন পরিকল্পনা গ্রহণ করলে এর থেকে জনগণ কতটুকু লাভবান হবে বা এর রিটার্ন কী আসবে বা যেটা আমাদের জন্য উপযোগী সেই পরিকল্পনা নিতে হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, শুধুমাত্র একটা নির্মাণ কাজের জন্য যেন নির্মাণ করা না হয়, এটা আমার অনুরোধ। একটা কনষ্ট্রাকশন হলে কিছু লোক কাজ পাবেন কিছু কমিশন বা কিছু লোক নানা সুবিধা পাবেন সেটা যেন না হয়।
তিনি বলেন, ‘এর জন্য আমি আমার পার্লামেন্টারি পার্টির এমপিদেরও নির্দেশ দিয়েছি। সংসদে বলেছি, একনেক সভাসহ সব জায়গায় বলেছি। আর সে রকম যদি কোন প্রকল্প দেখি অবশ্যই আমি তা অনুমোদন করবো না। যেটা আমার দেশের কাজে লাগবে, মানুষের কাজে লাগবে আর যে প্রকল্প শেষ করলে পরে তার থেকে দেশ কিছু লাভবান হবে, মানুষ লাভবান হবে, আমাদের উপার্জন হবে সেভাবেই যেন পরিকল্পনা করা হয়। এটাই আমার কাম্য।
অনুষ্ঠানে উপস্থাপিত প্রকৌশলীদের যৌক্তিক দাবিগুলো দেশের উন্নয়নে তাদের অবদানের কথা মাথায় রেখেই তিনি যাচাই বাছাই পূর্বক পূরণের ব্যবস্থা নেবেন বলেও আশ্বাস দেন।

প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন স্তরের প্রকৌশলী, কেন্দ্র, উপকেন্দ্র, প্রকৌশল বিভাগ এবং এএমআইই পরীক্ষার স্নাতকদের হাতে স্বর্ণপদক ও সনদসহ পুরস্কার তুলে দেন।
আইইবি সভাপতি প্রকৌশলী মো. আব্দুস সবুর এমপি,আইইবি সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী এসএম মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, আইইবি ঢাকা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ হোসেইন ও আইইবি ঢাকা কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলাম অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
আইইবি’র ৬১তম কনভেনশনের থিম সং এর পাশাপাশি একটি অডিও-ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা অনুষ্ঠানে প্রদর্শন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের আরও অনেক উন্নয়ন পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে আপনারা (প্রকৌশলীগণ) বিশেষভাবে অবদান রাখতে পারবেন, আমরা সেটা আশা করি।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর থেকে এই বাংলাদেশ যাতে আরো উন্নত হয় সে জন্য যা যা করণীয় আমরা তা করেছি। ইতোমধ্যে ‘প্রেক্ষিত পরিকল্পনা-২০২১’ আমরা বাস্তবায়ন করেছি এখন ২০২১ থেকে ২০৪১ প্রণয়ন করে সেটাও আমাদের পঞ্চবার্র্ষিক পরিকল্পনা সঙ্গে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। আর জাতিসংঘ ঘোষিত এসডিজি পরিকল্পনা ২০৩০ও একই সঙ্গে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
এ সময় ২০৪১ সালের বাংলাদেশ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ হিসেবে গড়ে উঠবে উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, সেখানে ‘স্মার্ট জনসংখ্যা’, ‘স্মার্ট সরকার’, ‘স্মার্ট অর্থনীতি’ এবং ‘স্মার্ট সমাজ’ প্রতিষ্ঠিত হবে। সেভাবেই আমরা বাংলাদেশকে গড়ে তুলবো।
শেখ হাসিনা বলেন, সেটা করার জন্য আমি প্রকৌশলীদের বলবো আপনারা আপনাদের মেধা ও মনন দিয়ে পরিকল্পনা কী নেওয়া যায়? কীভাবে এগুনো যায়? কোন কোন খাতকে আমরা আরো অগ্রাধিকার দিতে পারি – সেক্ষেত্রে আপনাদের পরামর্শ চাই। যেটা আমাদের কাজে লাগবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ^ এখন একটি গ্লোবাল ভিলেজ। কাজেই বিশে^র সাথে আমাদের তাল মিলিয়ে চলতে হবে। বিশ^ দরবারে মাথা উঁচু করে চলতে হবে। সেইভাবে আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে। সেইভাবেই আমি পরিকল্পনা করছি।
আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি এবং ২০২৬ সাল থেকে তা বাস্তবায়ন শুরু হবে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, কাজেই এখন থেকেই এর জন্য যথাযথ পরিকল্পনা আমরা নিচ্ছি। কিন্তু, এখান থেকে যে সুযোগগুলো আমরা পাব সে গুলো যথাযথভাবে আমাদের কাজে লাগাতে হবে। আর যে চ্যালেঞ্জগুলো আসবে সেগুলো আমাদের মোকাবেলা করতে হবে এবং আমরা তা পারবো। কাজেই এখন থেকেই আমাদের সে প্রস্তুতি নিতে হবে।
তাঁর সরকার সবসময়ই চায় কীভাবে দেশের মানুষ ভাল থাকবে এবং তাদের জীবন মান উন্নত হবে উল্লেখ করে দেশের উন্নয়ন যাদের চোখে পড়েনা সেই বিশেষ গোষ্ঠীর সমালোচনাও করেন তিনি।
সরকার প্রধান বলেন, আমি অবাক হয়ে যাই আমাদের দেশের কিছু কিছু মানুষ আছেন আপনি যাই করেন, কিছুই তাদের ভাল লাগে না। ‘কিছু ভাল লাগে না’ একটা গোষ্ঠীই রয়েছে। যেমন-কেউ কেউ প্রশ্ন তোলেন পদ্মা সেতুতে রেল যোগাযোগের কী দরকার ছিল বা স্যাটেলাইট-২ এরই বা প্রয়োজন কি আছে? পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র কেন করা হলো? শুধু শুধ টাকা নষ্ট। মেট্রো রেলের তো প্রয়োজনই ছিল না। ৩০ হাজার কোটি টাকা দিয়ে মেট্রোরেল না করে ৩ হাজার কোটি টাকা খরচ করলেই তো যানজট দূর হয়ে যেত।
তিনি এ সময় বিশ^ ব্যাংকের ভূয়া দুর্নীতির অভিযোগকে মিথ্যা প্রমাণ করে তাদের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের উল্লেখ করে বলেন, অনেকেই বলেছিলেন বিশ^ ব্যাংক ছাড়া হবে না। কিন্তু আমরা নিজের অর্থে পদ্মা সেতু নির্মাণ করে বিশ^কে দেখিয়ে দিয়েছি যে আমরাও পারি। জাতির পিতা ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণে বলেছিলেন ‘বাঙালিকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবানা’ আমাদের কেউ দাবিয়ে রাখতে পারেনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই যে কিছু ভাল লাগে না গোষ্ঠীর এগুলো সফলভাবে নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ায় পরে মানুষের জীবন যাত্রা আরো সহজ হয়ে যাওয়ায় তাদের কী অসুবিধা হচ্ছে, তারা কী এর সুবিধা ভোগ করছেন না? সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।
শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়নে প্রকৌশলীদের গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, দেশে এখন ২৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে যা আমরা ২০৪১ সাল নাগাদ ৬০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করতে চাই। সেক্ষেত্রে আমি বলবো আমাদের প্রকৌশলীদেরও গবেষণা দরকার। আমরা বিদ্যুৎ উৎপাদনকে বহুমুখি করেছি আগামীতে আরেকটি দিক আসছে হাইড্রোজেন। হাইড্রোজেন বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রেও আমাদের গবেষণা দরকার। একই সঙ্গে স্বল্প খরচে টেকসই যন্ত্রপাতি নির্মাণ, স্থাপনা নির্মাণ ও মেরামতেও গবেষণা প্রয়োজন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রকৌশল ক্ষেত্রে আরো বেশি গবেষণা করে-আপনাদের যে উদ্ভাবনী শক্তি ও মেধা রয়েছে সেটাকে কীভাবে আমরা দেশের কাজে লাগাতে পারি সে দিকে আপনারা বিশেষ দৃষ্টি দেবেন। কারণ, আমাদের সবকিছুই নির্মাণের দায়িত্ব পড়ে প্রকৌশলীদের ওপর।’
শেখ হাসিনা এ সময় তাঁর সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে অতি দরিদ্রদের জন্য ঘর-বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়ায় আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার জন্য প্রকৌশলীদের ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, ‘এখানে প্রশাসন থেকে প্রকৌশলী এমনকী সংশ্লিষ্ট সকলেই আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছেন। যার জন্য আজ ২১টি জেলা এবং ৩৩৪টি উপজেলাকে ভূমিহীন-গৃহহীণ মুক্ত ঘোষণা দিতে পেরেছি। ইনশাল্লাহ এই বাংলাদেশে একটি পরিবারও ভূমিহীন-গৃহহীণ থাকবে না।’
আরো অল্প খরচে এই সাধারণ মানুষগুলোর জন্য একটি স্বাস্থ্যকর ও সুন্দরভাবে বসবাস উপযোগী আবাসস্থল নির্মাণে কারো যদি কোন পরামর্শ বা পরিকল্পনা থাকে তা দেওয়ার জন্যও তিনি প্রকৌশলীদের প্রতি আহবান জানান।
শেখ হাসিনা বলেন, বিত্তশালীরা কেবল নয়, আমি চাই আমার রিকশাওয়ালা, সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষসহ দিন মজুররাও ফ্লাটে থাকবে। আমার প্রত্যেকটি কাজ হচ্ছে এই তৃণমুল মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য। একথা মাথায় রেখেই আপনারা আপনাদের দায়িত্ব পালন করবেন। দেখবেন নিজেদেরও ভালো লাগবে।
জাতির পিতার কন্যা বলেন, আমরা প্রত্যেকটা পদক্ষেপ নিচ্ছি বাংলাদেশকে আর্থ-সামাজিক উন্নতি করে উন্নত-সমৃদ্ধ ‘স্মার্ট সোনার বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে। সেখানে মূল চালিকা শক্তি হবে আমাদের প্রকৌশলী বৃন্দ। কাজেই আপনাদের ভালোমন্দ দেখার দায়িত্ব আমাদের। সেটা আমরা করবো।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazar_crimenew87
© All rights reserved © 2015-2021
Site Customized Crimenewsmedia24.Com