ঢাকা ০৪:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুমু নিয়ে রইল ১০ মজার তথ্য

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৩:৫০:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ এপ্রিল ২০২৪
  • ৪৪৯ বার পড়া হয়েছে

সিএনএম ডেস্কঃ
প্রিয়জনের ঠোঁটে ঠোঁট রেখে হালকা বা গাঢ় চুমুর মর্যাদা কোনো দিনই অন্য কিছু দিতে পারে না। আবেগমাখা চুমুই বার্তা দেয়, সম্পর্ক কতটা গাঢ় বা পছন্দের মানুষ কতখানি ‘স্পেশাল’! নিয়ম করে শরীরচর্চার পাশাপাশি রোজ চুমু খেলেও স্বাস্থ্য থাকবে ঝরঝরে, সে খবর রাখেন কি?
১. সম্পর্ক সুন্দর ও মজবুত করতে চুম্বনের ভূমিকা যে অসীম, তা বলাই বাহুল্য। ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হলো চুম্বন। তবে জানেন কি, শরীরের যত্ন নিতেও দারুণ উপকারী চুম্বন। টুকটাক মান-অভিমান মেটাতে এমন আদরণীয় হাতিয়ারের জুড়ি মেলা ভার। নিয়ম করে শরীরচর্চার পাশাপাশি রোজ চুমু খেলেও স্বাস্থ্য থাকবে ঝরঝরে, সে খবর রাখেন কি?
২. ‘স্মুচিং’ বা গভীর চুমু, সুস্থ থাকার মাপকাঠি। গাঢ় চুমুর ক্ষেত্রে প্রতি মিনিটে ৪-৬ ক্যালোরি ঝরতে পারে। কতটা আন্তরিকতার সঙ্গে ও কতক্ষণ একটানা চুমু খাচ্ছেন, তার ওপর নির্ভর করবে কতটা ক্যালোরি ঝরবে।

৩. গবেষকদের মতে, নিয়মিত চুমুতে ‘ফিল গুড’ হরমোনদের ক্ষরণ বাড়ায়। ফলে, শরীরে অবাঞ্ছিত মেদ ঘাঁটি গাড়তে পারে না। বরং অনিয়মের কারণে যেটুকু মেদ জমে, তা-ও গলে যায় সহজেই।

৪. গবেষকদের মতে, দিনে অন্তত ৩-৪ বার গভীর চুম্বন করলে তবেই মিলবে উপকার। শুধু তা-ই নয়, এমন ভঙ্গিমায় চুমু খেতে হবে, যাতে মুখের পেশিগুলো সক্রিয় হয়।

৫. গবেষণা বলছে, একটি চুম্বন গড়ে ১২ সেকেন্ডের বেশি স্থায়ী হয়। ১৯৮০-র দশকে এর থেকেও কম সময় স্থায়ী থাকত চুম্বনের সময়। তখন গড় চুম্বন মাত্র ৫.৫ সেকেন্ড স্থায়ী হত।
৬. চুমুর কিন্তু অনেক স্বাস্থ্যগুণ রয়েছে। দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চুমু খাওয়া উপকারী। শরীরের পাশাপাশি মুখের মেদ ঝরাতেও এই কসরতটি করাই যায়। চুমু খেলে শরীরে কোলাজেন উৎপাদনের হারও বাড়ে, ফলে ত্বকে বয়সের ছাপ ঠেকিয়ে রাখতেও চুমুর জুড়ি মেলা ভার।

৭. শারীরিকভাবে কারও প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার পর প্রথম ধাপও তো বেশিরভাগ সময় এটাই হয়ে থাকে! গবেষণা বলছে আপনি যদি ৩০ মিনিট ধরে চুমু খান তাহলে আপনার শরীরের ৬৮ ক্যালোরি ঝরে। এমনকী, মার্কিন একদল গবেষকদের দাবি চুমু যদি বেশি তীব্র হয়, সে সময় যদি খুব দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস চলে, তাহলে ৯০ ক্যালোরি পর্যন্ত ঝরতে পারে!

৮. দৈনন্দিন জীবনে চাপ কার থাকে না। প্রতিনিয়ত বাড়ি অফিস সর্বত্রই নানা সমস্যায় ভুগতে হয়। সেক্ষেত্রে একটু চুমু খেলে শরীর থেকে ফিল গুড হরমোন নির্গত হয়। যা আপনাকে স্ট্রেস ফ্রি রাখবে। এমনকী আপনাকে রোম্যান্টিকও করে তুলবে।

৯. সঙ্গীকে চুমু খেয়ে ওজন কমিয়ে ফেলতে পারেন। আপনার ৩০ মিনিট মেকআউট সেশনে বা ফোরপ্লেতে প্রতিটা স্মুচে আপনি ৮ থেকে ১৬ ক্যালোরি বার্ন করতে পারেন। তবে, আপনাকে প্যাশনের সঙ্গে চুমু খেতে হবে সঙ্গীকে।
১০. প্রেমিকার ঋতুস্রাব হয়েছে? তলপেটের যন্ত্রণা তাকে ছিঁড়ে খাচ্ছে? এই সময় আপনার চুমু তার দাওয়াই হতে পারে। চুম্বন মেন্সট্রুয়াল ক্রাম্প কমাতে সাহায্য করে। তার সঙ্গে মাথার যন্ত্রণা কমাতে সাহায্য করে চুমু।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

চুমু নিয়ে রইল ১০ মজার তথ্য

আপডেট সময় ০৩:৫০:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ এপ্রিল ২০২৪

সিএনএম ডেস্কঃ
প্রিয়জনের ঠোঁটে ঠোঁট রেখে হালকা বা গাঢ় চুমুর মর্যাদা কোনো দিনই অন্য কিছু দিতে পারে না। আবেগমাখা চুমুই বার্তা দেয়, সম্পর্ক কতটা গাঢ় বা পছন্দের মানুষ কতখানি ‘স্পেশাল’! নিয়ম করে শরীরচর্চার পাশাপাশি রোজ চুমু খেলেও স্বাস্থ্য থাকবে ঝরঝরে, সে খবর রাখেন কি?
১. সম্পর্ক সুন্দর ও মজবুত করতে চুম্বনের ভূমিকা যে অসীম, তা বলাই বাহুল্য। ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হলো চুম্বন। তবে জানেন কি, শরীরের যত্ন নিতেও দারুণ উপকারী চুম্বন। টুকটাক মান-অভিমান মেটাতে এমন আদরণীয় হাতিয়ারের জুড়ি মেলা ভার। নিয়ম করে শরীরচর্চার পাশাপাশি রোজ চুমু খেলেও স্বাস্থ্য থাকবে ঝরঝরে, সে খবর রাখেন কি?
২. ‘স্মুচিং’ বা গভীর চুমু, সুস্থ থাকার মাপকাঠি। গাঢ় চুমুর ক্ষেত্রে প্রতি মিনিটে ৪-৬ ক্যালোরি ঝরতে পারে। কতটা আন্তরিকতার সঙ্গে ও কতক্ষণ একটানা চুমু খাচ্ছেন, তার ওপর নির্ভর করবে কতটা ক্যালোরি ঝরবে।

৩. গবেষকদের মতে, নিয়মিত চুমুতে ‘ফিল গুড’ হরমোনদের ক্ষরণ বাড়ায়। ফলে, শরীরে অবাঞ্ছিত মেদ ঘাঁটি গাড়তে পারে না। বরং অনিয়মের কারণে যেটুকু মেদ জমে, তা-ও গলে যায় সহজেই।

৪. গবেষকদের মতে, দিনে অন্তত ৩-৪ বার গভীর চুম্বন করলে তবেই মিলবে উপকার। শুধু তা-ই নয়, এমন ভঙ্গিমায় চুমু খেতে হবে, যাতে মুখের পেশিগুলো সক্রিয় হয়।

৫. গবেষণা বলছে, একটি চুম্বন গড়ে ১২ সেকেন্ডের বেশি স্থায়ী হয়। ১৯৮০-র দশকে এর থেকেও কম সময় স্থায়ী থাকত চুম্বনের সময়। তখন গড় চুম্বন মাত্র ৫.৫ সেকেন্ড স্থায়ী হত।
৬. চুমুর কিন্তু অনেক স্বাস্থ্যগুণ রয়েছে। দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চুমু খাওয়া উপকারী। শরীরের পাশাপাশি মুখের মেদ ঝরাতেও এই কসরতটি করাই যায়। চুমু খেলে শরীরে কোলাজেন উৎপাদনের হারও বাড়ে, ফলে ত্বকে বয়সের ছাপ ঠেকিয়ে রাখতেও চুমুর জুড়ি মেলা ভার।

৭. শারীরিকভাবে কারও প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার পর প্রথম ধাপও তো বেশিরভাগ সময় এটাই হয়ে থাকে! গবেষণা বলছে আপনি যদি ৩০ মিনিট ধরে চুমু খান তাহলে আপনার শরীরের ৬৮ ক্যালোরি ঝরে। এমনকী, মার্কিন একদল গবেষকদের দাবি চুমু যদি বেশি তীব্র হয়, সে সময় যদি খুব দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস চলে, তাহলে ৯০ ক্যালোরি পর্যন্ত ঝরতে পারে!

৮. দৈনন্দিন জীবনে চাপ কার থাকে না। প্রতিনিয়ত বাড়ি অফিস সর্বত্রই নানা সমস্যায় ভুগতে হয়। সেক্ষেত্রে একটু চুমু খেলে শরীর থেকে ফিল গুড হরমোন নির্গত হয়। যা আপনাকে স্ট্রেস ফ্রি রাখবে। এমনকী আপনাকে রোম্যান্টিকও করে তুলবে।

৯. সঙ্গীকে চুমু খেয়ে ওজন কমিয়ে ফেলতে পারেন। আপনার ৩০ মিনিট মেকআউট সেশনে বা ফোরপ্লেতে প্রতিটা স্মুচে আপনি ৮ থেকে ১৬ ক্যালোরি বার্ন করতে পারেন। তবে, আপনাকে প্যাশনের সঙ্গে চুমু খেতে হবে সঙ্গীকে।
১০. প্রেমিকার ঋতুস্রাব হয়েছে? তলপেটের যন্ত্রণা তাকে ছিঁড়ে খাচ্ছে? এই সময় আপনার চুমু তার দাওয়াই হতে পারে। চুম্বন মেন্সট্রুয়াল ক্রাম্প কমাতে সাহায্য করে। তার সঙ্গে মাথার যন্ত্রণা কমাতে সাহায্য করে চুমু।