1. hrhfbd01977993@gmail.com : admi2017 :
  2. editorr@crimenewsmedia24.com : CrimeNews Media24 : CrimeNews Media24
  3. editor@crimenewsmedia24.com : CrimeNews Media24 : CrimeNews Media24
শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৪:১৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
"ফটো সাংবাদিক আবশ্যক" দেশের প্রতিটি থানা পর্যায়ে "ক্রাইম নিউজ মিডিয়া" সংবাদ সংস্থায় ১জন রিপোর্টার ও ১জন ফটো সাংবাদিক আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীরা  যোগাযোগ করুন। ইমেইলঃ cnm24bd@gmail.com ০১৯১১৪০০০৯৫
সংবাদ শিরোনাম ::
যেকোন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকেই কঠোরভাবে দমন করা হবে : হানিফ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে জনগণকে দিতে, আর বিএনপি আসে নিতে : প্রধানমন্ত্রী ঈদ মোবারক মিথ্যা সংবাদ ও অপসাংবাদিকতা ও চাঁদাবাজ সাংবাদিক ইন্দ্রজিত সরকার এর বিরুদ্ধে অভিযোগ লালবাগ থেকে ১,৬৬,০০০ পিস ট্যাবলেট, ইনজেকশনসহ আটক ২ রহস্যে ঘেরা সামিয়ার মৃত্যু যাত্রাবাড়ির রহস্যময় সেই হোটেল এখনও সেখানে মৃত্যুপুরী অবস্থা সেখানে জিম্মি থাকা নারীদের জাতীয় ঈদগাহে সুষ্ঠুভাবে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত করার লক্ষে ৫ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান বিপিএম (বার), পিপিএম (বার)। এছাড়াও রাজধানীর প্রতিটি ঈদ জামাতকে ঘিরে আলাদা আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথাও জানিয়েছেন তিনি। আজ মঙ্গলবার জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান ডিএমপি কমিশনার। ডিএমপি কমিশনার বলেন, রাজধানীর প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে। জাতীয় ঈদগাহে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধান বিচারপতি, মাননীয় বিচারপতিবৃন্দ, মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবর্গ, ঢাকাস্থ মুসলিম দেশের কূটনৈতিকবৃন্দ এবং অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ঈদ জামাত আদায় করবেন। প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি একত্রে এই ঈদগাহ মাঠে নামাজ আদায় করতে পারবেন। গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, ঈদের প্রধান জামাতসহ রাজধানীর সকল মসজিদ ও ইদগাহে ঈদের জামাতকে ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঈদগাহ ও আশপাশ এলাকা স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) এর ইকুইপমেন্ট ও ডিএমপির ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করানো হবে। পুরো এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হবে। এছাড়াও ড্রোন পেট্রোলিং ও ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। পর্যাপ্ত সংখ্যক ইউনিফর্মধারী পুলিশ সদস্যদের সমন্বয়ে জাতীয় ঈদগাহের চারপাশে বহির্বেষ্টনী ও আন্ত:বেষ্টনী গড়ে তোলা হবে। প্রবেশ গেটে মেটাল ডিটেক্টর ও আর্চওয়ের মাধ্যমে তল্লাশি করা হবে। ইউনিফর্ম পুলিশের পাশাপাশি ডিবি পুলিশ, এসবি ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা সিভিল পোশাকে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সোয়াট টিম, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট স্ট্যান্ডবাই থাকবে। এছাড়াও দুর্ঘটনা এড়াতে ফায়ার সার্ভিস ও তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবায় মেডিকেল টিম নিয়োজিত থাকবে। তিনি বলেন, প্রধান ঈদ জামাত ঘিরে দশটি স্থানে পার্কিং ব্যবস্থা করেছে ডিএমপির ট্রাফিক রমনা বিভাগ। ঈদ জামাত ঘিরে আটটি রাস্তা ডাইভারসন দেওয়া হবে, যাতে কোনোরকমের হয়রানি ছাড়া মুসল্লিরা আসতে পারেন। নারীদের জন্য নামাজের পৃথক ব্যবস্থা থাকবে, তাদেরকে নারী পুলিশ সদস্যরা তল্লাশি করবেন। তিনি আরো বলেন, এবার ঢাকায় ১৮৪টি ঈদগাহে ও ১ হাজার ৪৮৮ টি মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রত্যেকটি ঈদ জামাতের জন্য আলাদা আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। একটি জামাতও নিরাপত্তা বলয়ের বাইরে থাকবে না। নাগরিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যারা ঈদের নামাজে অংশ নিতে আসবেন তারা আমাদের তল্লাশি কার্যক্রমে সাহায্য করবেন। কেউ দাহ্য বা ধারালো বস্তু নিয়ে আসবেন না। যে কোনো সমস্যা হলে পুলিশকে জানান। জামাত থেকে বের হওয়ার সময় ধৈর্যের সঙ্গে সুশৃঙ্খলভাবে বের হবেন। সাংবাদিকদেরে এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ এলাকায় পাহাড়ি সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) কোনো তৎপরতার তথ্য নেই। পাশাপাশাপি কোন ধরনের জঙ্গি তৎপরতার তথ্যও নেই। তারপরও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সকল বিষয় বিবেচনায় রেখেই নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে বাস মালিক সমিতিসহ সকল স্টেকহোল্ডারদের আমাদের বৈঠক হয়েছে। তারা আমাদের নির্ধারিত ভাড়া আদায়েরর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। রাজধানীর সকল যাত্রীবাহী বাস কাউন্টার ও স্টেশনগুলোতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ তৎপর রয়েছে। কোন ধরনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এসময় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) এ কে এম হাফিজ আক্তার বিপিএম-বার (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত); অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) ড. খঃ মহিদ উদ্দিন বিপিএম-বার (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত); অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস, ফিন্যান্স এন্ড প্রকিউরমেন্ট) মহাঃ আশরাফুজ্জামান বিপিএম; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ মুনিবুর রহমান বিপিএম-সেবা; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মোঃ আসাদুজ্জামান বিপিএম (বার); অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বিপিএম (বার), পিপিএম (বার); যুগ্ম পুলিশ কমিশনারগণ, উপ-পুলিশ কমিশনারগণ ও বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাগণসহ এবং প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ফেনসিডিলসহ আটক দুই চুমু নিয়ে রইল ১০ মজার তথ্য ভাগিনার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক মামার জমি দখলের অভিযোগ

“মানব পাঁচারকারী নানাবিধ অপরাধীদের সেল্টার দিতে ওসি ফরমান আলী ও মাজহারুল ইসলাম এর ক্ষমতার অপব্যবহারের শেষ কোথায়”

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ, ২০২৪, ২.৫৫ পিএম
  • ২০৬ বার পড়া হয়েছে

“মানব পাঁচারকারী নানাবিধ অপরাধীদের সেল্টার দিতে ওসি ফরমান আলী ও মাজহারুল ইসলাম এর ক্ষমতার অপব্যবহারের শেষ কোথায়

মানবাধিকার কর্মী মোঃ আলমগীর (সেলিম) জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে এবং তার সাথে ঘটে যাওয়া বিষয় উল্লেখ করে মাননীয়
প্রধানমন্ত্রী সহ আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েছেন অভিযোগে তিনি যে সকল বিষয় প্রতিকার চেয়েছেন তিনি বলেন, আমি পেশায় গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ও হিউম্যান রিসোর্স এন্ড হেল্থ ফাউন্ডেশন সংগঠনের মহা-সচিব ও ২৪ ক্রাইম নিউজ মিডিয়া লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর। কাজের ফাঁকে ফাঁকে অবসর সময়টুকু লেখালেখি করি এবং দেশ ও জনস্বার্থে স্বেছাসেবী হিসেবে হিউম্যান রিসোর্স এন্ড হেল্থ ফাউন্ডেশন নামক সংস্থার কার্যক্রম পরিচালনা করি। সময় সময় সরকারের মহুতি উদ্দ্যোগুলোর সাথে সামঞ্ছস রেখে মাঠ পর্যায়ে নানাবিধ অপরাধ তথ্য অনুসন্ধান করে তাহা নির্মূলের লক্ষ্য ̈ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ ও বিভিন্ন মন্ত্রনালয় এবং আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর দায়িত্বশীল ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে লিখিত আবেদন ও অভিযোগ পত্র পাঠিয়ে থাকি এবং গণ মাধ্যমকে ও দেশের উন্নতির লক্ষ্যে জনস্বার্থে নানাবিধ তথ্য দিয়ে সহায়তা করে আসছি।
কিন্তু দীর্ঘ দিন যাবত দেশের মাদক, ক্যাসিনো (জুয়া), ব্যবসায়ী ও নারী পাচারকারী কয়েকটি চক্র বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে আইন শৃঙ্খলাবাহিনী অতি উৎসাহিত ব্যক্তিদের গোপন সহায়তায় নানাবিধ অপরাধীদের ওসি মাজহার ও ফরমান
আলীর গোপন সম্পর্ক কৃত লালিত পালিত অসাধু পুলিশ সদস্য ̈ আমাকে হত্যা করার ষড়যন্ত্রসহ নানা ধরণের মিথ্যা মামলা,হামলা
করে আসছে।
এতে অসাধু কিছু পুলিশ সদস, র্যাব সদস ̈, ডিবি সদস্য, দীর্ঘদিন ধরে একই জোনে ডি.এম.পি-তে চাকরি করায় অসাধু কর্মকর্তাদের সাথে অপরাধীদের সুসম্পর্ক থাকায় তাদের সহায়তা নিয়ে নানাবিধ অপরাধ কর্ম করে ও আমাকে হয়রানির অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে ও মিথ্যা মামলা দিচ্ছে এবং অপরাধীরা তাদের অপরাধ করে সৎ দায়িত্বশীল আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস ̈দের হাতে বিভিন্ন সময় ধরা পরে এবং তাদের বিরুদ্ধে অসংখ ̈ মামলাও হয়েছে যাহার বাদী র ̈াব ও পুলিশ সদস্য ও বিভিন্ন ভুক্তভোগী। দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাদের বরাবরে সংস্থার জনস্বর্থে দায়েরকৃত
নানাবিধ অভিযোগগুলো দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ সরেজমিনে গিয়ে বা ̄Íবমুখী কোন আইনানুগ ব্যবস্থা না নেওয়ায় বারবার অভিযোগ গুলো তুলে নিতে বা ধামাচাপা দিতে বারবার আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর কিছু অসাধু পুলিশ সদস্য গোপনে মানব পাঁচারকারী নারী ঘটিত ব্যবসায়ী ও মাদক কারবারী সহ নানাবিধ অপরাধীদের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে বিভিন্ন সময় মানবাধিকার কর্মীদের উপর বিভিন্ন রকমের ষড়যন্ত্র হয়রানির অপচেষ্টা ও মিথ্যা মামলা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। মহোদয়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এদেশে জন্মে ছিল বলেই তার স্বাধীনতার ডাকে তাকে আমরা পেয়েছি
স্বাধীন বাংলাদেশ মুক্তি হয়েছে পরাধীনতার আর দেশোদেধাহীরা মনে করেছিল পিতার বুকের রক্ত ঝরিয়ে তাকে নিঃশেষ করে দিলে এদেশ আবার পাকিস্থান হয়ে যাবে। বঙ্গবন্ধু চির নিদধায় গেলেও দেশের উন্নয়নের হাল ধরেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে বলেই দেশোদেধাহীরা নানা কৌশলে দেশ ও সমাজকে অনুন্নয়নের দিকে ঠেলে দিতে বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করছে। বিশেষ করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে রয়েছে কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তা। এদের জন ̈ সৎ দায়িত্বশীল কর্মকর্তাগণদের কর্ম এলাকায় সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে। অসাধুরা মানুষকে সেবা দেন। অর্থ যে দিকে সেবা বেশি দেন সেদিকে।নিজেরা রাতারাতি অবৈধ অর্থ উপার্জনের লালসায় সমাজের নানামুখি অপরাধীদের সাথে গোপনের সুসম্পর্ক গড়ে তোলে তাদের আইন বর্হিভূত নানা কর্মকান্ড করার সুযোগ করে দিচ্ছে। যাহা সরকারের ব্যাপক সুনাম ক্ষতির আশং১⁄৪ায় রয়েছে।

যে সকল সরকারি দপ্তরে অভিয়োগ প্রেরিত হয়েছেঃ

গত ০১/১০/২০২৩ ইং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট সচিব, আইন সচিব, সমাজকল্যাণ সচিব, মহা-পুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি), বিভাগীয় কমিশনার ঢাকা, ঢাকা রেঞ্ছ ডিআইজি, ডিএমপি পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসক, ঢাকা, যুগ্ম কমিশনার ক্রাইম (ডিএমপি),কমিশনার অনুসন্ধান, দুর্নীতি দমন কমিশন, উপ-পুলিশ কমিশনার ওয়ারী বিভাগ, বরাবর ২০ পাতায় একটি লিখিত অভিযোগ পত্র দেই।
যাহার বিষয় বিষয় ছিলঃ মানবাধিকার কার্যμম বন্ধ করতে মিথ্যা মামলা, হামলা, অপসংবাদ ও সং স্থার অফিস লুটপাট,ডাকাতিসহ নানাবিধ ষড়যন্ত্রকারী নারী গঠিত ও মাদক, জুয়া ব্যবসায়ী, মানব পাচারকারী এবং তাদের সহায়তাকারী পুলিশ ও র ̈াব সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রসঙ্গে।

সরকারি দপ্তরে প্রেরিত জনস্বার্থে অন্যান ̈ অভিযোগ সমূহঃ

১। ৩০/০৬/২০২২ইং, এসএল ৫৮৯, আইজিপি’স কমপ্লেইন মনিটরিং সেল পুলিশ হেডকোয়াটার্স, ঢাকা।
২। ০৫/০৫/২০২৩ইং, এসএল ৩০৫, আইজিপি’স কমপ্লেইন মনিটরিং সেল পুলিশ হেডকোয়াটার্স, ঢাকা।
৩। ১৯/০৪/২০২৩ইং, এসএল ২৭২, আইজিপি’স কমপ্লেইন মনিটরিং সেল পুলিশ হেডকোয়াটার্স, ঢাকা।
৪। ১৬/০৫/২০২৩ইং, এসএল ৩২৫, আইজিপি’স কমপ্লেইন মনিটরিং সেল পুলিশ হেডকোয়াটার্স, ঢাকা।
৫। ০৮/০৫/২০২৩ইং, এসএল ৩০৪, আইজিপি’স কমপ্লেইন মনিটরিং সেল পুলিশ হেডকোয়াটার্স, ঢাকা।
৬। ০১/১০/২০২৩ইং, এসএল ৭৩৯, আইজিপি’স কমপ্লেইন মনিটরিং সেল পুলিশ হেডকোয়াটার্স, ঢাকা।
৭। ১২/১১/২০২৩ইং, এসএল ৮৪৩, আইজিপি’স কমপ্লেইন মনিটরিং সেল পুলিশ হেডকোয়াটার্স, ঢাকা।
৮। ০৮/০৪/২০২৩ইং, এসএল ২৩৬, আইজিপি’স কমপ্লেইন মনিটরিং সেল পুলিশ হেডকোয়াটার্স, ঢাকা।
৯। ১২/১১/২০২৩ইং, সিরিভ আইজিপি’স কমপ্লেইন মনিটরিং সেল পুলিশ হেডকোয়াটার্স, ঢাকা।
১০। ২৫/০৫/২০২২ইং,এসএল ৪৪৬ আইজিপি’স কমপ্লেইন মনিটরিং সেল পুলিশ হেডকোয়াটার্স, ঢাকা।
১১। ১৯/০৫/২০২২ইং,এসএল ৪২৭ আইজিপি’স কমপ্লেইন মনিটরিং সেল পুলিশ হেডকোয়াটার্স, ঢাকা।
১২। ০২/০৬/২০২২ইং,এসএল ৪৮২ আইজিপি’স কমপ্লেইন মনিটরিং সেল পুলিশ হেডকোয়াটার্স, ঢাকা।
১৩। ১৬/০৬/২০২২ইং,এসএল ৫৬৯ আইজিপি’স কমপ্লেইন মনিটরিং সেল পুলিশ হেডকোয়াটার্স, ঢাকা।
১৪। ১৯/১০/২০২৩ইং,এসএল ৭৯০ আইজিপি’স কমপ্লেইন মনিটরিং সেল পুলিশ হেডকোয়াটার্স, ঢাকা।
১৫। ০৩/১২/২০২৩ইং,আরটি ১৩.৪০ রিসিভকারী সিমা আইজিপি’স কমপ্লেইন পুলিশ হেডকোয়াটার্স, ঢাকা।
১৬। হিউম্যান রিসোর্স এন্ড হেল্থ ফাউন্ডেশন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনে প্রাপ্ত আবেদন যার বিষয় ধর্ষক ও নারী পাচারকারীদের
বিরুদ্ধে অভিযোগ সমূহ উক্ত সরকারী দপ্তরে বরাবর অভিযোগ দেই।

যে প্রতিবাদ করায় ওসি মাজহার ও ফরমান আলী ষড়যন্ত্র করেঃ

অভিযোগগুলো দেওয়ার আগে ও পরে হোটেল নিউ বলাকা, নিউ পপুলার আবাসিক হোটেলের ভাড়াটিয়া মালিক সাজ্জাদ
(মোবাইলঃ ০১৬১৫-২৯৮৮৬১), ও জাভেল হোসেন পাপন (০১৯৩৯-৩১৯১৪১), জাবেদ হোসেন মিঠু (০১৮২৭-১৬৫৬৩৬), জামাল (০১৭১১-৪৪৬২৮৭), সাইদুল (০১৯৩৩-৫৭৮৮৫৯), বাট্টু সেলিম, পলাশ (০১৭১৯-৩৫৫৯১৬), কিলার শাকিল (০১৭০৯-০৫০৮৯০), ফারুক (০১৮৪৯-২৭৭৭৭৪), বিল্লাল (০১৮১৮-৫৫৮১৮২, ০১৮৭১-৫০৯৫৯৫), ডিপজল
(০১৯৪৩-১৫৫২২৭), মুন্না ওরফে সবুজ (০১৯৮৯-৮৮০৫৪৯), সাং- ৮২/এ, ইউনুস সুপার মার্কেট নিউ পপুলার আবাসিক হোটেল
হোল্ডিং মালিক খলিল ও তার তিন বোন, একই স্থানে সামিউল্লাহ প্লাজার ৫ম তলার নিউ বলাকা আবাসিক হোটেল হোল্ডিং
মালিক আজিজ ও তার স্ত্রীসহ তিন শালী হোল্ডিং মালিকগণ নারী পাচারকারী ও নারী ব্যবসায়ী গড ফাদার সাজ্জাদ, পাপন,
মিঠু, অবৈধ ইনকামে শত শত কোটি টাকার মালিকগংদের হোল্ডিং ভাড়া দিয়ে সবকিছু জানার পরও অবৈধ কাজে নিষেধ না
করে গোপনে পরসপর যোগ সাজসে সহায়তা করে আসছে উক্ত পাচারকারীগণরা ও প্রেম বিয়ে চাকুরী দেওয়াসহ মেয়েদের বিভিন্ন
ফাঁদে ফেলে উক্ত নিউ পপুলার ও নিউ বলাকা হোটেলে এনে আটক করে বা জিম্মি করে প্রথমে নিজেরা গণধর্ষণ করে এক পর্যায়ে অন্যান্য দালালরা নিজেরা বা খদ্দর সংগ্রহ করে নানাধরনের শারীরিক নির্যাতন পূর্বক বিভিন্ন পুরুষ খদ্দের দিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ করায় এবং গোপন ক্যামেরায় ভিডিও স্টিল ছবি তুলে রাখে এবং খদ্দের চাহিদা বাড়াতে বিভিন্ন স্টাইলে তোলা ছবি ̧লো ̧গল ইন্টারনেটে ফেইসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে ছড়িয়ে দেয় এক পর্যায়ে বিভিন্ন ফন্দি ফিকির করে ঐ সকল মেয়েদের নানা কৌশলে পরিবারের কাছে যাওয়ার সকল পথ বন্ধ করে দেয়।
উক্ত পপুলার ও বলাকায় আনা নবাগত মেয়েদের কিছুদিন নানা নির্যাতন পূর্বক আটক রাখার পর দালালদের বশে এনে নানাবিধ ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে নতুন কৌশল করে ইন্টারনেটে ছবি ছাড়ার সাথে চাহিদা মোতাবেক খদ্দেরদের সাথে যোগাযোগ
করতে দালালদের মোবাইল নাম্বার ও দেওয়া থাকে ঐ সকল নারী পাচারকারী ও খদ্দের সংগ্রহকারী দালাল ১। ইমরান,মোবাইলঃ (০১৭২৬-২৬৩০২৬) ২। সুলতান, মোবাইলঃ (০১৬০৯-৩০৯২১৬) ৩। রসিদ, মোবাইল( ০১৭২৭-০৮১৬৯০) ৪। সুলতান-২, মোবাইলঃ (০১৭৩৮-১৮৭৬২৮৫)। ইমরান-২ মোবাইলঃ(০১৩১৯-০৭০৩৩৩৬)। ইমরান-৩, মোবাইল(০১৩২৭-২৭০০৭২৭)। মাহিম, মোবাইলঃ (০১৯৯৮-৩৫৩৬২৭৮) সুলতান-৩, মোবাইলঃ ০১৯৩২-৫৫৮৭২৫৯)। রাকিব, মোবাইলঃ(০১৭৩৮-৭২১৮০৭১০) রাকিব, মোবাইল (০১৯৯২-৪৭১১৬৩১১)। ফাইম, মোবাইলঃ ০১৩৩১-৪০১৪২৫ ১২। মিহিন,মোবাইলঃ ০১৭১৮-২৬৪৪৫০ ১৩। হুমাউন, মোবাইলঃ ০১৮৩৪-৯৮৬৯৬৯১৪। নিরব, মোবাইল ঃ ০১৭১৭-৩৪২৫৮৮১৫।মহিদুল, মোবাইলঃ ০১৮২৬-৪৫১৬৩১১৬। আপন, মোবাইল ঃ ০১৯১১-৯৩০১৩০১৭। সুমন, মোবাইল ঃ০১৭২০২৪৩২৩৪১৮। আবজাল, মোবাইল ঃ ০১৭৯০-৬৪০৯৯৪১৯। তোফাজেল, মোবাইলঃ ০১৭১১-৬৭৪৮৯৮২০। তারেক,মোবাইলঃ ০১৯২০-৪০১৫৬৬২১। আনোয়ার, মোবাইলঃ ০১৭৩৩-৭৬৮০৮৭ ২২। জামাল, মোবাইলঃ ০১৭০৬-৯৬৫২৯ ২৩।অভি ভাই, মোবাইলঃ ০১৯২৪-২৬৪২৩৫, ২৪। নাসির মোবাইলঃ ০১৮১৮-৮৭৬৫৯২০, ২৫। নাসির-২ মোবাইলঃ ০১৭২৫-৭২৯২২৭, ২৬। নাসির-৩ মোবাইলঃ ০১৮১৭-২৭১৪৪৫, ২৭। মানিক, মোবাইলঃ ০১৮৪৬-৮১৩১২৯, ২৮। ইউসুফ,মোবাইলঃ ০১৭২১-৬১৭৯৩৯, ২৯। সুমন, মোবাইলঃ ০১৭২০২-৪৩২৩৪ ৩০। সুমন-২ মোবাইলঃ ০১৮১৮-৫৫৮১৮২, ৩১।মনির, মোবাইলঃ ০১৭০৪৬০৫২১৪, ৩২। তারেক (০১৬০২-৮৮২৫৩৩), ৩৩। রিপন, ৩৪। মোঃ আনোয়ার (০১৭৭৪-৯০০৬৩৯), ৩৫। শাকিল (০১৭৭২-৮৮৫৩০৪) ৩৬। কোটিপতি সবুজ (০১৭২৬-৬৪০১৭৫), ৩৭। কামাল (০১৯১৩-৭৮১৩১৭), ৩৮। মানিক ০১৭১৬-৯০০৩৩৬), ৩৯। রনি/ডালিম (০১৬৮৩-১৫৮২৯৮) ৪০। জসিম (০১৮৬৪-৭০৫৯৫৯) ৪১। শফিক (০১৩০২-১২১২৯৫), ৪২। শাওন (০১৩৮৬-৮৩৫৩৭) ৪৩। টুন্ডা আনোয়ার (০১৭৩৩-৭৬৮০৮৭), ৪৪।মহিলা দালাল মাহি (০১৭৪৩-৪৭২৮৪), ৪৫। নূর আলম (০১৭১৬-৮৬৩৯৮৫), ৪৬। আনোয়ার ওরফে তারা (০১৩৩০-০১৫৮০৬), ৪৭। সাগর (০১৩১৬-৮১১৬১০), ৪৮। শাহিনূর (০১৯৪৫-৪৪৮৬৩৮) ৪৯। নাদির (০১৭২৫-৭২৯২২৭) ৫০।সজিব (০১৩২০-৮১৮১৬৪) ৫১। বরহান (০১৭৭৯-৯৯৬২৯৮) ৫২। গণেশ (০১৭৮৫-০২৮৮৮৫), ৫৩। মোঃ শাকিল(০১৭৭২-৮৮৫৩০৪) ৫৪। শফিক (০১৯৯৯-৮৩৪৪০১), ৫৫। নিলয় (০১৮১৭-০৩৭৪৭৫) ৫৬। হাবিব (০১৬০০-৯০৫৬০৯), ৫৭। ডলার (০১৭৬৪-৪৯১৩৯৪) ৫৮। টালাশ (০১৯৩৪-২৬৬৫১৬) ৫৯। রবি ভাই (০১৯৮৪-৭৭৮৮০৪), ৬০। মকবুল (০১৯৮৮-৬৫৮৪৬৩) ৬১। হোসেন ভাই (০১৬০০-১৫৮৪৩১) ৬২। কনক (০১৮৮৬-৪২৩১১১), ৬৩।ডালিম (০১৯১৪-৫৯০৭৫৯), ৬৪। সবুজ (০১৩০৫-২৭৭৭৪৪), ৬৫। সজিব (০১৭৩২-৪৮৭৮২২), ৬৬। সাগর (০১৯৮৮-৩৬৬১৮৩), ৬৭। খান (০১৩২২-৩৫৫৬০২), ৬৮। দাদন (০১৮৩০৫-৫০৮৮০), ৬৯। নয়ন (০১৮৭৮-৬৫২৭৮০) ৭০।সাইদুল (০১৬৩৯-৮৭০৯২১) ৭১। সাইফুল (০১৯৫০-৩৪৫৫০৮) ৭২। ̄^াধীন(০১৬৭৭-৩২৮৭০০) ৭৩। সখি (০১৭২৭-৩২৫৪০৬), ৭৪। শফি (০১৯২৬-৮৪১১৭১), ৭৫। ইমরান (০১৩২৮-০৬০৯১৬) ৭৬। বাদশা (০১৩১৯-২৫৯৫৫৫) ৭৭।মামুন (০১৭৩৯-৪২৮৪০৮) ৭৮। শুটার ইমরান (০১৩২৫-৮৮১৬০৩) ৭৯। আকাশ (০১৮১৪-৫৭১৬২৩), ৮০। সূর্য(০১৩১৯-২৫৯৫৫৫) ৮১। আনোয়ার (০১৭৭২-০৮৭১০২) ৮২। আলাউদ্দিন (০১৭২৫-৭৬০১৯৬) ৮৩। রাজ (০১৬১৬-৭৭১৩৭৯), ৮৪। চাঁদ ভাই (০১৭৯৯-২৪৫১৮৯), ৮৫। বরকত ভাই (০১৮১৮-৪৬৯৫৫৭) ৮৬। নাসির (০১৬১০-০৪৫০৭৫) ৮৭। কাজল (০১৮৪৫-৫৩৯৫৭৫) ৮৮। দোলা (০১৩৩২-৬৩৩৩৭৬), ৮৯। সুমন ভাই (০১৯৫২-৬০৬৪৩০),৯০। মিলন ০১৮৯৬-৩৩০৭৫৫) ৯১। জিকু (০১৮৬৩-১১৩৫১০) ৯২। তেল মনির, ২৭৩, ধোলাইপাড় ও নারী সদস ̈ ৯৩। মলিনা আ৩ার জুঁই ৯৪। সাথী, ৯৫। লিজা ৯৬।আনোয়ারা ৯৭। আগুরী ৯৮। বেবী, ৯৯। রানী সহ অজ্ঞাতনামা আরো পাঁচ-ছয়শতাধিক দালাল ও নারী ঘটিত ব্যবসায়ী উক্ত নিউ পপুলার ও বলাকা আবাসিক হোটেলে নিরাপদ আস্তানা বানিয়ে সেখানে রয়েছে। গডফাদার দালালরা নতুন সংগ্রহ করা শিশু, কিশোরী, যুবতী মেয়েদের সেখান হতে দেশ বিদেশের বিভিন্ন স্থানে অসামাজিক কার্যকলাপ চলা আবাসিক হোটেল ফ্লাট বাসা পতিতালয়ে নিয়ে মেয়েদের কৌশলে জিম্মি করে দালালদের বশে আনা কিছু মেয়েকে নিয়ে উক্ত নারী দালালদের ওসি মাজহারুল ইসলাম (কাজল), বিপি নং-৭৬০২০৩৪৫০৭ ও তার বন্ধু বিএম ফরমান আলী (বিশ্বাস) বিপি নং-৭৫০১০৩৪৫৩৬ তারা রাতারাতি অবৈধ কালো টাকা কামানোর লালসায় নারী পাঁচারকারী মাদক কারবারী,ক্যাসিনো জুয়ার স্পট ব্যবসায়ী, বিভিন্ন চাঁদাবাজ, অবৈধ পেটেধাল অক্টেন বিক্রেতা, ভেজাল পণ ̈ তৈরিকারী ব্যক্তিবর্গ, ছিনতাইকারীসহ নানাবিধ অপরাধীদের সাথে গোপন সু-সম্পর্ক করে নিজেদের অপশক্তি বল প্রয়োগ ক্ষমতার অপব ̈বহার করে নারী ও মাদক ব্যবসায়ী চাঁদাবাজ সাজ্জাদগংদের পক্ষ নিয়ে আমাকে নানা ষড়যন্ত্রের ফাঁদে ফেলে অভিযোগ গুলো তুলে নেওয়ার জন্য নানাভাবে বাধ্য ̈ করতে চেষ্টা করে আসছিল।

পাঁচার হওয়া নারীদের অনুসন্ধান করতে গিয়ে যে ষড়যন্ত্রের শিকারঃ

অত্র সংস্থার বরাবরে ভুক্তভোগী এক মেয়ে একটি অভিযোগপত্র পাই উক্ত অভিযোগের বিষয় ছিল- ধর্ষক ও নারী পাঁচারকারীদের
বিরুদ্ধে অভিযোগ। উক্ত অভিযোগ পাওয়ার পর সংস্থার অনুসন্ধানী কর্মীগণ সহ আমি গোপনে ও প্রকাশে ̈ ব্যাপক খোঁজখবর নেই। কিন্তু অভিযোগকারীকে অনেক চেষ্টা করেও পাওয়া যায় নাই। যেহেতু উক্ত অভিযোগে নারী পাঁচারকারী কবির ও মিরাজ নামে ব্যক্তিদ্বয়ের উল্লেখ করেছে ঐ ব্যক্তি একজন আর্ন্তজাতিক নারী পাঁচারকারী। তাই সংস্থার কর্মীগণ বিভিন্ন ভাবে নানা জায়গায় অসামাজিক কার্যকলাপ চলা আবাসিক হোটেল, ফ্লাট বাসা ও পতিতালয় ব্যাপক সোর্সের মাধ্যমে খোঁজ নিয়ে জানা যায় অভিযোগে উল্লেখিত পাঁচারকারীর নাম মোঃ হুমায়ুন কবির খান ডাকনাম মিরাজ, পিতাঃ আব্দুল মান্নান খান, সাং-সরমহল, গৌড়িপাশা, থানাঃ নলসিটি, জেলাঃ ঝালকাঠি, বর্তমান সাং-সামিউল্লাহ প্লাজা, ৫ম তলা, নিউ বলাকা আবাসিক হোটেল, থানা যাত্রাবাড়ি, জেলা ঢাকা। নিউ বলাকা আবাসিক হোটেল এর অর্ন্তরালে পতিতালয় নারী সরবরাহকারী দালাল কবিরের সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নারীদের যাত্রাবাড়ি বলাকা ও পপুলার হোটেল নামে পতিতালয়ে মেয়েদের নানা কৌশলে নিয়ে আসে। সেখানে তার দলে বেশ কিছু মধ্য বয়সী নারীও রয়েছে। তাদের দিয়ে নবাগত মেয়েদের শারীরিক নির্যাতন সহ নানা কৌশল এ পতিতালয়ে বহিরাগত পুরুষদের সাথে অসামাজিক কার্যকলাপ করানো হয়। তার দলে মেয়েদের দিয়ে নানা ভাবে বুঝ পরামর্শ দিয়ে বিভিন্ন ফন্দি ফিকির করে অবৈধ পথে ভারতের বোম্বে, হায়দধাবাদ, বেঙ্গলুর, পুনে, মহারাষ্ট্র ও কলকাতা সহ ভারতের বিভিন্ন জায়গায় অসামাজিক কার্যকলাপ চলা বাসা-বাড়ি, আবাসিক হোটেল পতিতালয়ে নিয়ে গিয়ে ঐ দেশি পতিতা ব্যবসায়ী পাঁচারকারী এজেন্টদের কাছে অনেক টাকা মূলে ̈ বিক্রি করে দিয়ে আসে। কবিরগং দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় এজেন্টদের কাছে তার অনেক সুনাম রয়েছে। ইন্ডিয়াতে কবিরের হিন্দু নাম শংকর। তার দ্বারা শত শত প্রাপ্ত ও অপ্রাপ্ত বয়সের মেয়েদের পতিতা ব্যবসার জন্য পাঁচার করেছে। তার ৮-১০টি ̄¿ী রয়েছে। তারা কেউ দেশের বিভিন্ন গার্মেন্টস, কলকারখানায় কাজ করে কবিরের ব্যবসা চাঙ্গা রাখতে কবিরকে মেয়ে সংগ্রহ করে দেয়। আবার কেউ ভারতে অবৈধ পথে কবিরের নির্দেশে মেয়েদের নিয়ে যায়। যাহা কবিরের দায়িত্ব পালন করে থাকে।
আর এ ব্যবসার গড ফাদার হিসেবে কবিরের সিনিয়র সহায়তাকারী তার পাঁচার ব্যবসার পার্টনার সাজ্জাদ, শুক্কুর, জামাল,সাইদুল, বাট্টু সেলিম, পাপন, মিঠু, শাকিল সহ পত্রে উল্লেখিত ও মোবাইল নাম্বার দেওয়া ব্যক্তিগণ তবে যে সকল মেয়েদের ইন্ডিয়া পাঠানো হয় তারা অবৈধ পথে যাওয়ার ফলে বৈধতা না থাকায় সহজেই পালিয়ে বাংলাদেশে ফেরত আসতে পারে না। অনেক মেয়ে ভারতে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর হাতে ধরা পরে অবৈধ হওয়ার ফলে দিনের পর দিন ভারতের বিভিন্ন জেলে রয়েছে।
কেউ দেশে আসতে চাইলেও অবৈধ হওয়ার কারণে আসতে পারে না। অভিযোগে উল্লেখিত মেয়েটিও কবিরের দ্বারা পাঁচার হয়েছে। বিভিন্ন মেয়েদের কাছ হতে কাছ হতে জানতে পারি। এমতাবস্তায় কবিরের সাথে দেখা পাওয়ার জন্য কাজলা বৌ-বাজার এলাকায় যাই। তার সাথে দেখা করে বাংলাদেশ হতে মেয়েদের যেন পাঁচার না করে এবং তার সিন্ডিকেট দ্বারা পাঁচার হওয়া মেয়েদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে তাদের তথ ̈ সংগ্রহের জন ̈ কাজলা এলাকায় যাই। সেখানে যাওয়ার পর কবিরের সাথে দেখা হলে কথা বলার এক পর্যায় কবিরগং আমাকে বলে এসকল নিয়ে যেন আমি বেশি বাড়াবাড়ি না করি আমি তাদের কথায় রাজি না হলে ছিনতাই কারীকে গ্রেফতারের পর ছেড়ে দিয়ে বাদী বানিয়ে ভুক্তভোগীর নামে মামলাঃ
১। গত ১৬/১২/২০২৩ইং তারিখ হিউম্যান রিসোর্স এন্ড হেল্থ ফাউন্ডেশন সংগঠনের নারী পাঁচার বিরুদ্ধি (অপরাধ অনুসন্ধান)
কার্যক্রম সূত্রে যাত্রাবাড়ি থানাধীন কাজলা বৌবাজার দিয়ে কুতুবখালী যাওয়ার পথে আমার গতিরোধ করে ৪/৫ জন যুবক।
তারা আমার গলায় ধারালো ছুরা ঠেকিয়ে পেয়াজের আড়ৎ এর গলির ভিতর ভাসমান নাজমার মাদক স্পটে নিয়ে আমার গলার
একভরি ওজনের একটি ̄স্বর্ণের পেঁচ চেইন ও নগদ ২২০০ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায় এবং আমাকে উল্লেখিত সরকারী দপ্তরে আমার দেওয়া অভিযোগ গুলো বিভিন্ন দপ্তরে গিয়ে আমাকে তুলে নিতে বলে। সময় ৩ দিন বেঁধে দেয়। নয়ত আমি যেন ঢাকা শহর ছেড়ে চলে যাই। এমতাবস্তায় আমাকে তারা ছেড়ে দিয়ে চলে গেলে আমি গলি হতে বের হয়ে রাস্থায় এসে সন্ধ্যা ৫.৫০মিনিট আনুমানিক সময় আমার ব্যবহৃত মোবাইল নং-০১৮৬৫-৮১০১৫৪ নাম্বার হতে জরুরী সেবা ৯৯৯ এ কল দিয়ে আমার ঘটনার পরিচয় জানাই। ৯৯৯ হতে অজ্ঞাতনামা অপারেটর তাৎক্ষণিক যাত্রাবাড়ি থানার অজ্ঞাতনামা ডিউটি অফিসার এর সাথে কনফারেন্সের মাধ্যমে কথা বলিয়ে দেন। ডিউটি অফিসার আমার সবকিছু শোনার পর এলাকায় টহলরত ডিউটি অফিসার এসআই রফিকুল ইসলাম, বিপি নং-৭৬৯৬০২২৫৩০ এর ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর  ০১৭১৯-৬৯৮৫৭৭ আমাকে দেন। এরপর ৯৯৯ হতে একটি এসএমএস এর মাধ্যমে ৬.১৪ মিনিটের সময় যাত্রাবাড়ি থানার ডিউটি অফিসার এর মোবাইল নং-০১৩২০-০৪০৫১৬ নাম্বার আমার ব্যবহৃত ০১৮৬৫-৮১০১৫৪ নাম্বারে পাঠান। ৯৯৯ এর আমার কমপ্লিন কল নং-ঈঋঝ ৪৭৪৭৮০২৯ নম্বরটিও আমার ব্যবহৃত নাম্বারে এসএমএস এর মাধ্যমে ৯৯৯ পাঠান। এরপর উক্ত এসআই রফিকুল ইসলাম এর সাথে তার ব্যবহৃত মোবাইলঃ ০১৭১৯-৬৯৮৫৭৭, অজ্ঞাতনামা আরেকটি নাম্বারে আমার ০১৮৬৫-৮১০১৫৪ নাম্বার হতে একাধিক বার কথাবলার পর ঘটনা স্থলে এসে আমার ছিনতাইয়ের ঘটনার সত্যতা পাওয়ার পর ঘটনাস্থল হতে দুই ছিনতাইকারীকে উপি ̄’ত রফিকুল ইসলামের সাথে আসা তার সঙ্গিয় ও ফোর্স অজ্ঞাতনামা পুলিশ সদস ̈রা গ্রেফতার করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে চেইন নিয়ে যাওয়া আরো একজন ছিনতাইকারী এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারী শুক্কুর আলীকে সনা৩মতে গ্রেফতার করে এবং সেখানে উপস্থিত সাংবাদিক সুইটি, প্রত্যক্ষদর্শী স্বাক্ষী জামাল,আলম, বাদশা, রাজিয়া, ভিক্ষুক রোকেয়া, ভিক্ষুক সালমাসহ প্রায় ৪০ হতে ৫০ জনের মতো উপস্থিত ̄স্বাক্ষী নেয় পুলিশ। এর পর আনুমানিক সন্ধ্যা ৭ ঘটিকার সময় ছিনতাইকারীকে যাত্রাবাড়ি থানায় নিয়ে পুলিশ হেফাজতে রাখে। আর আমাকে এসআই রফিকুল ইসলাম ছিনতাই হয়ে যাওয়া চেইনের ক্যাশ মেমো নিয়ে আসতে বলে।
তখন আমি মালিকানা মেমো আনতে গেলে আমার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর-০১৮৬৫-৮১০১৫৪ এসআই রফিকুল ইসলামের
ব্যবহৃত ০১৭১৯-৬৯৮৫৭৭ নাম্বারসহ বিভিন্ন নাম্বার হতে রফিক প্রায় আনুমানিক ৪০ মিনিট পর ফোন করে আমাকে তাড়াতাড়ি যাত্রাবাড়ি থানায় আসতে বলে। যাত্রাবাড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ আমাকে ডাকতেছে বলে জানায়।

যাত্রাবাড়ি থানায় যাওয়ার পর যা ঘটলঃ

এক পর্যায়ে আমি আনুমানিক রাত ৯ ঘটিকায় যাত্রাবাড়ি থানায় যাই। থানার বাহিরের গেইটে যাওয়ার পর ঘটনাস্থলে যাওয়া কয়েকজন ব্যক্তিকে দেখতে পাই। তখন তাদের সাথে আমি থানার গেইটের পশ্চিম পাশে থানার সিসি ক্যামেরার নিচে দাড়িয়ে কথা বলছিলাম। ঐ মুহুর্তে পুনরায় এসআই রফিক আমার ব্যবহৃত মোবাইল ০১৮৬৫-৮১০১৫৪ এই নাম্বারে কল দেয়। তার নাম্বার হতে তখন আমি থানার গেইটে আছি বললে এসআই রফিকুল ইসলাম থানা হতে গেইটে এসে গেইটে বসানো জনসাধারণ থানায় প্রবেশ রেজিষ্টধার খাতায় ডিউটিরত কনস্টেবল দিলীপকে দিয়ে খাতায় আমার নাম লেখায়। আমাকে থানার দ্বিতীয় তলায় রফিক সাথে করে নিয়ে আমার সাথে যাওয়া আরো দুইজনকে আমাদের ওসি তদন্ত সাহেবের রুমে বসায়। কথাবার্তার এক পর্যায় আমার কাছ হতে চেইনের কাগজপত্র নেয় এসআই রফিক। ঐ কাগজ যাত্রাবাড়ি থানার ওসি বিএম ফরমান আলী বিপি নং- ৭৫০১০৩৪৫৩৬ কে দেখানোর কথা বলে তদন্ত এর রুমে আমাদের বসিয়ে রেখে তিনি ওসির রুমে যায়।
প্রায় ৩০ মিনিট পর যাত্রাবাড়ির ওসি তদন্ত আজহার ওসি অপারেশন, সাবেক ওসি মাজহারুল ইসলাম এর পার্সোনাল পিএস আমার পূর্বে চলমান অভিযোগ এ উল্লেখিত সাজ্জদ পাপনগং সহ ও চিহ্নিত পতিতালয়, হাজী ইউনুস সুপার মার্কেট ৮২/এ, নিউ পপুলার আবাসিক হোটেল চতুর্থ তলা ও সামিউল্লাহ প্লাজায় নিউ বলাকা আবাসিক হোটেল সায়েদাবাদ আল হায়াত ও আল জাকির ভবন যাত্রাবাড়ি শাহিন, মেঘনাসহ আরো কয়েকটি ঐ সকল আবাসিক হোটেলের অন্তরালে পতিতা ব্যবসা ও নারী পাচার পরিচালনাকারী ও নারী পাচারকারী একাধিক গডফাঁদার নারী পাচারকারী দালাল ব্যক্তিদের থানায় উপস্থিত করে তারা আমাকে দেখিয়ে।

অপেশা দারিত্ব আচরণ পূর্বক ওসি ফরমান আলী যা বললেনঃ

ওসি ফরমানউল্লাহ বলে সালাকে অনেক দিন পর পাইছি। পূর্বে আমি মতিঝিল গু ̧লশান থাকাকালে ঐ এলাকার সর্ব ̄Í নারী ব্যবসায়ীদের সাথে আমার নামে আইজিপিসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে অভিযোগ করছে ওর জন ̈ আমার প্রায় ১০০ কোটি টাকা মাসোহারা ইনকাম এর ক্ষতি হইছে। এরপর বলে দেশের নারীরা পাঁচার বা পতিতা হলে শালা তোর কি আসে যায়? তোরে অনেক দিন পর পাইছি এবার অভিযোগ করার মজা বুঝাইয়া দেব। ওকে যে ভাবে মনে চায় ওর নামে অভিযোগ দাও। একাধিক মামলা হবে এ শালার নামে। এ বলে আমাকে তিন ওসি মিলে থানা হাজতে অন্যান্য উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের রাখতে বলে এবং এসআই রফিককে নির্দেশ দেন ছিনতাইকারীদের ছেড়ে দাও আর তাদের ভিতর হতে একজনকে বাদী বানিয়ে ওর বিরুদ্ধে-ই ছিনতাই মামলা নাও। আর একটা চাক্কু দিয়া দিও। ঐ মুহুর্তে নারী পাচারকারীরা বলে শালা টাকা কামাইমু আর তিন ওসি স্যারের পিছে ঢালমু তোরে আর জেল হতে বের হতে দিমু না। কত মামলা খাইতে পারিস এবার মজা বুঝবি। তুই পুলিশের ঊর্ধ্বতন মহলে অভিযোগ করছস তা ও আবার যাত্রাবাড়ি থানার সাবেক ওসি মাজাহার স্যারের নামে। এসআই রফিক উপস্থিত কনস্টেবল আনোয়ার সহ কয়েকজনকে দিয়ে আমার মোবাইল ফোন কেড়ে নেয় আমার ফ্যামিলির কারো সাথে যোগাযোগ করার সুযোগটি পর্যন্ত দেয় নাই। এক পর্যায়ে থানা হাজতে আমাকে অমানবিক নির্যাতন পূর্বক রেখে দেয়।

যাত্রাবাড়ি থানা হাজতে যা ঘটলঃ

রাত ১১ টার পর হতে লকাপে এসআই রফিক অজ্ঞাতনামা কয়েকজন অফিসার এসে বলে ভাই যদি সম্ভব হয় তাহলে
ক্ষমতাসীন কোন লোক দিয়ে তদবির করান নয়ত আপনাকে রাতে অস্ত্র উদ্ধারের নামে হত্যার মতো কোন ঘটনা আপনার সাথে
হইতে পারে। আপনাকে হত্যার পরিকল্পনা চলছে এরপর আমার লকাপের সামনে আসে যাত্রাবাড়ি থানার ওসি তদন্ত আমার
তিনি এসে আমাকে বলে পরিবারের সাথে কথা বলে ১০ লক্ষ টাকা যদি আনতে পারেন আপনাকে ডিএমপি এ ̈াক্টে আদালতে
কালকে পাঠানো হবে সামান ̈ জরিমানা দিয়ে চলে আসবেন আর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সরকারি মন্ত্রনালয় সহ যাত্রাবাড়ি
থানার সাবেক ওসি মাজহারের বিরুদ্ধে ও পপুলার বলাকা নামক আবাসিক হোটেলসহ যত ধরনের অভিযোগ করেছেন তাহা
সরকারি দপ্তরে গিয়ে তুলে নিয়ে আসবেন। তখন আমি ওসি তদন্তকে বলি যে আমার কাছে তো এত টাকা নাই। ঐ মুহুর্তে তদন্ত বলে যা পারেন রাতে আনান। বাকি টাকা সাপ্তাহিক বা মাসিক কিিস্তি করে আস্তে আস্তে দিয়ে দিবেন। ওসি ফরমান স্যার ভালো মানুষ তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয় স্বজন। এমতাবস্তায় আমি লকাপ ইনচার্জ মন্নান নামে এক পুলিশ সদস্য ̈কে দেখিয়ে দিয়ে যান। আমার পরিবারের কেউ টাকা নিয়ে এলে যেন আমি তার কাছে বুঝিয়ে দিয়ে দেই। এমতাবস্থায় আমি তাদের দাবীকৃত ১০ লক্ষ টাকা দিতে না পারায় পরের দিন ১৭/১২/২০২৩ইং সকালে কোর্টের আসামী নেওয়ার গাড়ি যাত্রাবাড়ি থানায় আসলে উক্ত মন্নানগং আমাকে জিজ্ঞেস করে টাকার খবর কি? তখন আমি বলি খবরতো ফোনে এসআই রফিকের মাধ্যমে পাঠাইছি। তখন আনোয়ার বলে, দুপুর একটা পর্যন্ত তারা অপেক্ষা করবে। কথা না রাখলে মামল দিয়ে রিমান্ডে এনে মজা বুঝাবে।

আদালতে পাঠানোর পরঃ
এমতাব স্থায় পুলিশ আমাকে অন্যান্য হাজতিদের সঙ্গে কোর্টের গাড়িতে করে বেলা ১২ ঘটিকার সময় নিয়ে যায়। কোর্টগারদে
নিয়ে অন্যান্য আসামীদের গারদের লকাপে সেখানকার প্রতিপক্ষ গ্রহণ করল। আমাকে পুলিশ ভ্যানের এক কনস্টেবল লকাপের
বাহিরে হাতে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে দাঁড় করিয়ে রাখে। আমি কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, যাত্রাবাড়ি থানার ওসি আপনার
কাগজে সাইন করে নাই। আপনি থানায় কি ঝামেলা বানাইছেন।
আমার কোন লোকজন ঐ দিন টাকা না দেওয়ায় প্রায় ২ ঘটিকা সময় পর্যন্ত অপেক্ষার পর যাত্রাবাড়ি থানা হতে মোটর সাইকেলে করে এক পুলিশ সদস্য দিয়ে আমার নামে ছিনতাই মামলা সহ চারটি মামলা পাঠান। এক পর্যায়ে জানতে পারি এসআই রফিকের গ্রেফতার করা আমার অভিযুক্ত ছিনতাইকারী ও কাজলার মাদক ব্যবসায়ী শুক্কুরদেরকে ছেড়ে দিয়ে শুক্কুরকে
বাদী বানিয়ে আমার নামে দুঃত বিচার আইনে ছিনতাই মামলা পাঠিয়েছেন। ঐ মামলায় আমাকে গ্রেফতার দেখায় এবং আমার
কাছে নাকি একটি ছোরাও পেয়েছে এবং সেটি উদ্ধার দেখিয়েছে মামলায়। প্রায় ২ ঘন্টা পর কোর্ট হাজতের লকাপে আমাকে
দেয় এক পর্যায়ে আদালতকে মিথ্যা ভুল বুঝিয়ে নাটকীয় মামলায় আমাকে ২ দিন রিমান্ডে আনে।

থানায় রিমান্ডে আনার পর যত হুমকিঃ
যাত্রাবাড়ি থানায় আনার পর ১৭/১২/২০২৩ইং তারিখ আনুমানিক রাত ১২টা ৩০ ঘটিকার সময় থানার ওসি ফরমানউল্লাহ
বিশ্বাস থানা লকাপে এসে আমার সাথে কথা বলে তাদের দাবীকৃত টাকা চান এবং আমাকে জিজ্ঞেস করে আমি রাজনৈতিক কোন দল করি। তখন আমি ও আমার সপরিবার বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ দল করি ভোটার হতেই নৌকা প্রতীকে ভোট দেই। আর আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক তখন ওসি ফরমান আলী বলে ওসি তদন্ত তোর কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাইছে এটাকি তোর কাছে বেশি হয়ে গেছে। এখন প্রয়োজনে কিিস্তি করে নাও মাসে মাসে দিয়ে দিও। নয়ত মামলা খেতে খেতে জীবনটা শেষ হয়ে যাবে। বাড়িঘর আর মানবাধিকার গিরি আর সাংবাদিকতা কিছুই থাকবে না। এখনও সময় আছে সিদ্ধান্ত নাও। এই বলে নানা ধরনের হুমকি দিয়ে বলে দেশের নারী পাচারকারী সাজ্জাদ, পাপনদের সহ ওসি মাজহারের বিরুদ্ধে ও আমার বিরুদ্ধে যত ধরনের অভিযোগ আইন শৃঙ্খলাবাহিনী ও বিভিন্ন মন্ত্রনালয় রয়েছে তাহা যেন তুলে নেই। আর ৮২/এ, চতুর্থ তলা, নিউ পপুলার ও সামিউল্লাহ প্লাজার ৫ম তলার নিউ বলাকা নারী ব্যবসায়ী পতিতালয় এর বিরুদ্ধে ভবিষ ̈তে যদি কোন অভিযোগ দেই আর তার কারণে যদি যাত্রাবাড়ি এলাকার হোটেলের নারী পাচার ব্যবসা বন্ধ হয় তাহলে মাসে ৩০ লক্ষ টাকা
একেক হোটেলের অবৈধ ইনকাম এই ক্ষতিপূরণ আমার ̧নতে হবে নয়ত সারাজীবন জেলে জেলে কাটাতে হবে। আর কোন ফাঁক ফোকরে বের হয়ে এলে হত্যার পর লাশ গুম করে ফালানো হবে। বাংলাদেশের কোন থানায় মামলাও হবে না। যদি হয় তাহলে অপমৃতু ̈ মামলা হবে তুই ন্যায়বিচার টুকুও পাবি না। কেননা আমি ডিএমপির ওসিদের এসোসিয়েশনের সভাপতি আর মাজহারুল ইসলাম সেক্রেটারি। আমাদের কথা আইজিপি, ̄^রাষ্টধমন্ত্রী এমনকি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত সহ অনেক বড় বড় নেতারা শুনে ও আমাদের চিনে। তাছাড়া আমি প্রধানমন্ত্রীর এলাকার আত্মীয় স্বজন আমরা গোপালগঞ্ছের উঁচুশ্রেণীর বিশ্বাস বংশের লোক।

টর্চারের ভয় দেখিয়ে নগদ এবং কিিস্তিতে ঘুষ, চাঁদা দাবি পুলিশের
নানা ধরনের হুমকি দিয়ে তিনি যাওয়ার পর আসে এসআই রফিক, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সে এসে বলে, তাকে ওসি তদন্ত ও অপারেশন পাঠাইছে আপনাকে বলতে ২ দিন রিমান্ড দিয়েছে আদালত। আমি ১ দিন রেখে আপনাকে পাঠিয়ে দিচ্ছি। আমাকেও ওসি স্যারদের কিছু বকশিশ দেন নয়ত রাতেই থানার তৃতীয় তলার চর্চার সেলে নিয়ে আপনার মানবাধিকারগিরি শিখিয়ে দেওয়া হবে। তখন আমি বলি ছিনতাইকারীদের কাছ হতে আমার উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের চেইনটি পুলিশদের নিয়ে যেতে বলি। আর ফ্যামিলির লোক দেখিয়ে দেই তাদের কাছে আমার মানিব্যাগ, ব্যাংকের এটিএ কার্ড দিতে বলি এবং ৩ কিস্তিতে ১০ লক্ষ টাকার চাঁদা দেওয়ার জন্য আমার এক আত্মীয়কে পুলিশকে পরিচয় করিয়ে দেই এবং পুলিশের ষড়যন্ত্র হতে বাঁচতে নিরুপায় হয়ে তাকে টাকা দিতে বলি। আমার ঐ আত্মীয় দুইবারে এসআই রফিককে কিিস্তি মোতাবেক ৬০ হাজার টাকা দেয়।

যে মামলাগুলোতে গ্রেফতার দেখানো হলোঃ

এক পর্যায়ে ১৯/১২/২০২৩ইং পুলিশের চাঁদাবাজির কিস্তির টাকা দিতে দেরি হওয়ায় যাত্রাবাড়ি থানার রাজনীতির বিভিন্ন পুরনো
মামলা গুলোতে আমাকে অজ্ঞাতনামা আসামী দেখিয়ে আমি আওয়ামীলীগ দল করাতেও বিএনপি দলীয় জামাত শিবির সহ নারী পাচারকারীদের সšদষ্ট করতে আমাকে একের পর এক মোট ৪টি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে ফরওয়ার্ডিং পাঠায়
প্রত্যেকটি মামলার ফরওয়াডিং এ পূর্ব মাজহার এর দেওয়া প্রমাণিত না হওয়া মামলা গুলো ও উক্ত ফরওয়ার্ডি এ গেয়ে দেয় উক্ত মামলাগুলোতে আমি অভিযুক্ত দেখানো হয় যাহা মিথ তথ্য আদালতকে পাঠায় এবং মামলায় আমার একাধিক নাম ও পিতার
নাম উল্লেখ করে যাতে করে আদালতে জামিন চাওয়া হলে বিচারক আমাকে ক্রিমিনাল মনে করে সহজে জামিন না দেয়।

যে যড়যন্ত্রমূলক মামলায় আমাকে গ্রেফতার দেখানো হচ্ছেঃ
(১) যাত্রাবাড়ি থানার মামলা নং-২৩, তারিখঃ ০৭/১২/২০২৩, ধারা ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনরে ১৫(৩) ২৫/ডি, তদন্ত কর্মকর্তা হীরামন বিশ^াস, বিপি নং-৯২২০২২৭১৯৮, (২) যাত্রাবাড়ি থানার মামলা নং-৫৭, তারিখঃ ১৭/১২/২০২৩ইং, ধারা আইন শৃঙ্খলা বিঘœকারী অপরাধ দধæত বিচার ২০০২ এর ধারা ৪/৫ তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রফিকুল ইসলাম বিপি নং-৯৬৯৬০২২৫৩০ (৩) যাত্রাবাড়ি থানার মামলা নং-৮৮, তারিখঃ ২৩/১০/২০২৩ইং, ধারা ১৪৩,১৪৭, ১৪৮, ১৪৯, ৩২৩, ৩০৭,৩ ২৫,৩৭৯, ৪২৭, ১০৯ প ̈ানাল কোর্ট ১৮৬০, বাদী গিয়াসউদ্দিন, পরিচয়পত্র নং-৮২৪২৬৮৫৬৬৪, জন্ম তারিখঃ ০১/১০/১৯৬১ইং, তদন্ত কর্মকর্তা সা৩⁄৪াদ এসআই বিপি নং- ৮৯১৮২২৫১৩৪, (৪) যাত্রাবাড়ি থানার মামলা নং-৩৯, তারিখঃ ১৪/১১/২০২৩ইং, ধারা ১৫ (৩), ২৫/ডি, বিশেষ ক্ষমতাআ আইন ১৯৭৪ তদন্ত কর্মকর্তা মির্জা বদরুল হাসান, বিপি নং-৮৩০২০০৫৬১৬, আর পুলিশের চাঁদাবাজি কিি ̄Íর টাকা দিয়ে দিলে মামলা পাঠানো বন্ধ হবে এ বলে, ১৯/১২/২০২৩ইং তারিখে কোর্টের মাধ ̈মে জেল হাজতে পাঠায়। পরবর্তীতে এসআইকে ২

কিস্তেতি ৬০ হাজার টাকা দিলে ৪টি মামলার পরে আর কোন মামলা পাঠায়নি। এক পর্যায়ে ১৩/০২/২০২৪ইং তারিখ আমি মামলা ̧লোতে জামিনে মুক্ত হয়ে খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারি ওসি ফরমান আলী ও মাজহারুল ইসলাম তারা আমাকে মামলা দিয়ে নারী পাচারকারী ও ব্যবসায়ীদের খুশি করায় উক্ত পাচারকারী নারী ব্যবসায়ীরা ২ ওসিকে খুশিতে এক সাথে ওমরা হজ্বে সৌদি আরব পাঠিয়েছে।

মানব পাচারকারীদের মুখে ২ ওসির প্রশংসা ও আমাকে হুমকিঃ

গত ২৫/০২/২০২৪ইং তারিখ সকাল ৯ ঘটিকায় রায়শা বাজার এক মামলার হাজিরা সূত্রে কোর্ট কাচারী এলাকায় সাজ্জাদ ও সাইদুলগংদের সাথে আমার দেখা হলে কথা বলার এক পর্যায়ে সা৩⁄৪াদ, পিতাঃ জাহাঙ্গির তারা হুমকির সুরে বলে ওসি মাজহারুল ইসলাম ও ফরমান আলী তারা এসআই থাকাকালে নারী ব ̈বসায়ী নিউ পপুলার আবাসিক হোটেলেই থাকত। সেই হতে স্যারদের চিনি। তাছাড়া আমাদের হোটেল ̧লো নিরাপদে রাখতে স্যারদের ২০% লভ্যাংশের টাকা দেই। মাজাহার ও ফরমান আলী স্যার আমাদের কথা না শুনে কি আপনার কথা শুনবে তাছাড়া স্যারদের মনোরঞ্ছনের জন্য পার্সোনাল ফুর্তি করতে সুন্দরী মেয়ে লাগে। তাই স্যারেরা সম্মান রক্ষার্থে অন্য কোথাও যায় না।
আমরা স্যারদের দেখে রাখি বিনিময়ে তারা আমাদের খেয়াল রাখে। আপনি আলমগীর সেলিম আমাদের নারী ঘটিত ব্যবসা নিয়ে বাড়াবাড়ি কইরেন না তাহলে মান সম্মান আর জীবন দুটোই হারাবেন। ফরমান ও মাজহার স্যারদের অনেক ক্ষমতা তারা
ডিএমপি ওসিদের নেতা। বেশি বাড়াবাড়ি করবেন তাহলে বাংলাদেশের যে কোন থানার যে কোন ওসিকে ফোন করে দিবে
আপনার নামে একের পর এক মামলা হবে।

ওসি ফরমান আলীর চাঁদাবাজির কৌশলঃ

সাজ্জাদ ও সাইদুলগণদের সাথে আসা কয়েকজন নারী ব্যবসায়ী কথা বলার ছলে তথ্য দেয় যে, ওসি ফরমান আলীর বডিগার্ড
মাহফুজ একজন পুলিশ সদস্য। তার কাছে থাকা মোবাইল নম্বর-০১৯৬৬-৮৯৬০৯৮ উক্ত সিম দিয়ে বডিগার্ড মাহফুজকে দিয়ে
ফরমান আলী যখন যে থানায় পোস্টিং হয় যেমন মতিঝিল, গু̧লশান, যাত্রাবাড়ি থানা সহ ডিএমপির বিভিন্ন নারী পাচার ও
অসামাজিক কার্যকলাপ চলা আবাসিক হোটেল ব্যবসায়ী, ছিনতাইকারী, চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী, চোর সিন্ডিকেট, জুয়ার ষ্ট সহ নানাবিধ বিভিন্ন অপরাধীদের কাছ হতে উক্ত নাম্বার সহ প্রায় আরো ৪টি মোবাইল সিম রয়েছে যে ̧লো দিয়ে অন ̈ মানুষের
নামে নিবন্ধিত। উ৩ সিম ̧লো দিয়ে ফরমান আলী মাহফুজকে দিয়ে কথা বলিয়ে ঘুষ, চাঁদার এককালীন, সাপ্তাহিক, মাসিক, বাৎসরিক টাকা উত্তোলন করে। মাহফুজের উক্ত সিম ইন্টারনেটে একটি কৌশল করিয়ে রেখেছে এনডধয়েড সেটের টু কলারে তার ০১৯৬৬-৮৯৬০৯৮ নাম্বারে সার্চ দিলে বা যে কেউ এনডধয়েড মোবাইল সেট হতে মাহফুজকে কল দিলে উক্ত ব্যক্তির সেটে
ভেসে উঠে লেখা মাহফুজ ভাই গুলশান থানার ওসি। যাহা ফরমান আলী কৌশল করে এবং কারসাজি করে রেখেছে যাতে চাঁদার
টাকা অপরাধীদের কাছ হতে পেতে দেরী না হয় সময় মতো চাহিদা মোতাবেক পেয়ে যায়। ওসি ফরমান আলী যখন যেখানে যায় ঐ বডিগার্ড মাহফুজকে বদলি করিয়ে সেখানে নিয়ে যায়। এমন বডিগার্ড মাজহারুল ইসলাম কাজলেও বডিগার্ড, গাড়ির ড্রাইভার, একাধিক পিয়ন রয়েছে। যাদেরকে দিয়ে অবৈধ্য ব্যবসায়ীদের কাছ হতে টাকা পয়সা তুলে এবং তাদের একাধিক সিমও রয়েছে। উক্ত মাহফুজের সিমের কল লিস্ট বের করে আনলে সত্যতা পাওয়া যাবে। উক্ত দুই ওসির ইনকামের অর্থ তারা গোপনে আত্মীয় স্বজন সহ বিভিন্ন কায়দায় অবৈধ ইনকামের শত শত কোটি টাকা নামে বেনামে রেখেছে। ডিএমপি সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় জমি ফ্লাট বাড়ি নামে বেনামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যাহা অতি গোপনে নিরপেক্ষ সঠিক তদন্ত করে জনসম্মুখে এনে সরকারি কোষাকারে অবৈধ অর্থ গুলো দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া অতি জরুরী প্রয়োজন।

সততা উদঘাটনে পুংখানুপুংখ তদন্তের সুপারিশঃ

মামলা গুলোতে আসল ঘটনা গোপন করে আমাকে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে ফাসানো হয়েছে তার আসল সত্যতা পাওয়া যাবে ঘটনার সত্যতা উদঘাটনে ঘটনার সময় প্রত্যক্ষদর্শী লোকজন ও তিন ছিনতাইকারী গ্রেফতারের সময় ঘটনা গুলের সিসি ফুটেজ, জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এর ভয়েজ কল রেকর্ড, এবং যাত্রাবাড়ি থানার সিসি ফুটেজ, কোর্ট লকাপের সিসি ফুটেজ থানা হতে মামলার ফরওয়ার্ডিং এর পাঠানোর সময় গড়মিল, মামলার ঘটনার সময়ের মামলা রেকর্ড করা, সাবেক যাত্রাবাড়ি থানার ওসি মফিজুল ইসলাম ও মামলা তদন্ত কর্মকর্তা চার মামলার পৃথক এসআই ও তাদের সঙ্গীও ফোর্সগনদের জবানবন্দি মামলা ̧লোতে দেখানো ঘটনার সময় আমি সেখানে ছিলাম কিনা? তা আমার ব্যবহৃত মোবাইল সিম ০১৮৬৫-৮১০১৫৪, ০১৯৭৭-৯৯৩৯৯৩ সিম কললিস্ট যাচাই পূর্বক তদন্ত করা ও ঘটনা গুলের আশপাশের সরকারি ও বেসরকারি একাধিক সিসি ফুটেজ যাচাই পূর্বক ও আমি উক্ত মামলা গুলোর আসামীদের সাথে কোন দিন চলাফেরা বা তাদের সাথে আমার চেনা জানা ফোনে বা প্রকাশে ̈ ও অপ্রকাশে ̈ কথা বার্তা দেখা শোনা আছে কিনা?
এবং আমি বা আমার পরিবার কোন দিন আওয়ামীলীগ বঙ্গবন্ধুর আদর্শের দল ছাড়া অন ̈ কোন দল বিএনপি করেছি কিনা? তা
খতিয়ে দেখা ও দ্রুত বিচার মামলায় উদ্ধার দেখানো ছুড়া (চাকু)র গায়ে আমার হাতের ছাপ কিনা সিআইডির ল্যাবে যাচাই
পূর্বক চাকুর আসল মালিক বের করে ঐ মালিকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া।

প্রকাশ থাকে যে

আমাকে হত্যার বা মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো সহ যে কোন ক্ষতি সাধনের জন ̈ ভবিষ ̈তে দায়ী থাকবে
১। নারী ব ̈বসায়ী সহ বিভিন্ন অপরাধীদের গোপন সহায়তাকারী ওসি মাজহার ২। ওসি ফরমান আলী ৩। নারী ব্যবসায়ী জাভেল
হোসেন পাপন ৪। জাবেদ হোসেন মিঠু ৫। সাজ্জাদ ৬। জামাল ৭। সরকার জামাল ৮। কবির খান ৯। মিরাজ ১০। শাকিল
১১। সাইদুল ১২। পলাশ ১৩। সবুজ ১৪। অত্র অভিযোগ সহ পূর্বের পত্রের উল্লেখিত অভিযোগে ব্যক্তিদ্বয় কেননা অবৈধ ঘুষ,
চাঁদার টাকা কামানোর লালসায় নানাবিধ অপরাধীদের গোপনে সহযোগিতা করে আসায় আর আমি নানাবিধ অপরাধ অনুসন্ধান
পূর্বক আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বরাবর লিখিত আবেদন অভিযোগ পত্র বিভিন্ন সময়ে সরকারী দপ্তরে দিয়ে থাকি বিধায় দুই ওসি মাজহার ও ফরমান আমার উপর ব ̈৩িগতভাবে ক্ষিপ্ত হয়ে দীর্ঘদিন নানাভাবে ষড়যন্ত্র করে আসছে। ওসি মাজহার ও ফরমান আলী উক্ত নারী ঘটিত ব্যবসায়ী পাপন ও মিঠুগংদের সহ দেশের আনাচে কানাচে দুই ওসির রয়েছে অপরাধ জগতের নানা ধরনের অস্রদারী কিলার ও ছোট বড় শত শত নারী পুরুষ সন্ত্রাসী মা ̄Íান দাগী দোষী অপরাধী। আমি জেল হতে বের হয়ে আসার পর হতে উল্লেখিত সাজ্জাদ, মিঠ ও পাপনগংরা মাজহার ও ফরমান আলীর গোপন নির্দেশ ও সহায়তায় আমাকে হত্যা বা গুম করা সহ নানামুখী মিথ্যা মামলার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে বিধায় আমার যে কোন ক্ষতি সাধন হলে দায়ী থাকবে উল্লেখিত ব্যক্তিদ্বয় পাপন, মিঠু, সাজ্জাদগং গোপনে ও প্রকাশে আমার নানাবিধ ক্ষতি সাধন করবে প্রায় সময়ই এমন হুমকি ও দিয়ে আসছে বিধায়ই তারা দায়ী থাকবে ।

দুই ওসি ও নারী ঘটিত ব্যবসায়ীরা আমাকে যে কারনে হত্যা করতে চায়ঃ

আমাকে মামলা, হামলা ও হত্যাসহ নানা ষড়যন্ত্রের কারণ হচ্ছে তারা এক সময় আর্থিক অসচ্ছল ছিল। পুলিশে চাকুরী নেওয়ার
পর হতে ধীরে ধীরে ওসি মাজহার নানাবিধ অপরাধীদের অতি গোপনে সংগঠিত করে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন প্রথম বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এক পর্যায়ে নারীদের মানবাধিকার রক্ষায় নারায়ণগঞ্ছ টানবাজার ও ঢাকা ইংলিশ রোড কান্দুপট্টি পতিতালয় উচ্ছেদ করা হয়। ঐ সময় ডিএমপির কিছু নারী ব্যবসায়ী দালাল কোতয়ালী থানাধীন ইসলামপুর রোডে আবাসিক হোটেল ছোট মাসনবী ও বড় মাসনবী এবং ছোট কেরাউন বড় কেরাউন ঐ সময় পতিতালয় গুলো বন্ধ হলে সুবিধা বঞ্চিত কিছু পতিতালয়ের দালাল উক্ত হোটেলগুলোতে আস্তানা করে কৌশলে গোপনে সর্বাত্ম ম ̈ানেজ করে হোটেলের অন্তরালে মিনি পতিতালয় চালু করে দালালদের মধে ̈ উক্তপাপন, মিঠু,সাইদুল, জামাল, সোহেল, সাজৃজাদের পিতা, জাহাঙ্গিরসহ আরে অনেকে হোটেলে খদ্দের ও নারী সংগ্রহকারী স্টাফ হিসাবে চাকুরী করত। ঐ সময় ওসি মাজহার ও ফরমান আলীর ছাত্র জীবন ছিল। ঐ হোটেলে ছিল মাজহার ও ফরমান এর মাঝে মধে ̈ই যাতায়াত। সেই পরিচয় সূত্রে, এক সময় পুলিশে চাকুরী পাওয়ার পর উক্ত সাজ্জাদ ও জামালগংদের সাথে গোপনে গভীর সু-সম্পর্ক গড়ে তোলে। তাদের দিয়ে দেশ বিদেশে নারী ব ̈বসা ও মানব পাচার সিন্ডিকেট গড়ে তোলে। আর আমি বহু আগে হতেই বিভিন্ন মানবাধিকার সং স্থায় নারী পাচার বিরুদ্ধি কারষক্রম করে আসছিলাম।
তাই আমাকে ওরা বারবার হত্যার চেষ্টা করে যাচ্ছে। তাদের মধে ̈ একশ্রেণী নারী ব ̈বসায়ী মানব পাচারকারী গড ফাদার পাপন, মিঠু ৫ হতে ৬শত নারী পুরুষ দালাল নিয়ন্ত্রন করে ডিএমপির যাত্রাবাড়ির ডেমরা, মতিঝিল, তেজগাঁও, ̧লশান, এয়ারপোর্ট সহ দেশের বিভিন্ন থানা এলাকায় ঐ সকল নারী ব ̈বসায়ীদের দিয়ে বিভিন্ন ভবন দালান, ভাড়া করিয়ে সেখানে আবাসিক হোটেল প্রতিষ্ঠা করিয়ে তিন ক ̈াটাগরিতে মেয়ে মানুষ দিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপের জন ̈ হোটেলের অর্ন্তরালে পতিতালয় ̄’াপন করিয়া সরকারি অনুমতি ছাড়া অবৈধ অর্থ কামনোর লালসায় মেতে উঠে। সারাদেশে অধিকাংশ আবাসিক হোটেল পতিতালয়ে পরিনত হয়ে উঠেছে। যে সকল হোটেলে নারীদের জবর দি ̄Íভাবে তাদের ইছার বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতন পূর্বক মেয়েদের পতিতা বানানো হয় ও দেশ বিদেশের
পতিতালয় গুলোতে বিক্রি করে দেওয়া হয় ঐ সকল অপরাধ কর্ম ̄’ান ও ব্যক্তিদ্বয়ের বিরুদ্ধে আমি দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবাদ মূলক
দেশ ও জনস্বার্থে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বরাবরে লিখিত আবেদন করে আসছি। মাঝে
মধে ̈ নাকি তাদের প্রতিষ্ঠান গুলোতে ঊর্ধ্বতন আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর চাপের মুখে পরে নানাবিধ ক্ষতি সাধন হয় তাই আমাকে তারা এবার হত্যার পরিকল্পনা করছে। ওসি মাজহার ও ফরমান আলী সহ নারী পাচারকারী ও ব্যবসায়ীদের ধারনা আমাকে হত্যা করা হলে বা অবৈধ দধব ̈াদী বা মিথ্যা সাজানো নাটকীয় মামলা দিয়ে সারা জীবন জেলে রাখতে পারলে তাদের নারী ঘটিত, মাদকসহ অবৈধ নানাবিধ ব্যবসার বিরুদ্ধে আর কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাবে না।
মহোদয় আমি বারবার আপনাদের বরাবর পত্রে আমার জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আসছি। কিন্তু নিরাপত্তা পাচ্ছি না। যার কারণ হচ্ছে অপরাধীদের অপরাধকর্ম স্থানীয় আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা জানার পরেও সরেজমিনে উক্ত অপরাধকর্ম গুলো চিরতরে বন্ধ হোক এমন ভূমিকা দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা পালন করতে চান না।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

জাতীয় ঈদগাহে সুষ্ঠুভাবে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত করার লক্ষে ৫ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান বিপিএম (বার), পিপিএম (বার)। এছাড়াও রাজধানীর প্রতিটি ঈদ জামাতকে ঘিরে আলাদা আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথাও জানিয়েছেন তিনি। আজ মঙ্গলবার জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান ডিএমপি কমিশনার। ডিএমপি কমিশনার বলেন, রাজধানীর প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে। জাতীয় ঈদগাহে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধান বিচারপতি, মাননীয় বিচারপতিবৃন্দ, মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবর্গ, ঢাকাস্থ মুসলিম দেশের কূটনৈতিকবৃন্দ এবং অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ঈদ জামাত আদায় করবেন। প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি একত্রে এই ঈদগাহ মাঠে নামাজ আদায় করতে পারবেন। গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, ঈদের প্রধান জামাতসহ রাজধানীর সকল মসজিদ ও ইদগাহে ঈদের জামাতকে ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঈদগাহ ও আশপাশ এলাকা স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) এর ইকুইপমেন্ট ও ডিএমপির ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করানো হবে। পুরো এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হবে। এছাড়াও ড্রোন পেট্রোলিং ও ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। পর্যাপ্ত সংখ্যক ইউনিফর্মধারী পুলিশ সদস্যদের সমন্বয়ে জাতীয় ঈদগাহের চারপাশে বহির্বেষ্টনী ও আন্ত:বেষ্টনী গড়ে তোলা হবে। প্রবেশ গেটে মেটাল ডিটেক্টর ও আর্চওয়ের মাধ্যমে তল্লাশি করা হবে। ইউনিফর্ম পুলিশের পাশাপাশি ডিবি পুলিশ, এসবি ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা সিভিল পোশাকে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সোয়াট টিম, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট স্ট্যান্ডবাই থাকবে। এছাড়াও দুর্ঘটনা এড়াতে ফায়ার সার্ভিস ও তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবায় মেডিকেল টিম নিয়োজিত থাকবে। তিনি বলেন, প্রধান ঈদ জামাত ঘিরে দশটি স্থানে পার্কিং ব্যবস্থা করেছে ডিএমপির ট্রাফিক রমনা বিভাগ। ঈদ জামাত ঘিরে আটটি রাস্তা ডাইভারসন দেওয়া হবে, যাতে কোনোরকমের হয়রানি ছাড়া মুসল্লিরা আসতে পারেন। নারীদের জন্য নামাজের পৃথক ব্যবস্থা থাকবে, তাদেরকে নারী পুলিশ সদস্যরা তল্লাশি করবেন। তিনি আরো বলেন, এবার ঢাকায় ১৮৪টি ঈদগাহে ও ১ হাজার ৪৮৮ টি মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রত্যেকটি ঈদ জামাতের জন্য আলাদা আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। একটি জামাতও নিরাপত্তা বলয়ের বাইরে থাকবে না। নাগরিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যারা ঈদের নামাজে অংশ নিতে আসবেন তারা আমাদের তল্লাশি কার্যক্রমে সাহায্য করবেন। কেউ দাহ্য বা ধারালো বস্তু নিয়ে আসবেন না। যে কোনো সমস্যা হলে পুলিশকে জানান। জামাত থেকে বের হওয়ার সময় ধৈর্যের সঙ্গে সুশৃঙ্খলভাবে বের হবেন। সাংবাদিকদেরে এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ এলাকায় পাহাড়ি সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) কোনো তৎপরতার তথ্য নেই। পাশাপাশাপি কোন ধরনের জঙ্গি তৎপরতার তথ্যও নেই। তারপরও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সকল বিষয় বিবেচনায় রেখেই নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে বাস মালিক সমিতিসহ সকল স্টেকহোল্ডারদের আমাদের বৈঠক হয়েছে। তারা আমাদের নির্ধারিত ভাড়া আদায়েরর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। রাজধানীর সকল যাত্রীবাহী বাস কাউন্টার ও স্টেশনগুলোতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ তৎপর রয়েছে। কোন ধরনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এসময় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) এ কে এম হাফিজ আক্তার বিপিএম-বার (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত); অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) ড. খঃ মহিদ উদ্দিন বিপিএম-বার (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত); অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস, ফিন্যান্স এন্ড প্রকিউরমেন্ট) মহাঃ আশরাফুজ্জামান বিপিএম; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ মুনিবুর রহমান বিপিএম-সেবা; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মোঃ আসাদুজ্জামান বিপিএম (বার); অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বিপিএম (বার), পিপিএম (বার); যুগ্ম পুলিশ কমিশনারগণ, উপ-পুলিশ কমিশনারগণ ও বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাগণসহ এবং প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় ঈদগাহে সুষ্ঠুভাবে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত করার লক্ষে ৫ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান বিপিএম (বার), পিপিএম (বার)। এছাড়াও রাজধানীর প্রতিটি ঈদ জামাতকে ঘিরে আলাদা আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথাও জানিয়েছেন তিনি। আজ মঙ্গলবার জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান ডিএমপি কমিশনার। ডিএমপি কমিশনার বলেন, রাজধানীর প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে। জাতীয় ঈদগাহে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধান বিচারপতি, মাননীয় বিচারপতিবৃন্দ, মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবর্গ, ঢাকাস্থ মুসলিম দেশের কূটনৈতিকবৃন্দ এবং অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ঈদ জামাত আদায় করবেন। প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি একত্রে এই ঈদগাহ মাঠে নামাজ আদায় করতে পারবেন। গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, ঈদের প্রধান জামাতসহ রাজধানীর সকল মসজিদ ও ইদগাহে ঈদের জামাতকে ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঈদগাহ ও আশপাশ এলাকা স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) এর ইকুইপমেন্ট ও ডিএমপির ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করানো হবে। পুরো এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হবে। এছাড়াও ড্রোন পেট্রোলিং ও ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। পর্যাপ্ত সংখ্যক ইউনিফর্মধারী পুলিশ সদস্যদের সমন্বয়ে জাতীয় ঈদগাহের চারপাশে বহির্বেষ্টনী ও আন্ত:বেষ্টনী গড়ে তোলা হবে। প্রবেশ গেটে মেটাল ডিটেক্টর ও আর্চওয়ের মাধ্যমে তল্লাশি করা হবে। ইউনিফর্ম পুলিশের পাশাপাশি ডিবি পুলিশ, এসবি ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা সিভিল পোশাকে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সোয়াট টিম, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট স্ট্যান্ডবাই থাকবে। এছাড়াও দুর্ঘটনা এড়াতে ফায়ার সার্ভিস ও তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবায় মেডিকেল টিম নিয়োজিত থাকবে। তিনি বলেন, প্রধান ঈদ জামাত ঘিরে দশটি স্থানে পার্কিং ব্যবস্থা করেছে ডিএমপির ট্রাফিক রমনা বিভাগ। ঈদ জামাত ঘিরে আটটি রাস্তা ডাইভারসন দেওয়া হবে, যাতে কোনোরকমের হয়রানি ছাড়া মুসল্লিরা আসতে পারেন। নারীদের জন্য নামাজের পৃথক ব্যবস্থা থাকবে, তাদেরকে নারী পুলিশ সদস্যরা তল্লাশি করবেন। তিনি আরো বলেন, এবার ঢাকায় ১৮৪টি ঈদগাহে ও ১ হাজার ৪৮৮ টি মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রত্যেকটি ঈদ জামাতের জন্য আলাদা আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। একটি জামাতও নিরাপত্তা বলয়ের বাইরে থাকবে না। নাগরিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যারা ঈদের নামাজে অংশ নিতে আসবেন তারা আমাদের তল্লাশি কার্যক্রমে সাহায্য করবেন। কেউ দাহ্য বা ধারালো বস্তু নিয়ে আসবেন না। যে কোনো সমস্যা হলে পুলিশকে জানান। জামাত থেকে বের হওয়ার সময় ধৈর্যের সঙ্গে সুশৃঙ্খলভাবে বের হবেন। সাংবাদিকদেরে এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ এলাকায় পাহাড়ি সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) কোনো তৎপরতার তথ্য নেই। পাশাপাশাপি কোন ধরনের জঙ্গি তৎপরতার তথ্যও নেই। তারপরও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সকল বিষয় বিবেচনায় রেখেই নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে বাস মালিক সমিতিসহ সকল স্টেকহোল্ডারদের আমাদের বৈঠক হয়েছে। তারা আমাদের নির্ধারিত ভাড়া আদায়েরর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। রাজধানীর সকল যাত্রীবাহী বাস কাউন্টার ও স্টেশনগুলোতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ তৎপর রয়েছে। কোন ধরনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এসময় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) এ কে এম হাফিজ আক্তার বিপিএম-বার (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত); অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) ড. খঃ মহিদ উদ্দিন বিপিএম-বার (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত); অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস, ফিন্যান্স এন্ড প্রকিউরমেন্ট) মহাঃ আশরাফুজ্জামান বিপিএম; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ মুনিবুর রহমান বিপিএম-সেবা; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মোঃ আসাদুজ্জামান বিপিএম (বার); অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বিপিএম (বার), পিপিএম (বার); যুগ্ম পুলিশ কমিশনারগণ, উপ-পুলিশ কমিশনারগণ ও বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাগণসহ এবং প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

themesbazar_crimenew87
© All rights reserved © 2015-2021
Site Customized Crimenewsmedia24.Com