1. hrhfbd01977993@gmail.com : admi2017 :
  2. editorr@crimenewsmedia24.com : CrimeNews Media24 : CrimeNews Media24
  3. editor@crimenewsmedia24.com : CrimeNews Media24 : CrimeNews Media24
শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
"ফটো সাংবাদিক আবশ্যক" দেশের প্রতিটি থানা পর্যায়ে "ক্রাইম নিউজ মিডিয়া" সংবাদ সংস্থায় ১জন রিপোর্টার ও ১জন ফটো সাংবাদিক আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীরা  যোগাযোগ করুন। ইমেইলঃ cnm24bd@gmail.com ০১৯১১৪০০০৯৫
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিনিয়োগ প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা ও পানি ব্যবস্থাপনায় পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি: পরিবেশমন্ত্রী ১৪৭০ বোতল ফেনসিডিল এবং বিদেশী মদসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ডিএমপির শ্যামপুর থানায় ভুয়া পুলিশ গ্রেফতার জঙ্গিবাদ সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন-আইজিপি আধুনিক কবিতা — এ,কে,এম,রফিকুল ইসলাম মহব্বত সেবা ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে লায়নদের সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের আহ্বান রাষ্ট্রপতির দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার গার্মেন্টস কর্মী, পুলিশের সহায়তা চেয়ে পাননি খোলা চিঠি৷ —– সৈয়দা জে এস রত্না ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

ওসি মাজহারুল ইসলাম কান্ড ! মানবাধিকার কার্যক্রম বন্ধ করতে পরিকল্পিত সাজানো মামলা, হামলা

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৩, ৪.১৮ পিএম
  • ৮৭৪ বার পড়া হয়েছে
ওসি মাজহারুল ইসলাম কান্ড!
মানবাধিকার কার্যক্রম বন্ধ করতে পরিকল্পিত সাজানো মামলা, হামলা
বিশেষ প্রতিবেদকঃ
নির্যাতিত মানবাধিকার  কর্মীর অভিযোগ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র সচিব,  তথ্য সচিব, আইন সচিব, সমাজ কল্যাণ সচিব, মহাপুলিশ পরিদর্শক, বাংলাদেশ, মহাপরিচালক, র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, চেয়ারম্যান দুর্নীতি দমন কমিশন, পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসক, ঢাকা ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের বরাবরে লিখিত আবেদন করেন।
ভুক্তভোগী মোঃ আলমগীর (সেলিম) অভিযোগে উল্লেখ করেন যে,হিউম্যান রির্সোস এন্ড হেল্থ ফাউন্ডেশন নামক সংস্থার— মানবাধিকার কার্যক্রম বন্ধ করতে মিথ্যা মামলা, হামলা, অপসংবাদ ও সংস্থার অফিস লুটপাট, ডাকাতিসহ নানাবিধ ষড়যন্ত্রকারী নারী গঠিত ও মাদক, জুয়া ব্যবসায়ী, মানব পাচারকারী এবং তাদের সহায়তাকারী পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ করেন যে আমি মোঃ আলমগীর, পিতাঃ হানিফ, গ্রামঃ তেলিপাড়া, থানাঃ নড়িয়া, জেলাঃ শরিয়তপুর, বর্তমান সাং—৮০/৩, উত্তর যাত্রাবাড়ী, থানা যাত্রাবাড়ী, ঢাকা। তিনি পেশা জীবনে একজন ব্যবসায়ী কাজের ফাঁকে ফাঁকে লেখালেখি করেন এবং জনস্বার্থে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে হিউম্যান রিসোর্স এন্ড হেল্থ ফাউন্ডেশন নামক সংস্থার কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সময় সময় সরকারের মহুতি উদ্যোগ গুলোর সাথে সামঞ্জস্য রেখে মাঠ পর্যায়ে নানাবিধ অপরাধ তথ্য অনুসন্ধান করে তাহা নির্মূলের লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিভিন্ন মন্ত্রনালয় এবং আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে লিখিত আবেদন ও অভিযোগ পত্র পাঠিয়ে থাকে এবং গণ মাধ্যমকেও দেশের উন্নতির লক্ষ্যের স্বার্থে নানাবিধ তথ্য দিয়ে সহায়তা করে আসছে।

কিন্তু দীর্ঘ দিন যাবত দেশের মাদক, ক্যাসিনো (জুয়া), ব্যবসায়ী ও নারী পাচারকারী কয়েকটি চক্র বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে তাহাকে হত্যা করার ষড়যন্ত্রসহ নানা ধরণের মিথ্যা মামলা, হামলা করে আসছে। এতে অসাধু কিছু পুলিশ সদস্য, র‌্যাব সদস্য, ডিবি সদস্য, দীর্ঘদিন ধরে একই জোনে ডি.এম.পি—তে চাকরি করায় অসাধু কর্মকর্তাদের সাথে অপরাধীদের সুসম্পর্ক থাকায় তাদের সহায়তা নিয়ে নানাবিধ অপরাধ কর্ম করে ও তাহাকে হয়রানির অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে ও মিথ্যা মামলা দিচ্ছে। এবং অপরাধীরা তাদের অপরাধ করে সৎ দায়িত্বশীল আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যদের হাতে ধরা পরে এবং তাদের বিরুদ্ধে অসংখ্য মামলাও হয়েছে যাহার বাদী র‌্যাব ও পুলিশ সদস্য ও বিভিন্ন ভুক্তভোগী। কিন্তু মিডিয়ায় সংবাদ সম্মেলনে তাহার বিরুদ্ধে দোষ চাপিয়ে তাহার সম্মানহানী করার লক্ষ্যে আলমগীর (সেলিম)কে মিথ্যা মামলাবাজবানানো হয়েছে। এতে সহায়তা করেছেন তৎকালিন যাত্রাবাড়ী থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি মাজহারুল ইসলাম।

রির্পোটে তার হুবহু অভিযোগটি তিুলে হলো—

মুখোশধারীদের বিরুদ্ধে পূর্বে যত মামলা
এমতাবস্থায় রাজধানী যাত্রাবাড়ী থানাধীন ৮২/এ, নিউ পপুলার আবাসিক হোটেল ও সামিউল্লহ প্লাজার ৫ম তলায়, সাবেক বলাকা আবাসিক হোটেল ও মেঘনা আবাসিক হোটেল এর নারী পাচারকারীদের বিরুদ্ধে র‌্যাবের দেওয়া একাধিক মামলা যাত্রাবাড়ী (১) থানার মামলা নং—৬, তারিখ: ০২/০৬/২০২১ইং (২) থানার মামলা নং—১৩, তারিখ: ০৪/০৭/২০২১ইং, (৩) থানার মামলা নং—৬৯, তারিখঃ ১১/১/২০২১ ইং, (৪) মামলা নং—৯০, তারিখঃ ২১/০১/২০২১ইং, (৫) মামলা নং—৮৭, তারিখঃ ২৫/০৫/২০২১ ইং, (৬) মামলা নং—৭৬, তারিখঃ ২২/০৫/২০২১ ইং, (৭) মামলা নং—৫১, তারিখঃ ১৪/০৫/২০২১ ইং, (৮) মামলা নং—৪৩, তারিখঃ ১১/০৫/২০২১ ইং, (৯) মামলা নং—৩৭, তারিখঃ ১০/০৪/২০২১ ইং, (১০) — মামলা নং—২৩, তারিখঃ ২৫/০২/২০২১ ইং, (১১) মামলা নং—০৮, তারিখঃ ০৮/১২/২০২১ই, (১২) জসিমের শ্যামপুর থানার মামলা নং—০৮, তারিখঃ ০৮/১২/২০২১ ইং ।
পলাতক আসামী পাপন, পলাশ, সাজ্জাদ, জামাল, সাইদুল, জুয়েলরানা, আবু কালাম (জয়),অজ্ঞাতনামা প্রায় ২০ থেকে ৩০ জন সেলিমগংরা উক্ত হোটেলের অন্তরালে হোল্ডিং মালিকের যোগ সাজশে নারী ঘটিত পতিতা ব্যবসা ও দেশে বিদেশের পতিতালয় এবং ফ্ল্যাট বাসায় নারীদের পাচার কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে ও মাধনবাধিকার সংস্থা “হিউম্যান রির্সোস এন্ড হেল্থ ফাউন্ডেশন” এর নানাবিধ অপরাধমূলক ও নারী পাচার বিরোধী কার্যক্রমসহ অফিসিয়াল সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মাজাহারুল ইসলাম (কাজল) বিপি নং—৭৬০২০৩৪৫০৭ ও র‌্যাব—১০ এর সাইফুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, বিপি নং—৭৭১১১৪২৫১৯, ডেমরা জোনের এসি রবিউল ইসলাম সহ কিছু অসাধু আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যদের সহায়তা নিয়ে নারী পাচারকারীদের বাদী বানিয়ে আমাকে ক্রিমিনাল সাজানোর লক্ষ্যে যাত্রাবাড়ী থানায় আমাকে প্রথম ৬টি সাজানো মিথ্যা মামলা দিয়ে র‌্যাব দিয়ে গ্রেফতার করিয়ে প্রায় ২ মাস ১৫ দিন জেল খাটায়। জেল হতে জামিনে বের হয়ে আসার পর সংগঠনের অফিস না ছাড়ায় পুনরায় ডেমরা ও যাত্রাবাড়ী থানায় পৃথক ২টি গণধর্ষন মামলা দিয়ে আবারও জেলে পাঠায়। আমাকে ৮টি সাজানো মিথ্যা মামলায় জেল খাটায়। পূর্বের ৬ মামলায় র‌্যাব আমাকে গ্রেফতার করার পর আমাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করে গভীর রাতে আমাকে ৮০/৩, উত্তর যাত্রাবাড়ী, আমার অফিস এলাকায় নিয়ে যায়।
অফিসের মার্কেটের গেইট তালা মারা থাকায় মার্কেটের মালিক বা সিকিউরিটি বা স্থানীয় থানা পুলিশ এবং এলাকাবাসীর কাউকেই না জানিয়ে অতি গোপনে র‌্যাবের সাথে থাকা তালা কাটা যন্ত্র দিয়ে মার্কেটের গেইটে বাহির হতে লাগানো তালা কেটে মার্কেকেটর ভিতরে ডোকে “হিউম্যান রির্সোস এন্ড হেল্থ ফাউন্ডেশন” নামক মানবাধিকার ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার অফিসে ডুকে সেখানে থাকা শহিদুল ইসলাম নামের এক সাংবাদিককে নানা ধরনের শারিরীক নির্যাতন পূর্বক র‌্যাব এর মাইক্রো গাড়ীতে তোলে এবং র‌্যাব সদস্য ও তাদের সাথে যাওয়া সবাই মিলে অফিসের মালামাল ও কার্যক্রমসমূহের নথিপত্র এবং অফিসিয়াল এনড্রয়েট ফোন যাহার সিম ছিল—০১৮৬৫৮১০১৫৪ ও আরো কয়েকটি মোবাইলসহ সকল মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়।

সংস্থার কার্যক্রম সমূহ
আমাদের কার্যক্রমের ফলে নারী পাচারকারী চক্রের জিম্মি দশা হতে ২০০৯ ইং সালে কার্যক্রম—১) আইরিন ফরিদপুর পতিতালয় হতে উদ্ধার হয় কার্যক্রম—২) ২০১৫ ইং সালে যাত্রাবাড়ি বেবী রানীর ফ্ল্যাট হতে ময়মনসিংহ গৌড়িপুরের তামান্না জিম্মি দশা হতে মুক্তি পায় যাহা ২০১৫ ইং সালে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের তালাশ প্রোগ্রামের—৭৪ নং পর্বে প্রকাশিত হয়েছে। যাহা এখনো ইউটিউবে সংরক্ষিত রহিয়াছে। কার্যক্রম—৩) ২০১২ ইং সালে ডিএমপির মুগদা এলাকায় নিলুর ভাড়াটিয়া ফ্ল্যাট বাসা হতে শিরিনকে উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করি এবং যাহা মানব পাঁচার আইনে একাধিক ব্যক্তির নামে আদালতে বিচারাধীন একটি মামলাও রহিয়াছে। কার্যক্রম—৪) ২০১১ রামপুরা মিরাজ আবাসিক হোটেলে আটক ও নির্যাতনের ফলে মারা যায় উক্ত সুমী হত্যার ন্যায় বিচার পাইয়ে দিতে পরিবারকে আইনী সহায়তা দিয়ে আসছি কার্যক্রম—৫) ২০১০ ইং সালে সাবেক গুলশান বর্তমান বনানী থানাধীন লর্ডস ইন আবাসিক হোটেলে গণধর্ষণের স্বীকার হত্যার স্বীকার হওয়া সীমার পক্ষে আইনী লড়াই করি এক পর্যায়ে ২০১২ সালে মানব পাচার আইন পাশ হয় কার্যক্রম—৬) ২০০৯ সালে যাত্রাবাড়ি থানাধীন শহিদ ফারুক সড়ক রোড আহম্মদীয়া হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট এর গ্লাস বয় হাসান হত্যাকে কেন্দ্র করে বেকারী এন্ড রেস্টুরেন্ট শ্রমিক ইউনিয়ন ডিএমপির সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় নানাবিধ প্রতিবাদ ও আন্দোলন করে এবং রাজধানীর জিপিওর মুক্তাঙ্গনে মহাসমাবেশের ডাক দেন এবং পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করেন। উক্ত আন্দোলনকে থামানোর জন্য আমি বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করি। উক্ত মামলা হওয়ার পর মহাআন্দোলন থেমে যায়। মামলাটি অদ্য পর্যন্ত তদন্তাধীন রহিয়াছে। কার্যক্রম—৭: দেশের হিজড়া জনগোষ্ঠী তাদের চাঁদাবাজি আধিপত্যকে কেন্দ্র করে ডিএমপি সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় দাঙ্গা ফাঁসাদ শুরু হয় নির্মূলের লক্ষ্যে তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন মন্ত্রনালয় ও পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বরাবরে হিজড়াদের সমন্বয়ে চিঠিপত্র দেওয়ার পরে রাষ্ট্র ২০১৫ সালে হিজড়াদের স্বীকৃতি প্রদান করে। কার্যক্রম—৮: সংস্থার পক্ষে করোনা মহামারী চলাকালীন আমি নিজে মাস্ক সেলাই করে হাজার হাজার গণমানুষের মাঝে বিনামূল্যে বিলি করি। অসহায় মানুষের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ জেলা প্রশাসক ও যথাযথ মন্ত্রনালয়ে প্রেরিত প্রায় ১০০০ হত দরিদ্র বিপদগামী নারী পুরুষের জাতীয়পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও মোবাইল নং সংগ্রহ পূর্বক ডকুমেন্ট তৈরি করে লিখিত আবেদনপত্র প্রদান করি ৷ কার্যক্রম—৯: দেশের কয়েক হাজার কোটি টাকার সরকারি গ্যাস অবৈধ ব্যবহারের তথ্য প্রকাশ ইকবাল চেয়ারম্যান ও তুহিনের বিভিন্ন দুর্নীতি ও অন্যান্য জড়িত ব্যক্তিবর্গের তথ্য উৎঘাটন করে তালিকা তৈরির মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ বিভিন্ন দফতরে প্রতিবেদন প্রদান করি। কার্যক্রম—১০: ডিএমপির ধোলাইপাড় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর‌্যের নির্মাণ এলাকাও যাত্রাবড়ি থানাধীন সহ ডিএমপির বিভিন্ন এলাকার চাঁদাবাজির ডকুমেন্টারী তৈরি পূর্বক মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে লিখিত আবেদন করি। কার্যক্রম—১১: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখাপত্র ১) হিমালয়ের চূড়ায় বঙ্গবন্ধু ২) শ্রেষ্ঠ মানবাধিকার কর্মী জাতির পিতা ৩) বিদ্যুৎ গতিতে এগুচ্ছে বাংলাদেশের উন্নয়ন এ ধরণের একাধিক লেখা ও স্কিপ্ট ডকুমেন্টারী তৈরি। কার্যক্রম—১২: ২০১৬ ইং যশোরের সাবিনা ও বরিশালের পারভীন সংস্থার তৎপরতায় নারী পাচারকারীদের জিম্মি দশা হতে উদ্ধার হয়ে পরিবারের কাছে ফিরে যায় যাহা নিউজ২৪ টেলিভিশনের টিম আন্ডার কভার প্রোগ্রামের আধারে বন্দিনী নামক অনুষ্ঠান পর্বের মাধ্যমে উদ্বার প্রক্রিয়া দেখানো হয়েছে যাহা অদ্য পর্যন্ত ইউটিউবে সংরক্ষিত রয়েছে। এবং একটি মামলা চলমান বিচারাধীন আছে। কার্যক্রম—১৩: ২০১৯ ইং সনে ডিএমপির ওয়ারী ডিভিশনে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজির তথ্য প্রকাশ করি ওহাতে স্থানীয় চাঁদাবাজ বাহিনীর দ্বারা হামলার স্বীকার হয়ে আমার শরীরের কোমরে ও ডানপায়ের রানে ও ডানহাতের বাহুতে চারটি ছুড়ির কুপে ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর প্রায় ত্রিশটি সেলাই হয় উক্ত চাঁদাবাজের দৃশ্য এশিয়ান টিভির ক্রাইম প্রোগ্রাম “রক্ষক যখন ভক্ষক” অনুষ্ঠানে তাহা প্রকাশ হয়।

কার্যক্রম—১৪: সংস্থার মাধ্যমে অসহায় পতিতা নারীদের পাশে দারস্থ হয়ে সমাজে ফিরিয়ে এনে বিভিন্ন কার্যক্রম সেবা দেওয়ার তথ্য নিউজ২৪ টেলিভিশনে সামিয়া রহমান এর উপস্থাপনায় “যে গল্প নিষিদ্ধ” অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কিছু কার্যক্রম প্রকাশ করা হয়েছে যাহা অদ্য পর্যন্ত ইউটিউবে। কার্যক্রম—১৫: সৌদি আরবে নির্যাতনের স্বীকার মাদারীপুরের সম্পাকে উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিয়ে অদ্য পর্যন্ত আইনী সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। কার্যক্রম—১৬: হাতকাটা আলমগীরকে ভিক্ষাবৃত্তির থেকে ফিরিয়ে এনে তার দুর্ঘটনা জনিত মিল মালিক হতে ক্ষতিপূরণ পাইয়ে দিয়ে ব্যবসায়ী বানানোর সহায়তা করা। কার্যক্রম—১৭: সংস্থার স্বেচ্ছাসেবী কর্মীদের দ্বারা বহু (মাদক কারবারী ক্যাসিনো জুয়া) স্পট, অসামাজিক ব্যক্তিবর্গ মানব পাচার প্রতিরোধ সহ বিভিন্ন অপরাধ মূলক তথ্য উৎঘাটন করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার বরাবর আবেদন ও অভিযোগ প্রদান ৷ কার্যক্রম—১৮: আইনী সহায়তা দেওয়ার মাধ্যমে মাদারীপুরের হেলাল উদ্দিনের মেয়ে স্বর্ণাকে ডিএমপির মুগদা থানা এলাকায় নারী পাচারকারী আলমগীর ও সোনিয়াগংদের ফ্ল্যাট হতে উদ্ধার করে। পরিবারের নিকট মুগদা থানার মাধ্যমে ফিরিয়ে দেওয়ার যাবতীয় সহায়তা করেন উক্ত ঘটনায় অদ্য পর্যন্ত আদালতে মামলা বিচারাধীন রহিয়াছে। কার্যক্রমঃ ১৯ বরিশালের সাথীকে মুগদার নারী পাচারকারীনী সালমা ওরফে ছবির জিম্মি দশা হতে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার যাবতীয় সহায়তা করা আদালতে মামলা বিচারাধীন রহিয়াছে। কার্যক্রম—২০: ওয়ারী থানাধীন এলাকা হতে অপহরণকৃত পাচার হওয়া যাত্রাবাড়ি মৎস আড়তের এক ব্যবসায়ীর স্ত্রি ও সন্তানকে দীর্ঘ তিন মাস আটক থাকার পর জিম্মি দশা এলাকা সাতক্ষীরা হতে পুলিশের মাধ্যমে উদ্ধার করে সংস্থা অদ্য পর্যন্ত আইনী সহায়তার করে আসছে মামলা বিচারাধীন। কার্যক্রমঃ ২১—রাজবাড়ী দৌলদিয়া পতিতালয় হতে নূরু মেম্বার বাড়ির সর্দারনী সালমার জিম্মি দশার বন্দিশালা অপ্রাপ্ত দুই মেয়েকে আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উদ্ধার করে আদালতের মাধ্যমে পরিবারের কাছে ফিরে যায় । কার্যক্রম—২২ঃ নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন মাহমুদপুর এলাকার অন্ধপল্লীর শতাধিক অন্ধ নারী পুরুষের পাশে দারস্থ হয়ে বিভিন্ন শীতবস্ত্র দানের সহায়তা করা। কার্যক্রম—২৩: জনস্বার্থমূলক সমাজের মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নানাবিধ কার্যক্রমসহ বিভিন্ন জাতীয় সংবাদ মাধ্যম টিভি চ্যানেল, পত্র পত্রিকা, অনলাইন নিউজ প্রোর্টালে প্রকাশ করা। কার্যক্রম—২৪ : পূর্ণিমা রানী বর্মন, পিতা— শুকলাল চন্দ্র বর্মন, সাং—দক্ষিণ বাইশপুর, ইউনিয়ন মতলব—৩৬৪০, থানা—মতলব, জেলা—দক্ষিণ চাঁদপুর—কে একটি মানব পাচারকারী চক্র সৌদি আরবে দীর্ঘ ১০ মাস জিম্মি করে অনৈতিক কার্যকলাপ করাতো উক্ত পূর্ণিমা রানী বর্মনকে অর্থ সংস্থার তৎপরতায় পাচারকারীরা দেশে ফিরিয়ে আনে, পরিবারের নিকট যেতে দেয়।

কার্যক্রম তথ্য, ডাকাতি, লুটপাট হওয়া মালামাল
এছাড়া সংস্থার পক্ষে প্রায় দেশ বিদেশের বিভিন্ন পতিতালয়, ফ্ল্যাট বাসা, অসামাজিক কার্যকলাপ চলা আবাসিক হোটেল হতে প্রায় ৫০০ প্রাপ্ত/অপ্রাপ্ত মেয়েকে উদ্ধার করে পুলিশের সহায়তায় পরিবারের কাছে ফিরে যাওয়ার সহায়তা করা হয়। এবং বহু জুয়ার স্পট মাদককারবারীদের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দিয়ে তাহা নিমূর্ল করে আসছি। এর ফলে, অপরাধীদের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা ভোগী আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর কিছু অসাধু সদস্যদের সহায়তা নিয়ে যোগ সাজশে অপরাধীরা মিথ্যা নাটকীয় ঘটনা সাজিয়ে আমাদের কার্যক্রম বন্ধ করার লক্ষ্যে নানাবিধ অপরাধীদের অপরাধ কার্যক্রম টিকিয়ে রাখতে আমার নামে র‌্যাব—১০ ধলপুর ক্যাম্প সিপিসি—১ এর এএসপি সাইফুল ইসলাম ও এসআই মোঃ জাহাঙ্গীর আলম নিঃ বিপি নং—৮৭১৫১৬৯৮২৩ ও আনিস, হাসিব এর গোপন সহায়তায় ডিএমপির নারী পাঁচারকারী একটি চক্রদ্বারা যাত্রাবাড়ি থানায় একের পর এক ছয়টি মামলা দিয়ে আমাকে নাটকীয় ভাবে ফাসায়। এক পর্যায়ে র‌্যাব আমাকে ষড়যন্ত্র মূলক সাজানো মামলায় গ্রেফতার করে আমার অফিস ৮০/৩, উত্তর যাত্রাবাড়িতে গিয়ে গভীর রাতে মার্কেটের তালা কেটে অফিসের চেয়ার টেবিল ব্যতীত উল্লেখিত সকল মালামাল সরকারি অনুমতি ছাড়া লুটপাটসহ ডাকাতি করে নিয়ে যায়। মালামালের মধ্যে সংস্থার কার্যক্রমের সংরক্ষিত বহু ভিডিও স্টিল ছবি, প্রায় ৩০টি পেন—ড্রাইভ, ৮০ মিনিট করে ডকুমেন্টস তৈরি করা ২৫টি সনি ক্যামেরার মিনি ক্যাসেট ও ৩০ টি ডকুমেন্টস সহ সিডি ক্যাসেট ২টি সিমসহ কয়েকটি মোবাইল সেট, নগদ ৩,০০,০০০/— টাকা আদালতে বিচারাধীন এবং হাইকোর্টে রিট পিটিশন এর ডকুমেন্টস এর কস্ট লিস্টসহ সংস্থার সকল মামলার ডকুমেন্টস শিক্ষণীয় আনুমানিক ১,০০,০০০/— টাকা মূল্যের বই পুস্তক, ১২ বছরের হিসাব নিকাশের খাতা—পত্র, ট্রেড লাইসেন্স ২ প্রতিষ্ঠানের গঠনতন্ত্র, ব্যাক্তিগত জমি জমার কাগজপত্র,আমার ব্যক্তিগত তদন্তাধীন ও বিচারাধীন

যাত্রাবাড়ি ও শাহজাহানপুর থানার মামলার এজাহার ও সকল ডকুমেন্টারী এবং ঢাকা মেডিকেলের চিকিৎসা সনদসহ ২টি কম্পিউটার উল্লেখিত কার্যক্রমের সকল নথিপত্র ডকুমেন্টারী ইত্যাদি সকল মালামাল র‌্যাবের একটি মাক্রো গাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে যায় আমি প্রতিবাদ করলে গাড়িতে বসা জাহাঙ্গীর ও আনিস সহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন মিলে মারধর করে এবং ধলপুর র‌্যাব অফিসে নিয়ে গিয়ে সাইফুল সহ কয়েকজনে মিলে আমাকে ব্যাপক শারীরিক নির্যাতন করে ও ক্রস ফায়ার দিয়ে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দিয়ে কয়েকটি সাদা কাগজে আমার স্বাক্ষর নেয় এবং তাদের শিখিয়ে দেওয়া বিভিন্ন কথা বলিয়ে মোবাইল ক্যামেরায় ভিডিও রেকর্ড করে এবং মূল্যহীন ডকুমেন্ট এ প্রায় ৫০০০ নারী পাচার হওয়ার তথ্য নিয়ে বিভিন্ন মামলার আসামী ও পলাতক আসামী নারী পাচারকারী রিপন, কবির, জসিম, মনির, সাজ্জাদ, জাভেল হোসেন পাপন, পলাশ, রানী, বেবী, শিশির, জুয়েল, মলিনা, জামাল, রফিক, সাইফুল, আনোয়ারা, ইকবাল, তুহিন, রুবেল গংদের দিয়ে দেয় এবং র‌্যাবের সাইফুল, এসআই জাহাঙ্গীর, র‌্যাব সদস্য আনিস, হাসিব, ওসি মাজহারুল ইসলামসহ অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজন মিলে বিভিন্ন নারী পাচারকারীদের প্রভাবিত করে যোগ সাজেশে র‌্যাবের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ভুল বুঝিয়ে সংবাদ সম্মেলন এর মাধ্যমে বিচারধীন বিভিন্ন মামলার কাগজপত্র র‌্যাব ক্যাম্পের সংবাদ সম্মেলন আয়োজন টেবিলে সাজিয়ে র‌্যাব কর্মকর্তা সাজানো মিথ্যা তথ্য মিডিয়ায় প্রদান করে ও নানাবিধ অপরাধী তাদেরকে দিয়ে আমার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে মিডিয়ায় অপপ্রচার চালায় ও বিভিন্ন নারী পাচারকারীদের মামলা করার পরামর্শ দেন এবং যাত্রাবড়ি থানায় র‌্যাব সদস্যরা নিজেরাও সহায়তা করেন। মামলা গুলোতে আমি জামিনে মুক্ত হয়ে নারী পাচারকারীদের তথ্য সংগ্রহ করে।
গত ০৬/১০/২০২১ইং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্বরাষ্টসচিব সহ র‌্যাব ও পুলিশের বিভিন্ন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বরাবর অভিযোগ প্রদান করি এর ফলে গত ইংরেজি ২৬/১০/২১ইং তারিখে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় এই চক্রের দুইজনের বিরুদ্ধে এক ভোক্তভোগীর অভিযোগে মামলা হয় যাহার মামলা নং—৭৪ এবং ২৮/১০/২১ ইং তারিখে যুগান্তর পত্রিকাসহ বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয় এতে নারী পাচার কারীদের গড ফাদার ও সদস্যরা তাদের বন্ধু সুলভ গোপন সহায়তা কারী র‌্যাব—১০ ও ঢাকা জেলা ডিএমপির ডিবি এবং পুলিশের কিছু অসাধু দায়িত্ব অবহেলাকারী গোপণে আর্থিক সুবিধাভোগী কর্মকর্তা আমার বিরুদ্ধে নানা ধরণের ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। ৬ মামলায় আমি জামিনে মুক্ত হয়ে আসার পর বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিলে হঠাৎ একদিন যাত্রাবাড়ী থানায় ওসি মাজহারুল ইসলাম আমাকে ডেকে নিয়ে একজন র‌্যাব সদস্যের উপস্থিতিতে আমার অফিস থেকে নেওয়া মালামালের দায় এড়ানোর জন্য নামমাত্র কিছু কাগজপত্র একটি সাধারণ ডাইরির মাধ্যমে দেয়। যাত্রাবাড়ী থানা সাধারণ ডাইরি নং—০১৮৬, তারিখ—১৩/০২/২০২২ইং ঐ মুহুর্তে আমি আমার মূল্যবান সম্পূর্ণ মালামাল এবং পত্রে উল্লেখিত ডুকুমেন্টারী ও টাকা তাদের কাছে চাইলে ওসি মাজহারুল ইসলাম ও র‌্যাবের সদস্যরা হুমকির সুরে বলে যে ব্যাটা এ নিয়ে সন্তুষ্ট থাক, বেশি বাড়াবাড়ি করলে তোর পরিনাম ভয়ানক হবে। তাছাড়া দেশের অনেক আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আছে যে কেউ তোকে ধরে নিয়ে গিয়ে গেলে তোর আর কোন হদিস থাকবে না। এছাড়া দেশের বিভিন্ন থানা হতে আমার কলিগদের দিয়ে তোকে একাধিক মামলা দিয়ে দিলে তোর জীবনটা কাটবে জেল খেটে খেটে।
যেভাবে হুমকি দেয়
এরই মধ্যে গত ইংরেজি ২৪/১০/২০২১ তারিখ আনুমানিক সকাল ৮ টা হতে ৮.৩০ মিনিট সময় আমার ব্যবহৃত মোবাইল সিম নং—০১৯১১—৪০০০৯৫ নাম্বারে ০১৬০৮—১০৭৯৭৯ নাম্বার হতে অজ্ঞাত নামা এক ব্যক্তি আমার নাম্বারে দুই বার মিসড কল করে। পরবর্তীতে আমি ঐ নাম্বারে কল করি। কল রিসিভকারী ব্যক্তি আমাকে নানা ধরণের ভয়—ভীতি দেখানো সহ হুমকি প্রদান করে। এরপর আমি যাত্রাবড়ি থানাধীন কুতুবখালী খালপাড় যাওয়া মাত্র আমার গতিরোধ করে ১। সাজ্জাদ ২। কবির (মিরাজ) ৩। জসিমসহ আরো দুইজন। তারা র‌্যাব —১০ ধলপুর ক্যাম্পের সিপিসি —১ এর এএসপি সাইফুল ও র‌্যাব সদস্য আনিস, ও হাসিব এর সোর্স পরিচয় দিয়ে জসিম উদ্দিন, কবির (মিরাজ), ও সাজ্জাদ ডিবির সোর্স ও গোপন মাঠ পর্যায়ের টাকা উত্তোলনকারী ক্যাশিয়ার পরিচয়ে অজ্ঞাত নামা আরো দুই ব্যক্তি আমাকে বলে সকালে আমার নাম্বারে যিনি ফোন দিয়েছিল তার নাম আনিস তিনি র‌্যাব —১০ এর ধলপুর ক্যাম্পের র‌্যাব সদস্য তাহারা হুমকি দেয় যে, আমাকে যে কোন সময় অপহরণ করে তুলে নিয়ে লাশ গুম করে ফেলা সহ বা অবৈধ দ্রব্যাদি দিয়ে বিভিন্ন একাধিক মামলায় ফাঁসিয়ে ক্রস ফায়ার করবে বলে ভয় দেখিয়ে বলে আমার নাম্বারে ট্যাক করে তারা তাদের বস সাইফুল ও আনিস এবং হাসিবের নির্দেশে তারা আমার কাছে আসছে। ওদের স্যারেরা বলেছে আমি যেন নারী ঘটিত অবৈধ ব্যবসায়ী, যেমন— আবাসিক হোটেল, ফ্ল্যাট বাসা, ও সরকার অনুমোদন বিহীন মিনি পতিতালয় এবং ওয়াইজঘাট সাউথ সিটি মার্কেটের আন্ডার গ্রাউন্ডে নারী পাচারকারী গডফাদার জাভেল হোসেন পাপনের জুয়া ও মাদক স্পট এর বিরুদ্ধে যেন কোন লেখালেখি বা কোথাও কোন অভিযোগ প্রতিবেদন না করি।
আর পাচারকারীদের বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ করেছি তাহা যেন তুলে নেই। আমি তার কারণ জানতে চাইলে জসিম ও মিরাজ সাজ্জাদগংরা ও আনিস স্যারদের সপ্তাহে লক্ষ লক্ষ টাকা আমরা উত্তোলন করে দেই। অপরাধীরা আমাদের টাকা দেয় সেখানে কখনো অভিযান হলেও তাদেরকে আগাম অভিযানের তথ্য পৌছে দেই। তাহাদের অবৈধ নারী ঘটিত দেহ ব্যবসা ও প্রতিতালয়ের কোন ক্ষতি না হয় ও নিরাপদ নারী পাচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে। আর যদি কখনো তোর দ্বারা নারী পাচারকারীদের কোন ক্ষতি সাধন হয় তাহলে তোর মানবাধিকারগিরি ও সাংবাদিকতার স্বাদ মিটিয়ে দিব এমন ভাবে গায়েব হয়ে যাবি তোর খোঁজ কখনো কেউ পাবে না আর আজীবন। র‌্যাব —১০ ডিবির নাম পরিবার ও বন্ধুবান্ধবরা মনে রাখবে। আর নারী পাচারকারীদের যত ক্ষতি হয়েছে তার ক্ষতিপূরণ দিয়ে দিবি আর সংস্থা থেকে আইনী সহায়তার মাধ্যমে যত মামলা হয়েছে তাহা আদালত থেকে তুলে নিবি এবং বিচারাধীন মামলার স্বাক্ষীদিতে আদালতে যাবি না। অন্যান্য স্বাক্ষীদেরও পাঠাবি না। ইহা স্যারদের নির্দেশ। যদি কথা অমান্য করিস, তাহলে দুনিয়া ছেড়ে চলে যেতে হবে। তোর লাশ ও কেউ খুঁজে পাবে না ।

সংস্থার মানবাধিকার কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞাসহ নানাবিধ ষড়যন্ত্র

এক পর্যায় জেল হতে জামিনে বের হয়ে এলে যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম থানায় ডেকে নিয়ে বলে আমি যেন জনস্বার্থে মানবাধিকারের কার্যক্রম না করি। আর কোন পাচারকারী বা মাদক, জুয়া ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন মহলে কোন ধরনের অভিযোগ না করি আর যাত্রাবাড়ী এলাকা হতে যেন আমি আমার অফিস গুটিয়ে চলে যাই। কিন্তু মাজাহারুল ইসলামের কথা না শুনায় মাদক, ক্যাসিনো (জুয়া), নারী পাচারকারী ও বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামীদের নিয়ে একটি গোপন দল বানিয়ে আন্তর্জাতিক নারী পাচারকারী কবির ওরফে মিরাজ, ওসির সোর্স আশরাফ থানার পিয়ন বাবু, যাত্রাবাডী থানার মানব পাচার মামলার পলাতক আসামী ডিবির উত্তর দক্ষিণ এর ক্যাশিয়ার পরিচয়দানকারী সাজ্জাদকে দায়িত্ব দেন এবং দায়িতপ্রাপ্তরা নারীপাচারকারী পাপনগংদের ইনভেষ্টে আমার বিরুদ্ধে একটি ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা প্রতিবেদন তৈরি করে গত ইংরেজি ১৯/০৩/২০২২ তারিখ রাত ৯ টা ৩০ ঘটিকায় যমুনা টেলিভিশনের পাক্ষিক প্রোগ্রাম ক্রাইমসিন অনুষ্ঠানে আমাকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে তাহা প্রচার করা হয়।

উক্ত প্রতিবেদনটিতে সঠিক তথ্য গোপন করে মিথ্যা তথ্য—উপাত্ত উপস্থাপন করে ভিডিও সংবাদটি প্রচার করা হয়। ওসি মাজহারুল ইসলাম ও পাচারকারীদের উদ্দেশ্য মূলক বানোয়াট সংবাদটি প্রকাশ ও প্রচার হলে তারা মনে করেছেন র‌্যাব, ডিবি, পুলিশ সহ আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর যে কোন সদস্য সহ যে কেউ আমাকে ধরে নিয়ে ক্রস ফায়ার করে হত্যা, গুম বা পূর্বের ন্যায় অপরাধীরা যে যার মতো করে আবার মিথ্যা অভিযোগ এনে যাত্রাবাড়ী সহ বিভিন্ন থানায় আমার নামে একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটানো হবে। নয়ত আমাকে সন্ত্রাসী দিয়ে গণ ধোলাই দিয়ে মিথ্যা অপবাদে প্রকাশ্যে বা গোপনে হত্যা করা হবে। অপরাধীদের চাঙ্গা করার জন্য আমাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যে যমুনা স্যাটেলাইট টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার আশিক ও উপস্থাপক কে ম্যানেজ করে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আমি ডেমরা যাত্রাবাড়ী এলাকার নিরীহ সাধারণ ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ, পুলিশের বাঘা বাঘা সদস্যদের ও সাধারণ মানুষকে মিথ্যা মামলা দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছি এমন একটি মিথ্যা সংবাদ টিভির ভিডিওতে প্রমাণ স্বরূপ রিপোর্টটি সত্য বানানো ও দেখানোর জন্য বিভিন্ন দাগী অপরাধী, মানব পাচারকারী, ফুটপাতের চাঁদাবাজ মাদক ব্যবসায়ীসহ মামলার পলাতক আসামীদের নিয়ে পুলিশ যমুনা টিভির রিপোর্টার ও অপরাধীরা পরস্পর যোগ সাজশে হাতে হাত মিলিয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে অপরাধীরা তাদের অপরাধকর্ম টিকিয়ে রাখতে ও সৎ দায়িত্বশীল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নজর এড়াতে রিপোর্টার আশিক মাহমুদ ও উপস্থাপক গোপনে পুলিশ ও অপরাধীদের কাছ হতে বিপুল পরিমাণের আর্থিক সুবিধা নিয়ে চ্যানেলের সিনিয়রদের দিয়ে অপরাধীদের পক্ষে তাদের খুশি রাখার জন্য সংবাদটি পরিবেশন ও অপপ্রচার করে উক্ত সংবাদটিতে যে তথ্যগুলো রিপোর্টার গোপন করে গেছে তাহা নিম্নে উল্লেখ করা হলোঃ

১। রিপোর্টে অসত্য মিথ্যা তথ্যঃ
সংবাদের ভিডিও স্কিনে আমার ফেইসবুক হতে নেওয়া আমার ছবি প্রকাশ করে উপস্থাপক বলেন, ভুয়া সাংবাদিকতার মুখোশ পরে চক্রটি মিথ্যা মামলার ফাঁদে ফেলে মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা।

(ক) সঠিক সত্য ঘটনা ও তথ্য
ক্রাইম নিউজ মিডিয়া নামক যে প্রতিষ্ঠানটি দেখানো হয়েছে ঐ প্রতিষ্ঠানটি একটি লিমিটেড ফার্ম কোম্পানী । উক্ত কোম্পানীর আমি ম্যানেজিং ডারেক্টর এবং প্রতিষ্ঠানের বৈধ ট্রেড লাইসেন্স ও রয়েছে এবং সরকারি বিধি মোতাবেক অনলাইনটির আমি প্রকাশক ও হিউম্যান রির্সোস এন্ড হেল্থ ফাউন্ডেশন এর মহাসচিব। আমি কারো নামে কোন ধরণের মিথ্যা মামলা করি নাই। আর কোন ধরনের মিথ্যা মামলা করেছি এমন কোন নজির নেই। রিপোর্টার বিভিন্ন লোকের সাজানো মিথ্যা অভিযোগ একত্রিত করে রিপোটের্র স্বার্থে নানা অপরাধীদের দিয়ে মন গড়া নারী ও মাদক ব্যবসায়ী সহ বিভিন্ন দাগী অপরাধীদের মুখোশ আড়াল করতে মিথ্যা বক্তব্য ভিডিও রেকর্ড করে তাহা অপপ্রচার করে যে সকল ব্যক্তিবর্গ আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা বক্তব্য দিয়েছে তাদের নামে পৃথক ভাবে বিভিন্ন থানায় যেমন— ডিএমপির, যাত্রাবাড়ী, ওয়ারী, কদমতলী, সবুজবাগ, মুগদা, হাতিরঝিল, শ্যামপুর, গেন্ডারিয়া, কোতয়ালী, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্ল, কুমিল্লার দেবীদ্বার সহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মানব পাচার, ভুয়া র‌্যাব, ছিনতাই, নারী নির্যাতন, চাঁদাবাজি, মাদক, মামলা রয়েছে। মামলা গুলোতে বেশির ভাগই র‌্যাব ও স্থানীয় থানা পুলিশ সদস্য বাদী এবং বিভিন্ন ভুক্তভোগী। যদি ঐ সকল মামলা গুলো যদি মিথ্যা হয় তাহলে আমার বিরুদ্ধে কেন দায় ঠেলে দেওয়া হলো । তাদের বিরুদ্ধে দেওয়া মামলার বাদীতো আমি না। রিপোর্টে মামলাগুলোর দায় বাদী পুলিশ সদস্য, র‌্যাব তাদের বিরুদ্ধে কোন কিছু বলা হলো না এবং তথ্য গোপন করা হয়েছে। এতে প্রমাণ হয় যে, রিপোর্টার কোন অসৎ উদ্দেশ্যে একটি অপ সংবাদপ্রস্তুত ও প্রকাশ করেছে।
২। রিপোর্টে অসত্য ও মিথ্যা তথ্য
ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় অবস্থিত ফেস ইন ইন্টারন্যাশনাল আবাসিক হোটেলের স্টাফ ও মালিকগণ বক্তব্য দেয় যে, তাদের প্রতিষ্ঠানের বদনাম করার জন্য ও তাদের কাছে ফোনে ২ লক্ষ টাকা চাঁদা চেয়েছি দেয় নাই দেখে মিথ্যা ধর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েছে।
(খ) সঠিক সত্য ঘটনা ও তথ্য
ফেস্ ইন ইন্টারন্যাশনাল আবাসিক হোটেলে এর মালিক আবু কালাম (জয়) তারা একটি নারী ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট। জয়দের সিন্ডিকেটে হাসান, সোহেল, সামসু, আল আমিন, রিপন, ফরিদ, সবুজ সহ অজ্ঞাতনামা আরো বহু লোক রয়েছে এরা দেশের বিভিন্ন থানা এলাকায় আবাসিক হোটেল প্রতিষ্টা করে তাহার অন্তরালে করানো হয় নারী ঘটিত ব্যবসা তাদের প্রায় ৬০ থেকে ৭০ জন নারী সরবরাহকারী পাচারকারী খদ্দের সংগ্রহকারী দালাল রয়েছে। জয়ের সিন্ডিকেটে হাসান, সোহেল, আল আমিন, সামসু, রিপন, ফরিদ এরা রাজধানীর ডেমরা যাত্রাবাড়ী ফার্মগেট গ্রীন রোড, তেজগাঁও গাবতলী এলাকায় তাদের রয়েছে বিভিন্ন আবাসিক হোটেল যেমন—ডেমরা ফেস্ ইন ইন্টারন্যাশনাল, যাত্রাবাড়ীর মেঘনা, রংধনু, প্রভাতী, ফার্মগেটে লাব্বাইক,দেশ বাংলা আবাসিক হোটেল, গ্রীন রোডে মুন আবাসিক হোটেল। এছাড়া মাধবদী, হোটেল ঈগল আবাসিক, ঝিনুক আবাসিক ও রাজধানী আবাসিক, কুমিল­া টাউন এলাকায়ও রয়েছে তিনটি আবাসিক হোটেল ও বিভিন্ন জায়গায় ফ্ল্যাট বাসা সেখানে প্রতি নিয়ত চলে নারী ঘটিত অসামাজিক কার্যকলাপ। এর দায়ে র‌্যাব—১০ ধলপুর ক্যাম্পের র‌্যাব সদস্যদের হাতে ধরা পরে তাদের সিন্ডিকেটের নামে একাধিক মানব পাচার আইনে মামলা রয়েছে।
ছাড়া কিন্তু রিপোর্টার গোপন অর্থের বিনিময়ে মানব পাচারকারী আবু কালাম (জয়) গংদের পূর্ব থেকেই পরিচিত হওয়ায় তাদের বসিভূত হয়ে পাচারকারীদের তথ্য গোপন করে বানোয়াট বক্তব্য ভিডিও রেকর্ড করে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে টিভিতে সংবাদটি প্রচার করে তা ছাড়া হোটেল মালিক স্টাফগনরা বলেছেন আমি তাদের কাছে চাঁদা চেয়েছি কিন্তু কখন, কোথায়, কিভাবে, কোন নম্বারে, কোন সময় জয়দের সাথে দেখা করে বা ফোন করে চাঁদা চাই তাহা স্পষ্ট করে বলা হয় নাই । যাহা সাজানো বক্তব্য জয়দের সাথে আমার কোন দিন ফোনে কথা বলাতো দূরের কথা দেখাও হয় নাই। চাঁদা চাওয়াতো দূরের কথা। রিপোর্টারের সাথে আমার দেখা হওয়ার পর ও আমার কোন বক্তব্য নেয় নাই। তিনি এক পক্ষের বক্তব্য নিয়ে নারী ঘটিত ব্যবসায়ী ও পাচারকারীদের গডফাদার ওসি মাজারুল ইসলাম এর কথা মতো উদ্দেশ্য প্রণোনীত ভাবে নিউজটি করে । যদি তাই না হতো তাহলে আমার মতামত নিয়ে বক্তব্য প্রচার করা হতো। আর যারা বক্তব্য দিয়েছে তাদের আসল পরিচয় গোপন না করে সঠিক পরিচয় তুলে ধরা হতো। তাছাড়া হোটেলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখানো হয়েছে তাহা বাহিরের বানানো ফুটেজ। যদি তাই না হতো তাহলে হোটেলের ভিতরের ফোটেজ কেন দেখানো হয় নাই । মূলত আসল ঘটনা আড়াল করতে রিপোর্টারের কারসাজি মাত্র।

৩। রিপোর্টে অসত্য ও মিথ্যা তথ্য
রিপোর্টে বলা হয়েছে ভুক্তভোগী নারী কেউ ডেমরা এলাকায় যায় নাই তাহলে ধর্ষণের ঘটনা কিভাবে ঘটল। রিপোর্টার অনেক কষ্টের পর তরুণীকে খুজে বের করে। মেয়েটি তার সাবেক প্রেমিকের উপর প্রতিশোধ নিতে যাত্রাবাড়ী থানায় যান তিনি সেখান থেকে বের হওয়ার পর আমার সাথে নাকি দেখা হয় ন্যায় বিচার পাইয়ে দিতে মিথ্যা নাটক সাজাই আমি। ভুক্তভোগী মেয়ে বলেছে তাকে ট্যাপে ফালাই আমি। আর ওয়ারী ডিভিশনের ডিসি ইফতেখার বলেছেন মেয়েটি প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে দুষ্ট সাংবাদিক তার একটি চক্র আছে সেখানে মহিলাও আছে তার পারপাসটা সার্ফ করে থাকে। আমার ডিরেক্টশনে নাকি ঐ সকল মেয়েরা চলে।
(গ) সঠিক সত্য ঘটনা ও তথ্য
মেয়েটির নাম নুসরাত জাহান শেফা। তার চাচাতো ভাই আদর এর সাথে প্রায় ১ বছর ধরে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ঘটনার ৩ মাস আগে হতে তাকে বিষয়ের প্রলোভনে স্টাফ কোয়ার্টার মোড় সংলগ্ন বড় চেয়ার সিটের আলো আধারী রুমের স্টাফদের সহায়তায় ও বিভিন্ন ফ্ল্যাট বাসায় নিয়ে বিভিন্ন সময় নুসরাতকে ৩ মাসে প্রায় ১৭ বার ধর্ষণ করে। নুসরাত না যেতে চাইলে মোবাইলে ধারণ করা মেলামেশার ভিডিও দেখিয়ে বার বার যৌন মেলা মেশায় বাধ্য করত।
বিষয়টি পরিবারকে নুসরাত জানায় নুসরাতের পিতা যাত্রাবাড়ী থানায় গিয়ে রীতিমতো একটি লিখিত কম্পিলিন করে লিখিত ‘কম্পিলিন করলে থানার ওসি মাজাহার বলে ঘটনা ডেমরা থানা এলাকায় সেখানে গিয়ে অভিযোগ করেন। তখন নুসরাতের বাবা ডেমরা থানায় গেলে ডেমরা ওসি ও বলে আপনার বাসা যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় আপনি সেখানে গিয়ে অভিযোগ করেন। এভাবে দুই থানায় ঘুরে নুসরাত ও তার বাবা নানা হয়রানির শিকার হয়ে বাসায় চলে যায়। এক পর্যায়ে এটি থানায় রীতিমতো একটি সালিশ ও হয় সালিশে সিদ্ধান্ত হয় যে, ছেলে মেয়ে কেউ কারো সাথে কথা বলতে পারবে না। কিন্তু পুনরায় ছেলে মেয়ে এক হয়ে নুসরাত ঘটনার তিন দিন আগে বাসা হতে বের হয়ে আদর নামে তার চাচাতো ভাইয়ের হাত ধরে বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে যায়। নুসরাত তিন দিন বিভিন্ন বান্ধবীদের বাড়িতে থাকে ।

এক পর্যায়ে চাচাতো ভাই আদর বিয়ের নামে হোটেলে নিয়ে ওঠায়। আদর সহ কয়েকজন মিলে নুসরাতকে ধর্ষণ করে। তখন মেয়েটি বুঝতে পারে আদর তাকে বিয়ে করবে না এক পর্যায় মেয়েটি রাস্তয় নেমে তার এক বয়ফ্রেন্ডের মাধ্যমে মহিলার সহায়তা নিয়ে লিপি নামে ঐ মহিলার সাথে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে যায় সেখানে যাওয়ার পর মিডিয়ার কাছে অসুস্থ অবস্থায় নুসরাত কথা গুলো বলে। সেখানে টিভি চ্যানেল সহ বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়ার বেশ কিছু গণ মাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিল। নুসরাতের বলা ঘটনা বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকাসহ কয়েকটি প্রিন্ট মিডিয়া ও স্যাটেলাইট টেলিভিশন যমুনা ও ডিবিসি নিউজ এ তার সংক্ষিপ্ত সংবাদটি প্রচার হয়। নুসরাত এর ঘটনা জানা জানি হওয়ায় মেডিকেলে ডেমরা থানার পুলিশ সদস্য ও এসি গিয়ে ধর্ষণ চিকিৎসা শেষে ওসিসিতে ভর্তি হওয়া নুসরাতকে ডেমরা পুলিশ নাম না কেটেই তদন্তের নামে নিয়ে যান ডেমরা থানায়।
এর মধ্যে সাথে যাওয়া মহিলা লিপিকেও থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। ডেমরা থানায় নেওয়ার পর থানার ওসি ও ওসি তদন্ত কয়েকজন এস আই মিলে তাকে বেধরক ভাবে লাঠি দিয়ে পিটাতে থাকে। এক পর্যায় লিপি অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। আর নুসরাতকে নানা ভয় ভীতি দিয়ে ঘটনার মোড় ভিন্ন দিকে প্রভাবিত করে । পুলিশের শিখিয়ে দেওয়া কথা ভিডিও রেকর্ড করে কোন মামলা না নিয়ে তারপর মেয়েটিকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয় পরিবার মান সম্মানের দিকে তাকিয়ে কোন প্রতিবাদ না করে নুসরাতকে নিয়ে বাড়ি চলে যায়। এদিকে ডেমরা থানা পুলিশ নুসরাতের অভিযুক্তদের আটকের পর মামলা না দিয়ে তাদের কাছ হতে অতি গোপনে কয়েক লক্ষ টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়। কেননা স্টাফ কোয়ার্টার প্রথম ঘটনা ঘটেছিল যেই চাইনিজে সেই চাইনিজটি ইসমাইল নামে এক ইনস্পেক্টরের তিনি নাকি ডেমরা থানার ইনেস্পেক্টর তদন্তএছাড়া তার যাত্রাবাড়ী থানাধীন সায়েদাবাদ হোটেল মেহরান, হোটেল আকবর, হোটেল মুন, হোটেল রয়েল, হোটেল তিতাস।

আটককৃতরা তার ব্যবসায়ীক গোপন পার্টনার। ডেমরা জোনের এসি মিডিয়ার নজর এড়াাতে ঘটনাটি ভিন্ন দিকে প্রভাবিত করতে তার জোন ও ওয়ারী ডিভিশনের আইন শৃঙ্খলার উন্নয়ন দেখাতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে নিজেকে সাধু বানাতে ডিএমপির কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তাগণ যোগ সাজেশে বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামী ও দাগী দোষী ব্যক্তিদের নিয়ে সুপরিকল্পিত ভাবে বিভিন্ন ঘটনার ভুক্তভোগীদের সাথে আমাকে মিথ্যা ভাবে জড়িয়ে যমুনা টেলিভিশনের রিপোর্টার আশিকের সাথে গোপনে দফায় দফায় তার অধিনস্থদের দিয়ে মিটিং করে মোটা অংকের অথের্র বিনিময়ে আমার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা সাজানো ঘটনার প্রতিবেদন তৈরি করে তাছাড়া ঐ মেয়ে বলেছে যে, আমি তাকে যাত্রাবাড়ী থানা হতে নিয়ে গেছি তাহা প্রমাণ করার জন্য থানা ও ঐ এলাকার সিসি ফুটেজই যথেষ্ট। যদি ঘটনা সত্য হতো তাহলে মেয়েটিকে যে আমি থানা থেকে নিয়ে আসছি বা আমার কোন লোক নিয়ে আসছে এমন চিত্র সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ রিপোর্টার অবশ্যই দেখাত ।
তাছাড়া আমার ব্যবহৃত সিম ও নুসরাতের মোবাইল সিমের কললিস্ট বের করে প্রচার করা হয় নাই। যার কারণ হচ্ছে ঐ মেয়ের বক্তব্য সম্পূর্ণ শিখানো কথা আসল ঘটনা লুকানো হয়েছিল। এছাড়াও ওয়ারী উপ— পুলিশ কমিশনার আমার বিরুদ্ধে মনগড়া যে বক্তব্য দিয়েছে তার কারণ হচ্ছে ডিসির অধিনস্ত থানা এলাকার নানা অপকমের্র বিরুদ্ধে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ বিভিন্ন মন্ত্রনালয় ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন মহলে এবং গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীদের কাছে লিখিত আবেদন করে আসছি। তাই তিনি আক্রোশ বশত তার অধিনস্ত কর্মকর্তাদের ও রিপোর্টারের শিখিয়ে দেওয়া মিথ্যা কথা গুলো প্রতিবেদনে বক্তব্য দিয়েছে। নুসরাতের ঘটনা যদি মিথ্যা হতো তাহলে নুসরাতের বক্তব্য অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে পুলিশ মামলা দিলো না কেন বা ডেমরা থানা ওসি ও জোনের এসি কোন মন্তব্য দেন নাই কেন ।
৪। রিপোর্টে অসত্য ও মিথ্যা তথ্য
আবাসিক হোটেল ব্যবসার অন্তরালে মানব পাচারকারী জয় এক বক্তব্যে বলে আমি নাকি তার ফোনে ফোন করে ২ লক্ষ টাকা চেয়েছি। এবং বলেছি যাত্রাবাড়ী হোটেল বন্ধ করে দিয়েছি এবং তারটা ও বন্ধ করে দিব।
(ঘ) সঠিক সত্য ঘটনা ও তথ্য
আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর গোয়েন্দা সংস্থার গোপন রিপোর্ট ঘাটলেই দেখা যাবে আবু কালাম (জয়) তার ব্যবসা কি? জয় দীর্ঘদিন যাবত আবাসিক হোটেলের অন্তরালে নানা কৌশল করে বিভিন্ন লোক দ্বারা ও তার আপন ভাইগং সহ নিজে নারী ঘটিত ব্যবসা গোপনে কিছু অসাধু পুলিশ সদস্যকে ম্যানেজ করে অসামাজিক ব্যবসা চালিয়ে আসছে। ঐ সকল অপকর্ম করায় তার নামে ও তার সিন্ডিকেটের নামে রয়েছে একাধিক মানব পাচার, মাদক, চাঁদাবাজি, প্রতারণা, মামলা যাহার বাদী র‌্যাব। সমাজে আসল মুখোশ ডেকে ভালো মানুষের বেশ ধরে মিডিয়ায় মিথ্যা বক্তব্য দিয়েছে। এছাড়া ইন্টারনেটে ডেমরা স্টাফ কোয়াটার আবাসিক হোটেলে দেহ ব্যবসা বলে সার্স দিলেই চলে আসে জয়ে অপকর্ম।

৫। রিপোর্টে অসত্য ও মিথ্যা তথ্য
রিপোর্টার আশিক বলেন, এই ঘটনার ৬ দিন আগে একই চক্র হাতির ঝিল থানার ওসি সহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে গণ ধর্ষণের মামলা করেছে। ঘটনা স্থলে গিয়ে তারা জানেন পুতুল নামে ঐ নারী কোন দিনই হাতিরঝিল এলাকায় যায় নাই। বাড়ির বাড়িওয়ালীর মেয়ে ও ভাড়াটিয়ারা কেউ কোন দিন সেখানে তাকে দেখে নাই । তাকে চিনে ও না। আর হাতির ঝিল থানার ওসি বলেছেন কললিস্ট উঠিয়ে দেখেছেন আমি নাকি পুতুলকে দিক নির্দেশনা দিয়েছি।

ঙ) সঠিক সত্য ঘটনা ও তথ্য
পুতুল নামে মেয়েটি আদালতে গিয়ে ঢাকা মেডিকেল ছাড়পত্র নিয়ে ওসিসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে। মামলা সূত্রে দেখা যায় যে, হাতির ঝিল থানা পুলিশ দায়িত অবহেলা করেছেন তাই দায়িত অবহেলা ধারায় অভিযোগ করে বাকিরা যে যে ধারায় অপরাধ করেছেন তাদের সেই ধারায় অভিযুক্ত করেন। কিন্তু মেয়েটির সাথে যারা ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটিয়েছেন তারা ডেমরা, যাত্রাবাড়ী ডিএমপি সহ গড়ে তুলেছে বিশাল নারী পাচার, মাদক, জুয়া ব্যবসা। উক্ত সিন্ডিকেট পারে না এমন কোন কাজ নেই ।

রিপোর্টার আশিক হাতিরঝিলের অভিযুক্তরা ডেমরার সিন্ডিকেটের হওয়ায় সহজেই মোটা অংকের গোপন আর্থিক কন্টাকের বিনিময় আদালতের আদেশ ভিন্ন দিকে প্রভাবিত করে আসামীদের বাঁচানো লক্ষ্যে আদালতের দ্বিতীয় আদেশের কয়েক ঘন্টা আগে আদালত অবমাননা স্বরূপ প্রতিবেদনটি প্রচার করেন। তাছাড়া রিপোর্টার ঘটনাস্থলে মামলার স্বাক্ষী বাড়িওয়ালী ও তাদের কাছে না গিয়ে ধর্ষকদেকু পক্ষে প্রতিবেদন তৈরির জন্য সে তার সাজানো লোকদের বক্তব্য ভিডিও রেকর্ড করে নিউজে প্রচার করেন এবং মিথ্যা ভাবে আমাকে জড়ানো হয়েছে।
ওসি যে সিম কললিস্ট দেখে আমাকে জড়িয়ে তাহা আমার কোন সিম নম্বর না। তাছাড়া পুতুলের ঘটনার সাথে আমার সম্পৃক্ততা নাই ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে নারী ঘটিত ব্যবসায়ীদের যোগ সাজেশে রিপোর্টার আমার বিরুদ্ধে প্রায় ৫০ মিনিটের প্রতিবেদন তৈরি করেছে।

এছাড়া ঘটনাস্থলের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া আলেয়া, পাপন ও জয় সিন্ডিকেটের নারী সদস্য তাকে দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ফ্ল্যাট বাসা ভাড়া নিয়ে সিন্ডিকেটের মেয়েদের রাখা হয় এবং সেখানেও অসামাজিক কার্যকলাপ করানো হয়। আবার দালালদের নতুন সংগ্রহ করা নারীদের নানা কৌশলে উক্ত ফ্ল্যাটে এনে আটক করে প্রথমে দালাল গণরা ধর্ষণের মতো ঘটনা ঘটায় এক পর্যায়ে যাহারা তাদের বশে আসে তাদেরকে দিয়ে দেহজীবী বানিয়ে অথের্র বিনিময় অসামাজিক কার্যক্রম করায় যাহা স্থানীয় কিছু অসাধু পুলিশ সদস্য অবগত থাকে আর রিপোর্টার পূর্ব হতেই উক্ত সিন্ডিকেটকে চিনে ও নারী লোভী গোপন সম্পর্ক তার সাথে উক্ত সিন্ডিকেটের রহিয়াছে ।

৬। রিপোর্টে অসত্য ও মিথ্যা তথ্য
নিউজে রিপোর্টার বলে আমি নাকি যাত্রাবাড়ী এলাকা টার্গেট করে সম্মানি ব্যক্তিদের নামে মামলা করি যাত্রাবাড়ী পৌছাতেই অভিযোগ নিয়ে আসে জাভেল হোসেন পাপন তিনি বলেন, রিজিয়া নামের এক মেয়ে তাকে ৫ বছর আগে মামলা দেন পরে টাকার বিনিময়ে মামলা তুলে নেন। সেই মামলায় পাপন জেল খেটেছেন। তাই লজ্জায় মুখ দেখাতে পারেন না ।
(চ) সঠিক সত্য ঘটনা ও তথ্য
৮০/৩, উত্তর যাত্রাবাড়ী থানার পিছনেই আমার প্রাতিষ্ঠানিক অফিস ও বাসা যাত্রাবাড়ী তাই বেশির ভাগ সময়ই মোবাইল নেট যাত্রাবাড়ী থাকে। আর যাত্রাবাড়ী এলাকায় নারী পাচারকারীদের বেশ কিছু আবাসিক হোটেল রয়েছে উক্ত হোটেলের অন্তরালে গড়ে ওঠেছে অবৈধ মিনি পতিতালয়। রিপোর্টার আশিক একটি গোপন কন্টাকের মাধ্যমে ঐ সকল নারী পাচারকারীদের পক্ষে রিপোর্টটি করেছে। আমাকে যাত্রাবাড়ী হতে যে কোন উপায় আমার সুনাম ক্ষুন্ন করে সরাতে হবে এসকল চিন্তা মাথায় নিয়ে পপুলার, প্রভাতী, মেঘনা কাচামালের আড়ৎ এ গাজা, মাদক ও কুতুবখালী ছাগলের আড়তে বাংলা মদের দোকান সহ নারী ঘটিত মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারীগণরা নানা ষড়যন্ত্র মূলক রিপোর্টে বক্তব্য দিয়েছেন যাহা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট তাদের বক্তব্যের ঘটনার সাথে আমার কোন যোগ সূত্র নেই। কারণ হচ্ছে মানবাধিকার সংগঠনে কার্যক্রম হিসেবে অপরাধীদের তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন মহলে লিখিত পত্র দেওয়ায় আমার সাথে তারা দীর্ঘদিন যাবত নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে ও রিজিয়া নামে যে মেয়েটি তার নামে মামলা করেছে ঐ মেয়েটি তার আত্মীয় তার ফ্যামিলিতেই মেয়েটি বড় হয়েছে।
সেই সুবাদে রিজিয়ার সাথে জাভেল হোসেন পাপনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে বিয়ের কথা বলে মেয়েটিকে ডিএমপির কোতয়ালী থানাধীন ৪নং সিমসন রোড ওয়াইজ ঘাট এলাকায় একটি আবাসিক হোটেলে মাসের পর মাস রুম ভাড়া নিয়ে স্বামী স্ত্রী হিসেবে বসবাস ও যৌন মেলামেশা করে। এক পর্যায়ে কৌশলে রিজিয়াকে বিয়ে না করে পতিতা ব্যবসার জন্য হীরার কাছে বিক্রি করে দেয়। বহু চেষ্টায় উদ্ধার হয়ে রিজিয়া ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে মানব পাচার আইনে মামলা দায়ের করেন । যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ তদন্তশেষে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় পুলিশ চার্জ শীট দেন । এদিকে পাপনের ভাই সোহেল ও বোন সাবিনা সহ ফ্যামিলির রিকোয়েষ্টে এবং রিজিয়াকে বিয়ে করার শর্তে কৌশলে পাপন স্টাম্পে স্বাক্ষর নেন ও পাপন আদালত হতে জামিন নেন সে ঐ মামলায় কোন জেল খাটেন নি মিডিয়ায় কাছে রিপোর্টারের শিখানো মিথ্যা কথা বলেছেন ।

পাপন ডিএমপির সরদঘাট কোতয়ালী থানাধীন ৪নং সিমসন রোডের সাউথ সিটি মার্কেটের আন্ডারগ্রাউন্ডে তার নিজের কেনা রুমে প্রতি নিয়ত জুয়া খেলার আসর বসায় সেখান হতে কয়েক মাস আগে পাপন সহ বেশ কয়েকজন র‌্যাব—১০ এর অভিযানে তার দলবল গ্রেফতার হয় এক পর্যায়ে র‌্যাব কোতয়ালী থানায় সোপর্দ করলে থানা পুলিশ আদালতে সোপর্দ করে যাহা বিভিন্ন গণ মাধ্যমে র‌্যাবের প্রেসলিজের প্রচার করা হয়। এর আগেও বিভিন্ন অপরাধে বিভিন্ন সময়ে বিগত দিনে জেল খেটেছে তার ফ্যামিলি সূত্রে জানা যায়। পরবর্তীতে পাপন মেয়েটিকে আর বিয়ে করেন নি। এক পর্যায়ে অনেক দিন পর রিজিয়াকে পাপন তার বন্ধু সনজিব কুমার দাস কে দিয়ে কৌশলে চাকুরী দেওয়ার নাম করে সবুজবাগ এলাকায় মেয়েটিকে আটকিয়ে কয়েকজন মিলে ধর্ষণ করে। চিকিৎসা শেষে সবুজবাগ থানা পুলিশ ব্যাপক তদন্তশেষে প্রমাণ পাওয়ার পর সনজিব কে গ্রেফতার করেন ও ঘটনার বিষয় সনজিব স্বীকার করায় সবুজবাগ থানায় নিয়মিত একটি গণ ধর্ষণের মামলা করেন।
সনজিব জেলে থাকা অবস্থায় সনজিবের গ্রামের এলাকার বাড়ি মাজহার ও তার বন্ধু পাপন রিজিয়ার মামলার ফাইল পত্র ও ডকুমেন্টস র‌্যাব—১০ এর অসাধু কিছু সদস্য দ্বারা নিয়ে যায়। আর মামলা তুলে নেওয়ার জন্য রিজিয়াকে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করেন। রিজিয়ার ঘটনার সত্যতা থাকার পর ও প্রভাবশালী তদবিরবাজ যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মাজাহারুল ইসলাম ও জাভেল হোসেন পাপনদের কবলে পরে মেয়েটি পালিয়ে বেড়াচ্ছে। সনজিব ও তার তদবিরবাজরা মনে করেন মিথ্যা বর্ণনা তুলে ধরে মিডিয়ায় প্রচার করলেই তারা অপরাধ করেই পার পেয়ে যাবেন তাই যমুনা টিভির রিপোর্টারকে দিয়ে ও তারা পরস্পর যোগ সাজেশে মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে উক্ত ঘটনার সাথে আমাকে ও জড়িয়ে নানা মান হানিকর বক্তব্য দেন। পাপন ও জয়গংদের কাছ হতে রির্পোেটের বিনিময় আশিক হাতিয়ে নেন গোপনে লক্ষ লক্ষ টাকা ।
৭। রিপোর্টে অসত্য বক্তব্য ও মিথ্যা তথ্য
যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মাজাহারুল ইসলাম আমাকে ইঙ্গিত করে বলেছেন এটা একটি চক্র। চক্রটি হাতিরঝিল, মুগদা, যাত্রাবাড়ীর আগের ওসির নামে ও মামলা করেছে ।
(ছ) সঠিক সত্য ঘটনা ও তথ্য
মাজাহারুল ইসলাম যাত্রাবাড়ী থানায় যোগদান করার পর আমাকে থানায় ডেকে নিয়ে বলে আমি যেন তার থানা এলাকায় চলা মাদক ব্যবসা, নারী পাচার, চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধের কোন বিষয় দেখেও যেন না দেখার মতো করে থাকি এলাকার কোন বিষয়ে যেন লেখালেখি না করি। মানবাধিকার সংস্থার পেইডে লিখিত ভাবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে তার অধিনস্ত থানা এলাকার কোন বিষয়াদি না জানাই।
এশিয়ান টিভির অনুষ্ঠান রক্ষক যখন বক্ষক প্রোগ্রামের চাঁদাবাজদের তালিকা দেই ও রিপোর্টারদের তথ্য দিয়ে সহায়তা করি এতে যাত্রাবাড়ীর ওসির গ্রামের আত্মীয় শাহাদাত তার বাহিনীর অপরাধ তথ্য রিপোর্টে চলে আসে। এক পর্যায়ে মাজাহারুল ইসলাম আমাকে থানায় ডেকে নিয়ে ধমকের সুরে বলে শাহাদাত নাকি তার গ্রামের এলাকার আত্মীয় স্বজন ভবিষ্যতে যেন শাহাদাতের এলাকার চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে লেখালেখি না করি এর মধ্যে কিছুদিন পর হঠাৎ আমার পিছনে ওসির লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসীরা আমার অফিসের সামনে এসে শাহাদাত তার বাহিনীর লোক বিচি কাটা রুবেল সহ ১৫—২০ জনের দল এসে আমার চারদিক ঘিরে ফেলে এলো পাথারি ভাবে ছুড়া দিয়ে কুপায়। কুপের আঘাতে আমি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে পথচারীরা আমাকে হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করায়।
তৎকালীণ যাত্রাবাড়ী থানার ইনেস্পেক্টর আয়ান মাহমুদ দীপ ঢাকা মেডিকেলে গিয়ে আমাকে ৬ ব্যাগ রক্ত দেন। চিকিৎসা শেষে যাত্রাবাড়ী থানায় গিয়ে মামলা দিলে রুবেলকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠায় পরবর্তীতে মামলাটি তুলে নেওয়ার জন্য ওসি মাজাহারুল ইসলাম বহুবার আমাকে যাত্রাবাড়ী থানায় ডেকে নিয়ে বলে বহুলোক দুনিয়া হতে চলে গেছে। আবার কেউ বিনা অপরাধে জেল খেটেছে। তিনি ২০০৬ইং সাল হতে ২০১৫ইং সাল পর্যন্ত উক্ত যাত্রাবাড়ী শহীদ জিয়া স্কুল গলি স্কুল গলি হোল্ডিং নং—৮২/১২/১ ফজলুর রহমান এর বাড়ীর একটি রুম ৭,০০০ (সাত হাজার) টাকায় ভাড়া করে দীর্ঘদিন সাধারণ ভাড়টিয়াদের মতোই জীবন—যাপন করেছিলেন। যাত্রাবাড়ী এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তার রয়েছে বর্তমানে নামে বে—নামে বাড়ি, ফ্ল্যাট, জমি, দোকান বর্তমানে তিনি শত শত কোটি টাকার মালিক এবং আরো বলে তার কথা না শুনে অনেকেই ভুল করেছে আমিও যেন পূর্বদের মতো ভুল না করি তার কথা শুনি ।

এমন হুমকিতে আমি আমার নিরাপত্তা চেয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ পুলিশের বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করি। এতে মামলার তদন্তপ্রায় ৩ বছরে ৩ বার তদন্তকর্মকর্তা পাল্টানো হয় ৩ জন। এক পর্যায়ে আমি মামলা তুলে না নিলে মাজাহার কৌশলে আমাকে থানায় ডেকে নিয়ে কৌশলে র‌্যাবের হাতে তুলে দেয়। এক পর্যায়ে র‌্যাব সদস্যরা আমাকে না নিয়ে থানার গেট থেকে আমার সাথে থাকা নাজমুল নামে এক কর্মীকে তুলে নিয়ে সাজানো মিথ্যা মামলা দেন ঐ মামলায় আমাকেও ২নং পলাতক আসামী দেখানো হয় পরবর্তীতে মাজহারের কথা মতো মামলা না উঠালে পুনরায় র‌্যাব—১০ সিপিসি—০১ এর একদল র‌্যাব সদস্য দিয়ে আমাকে গ্রেফতার করিয়ে আমার চিকিৎসার অরজিন্যাল ছাড়পত্র সহ অফিসের বহুবছরের কার্যক্রমের সকল ডকুমেন্টারী ও মালামাল ডাকাতি করিয়ে নিয়ে যায়।
পরবর্তীতে আমি জামিনে মুক্ত হয়ে সকল বিষয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করি সেই অভিযোগটিও তুলে নেওয়ার জন্য মাজহার আমাকে থানায় ডেকে নিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরীর মাধ্যমে অফিসের কয়েকটি সিল আর ফেলে দেওয়া কিছু কাগজপত্র দিয়ে জিডিতে নোট করে রাখেন আর আমার মামলাটি আমি না উঠিয়ে নেওয়ায় মামলার ডকেট হতে চিকিৎসা পত্রের ফটোকপি গোপনে সরিয়ে তার অধীনস্ত মামলার তদন্তকর্মকর্তাদের দিয়ে মামলার গুরুত্বপূর্ণ ধারা ৩২৬ সহ বাদ দিয়ে ৩২৩ সহ সাধারণ ধারা চার্জশীটে উল্লেখ করে আদালতে রিপোর্ট পাঠান। অদ্য পর্যন্ত আমার ডাকাতি হওয়া মালামাল ফেরত নি ও দেওয়া তো দূরের কথা আমি মামলা করতে গেলে মামলা বা সাধারণ ডায়েরী ও অভিযোগ গ্রহণ করে এবং বিভিন্ন নারী পাচারকারী ও দেহজীবী দিয়ে আমার বিরুদ্ধে পর পর ৬টি মামলা দেন। জামিনে আসার পর মাজাহার ফের এলাকায় নানাবিধ অপরাধীদের নিয়ে আমার বিরুদ্ধে নানা ষঢ়যন্ত্রে লিপ্ত ও আমার স্বেচ্ছাসেবী মানবাধিকার সংস্থার কার্যক্রম ও বন্ধ করে দিয়েছে এবং অপরাধ জগতের লোকজন দিয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও নানা ষড়যন্ত্র করেন ও টিভি চ্যানেলে মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে আমাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করেন বর্তমানে মাজাহারুল ইসলাম আমাকে অবৈধ দ্রবাদি দিয়ে ফাগিয়ে হয়রানি মূলক নানা ষড়যন্ত্র করে চলেছে। কিন্তু রিপোর্টার এ সকল বিষয় জানার পরে ও ঐ সংবাদে গোপন করে প্রকাশ করেন নি।

৮। রিপোর্টে অসত্য বক্তব্য ও মিথ্যা তথ্য
প্রতিবেদনে টিভির নিউজ ভিডিও স্কিনে দেখা যায় যে, দুই রিপোর্টার খুব গুরুত্ব সহকারে মন্তব্য করেন যে, বাংলাদেশে আমার চেয়ে মনে হয় আর কোন বড় মামলাবাজ বা অপরাধী নেই। তারা মন্তব্য করেন আমি নিরীহ মানুষের নামে মিথ্যা মামলা করি, চাঁদাবাজি করি ও নানা অপরাধের সাথে আমি জড়িত এবং রুবের, জসিম, নুর ইসলাম কাবিলা ও তার ছেলে বক্তব্য দিয়েছেন আমি ফুটপাতে গিয়ে তাদের কাছে চাঁদা চাই না দিলে তাদেরকে মারপিট করি ও তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছি ।
(জ) সঠিক সত্য ঘটনা ও তথ্য
জসিম হলো পুলিশের সোর্স সে নিজেও নানা অপরাধ জগতের গড ফাদার পাপন ও জয়দের সাথে দীর্ঘদিন যাবত অপরাধীদের নানা ভাবে সহায়তা করে সে নিজেও অপরাধ জগতের গড ফাদার বনে গেছে। তার নামে বিভিন্ন অপরাধ করার কারণে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, অপহরণ, ধর্ষণের চেষ্টা, ভুয়া র‌্যাব পরিচয় দেওয়ার অভিযোগে শ্যামপুর গেন্ডারিয়া, কোতয়ালী, যাত্রাবাড়ী সহ বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে। উক্ত মামলা গুলোর বাদী র‌্যাব ও ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ কেউ যদি তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে থাকে তাহলে সুনির্দিষ্ট ভাবে সে রিপোর্টে মামলার বাদীদের কেন চিহ্নিত করেন নাই। মিথ্যা হয়রানি করার জন্য সে পাচারকারীদের সহযোগী হওয়ায় আমাকে জড়ানো হয় ।
যেহেতু পুরো রিপোর্টটি ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে এবং আমাকে নিয়েই রিপোর্টটি করা হয়েছে এবং আমাকে সাজানো গড ফাদার বানানোর জন্য জসিমদের দিয়ে মিথ্যা বক্তব্য ধারণ করে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে। তাছাড়া নুর ইসলাম কাবিলা ও তার ছেলে যাত্রাবাড়ী মোড় পার্কের পাশে ফলপট্টির ফুটপাত হতে যাত্রাবাড়ী থানার ওসি, এসি, ওসি তদন্ত, ওসি অপারেশনের নামে প্রকাশ্যেই দৈনন্দিন চাঁদা উত্তোলন করে। স্থানীয় থানা পুলিশের চাঁদা উত্তোলন করে বলে কেউ কিছু বলতে সাহস পান না। চাঁদাবাজির দায় নূর ইসলামগংদের বিরুদ্ধে কয়েক বছর আগে যাত্রাবাড়ী থানায় চাঁদাবাজি মামলা ও হয়েছে জেল খেটে এসে তারা এখনও কোটে হাজিরা দিচ্ছে যাহার বাদী থানার পুলিশ তাহলে রিপোর্টে আমাকে ভুয়া মামলাবাজ বানানো হলো কেন এর কারণ হচ্ছে পুলিশের কারসাজি। ও রিপোর্টার আশিক গোপনে অপরাধ জগতের জনবলদের কাছ হতে সুবিধা ভোগী হওয়ায় তাদের সুরক্ষা দিতে রিপোর্টে আসল তথ্য গোপন করে। অপরাধীদের উৎসাহ ও মনোবল যোগাতে তাদের অপকমের্র সিন্ডিকেটকে আরো শক্তিশালী করতে সহায়তা মূলক রিপোর্টটি করেছেন।

৯। রিপোর্টে অসত্য বক্তব্য ও মিথ্যা তথ্য।
আমার ক্রাইম নিউজ মিডিয়ার অফিস রিপোর্টার খুজে পায়নাই

(ঝ) সঠিক সত্য ঘটনা ও তথ্য
অফিসের রুম যাত্রাবাড়ীতে দেখানো হলেও অফিসের সামনে বসেই বিভিন্ন অপপ্রচারকারীদের ভিডিও বক্তব্য ধারণ করেছেন কিন্তু আমাকে ভুয়া মামলাবাজ ও অপরাধী বানানোর জন্য পূর্বে ছেড়ে দেওয়া অফিসে ঠিকানায় যেয়ে খোজাখুজি করে পায় নাই বলে ভিডিও ফুটেজ দেখানো হয় কিন্তু বর্তমান অফিসের কক্ষটি ভিডিও ফুটেজে দেখানো হলেও কাউকে বুঝতে দেয়নি যে ঐটা ক্রাইম নিউজ মিডিয়ার অফিস। রিপোর্টারের শিখানো কথা ক্যামেরায় ভিডিও রেকর্ড করে অফিস চেনার পরেও তিনি ফুটেজের গ্যাপ পূরণের জন্য মিথ্যা বানোয়াট বক্তব্য ধারণ করেন।
১০। রিপোর্টে অসত্য বক্তব্য ও মিথ্যা তথ্য
রিপোর্টার প্রতিবেদনে মন্তব্য করেছেন যে, খুজ নিয়ে তারা জেনেছেন আমার নামে যাত্রাবাড়ী থানায় ৬টি মামলা রয়েছে তার মধ্যে ৪টির অভিযোগ প্রমাণ করে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ আদালতে চার্জশীট দিয়েছেন এছাড়া বিভিন্ন দপ্তরে আমার বিরুদ্ধে শত শত অভিযোগ জমা পরেছে।
(ঞ) সঠিক সত্য ঘটনা ও তথ্য
রিপোর্টার আশিক সঠিক ভাবে খোজ না নিয়েই অপরাধীদের কাছ হতে গোপনে লক্ষ লক্ষ টাকার সুবিধা নেওয়ায় মনগড়া অসত্য মন্তব্য করেছেন তার অফিসকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সিনিয়রদের চোখ ফাঁকি দিয়ে তথ্য গোপন করে মিথ্যা কথা ও দুই রিপোর্টার আইন বর্হিভূত মন্তব্য করেছেন । যাহা কোটি কোটি লোকের নজরে পরেছে। যদি খোঁজ খবর নেওয়ার পর তথ্য গোপন করা না হতো তাহলে সঠিক তথ্য প্রকাশ করত। আমার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ৬ মামলার মধ্যে দুটির চার্জশীট হয়েছে আর একটি মিথ্যা ধর্ষণ মামলার প্রমাণ না হওয়ায় ফাইনাল রিপোর্ট দিয়েছে রিপোর্টার আমাকে হেয় পতিপন্ন করার জন্য আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রদান কারীদের খুশি রাখতে ও বাকি মামলাগুলোর তদবীর হিসেবে ফাইনাল রিপোর্ট হওয়া তথ্য গোপন করে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে প্রতিবেদনে সংবাদটি স¤প্রচার করে যমুনা স্যাটেলাইট টেলিভিশন বলে মোট ৪টি মামলার চার্জশীট দেওয়া হয়েছে যাহা সম্পূর্ণই মিথ্যা, ভুয়া রিপোর্ট, ১টির ফাইনাল রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে ২টির চার্জশীট হয়েছে। রিপোর্টার কোথায় পেল ৪টি মামলা চার্জশীট হয়েছে। এতে প্রতীয়মান হয় যে, সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন একটি প্রতিবেদন। রিপোর্টার আশিক নিউজের সাথে পাপন ও জয় সিন্ডিকেটের দায় সারানো অভিযোগ দায়ের করেন যাহা ভিত্তিহীন এবং রিপোর্টার বলেন, আমার বিরুদ্ধে শত শত অভিযোগ হয়েছে যদি তাই হতো তাহলে রিপোর্টার তাহা সুনির্দিষ্ট ভাবে প্রতিবেদন অবশ্যই প্রচার করত ।
১১। রিপোর্টে অসত্য বক্তব্য ও মিথ্যা তথ্য
জামাল তার বক্তব্যে বলে আমাকে সে নাকি ছোট বেলা হতেই চিনে আমি গুলিস্থানে সেলাইয়ের কাজ করতাম। বক্তব্যগুলো এমন ভাবে দিয়েছে যে, মনে হয় আমি সমাজে সব থেকে নিকৃষ্ট মানুষ এবং লেখা লেখি জগতের কেউই না। এর পর অন্য আরেকজন বক্তব্য দেন তার নাম সেলিম তিনি বলেন আমি নাকি এলাকায় ফ্ল্যাট বাসা নিয়ে মেয়েদের দিয়ে দেহ ব্যবসা করাই। তারপর আশ্রাফ নামে আরেকজন বলে আমি নাকি তার এখান থেকে শুরু করেছি টু নাইনটি অবৈধ ব্যবসা। এছাড়া বেবী নামে তিন বাচ্চার মা আমার স্ত্রী পরিচয়ে বলেন আমি নাকি তাকে দিয়ে দেহ ব্যবসা করিয়েছি এবং র‌্যাবের কমান্ডার খন্দকার আল মঈন গণমাধ্যম ও আইন শাখা তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ ছিল বিভিন্ন মানুষকে ফাঁগিয়ে দেওয়া নিজের স্বাথের্র কারণে এ রকম কিছু তথ্য তাদের কাছে ছিল আমার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি ওয়ারেন্ট থাকায় র‌্যাব—১০ এর একটি দল আমার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে ।
(ট) আসল ঘটনা ও তথ্যঃ
বক্তব্য প্রদানকারী মোঃ জামাল ওরফে সরকার জামাল (৩৫), পিতাঃ মোঃ হুমায়ুন, ওরফে হাজী হুমায়ন, সাং— বড়শালঘর, থানা দেবীদ্বার, জেলা কুমিল­া জামাল ২০০৭ সালে প্রথম দিকে যাত্রাবাড়ী থানাধীন ধলপুর সুতি খালপাড় মোড় তার দ্বিতীয় স্ত্রী জুথিকে নিয়ে ও বিভিন্ন মেয়ে দিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ করার অপরাধে কয়েকজন মেয়ে ও খদ্দের সহ জামাল ও তার স্ত্রী জুথিকে র‌্যাব—১০ ধলপুর ক্যাম্পের একদল র‌্যাব সদস্য তাদের গ্রেফতার করে যাত্রাবাড়ী থানায় গ্রেফতার করে তারা তিনদিন সাজা খেটে পুনরায় অপকর্মের দায়ে প্রায় কয়েক মাস জেল খাটে।

জামিনে বের হয়ে মাদক ও নারী ব্যবসায় জড়িয়ে পরে। তার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে। নানা অপরাধে গ্রেফতার হওয়ার পর জামিনে বের হয়ে অনেক মামলায় হাজিরা দেন না। আবার বেশ কিছু মামলায় তিনি পলাতক রয়েছে তার বিরুদ্ধে মামলা গুলো হচ্ছে (১) কদমতলী থানার মামলা নং—৫ তারিখঃ ০১/০৫/২০১৩ ইং ধারা দ্রুত বিচার আইন। (২) দেবীদ্বার থানার মামলা নং—১২, তারিখ ১৪/০৭/২০১৬ মাদক দ্রব্য আইন (৩) দেবীদ্বার থানার মামলা নং—৯, তারিখ ১১/০১/২০১৭ (৪) ফতুল্লা থানার মামলা নং—৪৪, তারিখঃ ১৩/০৪/২০১৭ ইং (৫) সবুজবাগ থানার মামলা নং—২, তারিখ ০১/০৩/২০২১ ইং, (৬) হাতিরঝিল থানার মামলা নং—৫২, তারিখ ২১/০৩/২০২২ ইং গণ ধর্ষণ কোতয়ালী, ডেমরা, যাত্রাবাড়ী এছাড়াও খোঁজ নিলে জানা যাবে তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় অসংখ্য মামলা। ঐ সকল মামলায় বেশির ক্ষেত্রে পুলিশ বাদী ও বিভিন্ন ভুক্তভোগী বাদী তবুও রিপোর্টার ও পুলিশ র‌্যাব, আমার উপর দায় ভার পরিকল্পিত ভাবে ঠেলে দিচ্ছে। আর অপরাধীকে উৎসাহিত করছে যাতে তারা অপরাধ জগতে থেকে অপরাধ করে অসাধু আইন শৃঙ্খলাবাহিনী ও ভুইফোর রিপোর্টারকে গোপনে আর্থিক সুবিধা দিতে পারেন ও অপরাধীরা প্রকাশ্যেই ঘুরে তাদের অপকর্ম অব্যাহত রাখতে এবং মিডিয়ায় বা টিভির পর্দায় এনে রিপোর্টার আশিক নানা ভাবে সহায়তা করে যাচ্ছে।

ভাড়াটিয়া বক্তা নারী ও মাদক ব্যবসায়ী
এর পর যিনি বক্তব্য দেন তার নাম সেলিম তিনি যাত্রাবাড়ী এলাকায় নিজেই একজন অনেক বড় মাপের চাঁদাবাজ ও মাদক, নারী ব্যবসা গোপনে অনুসন্ধান করলে দেখা যায় যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী পাইকারী কাচামালের আড়ৎ এ প্রকাশ্যে যত গাজা ইয়াবা বিক্রি হয় ঐ সকল মাদক বিক্রেতাদের উক্ত সেলিমই গোপনে নেতৃত্ব দেয়। তার নিয়ন্ত্রনে প্রায় অর্ধ—শতাধিক অপরাধ জগতে সদস্য রয়েছে। তাদের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রন করে গোপনে তার অপরাধ জগৎ। পত্র পত্রিকায় তার অপরাধ কর্মকার্ড বহুবার তুলে ধরেছে গণমাধ্যম কর্মীরা বা তার বিরুদ্ধে মানব পাচার, চুরির মত অপরাধ সহ বিভিন্ন ধরনের বেশ কিছু মামলা রয়েছে যাহার মধ্যে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা নং—২৮, তারিখঃ ০৮/০২/২০২২ ইং, ও মামলা নং—৭২, তারিখঃ ১৭/১০/২০২০ইং । আমার বিরুদ্ধে নিউজ এর প্রতিবেদনে অভিযোগ কারীরা একই সিন্ডিকেটের হওয়ায় নানা কায়দায় রিপোর্টার ও যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মাজাহারুল ইসলামের গোপন নির্দেশ অনুযায়ী শিখানো কথা বা বানোয়াট কথাগুলো বক্তব্যে বলেছে। কেননা উক্ত সেলিম আমাকে কোন দিন দেখেও নাই সে চিনে ও না তার সাথে আমার কোন দিন কথাও হয় নাই ।
ওসি মাজহারুল ইসলামের সোর্স আশ্রাফ

এর পর আশ্রাফ নামে যিনি বলেছেন আমি প্রথমে নাকি তার বাড়ী হতে নারী ব্যবসা শুরু করেছি তার ডাক নাম আশ্রাফ তিনি যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মাজাহারুল ইসলামের ব্যক্তিগত সোর্স তাই এলাকায় তার বেশ প্রভাব রয়েছে। তার নিজস্ব কোন বৈধ ব্যবসা নেই। সে বিবির বাগিচা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকে। তার নিয়ন্ত্রনেও রয়েছে নারী ও মাদক ব্যবসা। অভিযোগ ও রয়েছে বেশ কিছু। সোর্স আশ্রাফ ওসি মাজাহারুল ইসলামের গোপন ক্যাশিয়ার ও বটে। বিভিন্ন অপরাধ জগতের সাপ্তাহিক, মাসিক গোপনে টাকা উত্তোলন করে দেয় বিধায় ওসির গোপন নির্দেশে আমার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার মূলক অবান্তর কথাবার্তা বলে থাকেন । তিনি টাকা বিনিময়ে ভাড়ায় আসা পতিতা নারী এছাড়া বেবী নামে যে নারী স্ত্রী সেজে আমার বিরুদ্ধে বাজে মন্তব্য করেন তার সাথে আমার স্বামী স্ত্রীর কোন সম্পর্ক নেই।

ঐ নারী বর্তমানে পাপনদের দলের হয়ে নারী পাচারমূলক কর্মকান্ড মানব পাচার মামলা ও রয়েছে। জামিনে মুক্ত হয়ে আর কোর্টে গিয়ে হাজিরা দেন নাই। উক্ত মামলায় ও যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ বাদী ও এছাড়া ঐ নারীর বক্তব্যের আগে স্কিনে দেখা যায় তারা একটি টেবিলে বসে আছে তাদের মা ছেলের মাঝে চেহারা আড়াল করে মাথায় গোল টুপি পরিহিত একজন যুবক দেখা যায়। তার নাম হচ্ছে সাজ্জাদ, পিতা জাহাঙ্গীর, সাং—৮২/এ, পপুলার আবাসিক হোটেল, থানা যাত্রাবাড়ী সে উক্ত পপুলার হোটেল অবৈধ পতিতালয়ের ভাড়াটিয়া মালিকদের মধ্যে একজন। তার নামে যাত্রাবাড়ী থানায় একাধিক মানব পাচার মামলা রয়েছে। উক্ত মামলাগুলোতে র‌্যাব ১০ এর সদস্যরা বাদী। মামলাগুলোতে সাজ্জাদ এখনো পলাতক আসামী রয়েছে। যাত্রাবাড়ী থানা অসাধু পুলিশ কর্মকর্তাদের ম্যানেজ রাখায় মামলায় পলাতক থাকলেও তারা প্রকাশ্যেই থানার আশ পাশ দিয়েই ঘুরে বেড়াচ্ছে পুলিশ দেখেও না দেখার ভান করে যাচ্ছে। কিন্তু উক্ত মানব পাচারকারীরা মনে করেছে যে মিথ্যা নাটক সাজিয়ে আমার বিরুদ্ধে ভুয়া মামলা তাদের আমি দিয়েছি এমন বক্তব্যে রিপোর্টার ও সাজানো গোছানো কথা বললে পাচারকারীরা অপরাধ করে পার পেয়ে যাবে অতঃপর তারা লোকালয়ে চলবে।

তাদের মামলাগুলো এক ভুয়া মামলাবাজ আলমগীর সেলিম দিয়েছে তারা কোন অপরাধ করে নাই। আসলে তাদের বিরুদ্ধে যত মামলা হয়েছে তাদের নিজস্ব অপরাধের দায় প্রমানাদি সহ র‌্যাব ও পুলিশ দিয়েছে। দোষী হলে তারা যারা বাদী তাদের দায়ী করবে দায়ী করার কারণ হচ্ছে আমি মানবাধিকার করি তাই । র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যমের মিডিয়া উইং এর কমান্ডার আল মঈন আমার বিরুদ্ধে যে বক্তব্য দিয়েছেন কোন যাচাই বাছাই না করেই মিডিয়ায় বক্তব্য দিয়েছেন। আমার বিরুদ্ধে যারা অভিযোগ করেছে তারা মানব পাচার সহ বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত। আমাকে যে ৬টি মিথ্যা মামলায় জেল খাটানো হয়েছে সেই মামলাগুলোর মামলার বাদী এজাহারে ভুয়া নাম ও ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে। বাদীর জাতীয় পরিচয়পত্র থাকার পরেও চার্জশীটে বাদীর আসল ঠিকানা ও পরিচয় গোপন করা হয়েছে। সেই কথা রিপোর্টে কোথাও বলা হয় নাই ঐ সকল তথ্য সবাই গোপন করে গেছে। আর রিপোর্টে অভিযোগ কারীদের বিরুদ্ধে যে সকল মামলা রয়েছে সেই মামলার বাদীদের সাথে আমার কোন সম্পৃক্ততা সুনির্দিষ্ট কোন প্রমাণ রিপোর্টার ও প্রতিবেদনের বক্তব্যে অভিযোগকারীরা দেখাতে পারে নাই। আর বেশির ভাগই বলে আমি ভুয়া মামলা দিয়ে সাধারণ মানুষ এর ঘুম হারাম করেছি। একটু খোঁজ খবর নিয়ে দেখা যায় যে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগকারী পাপন ও জয়গংদের বিরুদ্ধে র‌্যাব ১০ বহু মানব পাচার মামলা দিয়েছে যাহার বাদী র‌্যাব কিন্তু আমাকে বারবার উক্ত মামলাগুলোতে দায়ী করা হলেও র‌্যাব বা পুলিশের দায় কেউ দেয় নাই উল্টো র‌্যাব অপরাধী রিপোর্টার সবাই যোগ সাজশে অসৎ উদ্দেশ্যে আমাকে ভুয়া মামলাবাজ বানানো হয়েছে যাহা একটি মিথ্যা অপসংবাদ ।

অপহরণপূর্বক হত্যার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে মুক্তিপণ আদায়
১৮/০৫/২০২২ ইং আনুমানিক সন্ধ্যা ৭.৩০ হতে ৮.১৫ ঘটিকার সময় ঢাকা জেলা দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ চুনকুটিয়া বাসস্ট্যান্ড হতে আমি জুরাইন যাওয়ার উদ্দেশ্যে একটি লোকাল ভাড়া সিএনজিতে উঠলে উক্ত সিএনজিতে যাত্রী বেশে ঢাকা জেলার একদল পেশাদার ছিনতাইকারী ডাকাত দিয়ে আমাকে কৌশলে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে অপহরণ করে হত্যার উদ্দেশ্যে সিএনজিতে করে পাপনগংরা অজ্ঞাত নামা স্থানে নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে আমাকে আটক করে নানা শর্ত দিয়ে আমার পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায়ের পর প্রায় ২ থেকে আড়াই ঘন্টা পর আমাকে শারিরীক নির্যাতনের পর মুক্তি দেয় এবং বলে যে এটা আমার শেষ সুযোগ এরপর যদি আমি মানবাধিকারগিরি না ছাড়া তাহলে পরের বার নিলে আর আমাকে পরিবারের কাছে ফেরত দেওয়া হবে না দুনিয়া থেকে বিদায় করে দিবে। ৯৯৯ এর সহায়তায় এ বিষয়ে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জকে ঘটনার বিষয়টি আমার ব্যবহৃত ০১৯৭৭—৯৯৩৯৯৩ ও ০১৭০৪—২৫৭০৫৮ নাম্বার হতে ওসির ব্যবহৃত মোবাইল ০১৩২০—০৮৯৪৮১ নম্বরে অবগত করা হলে অদ্য তারিখ পর্যন্ত থানা পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেন নি বা আমার সাথে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার কোন পুলিশ যোগাযোগ ও করেন নি পরবর্তীতে উক্ত বিষয়ে আমি আইজিপি মহোদয়, ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি মহোদয় ও ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত আবেদন করি।

জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের মোবাইল নম্বরে আমার ব্যবহৃত নাম্বার হতে ফোন করে ঘটনার বিষয় পুনরায় অবগত করলে তিনি আমাকে তার সাথে দেখা করার কথা বলেন গত ২৮/০৫/২০২২ ইং তারিখ দুপুর ২ ঘটিকা হতে ৩ ঘটিকার মধ্যে পুলিশ সুপার মহোদয়ের সাথে দেখা করলে তিনি মোঃ হুমায়ুন কবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহোদয়কে আমার ঘটনার বিষয়টি শুনে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলে। মোঃ হুমায়ুন কবির সাহেব আমাকে তার অফিস কক্ষে নিয়ে বলেন সে আমাকে আগে থেকেই চিনেন ও আমার ঘটনার বিষয় কোন ব্যবস্থা না নিয়ে কোথায় যেন ফোন করে আমার বিষয় কথা বলেন, এক পর্যায়ে তিনি আমাকে তার রুম থেকে বের করে দিয়ে পুনরায় এসপি মহোদয়ের রুমে গিয়ে কি যেন কথা বলে পরবর্তীতে আমাকে আবার ডাকেন। এসপি মহোদয় পরবর্তী ব্যবস্থা নিবেন বলে সেখান থেকে বিদায় করে দেন। অদ্য পর্যন্ত আমার ঘটনার বিষয় থানায় কোন মামলা নেয় নি। ঘটনা স্থলে গিয়ে ঘটনার সময়কার আশেপাশের এলাকার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ও সংগ্রহ করেন নি। এমতাবস্থায় আমি চরম নিরাপত্তা হীনতায় রহিয়াছি । পরবর্তীতে খোজ নিয়ে জানতে পারি ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত মাসুদ, ওসি মাজহারুল ইসলাম (কাজল), তারা মাদারীপুরের একই জেলার বাসিন্দা ও একে অপরের আত্বীয়—স্বজন হওয়াই তাই সকল ঘটনা ওসি মাজহারুল ইসলাম জানতে পারে তখন তদবীর করায় ওসি তদন্ত আমার মামলা নেয় নাই। যার কারণ হচ্ছে উক্ত অপহরণ, ছিনতাই, মুক্তিপণ, আমাকে হত্যা চেস্টা ওসি  মাজহারুল ইসলাম—ই করাইছিল। যা পরবর্তীতে আমি বুঝতে পারি।
উপরোল্লিখিত বিষয়ে অভিযোগ দেওয়ার পর যা ঘটল
গত ২৮তারিখ মাস অজ্ঞাত ২০২২ ইং তারিখ আমি উপরোক্ত অভিযোগের স্বাক্ষী দেওয়ার জন্য যাত্রাবাড়ী থানা হতে নোটিশপত্র পাই কিন্তু আমি ঐ দিনেই ডিসি গুলশান অফিসে স্বাক্ষী দেওয়ার জন্য রওনা দিলে যাত্রাবাড়ী মোড়স্থ পার্কে পৌছানো মাত্র ওসি মাজহারুল ইসলাম এর পালিত সন্ত্রাসী রুবেল আমাকে পথ গতিরোধ করে আকষীর্ক বাধা দেন এবং বলেন স্বাক্ষী দিতে গেলে ওসি মাজহারুল ইসলাম এর কাছে জিজ্ঞাস করে যেন স্বাক্ষী দিতে যাই।

এমতাবস্থায়  বিষয়টি ওসি মাজহারুল ইসলাম এর সরকারি মোবাইল নম্বরে আমার ব্যবহৃত ফোন হতে কল করে জানাই এর ১দিন পর ওসি মাহারুল ইসলাম আমাকে যাত্রাবাড়ী থানায় ডেকে নিয়ে নানা ধরনের ভয়—ভীতি হুমকি দিয়ে নোটিশের নির্ধারিত স্বাক্ষীর তারিখ অজ্ঞাত ২০২২ইং তারিখ কিন্তু ২দিন পর ৩০ তারিখ ২০২২ইং আমাকে জোর পূর্বক ভয়—ভীতি প্রদর্শন করে গুলশান গিয়ে স্বাক্ষী দেওয়ার জন্য বাধ্য করে। একপর্যায়ে আমি ৩০ তারিখ ২০২২ ইং তারিখ গুলশান কার্যালয়ে গিয়ে অভিযুক্ত ওসি মাজহারুল ইসলাম এর উপস্থিতিতে স্বাক্ষ প্রদান করি। ঐ মুহুর্তে অভিযুক্ত ব্যক্তি ওসি মাজহারুল ইসলাম আমাকে বলে র‌্যাব—১০ এর সিপিসি—০১ এর সাইফুর রহমান ও ডেমরা জোনের এসি রবিউলের কোন বিরোধিতা যেন না করি এবং তাদের বিরুদ্ধে কোন স্বাক্ষী না দেই। তাদের পক্ষে যেন আমি স্বাক্ষী দেই।

অভিযোগে যাহা উল্লেখ করেছি তাহার বিষয় যেন কোনভাবে স্বাক্ষীর পত্রে না লিখি, ওসি মাজহারুল ইসলাম এর শিখিয়ে দেওয়া কথাবার্তাগুলো ডিসি অফিসে কম্পিউটার রুমে ওসি মাজহারুল ইসলাম এর কমিপউটার অপারাটরের সাথে বসে আমাকে আড়াল করে পত্রে অনেক কিছু লেখে। আমাকে পড়তে না দিয়ে সেখানে কৌশলে ভয় দেখিয়ে লেখা স্বাক্ষীর কাগজে আমার স্বাক্ষর নেয় ঐ মুহুর্তে সেখানকার কম্পিউটার অপারেটার বলে ও ওসি মাজহারুল ইসলাম বলে আমার স্বাক্ষী হয়ে গেছে। কিছুক্ষণ পর ওসি মাজহারুল ইসলাম এর ব্যবহৃত সরকারি যাত্রাবাড়ী থানার গাড়িতে করে আমাকে যাত্রাবাড়ী এনে নামিয়ে দেয়। একপর্যায়ে আমি বললাম স্যার ডিসি অফিসে স্বাক্ষীর কাগজে তারিখ অজ্ঞাত ২০২২ইং তারিখ লেখলেন কেন আজ তো তারিখ অজ্ঞাত ২০২২ইং তারিখ তখন ওসি মাজহারুল ইসলাম বলে এতে কোন সমস্যা হবে না, আইজিপি পর্যন্ত আমাকে চিনে। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর লোক, ফেসবুক দেখলেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালের সাথে আমার সু—সম্পর্কিত কত ছবি রহিয়াছে। আর কোথাও হতে আপনাকে ডাকবে না আইজিপি পর্যন্ত সব জায়গার মুখ বন্ধ করে দিয়েছি।
সংস্থার কার্যক্রম বন্ধ না করায় পুনরায় হত্যার চেষ্টা
এরই মধ্যে অভিযুক্তরা জানতে পারে আমি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “হিউম্যান রির্সোস হেল্থ ফাউন্ডেশন” এর অফিসটি ছেড়ে না দেওয়াই এবং সংগঠনের অপরাধ তথ্য ও অনুসন্ধান কার্যক্রম বন্ধ না করায় ওসি মাজহারুল ইসলাম গংদের অবৈধ কারবারী জামালবাহিনী দিয়ে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ধোলাইপাড় ফুটওভার ব্রীজ এর উপরে প্রকাশে দিবালোকে হামলা করে ৫দিন ঢাকা মেডিকেল হাসপাতাল চিকিৎসা শেষে পরবর্তীতে শ্যামপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করি। যাহার মামলা নং—৩, তারিখ—০১/১০/২০২২ইং, ধারা ১৪৩,৩২৩, ৩২৪, ৩২৬, ৩০৭, ৩৭৯, ৫০৬ প্যানালকোড। এতেই কোন রকম বেঁচে যাওয়াই থানা এলাকা হতে অফিসটি ছাড়াতে এবং আমার সংস্থার কার্যক্রম চিরতরে বন্ধ করে দিতে পুনরায় আমার বিরুদ্ধে ডেমরা থানায় ওসি মাজহারুল ইসলাম এর শুভাকাঙ্খি নারী ও মাদক ব্যবসায়ী পাচারকারী এবং একাধিক ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামী সরকার জামাালগংদের দিয়ে একটি গণধর্ষণ মামলা দায়ের করান। যখন মামলাটির সাজানো ঘটনার ফাঁস হয়ে যায় এর কয়েকদিন পর একই ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় আরেকটি মামলা দায়ের করেন। ওসি মাজহারুল ইসলাম কৌশলে সড়ে থেকে ইন্সিপেক্টর (তদন্ত) মহিতুল ও ইন্সিপেক্টর (অপারেশন) জাকির—কে দিয়ে থানায় মামলা নেন।
একই ঘটনায় ডেমরা ও যাত্রাবাড়ী থানায় পৃথক দুই মামলা
এরই ধারাবাহিকতায় ডিএমপিসহ দেশ—বিদেশের নারী গঠিত ব্যবসায়ী ও পাচারকারী, মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ, নানা অপকর্মের গডফাদার ও তাদের গোপন সহায়তাকারী যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি তদন্ত শিকদার মুহিতুল আলম বিপি—৭৩৯১০০৬৫০৫ গণদের বিরুদ্ধে গত ২০/১০/২০২২ইং তারিখ পুলিশ হেডকোয়াটার্স যাহার ঝখ নং—৪৮২, ও তারিখ—০২/০৬/২০২২ইং, ঝখ নং—৯৩৯ এবং ঝখ নং ৫৮৯ তারিখ—৩০/০৬/২০২২ইং এছাড়াও আরো কয়েকটি জামালগণদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ প্রদান করি। উক্ত অভিযোগ পত্রের অভিযোগ অনুসন্ধানের স্বার্থে আমার জবানবন্দি স্বাক্ষ্য গ্রহণের জন্য গত ০২/০১/২০২৩ইং তারিখ জনাব মোঃ বেলায়েত আলী বিপি নং—৬৪৮৭০১১০৩৭, সহকারী পুলি কমিশনার সুপ্রীম কোর্ট এন্ড স্পেশাল কোর্ট সিকিউরিটি বিভাগ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা স্বাক্ষীর দিন ধার্য্য করেন। উক্ত স্বাক্ষী দেওয়ার জন্য নোটিশ গ্রহনের জন্য আমি থানায় যাই।

নোটিশ দেওয়ার কৌশলে গ্রেফতার
ডি.এম.পি. যাত্রাবাড়ী থানা হতে গত ২৭/১২/২০২২ইং তারিখ নোটিশ গ্রহণের জন্য থানার এএসআই হাফিজ মোবাইল নং—০১৭২১৩৩১৮০০ হতে আমার ব্যবহৃত মোবাইল ০১৮৬৫৮১০১৫৪—এ কয়েকবার ফোন করে উক্ত নোটিশ গ্রহণের জন্য আমাকে ডাকেন। এক পর্যায়ে আমি ২৭/১২/২০২২ইং তারিখ (আনুমানিক সন্ধ্যা ৭.১৫ ঘটিকার সময়) আলম ও আবুল নামক দুই ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে তার ডিউটি এলাকা মানিকনগর বিশ্বরোড চেকপোষ্টে গিয়ে তার সাথে কথা বললে তিনি নোটিশটি আমাকে দেন নাই। পরবর্তী নোটিশের বিষয়ে যাত্রাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মাজাহারুল সাহেব এর ফোন নং—০১৩২০০৪০৫০৯—এ ফোন করে নোটিশের বিষয়টি বলি, তখন ওসি সাহেব আমাকে থানায় যেতে বলে এক পর্যায়ে আমি রাত (আনুমানিক রাত ৮.০০ ঘটিকায়) যাত্রাবাড়ী থানা গেলে থানার অফিসার ইনচার্জ সাহেব এএসআই হাফিজকে ডেকে নোটিশটি আমাকে দেন।

এএসআই হাফিজকে দিয়ে আমাকে ওসি তদন্তের রুমে পাঠান এবং বলেন অভিযোগের বিষয়টি মিলমিশ করে আপোষ মিমাংসা করে নিতে বলেন। কোন ভুল বুঝাবুঝি থাকলে দুইজনকে মিলমিশ করে নিতে বলেন। ওসির রুম থেকে বের হতেই দেখি আমার দায়েরকৃত শ্যামপুর থানার মামলা নং—০৩, তারিখ—০১/১০/২০২২ইং এর অজ্ঞাতনামা আসামী ওসি তদন্তের রুমের সম্মুখে ঘুরঘুর করছে এবং আমি উক্ত আসামীর সাথে কথাও বলি, তখন আসামী জানান এখান হতে আমি গ্রেফতার হবো না আপনি নিজেই থানা থেকে যেতে পারবেন না, আপনাকে আটকানোর ফাঁদ পাতা আছে। এক পর্যায়ে আমি ওসির রুমে ডুকে বিষয়টি ওসির সাহেবের কাছে বলার জন্য বসে থাকি, কিছুক্ষণ পর ওসি মাজাহার সাহেব এবং ওসি তদন্তকে সাথে নিয়ে আমার সম্মুখে এসে আমাকে বলে আমার নামে নাকি থানায় গণধর্ষন মামলা আছে, তাই আমাকে গ্রেফতার করা হলো।

ক্ষমতার অপব্যবহার
এক পর্যায়ে আমার মামলার আসামীকে গ্রেফতার না করে ওসি তদন্ত কৌশলে পালানোর সুযোগ করে দেয়। এক পর্যায়ে আমি ঘটনা জানার পর বলি উক্ত মামলায় যে আলমগীর হোসেন (৩২) পিতা ও ঠিকানা অজ্ঞাতকে আসামী করা হয়েছে সেই ব্যক্তি অন্য কেউ হতে পারে। মামলার বাদী ভিক্টিমকে থানা এনে দেখান, আমি তার আসামী কি না? এবং মামলায় যাকে আসামী উল্লেখ করা হয়েছে আমি সেই ব্যক্তি কি না ? বাদীর শনাক্ত হলে আপনারা আমাকে গ্রেফতার করেন। আপনারা ভূল করছেন, তখন ওসি তদন্ত শিকদার মুহিতুল আলম বিপি—৭৩৯১০০৬৫০৫ ক্ষমতার অপব্যবহার পূর্বক বলেন শালা তোকে আটকাইছি ছাইড়া দেওয়া জন্য না! এজাহারে নাম যাই থাকুক সেটা বুঝুম পরে, এজাহারে উল্লেখিত নামেই তোরে চালান দিমু! আদালতে যাইয়া বুঝিস। তোর সাথে আদালত বুঝব, জেল খাইট্টা আয়, তারপর দেখা যাইব! এদিকে ওসি মাজাহারুল ইসলাম বলেন—আপনাকে গ্রেফতারের বিষয়টি ওয়ারি বিভাগের ডিসি স্যার জেনে গেছে তাই ছাড়া যাবে না। এক পর্যায়ে আমাকে থানা লকাপে নিয়ে মামলায় গ্রেফতার করে।
অপেশাদারিত্ব আচরণ ও হুমকি
আমাকে গ্রেফতারের বেশ কিছুক্ষন পর থানার লকাপ হতে আমাকে বের করে ফিঙ্গার নেওয়ার নামে কম্পিউটার রুমে এনে ওসি ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইনিসপেক্টর জাকির এর অনুপস্থিতে আমাকে ওসি তদন্ত শিকদার মুহিতুল আলম অপেশাদারিত্ব আচরণ পূর্বক হুমকির সুরে বলে আমি যেন শ্যামপুর থানার মামলা ও তাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অভিযোগগুলো তুলে নেই। তা নাহলে আমি জেল হতে বের হওয়ার পর আবারও জেলে যেতে হবে। নয়তো বিভিন্ন রকমের সাজানো মামলায় ফাসিয়ে আমাকে ক্রিমিনাল বানিয়ে র‌্যাব ডিবি, পুলিশ যারা তার কলিগ বা সু—সম্পকের লোক তাদের দ্বারা ক্রসফায়ার বা বন্ধুক যুদ্ধের মাধ্যমে হত্যা করার ব্যবস্থা করা হবে বা তার লালিত ও গোপন সম্পর্ককৃত দেশে বহু সন্ত্রাসী রহিয়াছে, তাছাড়া জাবেল হোসেন পাপন, পিতা—মির আতাহার, সাং—নাজিরাবাগ, মাঠের কোনা, থানা—দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, জেলা—ঢাকা বাহিনী দ্বারা আমাকে অপহরণপূর্বক হত্যা করে লাশ গুম করা হবে। নয়তো বিভিন্ন নাটকীয় মামলায় ফাঁসিয়ে জীবনের তরে জেল—হাজতে ডুকিয়ে রাখা হবে।
সত্য প্রকাশ
এক পর্যায়ে পরদিন ২৮/১২/২০২২ইং তারিখ আদালত হয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জ জেল হাজতে যাওয়ার পর বহু খোজাখুজি করে আমার কেস পাটনার যাত্রাবাড়ী থানার ৪২নং মামলার ২নং আসামী মিরাজের সাথে দেখা করি এবং মামলার মূল ঘটনা জানি। মিরাজ জানায়—ডেমরা ও যাত্রাবাড়ী মামলা হয় উক্ত মামলায় মোঃ সেলিম (২৮) ও যে আলমগীর হোসেনকে আসামী করা হয়েছে সেই ব্যক্তিতো আপনি না। যাত্রাবাড়ী থানার ৪২নং মামলার এজাহারে ৩নং আসামী আলমগীর হোসেন যাহার বয়স ৩২ বছর পিতা ও ঠিকানা অজ্ঞাত, উক্ত আসামীকে বাদী ভালোভাবেই চিনে আর আপনার বয়স হলো ৫২ বছর নাম মোঃ আলমগীর, আবার বাদী আপনাকে চিনেও না তবে যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম (কাজল), ইন্সেপেক্টর তদন্ত  মহিতুল, ইন্সেপেক্টর অপারেশন জাকির পুলিশ আপনাকে অসৎ উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসিয়েছে।

জেল গেটে গিয়ে হুমকি
এরপর গত ২০/০১/২০২৩ইং তারিখ দুপুর ১২ঘটিকার সময় জেলের ভিতর একটা দেখার টিকেট পাই, ১২.৩০ মিনিট হতে ১.০০ পর্যন্ত স্বাক্ষাতের গেটে এসে দু‘তলায় দাড়িয়ে দেখতে পাই আমার দেখা টিকেটটি কেটেছে  যাত্রাবাড়ী থানার আমার ৪২নং মামলার এক পলাতক ১নং আসামী জামাল উদ্দীন সরকার, সে আমার সাথে টিকেট কেটে দেখা করে বলে ওসি তদন্ত মহিতুল আলম ও তাদের বিরুদ্ধে আমি যে  মামলা অভিযোগ করেছি তাহা যদি তুলে নেই তাহলে এবার জেল থেকে বের হলে আমি নতুন জীবন পাব। আর যদি তাদের কথা না শুনি পুনরায় দেশ ও জনস্বার্থে মানবাধিকারগিরি করি তাহলে অনেক বড় বিপদে পড়ব। আমার লাশও কেউ খুজে পাবে না। এরপর গত ২৬/০১/২০২৩ইং তারিখ নারী ও শিশু নির্যাতন আদালত হতে জামিনে মুক্ত হই। ঐদিনই জেল হতে রাতে বের হই। বের হয়ে পরবর্তীতে ডেমরা ও যাত্রাবাড়ী থানার পৃথক দুই মামলার প্রাথমিক তথ্য বিবরনী এজাহার ফরওয়াডিং আদালত হতে আইনজীবির মাধ্যমে যাবতীয় কাগজপত্র তুলে এজাহার দুইটির লেখা বিবরণী দেখে ঘটনার বিষয়ে খোজ খবর নেওয়া শুরু করি যে কিভাবে আমাকে সাজানো মিথ্যা ঘটনায় ফাঁসানো হলো।

খোজখবর—০১
ঘটনা শুরুর প্রথম মামলা
ডেমরা থানার প্রথম মামলা নং—২৩, তারিখ ১৭/১০/২০২২ইং বাদী লিজা (২০) পিতা মোঃ খলিল আকন্দ, মাতা—রেবা বেগম, সাং—মালয়কান্দি ২য় খন্ড, থানা—শিবচর, জেলা—মাদারীপুর। জন্মনিবন্ধন নম্বর—২০০১৫৪১৮৭৪২০০৭৭২১, মামলার নামীয় আসামী ১। সেলিম (২৮) ২। সিএনজি ড্রাইভার আলম (৩২) উভয় পিতা ও ঠিকানা অজ্ঞাত, অজ্ঞাতনামা ০৪জন ধর্ষক মোট ০৬জন মিলে ডেমরা এলাকার একটি কাশবনে লিজাকে নিয়ে গণধর্ষন করে মামলায় উল্লেখিত এবং দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় উক্ত ঘটনাটি সংবাদে প্রকাশ হয়।
মামলার আসল রহস্য উম্মোচন
এরপর পুলিশের নিরপেক্ষ তদন্তে মামলার আসল রহস্য উম্মোচন হয়। এক পর্যায়ে ভিক্টিম মামলার বাদী লিজা স্বীকার করে মামলায় উল্লেখিত ঘটনা ও আসামীগনের নাম মিথ্যা। আসল সত্য ঘটনা খুলে বলে লিজা (২০) কে ১নং মোঃ জামাল উদ্দিন সরকার (৪৫) ২। মোঃ মিরাজ হোসেন কথিত প্রেমিকা পরিকল্পনা করে যে সেলিম ও আলম নামে দুইজন ব্যক্তিকে মিথ্যা মামলায় ফাসাতে হবে। এরজন্য লিজাকে তারা ২০,০০০/— (বিশ হাজার) টাকা পারিশ্রমিক দিবে বলে লিজাকে ঠিক করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৬/১০/২০২২ইং তারিখ যাত্রাবাড়ী থানাধীন গোবিন্দপুর শনিরআখড়া এলাকায় একটি বাসায় আটক রাখিয়া ৪জন ব্যক্তি দ্বারা গনধর্ষন করায় এবং পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী নেশা জাতীয় দ্রব্য পান করাইয়া অচেতন করিয়া ডেমরা থানাধীন পাইটিপেইন্টস সেলস সেন্টারের সামনে রাস্তার উপর ফেলে রেখে যায়। একপর্যায়ে ডেমরা থানা সত্য ঘটনা উৎঘাটন করার পর পরিকল্পনাকারী ১। জামাল উদ্দীন সরকার, ২। উক্ত মিরাজকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণপূর্বক উক্ত মামলায় জেল হাজতে পাঠান। যাহা দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকাসহ কয়েকটি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়।
খোজখবর—০২
যেভাবে পরিকল্পনাকারীদের পালানোর সুযোগ করে দেওয়া হলো
প্রায় ২২দিন পর একই ধারায় ডেমরার ঐ ঘটনায় আসামীর নাম গড়মিল করে  ডিএমপির যাত্রাবাড়ী থানার ভিন্ন একটি মামলা হয়। যাহার মামলা নং—৪২ তারিখ—০৯/১১/২০২২ইং ধারা—০৯(০৩)২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন আইন সংশোধনী—২০০৩ গনধর্ষন করার অপরাধ, তবে আসামীর নাম ও বাসস্থানের কলামে ১। মোঃ জামাল উদ্দীন ২। মিরাজ ৩। মোঃ আলমগীর হোসেন ৪। দেলোয়ার মুন্সী উক্ত চারজন সহযোগী আসামী উক্ত আসামীর কলামে আসামী করা হলেও অজ্ঞাতনামা চারজন ধর্ষককে আসামীর কলামে উল্লেখ করে নাই। রহস্যজনক কারণে তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে। এছাড়ও ডেমরার মামলায় কোথাও ভিক্টিম লিজা সহযোগী /ধর্ষক আলমগীর হোসেন বা দেলোয়ার মুন্সী বা সহযোগী আসামী চারজনের কথা বলে নাই। কিন্তু যাত্রাবাড়ীর মামলায় আলমগীর হোসেন ও দেলোয়ার মুন্সীর নাম বাড়তি উল্লেখ করা হয়েছে। তাছাড়া ভিক্টিমকে যে বাসার মহিলা সাথী (৩৩) এর সহায়তায় আটক রেখে ধর্ষন করা হলো সে মহিলাকেও আসামী দেখানো হয় নাই। তাছাড়া পরিকল্পনা কারী ১নং আসামী জামাল উদ্দীন সরকার ডেমরা থানার মামলায় জামিন পেয়ে জেল হতে বের হয়ে যাওয়ার পর যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ (মামলা তদন্ত কর্তৃপক্ষ) নাটকীয়ভাবে আসামীকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন আদালতে পাঠিয়েছে।
খোজখবর—০৩
যেভাবে মামলায় ফাঁসানো হলো

যাত্রাবাড়ীর নাটকীয় ৪২নং সাাজনো মামলা ৩নং আসামী মোঃ আলমগীর হোসেন (৩২) পিতা ও ঠিকানা অজ্ঞাত এর পরিবর্তের মোঃ আলমগীর (৫২)কে উক্ত আসামী বানিয়ে ২৮/১২/২০২২ইং তারিখ আদালতে প্রেরণ করে ফরওয়াডিং—এ আলমগীরের একাধিক নাম ও পিতা উল্লেখ করে।  মহোদয় এর আগেও নারী গঠিত ব্যবসায়ী ও নারী পাচারকারী সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও বিভিন্ন অভিযোগ করায় আইন—শৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু অসাধু কর্মকর্তাগনদের দিয়ে সাজানো কয়েকটি মিথ্যা মামলা দেয় ডিএমপি যাত্রাবাড়ীর থানা পুলিশ এবং একটি টিভি চ্যানেলে উক্ত ষড়যন্ত্রকারী নারী পাচারকারী নারী গঠিত ব্যবসায়ীরা ও উক্ত মামলার পরিকল্পনাকারী ১নং আসামী জামাল উদ্দীন সরকারসহ আমার বিরুদ্ধে সাজানো মামলায় বক্তব্য দেয় ও আমার সাংগঠনিক অফিস কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় এবং অফিসের সকল মালামাল যেমন—বহু বছরের বিভিন্ন ডুকুমেন্টারী, অফিসিয়াল ফাইলপত্র, বিভিন্ন মানুষের পক্ষে জনস্বার্থে আইনি লড়াইর ফাইলপত্র, র‌্যাব—১০ এর সিপিসি—০১ দ্বারা নিয়ে যায়। এরফলে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সরাষ্ট্রসচিব ও পুলিশ হেডকোয়াটার্স, সমপ্রচারকারী টিভি চ্যানেলসহ বিভিন্ন দপ্তরে শত্রুতার কারণ উল্লেখ করে একটি প্রতিবেদন দেই। উক্ত প্রতিবেদন এর অদ্য পর্যন্ত উল্লেখিত বিষয়াদির বিষয়ে বাস্তবমুখী কোন সুরাহ হয় নাই।
এক পর্যায়ে মামলার অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের পর আমার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলাগুলো ব্যাপক অনুসন্ধানের পর প্রমানিত না হওয়ায় এবং মিথ্যা হওয়ায় চারটি মামলার কোন অভিযোগ প্রমান না পাওয়ায় মিথ্যা প্রমানিত হয় কিন্তু মামলাগুলো পুলিশের পরিকল্পিত হওয়ায় পুলিশ বাদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করার অপরাধে ২ এলেভ্যান মামলা দেয় নাই। কৌশলে মিথ্যা মামলা প্রদানকারীদের নারী গঠিত ব্যবসায়ী ও পাচারকারীদের পালানোর সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে ও তাদের সহায়তা করে আমাকে ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত করা হয়েছে। সবকিছু জানার পরে ষড়যন্ত্রমূলক যাত্রাবাড়ী থানার ৪২নং মামলায় ফরওয়াডিং এ উল্লেখ করা হয়েছে আমি ৫টি মামলায় অভিযুক্ত, যাহা আদালতকে মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছেন মামলার ফরওয়াডিং কর্মকর্তা পুলিশ। তবে এখনো ৪টি মিথ্যা মামলায় আদালতে তারিখ মোতাবেক হাজিরা দিচ্ছি।
খোজখবর—০৪
দুই এজাহার গড়মিল যে কারণে ও মামলার পরিকল্পনাকারীদের পরিচিতি
ডেমরা থানার মামলা নং—২৩, তারিখ—১৭/১০/২০২২ইং ০৯(০৩)২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন আইন সংশোধনী—২০০৩ গনধর্ষন। ২য় যাত্রাবাড়ী থানার  মামলা নং—৪২, ০৯(০৩)২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন আইন সংশোধনী—২০০৩ গনধর্ষন। উক্ত মামলার পরিকল্পনাকারী ১নং আসামী জামাল উদ্দীন সরকার নারী পাচার, মাদক ও বিভিন্ন অপরাধের সাথে যুক্ত হয়ে অন্যান্য পাচারকারী মিরাজ ওরফে কবিরগংদের নানভাবে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে অপপ্রভাব খাটিয়ে বিভিন্নভাবে সহযোগীতা করে আসছে জামাল বিএনপি দলের গোপন অঘোষিত কর্মী এবং এর নামে দেশের বিভিন্ন থানায় অনেক মামলা রয়েছে। জামাল ও ওসি তদন্ত শিকদার মুহিতুল আলম একে অপরের সাথে সু—সম্পর্ক রয়েছে।
জামালগংদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় পৃথক অভিযোগ করায় গোপনে সুপরিকল্পিতভাবে তাদের সহযোগী নারীগঠিত ব্যবসায়ী ও অসামাজিক ব্যক্তিবর্গ সাথী নামক মহিলার বাসায় তাদের সহযোগী ভিক্টিম লিজাকে বরাবরের মতো  বিভিন্ন পুরুষ দিয়ে অসামাজিক কাজ করিয়ে মিথ্যা ঘটনা তৈরী করে মামলার পরিকল্পনাকারীদের টার্গেটকৃত ব্যক্তিবর্গকে ফাসানোর জন্য প্রথমে ডেমরা থানায় মামলা করতে গিয়ে থানা পুলিশের কাছে পরিকল্পনা ধরা পড়ে যাওয়ায় জামালের অন্যতম সহযোগী শিকদার মুহিতুল আলম সুযোগ বুঝে যাত্রাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ এর অনুপস্থিতে তার টার্গেট মতো লোকদের নামে দ্বিতীয় মামলাটি একই ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করেন। যাহার মামলা নং—৪২ তারিখ ০৯/১১/২০২২ইং।

মহিতুল আলমের টার্গেটকৃত ব্যক্তিবর্গের নামে মামলা হওয়ায় ডেমরা থানার ২৩নং মামলার এজাহারের সাথে যাত্রাবাড়ীর ৪২নং মামলার এজাহারের আসামীর কলামে আসামীদের সংখ্যা নাম ও বয়স ঘটনার সময় স্থান গড়মিল করেছে। এবং সাথী নামক যে মহিলার বাসায় ঘটনা দেখিয়েছেন সেই মহিলাও চার ধর্ষক গং মামলার পরিকল্পনাকারীদের লোক ও বাদী একজন পেশাদার পতিতা লিজা নিজেদের লোক হওয়ায় আসামীর কলাম হতে পরিকল্পিতভাবে তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে। যার কারণ হচ্ছে মামলা পরিকল্পনাকারী চার ধর্ষককে আসামীর কলাম হতে বাদ দেওয়া না হলে কখনও যদি তারা ধরা পড়ে তাহলে পরিকল্পনাকারী গডফাদারদের মুখোশ উনো¥াচন হয়ে ফেঁসে যেতে পারে।

সুপারিশমালাঃ
(১) সাংবাদিক হচ্ছে জাতির বিবেক। সেই বিবেক অপসাংবাদিকতায় যেন হারিয়ে না যায় সে সকল বিষয়
লক্ষ্য রাখা ।
(২) যে সকল সংবাদকর্মী নানা অপরাধীদের সাথে বন্ধুত্ব গড়ে তোলে মিথ্যা সাজানো ঘটনা দিয়ে সঠিক তথ্য গোপন করে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে দেশ ব্যাপী সমাজের শান্তি প্রিয় মানুষের সুনাম ক্ষুন্ন করে সে সকল বিষয় প্রতিরোধ করা।
(৩) যমুনা টেলিভিশনের ক্রাইম সিন প্রোগ্রামের মিথ্যা সংবাদ, ভুয়া মামলায় ঘুম হারাম সংবাদটির প্রতিবাদ প্রকাশ করার যাবতীয় ব্যবস্থা করা।
(৪) মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের দায় রিপোর্টার আশিক ও সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা ।
(৫) যাত্রাবাড়ী ও ডিএমপি সহ দেশব্যাপী নারী পাচারকারী জাভেল হোসেন (পাপন), আবু কালাম (জয়)গংদের সহ দেশ ব্যাপী সকল অপরাধীদের বিরুদ্ধে জরুরী ভিত্তিতে তাদের সকল আইন বর্হিভুত নারী গঠিত পতিত, মাদক, জুয়া ব্যবসার মতো অপকর্ম বন্ধ করা সহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া ও গণমাধ্যমে প্রচার করা ।
(৬) সংবাদে মিথ্যা বক্তব্য প্রদানকারীদের বিরুদ্ধে জরুরী ভিত্তিতে খোঁজ খবর নেওয়া ও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তাদের কর্ম কি তাহা অনুসন্ধান পূর্বক সংবাদে প্রকাশ করা ও অবৈধ ইনকামের অর্থ সরকারের কোষাগারে নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
(৭) ক্ষমতার অপব্যবহার কারী অপরাধীদের সহায়তা কারী যাত্রাবাড়ী থানা ও হাতিরঝিল থানার অফিসার ইনচার্জ
আব্দুর রশিদ ও মাজহারুল ইসলামগংদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা ।
(৮) আমার বিরুদ্ধে প্রচার করা মিথ্যা সংবাদটি ইন্টারনেট, ইউটিউব, ফেইসবুক হতে সরিয়ে ফেলার যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা । সংস্থার কার্যক্রম সময়ে অপরাধ তথ্য অনুসন্ধানকালে স্থানীয় থানা পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সকলের সহায়তা করা।
(৯) সংবাদে মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে নিজেদের দায় অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া ব্যক্তিবগের্র মুখোশ উন্মোচন করে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা ও সংস্থার কর্মীগণ অপরাধ অনুসন্ধান পূর্বক তাহা নিমুর্লের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বরাবরে যে আবেদন করা হয়ে থাকে উহার ঘটনাস্থল সরজমিনে গিয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
(১০) নারী, মাদক, চাঁদাবাজ, ক্যাসিনো (জুয়া) ব্যবসায়ী জাভেল হোসেন (পাপন), জয়, সাজ্জাদ, সাইদুল, জামাল, জুয়েল রানা, পলাশ সহ নানাবিধ অপরাধীদের গোপন সহায়তাকারী ডিএমপির ওয়ারী ডিভিশনের ডিসি ডেমরা জোনে এসি যাত্রাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ মাজহারুল ইসলাম ও ইন্সেপেক্টর (অপারেশন) জাকির, ডেমরা থানার অফিসার ইনচার্জ ও ইন্সেপেক্টর তদন্ত, ইন্সেপেক্টর অপারেশন এর অবৈধ সম্পদ ও অথের্র অনুসন্ধান পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
(১১) দেশ ব্যাপী যে সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নানাবিধ অপরাধ টিকিয়ে রাখতে অপরাধ তথ্য অনুসন্ধানকারী মানবাধিকার কর্মীদের মিথ্যা মামলা দেওয়াসহ উক্ত মামলায় সাজানো স্বাক্ষী ও মিথ্যা চার্জশীট দিয়ে যেসকল নানাবিধ হয়রানি করছে। সে সকল অসাধু স্বার্থনিবেসী র‌্যাব, পুলিশ ও ডিবি সদস্যের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া।
(১২) হিউম্যান রির্সোস এন্ড হেল্থ ফাউন্ডেশন সংস্থার কার্যক্রমে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর যথাযথ সহায়তা করা।
(১৩) জনস্বার্থে প্রেরিত আবেদন পত্রের উল্লেখিত ঘটনার বিষয়াদি সরজমিনে সত্যতা যাচাই পূর্বক অপরাধ কর্ম নিমুর্ল করার যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
(১৪) হিউম্যান রির্সোস এন্ড হেল্থ ফাউন্ডেশন সংগঠনসহ সকল মানবাধিকার কর্মীদের নিরাপত্তা বিধানসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তা করা।

পরবর্তী পদক্ষেপঃ
(ক) যমুনা টিভির ক্রাইম প্রোগ্রামের সংবাদের প্রতিবাদ প্রকাশ ও প্রচার করা না হলে মিথ্যা সংবাদের বিরুদ্ধে আদালতের দারস্থ হওয়া ।
(খ) যাত্রাবাড়ী থানা এলাকার নিউ পপুলার, নিউ বলাকা (প্রভাতী), মেঘনা, আয়শা মনি, শাহীন, আল হায়াত, রোজ ভিউ,  পদ্মাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠা আবাসিক হোটেলের অন্তরালে অবৈধ মিনি পতিতালয়ে নারীদের জিম্মি দশায় বাধ্য হওয়া মেয়েদের উদ্বার ও পাচারকারীদের মুখোশ উন্মোচনের যাবতীয় ব্যবস্থা করার জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে দারস্থ হওয়া ।
(গ) যমুনা টিভির মিথ্যা সংবাদটি প্রতিবাদ প্রচার ও ইউটিউব হতে ভিডিও সংবাদটি সরানো না হলে সংবাদের ব্যাখ্যা রিপোর্ট তৈরী পূর্বক দেশের গণমাধ্যমে প্রচার করা।
(ঘ) রিপোর্টার আশিকের চাঁদাবাজিসহ নানাবিধ অপরাধ তথ্য ও অনুসন্ধানপূর্বক  প্রকাশ করা ।
(ঙ) যাত্রাবাড়ীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের নারী ব্যবসায়ী পতিতালয় হোটেল ও ফ্ল্যাট বাসা হতে পাপন গংরা যে সকল মেয়েদের দেশ বিদেশের পতিতালয়ে বা বিভিন্ন কায়দায় দেহ ব্যবসার জন্য পাচার করেছে সে সকল নারীদের তালিকা তৈরি করে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও মন্ত্রনালয়ে পেশ করা বা তাদের উদ্ধারে দেশ ও জনস্বার্থে আদালতের দারস্থ হওযা।
(চ) অপরাধীদের সহায়তা করে যে সকল র‌্যাব, পুলিশ সদস্য ও তাদের সোর্স এবং দেশদ্রোহী মাদক কারবারী, চাঁদাবাজ, জুয়া ব্যবসায়ী, ভুয়া র‌্যাব, ডিবি ও ফ্ল্যাট, বাড়ি, জমি, মালিক হয়েছে তাহার তথ্য উৎঘাটন করে বিভিন্ন মন্ত্রনালয় ও সংশি­ষ্ট কর্মকর্তাদের লিখিত ভাবে তালিকা তৈরি পূর্বক অবগত করা।
(ছ) স্থানীয় অসাধু, আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা যে ভাবে অপরাধীদের সহায়তা করে তার তথ্য উপাত্ত উৎঘাটন পূর্বক ঊর্ধ্বতন মহলে অনুসন্ধান পত্র প্রেরণ করা, তার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখা ।
(জ) অপরাধীদের গপ্পরে পরে সমাজে যাহারা নির্যাতিত, নিপীড়িত, তাদের পাশে দারস্থ হয়ে হিউম্যান রিসোর্স এন্ড হেলথ ফাউন্ডেশন নামক সংস্থার মাধ্যমে আইনী সহায়তা দেওয়া ।
আলমগীর  (সেলিম) প্রকাশ করেন যে—
যে কেউ তাকে অপহরণ পূর্বক হত্যা, গু, মিথ্যা মামলা দেওয়াসহ বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের জন্য দায়ী থাকবে ওসি মাজহারুল ইসলাম, এএসপি সাইফুল, নারী ব্যবসায়ী ও পাচারকারী জাভেল হোসেন পাপন, সাজ্জাদ, সাইদুল, জামাল, সেলিম, রুবেল, মিঠুগণ ও অত্র অভিযোগে উল্লেখিত অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ।

অভিযোগ তিনি দাবী করেন তাহার উল্লেখিত বিষয় তদন্তপূর্বক তাহার ও তাহার পরিবারের জান মালের নিরাপত্তা দেওয়া এবং মিথ্যা সংবাদ এর প্রতিবাদ প্রচার ও প্রকাশ করা ও তাহার বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, এবং উল্লেখিত নানাবিধ অপরাধ নিমুর্ল করাসহ অফিস হতে নেওয়া মালামাল  ফেরত দেওয়াসহ  প্রয়োজনীয় বিভাগীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রনালয় ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
themesbazar_crimenew87
© All rights reserved © 2015-2021
Site Customized Crimenewsmedia24.Com