বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০২:১৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
"ফটো সাংবাদিক আবশ্যক" দেশের প্রতিটি থানা পর্যায়ে "ক্রাইম নিউজ মিডিয়া" সংবাদ সংস্থায় ১জন রিপোর্টার ও ১জন ফটো সাংবাদিক আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীরা  যোগাযোগ করুন। ইমেইলঃ cnm24bd@gmail.com ০১৯১১৪০০০৯৫

সিআইডির পরীক্ষায় জানা গেল বাগানটি গাঁজার

  • আপডেট সময় সোমবার, ৮ মার্চ, ২০২১, ১.০০ পিএম
  • ৪২৩ বার পড়া হয়েছে

সিএনএম প্রতিনিধিঃ

সাভারের আশুলিয়ায় প্রাচীরঘেরা একটি জমিতে সন্ধান পাওয়া বাগানের গাছগুলো সবই ছিল গাঁজার। বাগানটি থেকে নমুনা সংগ্রহের করে তা অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ল্যাবে পরীক্ষার পর গাছগুলো গাঁজার বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

প্রাথমিক সন্দেহের পর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আশুলিয়ার খেজুরবাগান মোল্লা বাড়ি গলির সোহেল হোসেনের মালিকানাধীন প্রাচীরঘেরা ওই স্থানটি পুলিশ নজরদারিতে রাখে। ওই সময় জায়গার মালিক ও তার ছেলেকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হলেও সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে পুলিশ তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। তবে বর্তমানে তারা পলাতক রয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশ বলছে। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
সিআইডি ল্যাবের রিপোর্টের ভিত্তিতে সোমবার (৮ মার্চ) দুপুরে গাঁজা গাছগুলো কেটে জব্দ করেছে পুলিশ। এখবর নিশ্চিত করেন আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুদীপ কুমার।

তিনি বলেন, গত সোমবার গাঁজা সদৃশ গাছের স্যাম্পল (নমুনা) পরীক্ষার জন্য ঢাকার সিআইডি ল্যাবে পাঠানো হয়েছিল। গতকাল (রোববার ৭ মার্চ) রিপোর্টে সেগুলো গাঁজা বলে নিশ্চিত হই। পরে রাতে বাগানের মালিক সোহেল হোসেন ও তার ছেলেকে আসামি করে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (সোমবার) সকালে গাঁজার গাছগুলো কেটে জব্দ করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

অভিযানের দিন বাগান মালিক ও তার ছেলেকে আটক করে পরে ছেড়ে দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে এই পুলিশ সদস্য বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই সময় তাদের আটক করা হয়েছিল। কিন্তু প্রাথমিক অবস্থায় ওই গাছগুলো গাঁজা কি না সেটা নিশ্চিত হতে পারিনি।

গত ২৭ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) সন্ধ্যা ৭টার দিকে আশুলিয়ার খেজুরবাগান মোল্লা বাড়ি গলি এলাকায় সোহেল হোসেনের জমিতে গাঁজা চাষের অভিযোগ পেয়ে পুলিশ অভিযান চালায়। এরপর থেকেই বাগানটি নিজেদের হেফাজতে রেখেছিল পুলিশ।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
প্রকাশনায় : ২৪ ক্রাইম নিউজ মিডিয়া লিমিটেড
Theme Developed BY ThemesBazar.Com