ঢাকা ০২:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিউমার্কেট সংঘর্ষ: সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীরা কারা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১০:১০:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ এপ্রিল ২০২২
  • ২৪২ বার পড়া হয়েছে
নিউমার্কেট এলাকার বিভিন্ন মার্কেটের ব্যবসায়ী-কর্মচারী ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন বেশ কয়েকজন সাংবাদিক। সেই হামলাকারীরা কার? ব্যবসায়ীরা ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা কেউ দায় স্বীকার করছে না। তারা বলছে, যারা এই হামলা চালিয়েছে তারা বহিরাগত বা তৃতীয় পক্ষ।
আহত সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন, বাংলা ট্রিবিউনের সিনিয়র রিপোর্টার শাহেদ শফিক, দীপ্ত টিভির সাংবাদিক আসিফ সুমিত, তার ক্যামেরাপারসন ইমরান লিপু, এসএ টিভির রিপোর্টার তুহিন ও ক্যামেরা পারসন কবির হোসেন, মাই টিভির রিপোর্টার ড্যানি দ্রোং, আরটিভির ক্যামেরাপারসন সুমন দে, ডেইলি স্টারের ফটোগ্রাফার প্রবীর, আজকের পত্রিকার রিপোর্টার আল আমিন রাজু, ঢাকা পোস্টের সিনিয়র রিপোর্টার জসিম উদ্দিন ও সময়ের আলোর স্টাফ রিপোর্টার মামুন সোহাগসহ আরও অনেকে আহত হয়েছে।
আহত সাংবাদিকরা বলেন, ঘটনাস্থল থেকে সামান্য দূরত্বে দাঁড়িয়ে খবর সংগ্রহের কাজ করছিলেন তারা। দুপুরের পরে দেখা যায়, দীপ্ত টিভির রিপোর্টারকে ঘিরে ধরে বেদম প্রহার করছে কয়েকজন হকার। তাকে রক্ষার চেষ্টা করতে গেলে আমাদেরও মারধর করে। এছাড়াও ইটপাটকেল ছুড়ে মারায় কয়য়েকজন আহত হয়েছে।
এদিকে নিউমার্কেটে সংঘর্ষের ঘটনায় বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। কোনো ব্যবসায়ী বা ছাত্র এ কাজ করতে পারে না। এ ঘটনায় স্পষ্ট প্রতীয়মান, এখানে তৃতীয় পক্ষ জড়িত। আমরা মনে করি, এখানে ব্যবসায়ীরা ছিল না, ছাত্রও ছিল না। জানি না তারা কারা।
তবে এ ঘটনায় কোনো ব্যবসায়ী জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান হেলাল উদ্দিন।
সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল: সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীরা। এতে ১০ থেকে ১২ জন আহত হয়েছে। এনটিভি অনলাইনের সাংবাদিক মাসুদ রায়হান পলাশ জানান, দুই পক্ষই গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশ্য করে ঢিল ছুড়েছে। ওরা লক্ষ্য করে ইট মারছিল। যখনই ছবি তুলতে গেছি, তখনই কথা বলছি, তখনই ঠেলে বের করে দিত।
ছবি ও ভিডিও করায় পিটিয়েছে: আজকের পত্রিকার রিপোর্টার আল- আমিন রাজু সময়ের আলোকে জানান, হঠাৎ দেখলাম রাস্তার পাশে একটা বাচ্চা ছেলেকে মারতেছে কিছু ছেলেরা। আমি মোবাইল দিয়ে ভিডিও নিতেছি; ভিডিও শেষ করে চলে যাচ্ছিলাম। পেছন থেকে ধরেছে। বললাম আমি সাংবাদিক। তারা বলল, ভিডিও করা যাবে না। এটা বলতে বলতে একটা ছেলে এসে মারধর শুরু করল। থাপ্পড় দিছে, আমার চশমা পড়ে গেছে, মোবাইল হাতে থেকে পড়ে গেছে। তখন পেছন থেকে আমাকে আরও জোরে আঘাত করছে।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

নিউমার্কেট সংঘর্ষ: সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারীরা কারা

আপডেট সময় ১০:১০:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ এপ্রিল ২০২২
নিউমার্কেট এলাকার বিভিন্ন মার্কেটের ব্যবসায়ী-কর্মচারী ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন বেশ কয়েকজন সাংবাদিক। সেই হামলাকারীরা কার? ব্যবসায়ীরা ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা কেউ দায় স্বীকার করছে না। তারা বলছে, যারা এই হামলা চালিয়েছে তারা বহিরাগত বা তৃতীয় পক্ষ।
আহত সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন, বাংলা ট্রিবিউনের সিনিয়র রিপোর্টার শাহেদ শফিক, দীপ্ত টিভির সাংবাদিক আসিফ সুমিত, তার ক্যামেরাপারসন ইমরান লিপু, এসএ টিভির রিপোর্টার তুহিন ও ক্যামেরা পারসন কবির হোসেন, মাই টিভির রিপোর্টার ড্যানি দ্রোং, আরটিভির ক্যামেরাপারসন সুমন দে, ডেইলি স্টারের ফটোগ্রাফার প্রবীর, আজকের পত্রিকার রিপোর্টার আল আমিন রাজু, ঢাকা পোস্টের সিনিয়র রিপোর্টার জসিম উদ্দিন ও সময়ের আলোর স্টাফ রিপোর্টার মামুন সোহাগসহ আরও অনেকে আহত হয়েছে।
আহত সাংবাদিকরা বলেন, ঘটনাস্থল থেকে সামান্য দূরত্বে দাঁড়িয়ে খবর সংগ্রহের কাজ করছিলেন তারা। দুপুরের পরে দেখা যায়, দীপ্ত টিভির রিপোর্টারকে ঘিরে ধরে বেদম প্রহার করছে কয়েকজন হকার। তাকে রক্ষার চেষ্টা করতে গেলে আমাদেরও মারধর করে। এছাড়াও ইটপাটকেল ছুড়ে মারায় কয়য়েকজন আহত হয়েছে।
এদিকে নিউমার্কেটে সংঘর্ষের ঘটনায় বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক। কোনো ব্যবসায়ী বা ছাত্র এ কাজ করতে পারে না। এ ঘটনায় স্পষ্ট প্রতীয়মান, এখানে তৃতীয় পক্ষ জড়িত। আমরা মনে করি, এখানে ব্যবসায়ীরা ছিল না, ছাত্রও ছিল না। জানি না তারা কারা।
তবে এ ঘটনায় কোনো ব্যবসায়ী জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান হেলাল উদ্দিন।
সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল: সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীরা। এতে ১০ থেকে ১২ জন আহত হয়েছে। এনটিভি অনলাইনের সাংবাদিক মাসুদ রায়হান পলাশ জানান, দুই পক্ষই গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশ্য করে ঢিল ছুড়েছে। ওরা লক্ষ্য করে ইট মারছিল। যখনই ছবি তুলতে গেছি, তখনই কথা বলছি, তখনই ঠেলে বের করে দিত।
ছবি ও ভিডিও করায় পিটিয়েছে: আজকের পত্রিকার রিপোর্টার আল- আমিন রাজু সময়ের আলোকে জানান, হঠাৎ দেখলাম রাস্তার পাশে একটা বাচ্চা ছেলেকে মারতেছে কিছু ছেলেরা। আমি মোবাইল দিয়ে ভিডিও নিতেছি; ভিডিও শেষ করে চলে যাচ্ছিলাম। পেছন থেকে ধরেছে। বললাম আমি সাংবাদিক। তারা বলল, ভিডিও করা যাবে না। এটা বলতে বলতে একটা ছেলে এসে মারধর শুরু করল। থাপ্পড় দিছে, আমার চশমা পড়ে গেছে, মোবাইল হাতে থেকে পড়ে গেছে। তখন পেছন থেকে আমাকে আরও জোরে আঘাত করছে।