ঢাকা ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করোনা চিকিৎসায় ভারতে স্টেরয়েড এড়িয়ে চলার পরামর্শ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৫:১৫:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২২
  • ২৭৮ বার পড়া হয়েছে

কয়েকদিন আগেই ভারতের কোভিড টাস্ক ফোর্স বলেছিল, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ওষুধ ব্যবহার করা হয়েছে। এবার তৃতীয় ঢেউ নিয়ে নির্দেশিকা প্রকাশ করল টাস্ক ফোর্স। তাতে চিকিৎসকদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, কোভিড রোগীদের স্টেরয়েড না দিলেই ভালো হয়। কারণ তাতে মিউকরমাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমণের সম্ভাবনা দেখা দেয়।

ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সংক্রমণ তিন রকমের হতে পারে। মৃদু, মাঝারি ও গুরুতর। যদি দু-তিন সপ্তাহ ধরে রোগীর কাশি থাকে, তাহলে রোগীর যক্ষ্মা হয়েছে কি না, তাও পরীক্ষা করা উচিত। গত সপ্তাহে কোভিড টাস্ক ফোর্সের প্রধান ভি কে পল বলেন, স্টেরয়েডের মতো ওষুধ যেভাবে ঘন ঘন ব্যবহার করা হচ্ছে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

শ্বাসকষ্টের পাশাপাশি অক্সিজেন স্যাচুরেশন যদি ৯০-এর নিচে নেমে যায় তাহলে সেই ব্যক্তির সংক্রমণ গুরুতর বলে ধরে নিতে হবে। তাকে নিয়ে যেতে হবে আইসিইউতে। তিনি রেসপিরেটরি সাপোর্টে থাকবেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

করোনা চিকিৎসায় ভারতে স্টেরয়েড এড়িয়ে চলার পরামর্শ

আপডেট সময় ০৫:১৫:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২২

কয়েকদিন আগেই ভারতের কোভিড টাস্ক ফোর্স বলেছিল, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ওষুধ ব্যবহার করা হয়েছে। এবার তৃতীয় ঢেউ নিয়ে নির্দেশিকা প্রকাশ করল টাস্ক ফোর্স। তাতে চিকিৎসকদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, কোভিড রোগীদের স্টেরয়েড না দিলেই ভালো হয়। কারণ তাতে মিউকরমাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সংক্রমণের সম্ভাবনা দেখা দেয়।

ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সংক্রমণ তিন রকমের হতে পারে। মৃদু, মাঝারি ও গুরুতর। যদি দু-তিন সপ্তাহ ধরে রোগীর কাশি থাকে, তাহলে রোগীর যক্ষ্মা হয়েছে কি না, তাও পরীক্ষা করা উচিত। গত সপ্তাহে কোভিড টাস্ক ফোর্সের প্রধান ভি কে পল বলেন, স্টেরয়েডের মতো ওষুধ যেভাবে ঘন ঘন ব্যবহার করা হচ্ছে তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

শ্বাসকষ্টের পাশাপাশি অক্সিজেন স্যাচুরেশন যদি ৯০-এর নিচে নেমে যায় তাহলে সেই ব্যক্তির সংক্রমণ গুরুতর বলে ধরে নিতে হবে। তাকে নিয়ে যেতে হবে আইসিইউতে। তিনি রেসপিরেটরি সাপোর্টে থাকবেন।