ঢাকা ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ ছিনতাইকারী গ্রেফতার জার্সিতে ‘ভোজিনহা’ নামেই খেলবেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ৬ হাজার ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার এক বছরেই ৩০ পারা মুখস্থ, হাফেজ হলো ৮ বছরের আব্দুর রহমান লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে টোল নেবে না হুথিরা অনির্দিষ্টকালের জন্য এস আলম গ্রুপের ১১ কারখানা বন্ধ র‍্যাবের ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও প্রসিকিউশন টিম চারদিক বন্যার পানিতে ডুবলেও ডুবে না ক্লাস্টার বসতভিটা

৪২ কেজি হরিণের মাংসসহ বাবা-ছেলে গ্রেফতার

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১২:০৫:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২১
  • ৪৬৯ বার পড়া হয়েছে

বাগেরহাট প্রতিনিধি:
বাগেরহাট জেলার সুন্দরবন সংলগ্ন রামপাল থেকে হরিণের জবাই করা ৪২ কেজি মাংসসহ বাবা ও ছেলেকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে রামপাল উপজেলার বগুড়া নদীর চর থেকে হরিণের মাংসসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়। এদের বিরুদ্ধে রামপাল থানায় বন্যপ্রাণি সংরক্ষণ আইনে একটি মামলা করা হয়েছে। একইদিন দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান বাগেরহাট জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর মো. শাফিন মাহমুদ।
আটকরা হলেন- বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার গোবিনাথপুর গ্রামের আব্দুর রহমান শেখ (৫২) এবং তার ছেলে মোস্তাকিন শেখ (২৭)। তাদের কাছ থেকে হরিণের মাংসসহ হরিণের তিনটি মাথাও পাওয়া গেছে। এর আগে গত ৭২ ঘণ্টায় বাগেরহাটের শরণখোলা ও মোংলা উপজেলা থেকে একটি হরিণের মাথা ৬৭ কেজি মাংসসহ চারজনকে গ্রেফতার করে কোস্ট গার্ড ও বন বিভাগ।
বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর মো. শাফিন মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল রামপাল উপজেলার বগুড়া নদীর চর থেকে সুন্দরবন থেকে শিকার করে নিয়ে আসা ৪২ কেজি হরিণের মাংসসহ বাবা ও ছেলেকে গ্রেফতার করেছে।
সোমবার সুন্দরবন থেকে ফাঁদ পেতে অন্তত ৩টি চিত্রল হরিণ শিকার করে এই শিকারিরা। পরে তারা এই হরিণগুলো জবাই করে লোকালয়ে বিক্রির জন্য নিয়ে আসে বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে।
এই পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, হরিণের চামড়া তারা কি করেছে তা স্বীকার করেননি। এই চক্রে আরও কয়েকজন জড়িত রয়েছে তাদের ধরার চেষ্টা চলছে। সুন্দরবনের জীববৈচিত্র সংরক্ষণে পুলিশ সব সময় তৎপরত রয়েছে। এদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু

৪২ কেজি হরিণের মাংসসহ বাবা-ছেলে গ্রেফতার

আপডেট সময় ১২:০৫:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২১

বাগেরহাট প্রতিনিধি:
বাগেরহাট জেলার সুন্দরবন সংলগ্ন রামপাল থেকে হরিণের জবাই করা ৪২ কেজি মাংসসহ বাবা ও ছেলেকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে রামপাল উপজেলার বগুড়া নদীর চর থেকে হরিণের মাংসসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়। এদের বিরুদ্ধে রামপাল থানায় বন্যপ্রাণি সংরক্ষণ আইনে একটি মামলা করা হয়েছে। একইদিন দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান বাগেরহাট জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর মো. শাফিন মাহমুদ।
আটকরা হলেন- বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার গোবিনাথপুর গ্রামের আব্দুর রহমান শেখ (৫২) এবং তার ছেলে মোস্তাকিন শেখ (২৭)। তাদের কাছ থেকে হরিণের মাংসসহ হরিণের তিনটি মাথাও পাওয়া গেছে। এর আগে গত ৭২ ঘণ্টায় বাগেরহাটের শরণখোলা ও মোংলা উপজেলা থেকে একটি হরিণের মাথা ৬৭ কেজি মাংসসহ চারজনকে গ্রেফতার করে কোস্ট গার্ড ও বন বিভাগ।
বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর মো. শাফিন মাহমুদ সাংবাদিকদের বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল রামপাল উপজেলার বগুড়া নদীর চর থেকে সুন্দরবন থেকে শিকার করে নিয়ে আসা ৪২ কেজি হরিণের মাংসসহ বাবা ও ছেলেকে গ্রেফতার করেছে।
সোমবার সুন্দরবন থেকে ফাঁদ পেতে অন্তত ৩টি চিত্রল হরিণ শিকার করে এই শিকারিরা। পরে তারা এই হরিণগুলো জবাই করে লোকালয়ে বিক্রির জন্য নিয়ে আসে বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে।
এই পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, হরিণের চামড়া তারা কি করেছে তা স্বীকার করেননি। এই চক্রে আরও কয়েকজন জড়িত রয়েছে তাদের ধরার চেষ্টা চলছে। সুন্দরবনের জীববৈচিত্র সংরক্ষণে পুলিশ সব সময় তৎপরত রয়েছে। এদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।