নীলফামারীর ডিমলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে।
উপজেলা বিএনপি এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে পতাকা উত্তোলন, বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
রবিবার (৮ নভেম্বর) সকালে ডিমলা উপজেলায় অবস্থিত দলীয় কার্যালয়ের সামনে পতাকা উত্তোলন করে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন নেতাকর্মীরা।
পরে সেখান থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক রইছুল আলম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য গোলাম রব্বানী প্রধান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আরিফুল ইসলাম লিটন, ডিমলা সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ডিয়ার, ডিমলা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল জব্বার সহ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।
এছাড়া র্যালি ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ডিমলা উপজেলা যুবদল আবু বক্কর সিদ্দিক, তরিকুল ইসলাম খান লোহানি, কৃষক দলের গোলাম মোস্তফা বাবু প্রধান , ছাত্রদলের সেলিম ইসলাম সাগর সহ উপজেলা বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
আলোচনা সভায় বক্তারা দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অবিস্মরণীয় দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা পেয়েছিল এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বন্দিদশা থেকে মুক্ত হয়ে দেশের হাল ধরেছিলেন। তাঁর হাত ধরেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা হয়।
বক্তারা দলীয় নেতাকর্মীদের বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের বিএনপির সাবেক এমপি শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিনের হাতকে শক্তিশালী করতে ঐক্যবদ্ধ থেকে দেশ ও গণতন্ত্রের সুরক্ষায় কাজ করার আহ্বান জানান।
মাসুদ রানা বকুল 
























