ঢাকা ১২:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ ছিনতাইকারী গ্রেফতার জার্সিতে ‘ভোজিনহা’ নামেই খেলবেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ৬ হাজার ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার এক বছরেই ৩০ পারা মুখস্থ, হাফেজ হলো ৮ বছরের আব্দুর রহমান লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে টোল নেবে না হুথিরা অনির্দিষ্টকালের জন্য এস আলম গ্রুপের ১১ কারখানা বন্ধ র‍্যাবের ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও প্রসিকিউশন টিম চারদিক বন্যার পানিতে ডুবলেও ডুবে না ক্লাস্টার বসতভিটা

দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগ ধর্ষণ মামলার আসামী ছেড়ে দিয়ে আবার ও খুঁজছে

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৩:১২:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • ১৫৫ বার পড়া হয়েছে

দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগ
ধর্ষণ মামলার আসামী ছেড়ে দিয়ে আবার ও খুঁজছে

মোঃ আলমগীর ( সেলিম) :
দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগ ধর্ষণ মামলার আসামী ছেড়ে দিয়ে আবার খুঁজছে এ বিষয়ে ভিকটিম মামলার বাদিনী ছদ্দনাম (আছিয়া) মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে বাদিনী উল্লেখ করেন:
আমি থানায় উপস্থিত হয়ে এই মর্মে এজাহার দায়ের করিতেছি যে, আমি স্বামী পরিত্যাক্তা দুই সন্তানের জননী। দর্জি কাজ করিয়া জীবিকা নির্বাহ করিয়া আসিতেছিলাম। এমতাবস্থায় দর্জি কাজ না থাকায় কাজের সন্ধান করাকালীন ১ ও ২নং বিবাদীর সাথে আমার পরিচয় হয়। এক পর্যায়ে ১ ও ২নং বিবাদী আমাকে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর জন্য বিভিন্ন সময় কথা বলে আসছিল। এমতাবস্থায় ১ ও ২নং বিবাদীর প্রস্তাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য আমি রাজি হইলে তারা বলে মালয়েশিয়ায় গার্মেন্টস এর কাজে বাংলাদেশী প্রায় মাসে ৭০-৮০ হাজার টাকা আমার বেতন পরবে। যেতে লাগবে প্রায় ১,০০,০০/- (এক লক্ষ) টাকা এক পর্যায় আমি বিদেশ যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করে বহু কষ্টে ধার দেনা করিয়া ১ লক্ষ টাকা জোগাড় করিয়া ১ ও ২ নং বিবাদীর কাছে আমি ০১/০৩/২০২৬ইং তারিখে আমার পাসপোর্ট ও টাকা জমা দেই। এরপর প্রায় ২ মাস যাবত নানা তাল বাহানা করিয়া আমাকে ঘুরাইতে থাকে এমতাবস্থায় তাদের তাল বাহানা ভাল না বুঝিয়া আমি ১ ও ২ বিবাদীর কাছে আমার টাকা ও পাসপোর্ট ফেরত চাই। তখন ১ ও ২ নং বিবাদী আমাকে অদ্য ১৯/০৫/২০২৬ইং তারিখ তাদের সাথে কেরাণীগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসের সামনে এসে দেখা করতে বলে। তাদের কথা মতো অদ্য বেলা সকাল ১২ ঘটিকার সময় কেরাণীগঞ্জ পাসপোর্ট অফিস এর সামনে রাস্তায় ১ ও ২ এবং ৩ নং বিবাদীর সাথে আমার দেখা হয়। একপর্যায়ে আনুমানিক বেলা ১২ ঘটিকার সময় ১,২ ও ৩নং বিবাদী আমার সাথে দেখা করে। একপর্যায় ৩নং বিবাদী মজিবরের সাথে আমাকে পাসপোর্ট ও টাকা নেওয়ার জন্য তাদের অফিসের কথা বলিয়া পাঠায়।
তখন মজিবর আমাকে কেরানীগঞ্জ পাসপোর্ট অফিস এলাকা হতে সিএনজি করে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ বালুরচরের ১ ও ২ নং বিবাদীর বাসা/অফিসের কথা বলে হোল্ডিং নং-১৭৫১, বালুরচর, থানা-দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ, জেলা-ঢাকা একটি বাসায় নিয়ে যায়। ঐ বাসাটি ৩ রুমের ফ্ল্যাট। ফ্ল্যাটের ভিতরে ঢুকে ডান পাশের একটি কক্ষে আমাকে নিয়ে একটি চেয়ারে বসতে দেয়। ঐ রুমে ফ্লোরে শুধু তোষক বিছানো দেখে ৩নং বিবাদীকে আমি বলি এটা কেমন অফিস ফ্লোরে তোষক বিছানো। এরিমধ্যেই কিছুক্ষণ পর ১ ও ২ নং এবং অজ্ঞাতনামা ৫ ও ৬ নং বিবাদীরা রুমে প্রবেশ করে। এরিমধ্যে আমি বসে থাকা কক্ষে সকল বিবাদীরা ঢোকে। ১ ও ২ নং বিবাদী আমার শরীরের বিভিন্ন স্পর্শ কাতর জায়গায় হাতাহাতি করতে থাকে ও আমার সাথে থাকা বাটন মোবাইল সেটটি কেড়ে নিয়ে মোবাইলে সেইভ থাকা সকল নাম্বার কেটে দেয়।
তখন আমি বুজতে পারি তাদের উদ্দেশ্য ভালো না ঐ মুহুর্তে আমি তাদের কাছে পাসপোর্ট ও আমার দেওয়া ১ লক্ষ টাকা তাদের কাছে ফেরত চাইলে তখন পুরুষ বিবাদীরা বলে, আমি যদি তাদের সাথে ঐ কক্ষে যৌন সহবাস করি তাহলে তারা আমার পাসপোর্ট ও টাকা ফেরত দিয়ে দেবে। তখন আমি তাদের উদ্দেশ্য ভালো না বুঝতে পেরে দৌরে রুম থেকে বের হতে নিলে অজ্ঞাতনামা মহিলা বিবাদী আমার চুলের মুঠি ধরিয়া রুমের ভিতরে ঢুকাইয়া দিয়া দরজার ছিটকারী লাগাইয়া দেয়। ১, ২ ৩ ও ৪ নং বিবাদী সহ অজ্ঞাতনামা ৭-৮ জন বিবাদীরা আমাকে শারীরিক ভাবে নির্যাতন করিয়া ঘটনাস্থলের রুমে আটক রাখিয়া ১নং বিবাদীর সাথে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র রিভালবার দেখাইয়া আমাকে গুলি করে হত্যা করার নানাবিধ ভয়ভীতি দেখাইয়া বেলা ১২ ঘটিকা হইতে সন্ধ্যা ৬.৩০ ঘটিকা পর্যন্ত বিভিন্ন সময় সকলে মিলিয়া একের পর এক জনে আমাকে ধর্ষণ করে ও তাদের সাথে থাকা মোবাইল ক্যামেরায় আমার বিবস্ত্র ছবি তুলে ও একে অপরের ধর্ষণের ভিডিও চিত্র ধারণ করে।
৬নং অজ্ঞাতনামা ৪-৫ জন বিবাদীরা ধর্ষকদের সহযোগীতা করে। এক পর্যায় আনুমানিক বেলা ৬.৩০ ঘটিকার সময় আমি অসুস্থ হইয়া পরিলে বিবাদীরা আমাকে নানা ধরনের ভয়-ভীতি দেখাইয়া টাকা ও পাসপোর্ট না দিয়া রুম থেকে বাহির করিয়া একটি রিক্সায় তুলিয়া দেয়। এমতাবস্থায় আমি আমার আত্মীয় স্বজনের সাথে বুঝ পরামর্শ করিয়া আমার ধর্ষণের ঘটনায় ন্যায় বিচার পেতে থানায় গিয়া এজাহার দায়ের করি।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এজাহার দেয়ার পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ইন্সেপেক্টর তদন্ত, ইন্সেপেক্টর অপারেশন আগ্রহের সাথে আমার এজাহারটি গ্রহণ করে তার অধীনস্ত পুলিশ কর্মকতা একজন এস.আই, আরও একজন এএসআই এবং একজন মহিলা কনসটেবল ও পুরুষ কনসেটবলসহ অজ্ঞাতানামা বেশকিছু পুলিশ সদস্যকে আমার ধর্ষনের ঘটনা তদন্তের জন্য তাদেরকে ঘটনাস্থলে পাঠান। ঐ সকল দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল বাসা হতে আমাকে ধর্ষণের পর ধর্ষকরা একটি কাপড় দিয়ে ধর্ষণের আলামত মুছে ছিল। পুলিশ ঘটনাস্থল হতে উক্ত ধর্ষণের আলামতের কাপড় উদ্ধার করে তার সাথে মাদকদ্রব্য ও উদ্ধার করে এবং আমার অভিযুক্ত মহিলা তার মোবাইল নং-০১৩৪৭০১১০৫৮, সহ কয়েকজন আসামীকে আটক করে পুলিশ সদস্যরা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় নিয়ে আসেন। এরই মধ্যে আসামী থানায় আনার পর শুরু হয় আসামী ছাড়িয়ে নেয়ার জন্য তদবীর, থানার পুলিশের দালালসহ এলাকার বিভিন্ন মাস্তানরা গভীর রাতে থানায় উপস্থিত হয়ে মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে আমার অভিযুক্ত আসামীদের ছাড়িয়ে নিয়ে যান। এরপর শুরু হয় আমাকে নিয়ে নাটকীয়তা। আমাকে সারা রাত থানায় বসিয়ে রেখে থানার পুলিশ কর্মকর্তারা সারা রাতভর প্রায় শতাধিক লোককে বিভিন্ন জায়গা থেকে গ্রেফতার করে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় এনে রাতভর “ঈদ বানিজ্য” করে শতাধিক লোকের কাছ হতে লক্ষ লক্ষ টাকা ভয়ভীতি দেখিয়ে হাতিয়ে নেয় পুলিশ কর্মকর্তারা।
আর এরিমধ্যে ওসি সহ পুলিশ কর্মকর্তারা আমাকে ভয় ভীতি দেখিয়ে ওসির শিখিয়ে দেওয়া কথা বার্তা আমাকে দিয়ে বলায় এবং ঐ কথা তাদের মোবাইলে ভিডিও চিত্র ধারণ করে এবং সারারাত বিভিন্ন মানুষকে মোবাইললে ধারণ করা ভিডিও ওসি তদন্ত এবং ওসি মানুষকে দেখায় এবং বলে আমি একজন দেহজীবী মিথ্যা মামলা করতে থানায় এসেছি। এরপর গত ২০/০৫/২০২৬ইং তারিখ আনুমানিক সকাল ০৯ ঘটিকার সময় প্লাস্টিকের বড় একটা ব্যাগ ভর্তি করে সারা রাত কামানো ঘুষের চাদাবাজির প্রায় আনুমানিক ৫০-৬০ লক্ষ টাকা অফিসার ইনচার্জ তার গাড়িতে করে নিয়ে যায় এবং যাওয়ার সময় আমার অভিয্ক্তুদের ছেড়ে দেয়া আসামীদের কাছ হতে নেয়া মোটা অংকের টাকা হতে আমাকে অফিসার ইনচার্জ বলে, ১২ জনে ধর্ষণের দায়ে নারীকে ক্ষতিপূরণ দিলেন ৩০০০ টাকা ১১-১২ জনে তোমাকে ধর্ষন করছে এছাড়া ধর্ষকদের মধ্যে যেহেতু একজন পুলিশ সদস্য রহিয়াছে তাই তোমাকে কাজের পারিশ্রমিক দিয়ে দিচ্ছি।
এতে পার পিস ২৫০ টাকা করে তোমাকে পারিশ্রমিক দিয়ে দিচ্চি এ ৩০০০ হাজার টাকা ২টি ১০০০ টাকার নোট এবং ২টি ৫০০ টাকার নোট যাহার টাকার নাম্বার ঙ-শ ০৯২৮২০০, জ-ল ১৮৭৮৭১৫ এরপর দুটি ১০০০ টাকার নোটের নাম্বার গ-ল ৪৫০১৭১০, খ-ষ ৩৪০৩৪৪৩ টাকা দিয়ে আমাকে বলে টাকা নিয়ে তুমি সোজা বাসায় চলে যাও। তোমার সাথে যা হয়েছে তা বাহিরের কেউ যেন জানে না। চুপচাপ থানা হতে চলে যাও। আমাকে ওসি ৩০০০ হাজার টাকা দিয়ে থানা থেকে বের করে দেয়। এবং বলে তোমার থেকে ভালো ভালো মেয়ে আমার কেরানীগঞ্জ এলাকার দেহজীবী ব্যবসায়ী সর্দারনী দের বাসায় ২০০ টাকা হলেই একবারের জন্য পাওয়া যায়। ৩০০০ টাকা নিয়ে থানা থেকে চলে যাও আর কখনো ধর্ষনের মামলার কথা চিন্তাও করিও না। এ বলে আমাকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা হতে বের করে দেয়।
একপর্যায়ে আমি ন্যায় বিচার পাওয়ার আশায় চিকিৎসাহীন অসুস্থ অবস্থায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় বসে থাকি, ন্যায় বিচার না পেয়ে আনুমানিক সন্ধ্যা ৭ঘটিকার সময় আমি রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় কেরানীগঞ্জ বি.আর.টি.এর সম্মুখে গেলে আমি অসুস্থ হয়ে রাস্তা মাথা ঘুরে রাস্তায় পড়ে যাই। ঐ সময় আমার চারপাশে জড়ো হওয়া পথচারীদের মধ্যে দুজন নারী মানবাধিকার কর্মী পারভীন ও মাসুদা তারা আমার মাথায় পানি ঢেলে সেবা করে একপর্যায়ে আমি কিছুটা সুস্থ হলে আমার সকল ঘটনা ঐ মানবাধিকার কর্মীদের কাছে খুলে বলি। তখন তারা আমাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমারজিন্সি বিভাগে নিয়ে আমার চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। একপর্যায়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দায়িত্বরত কর্মকর্তা ডাক্তারগনরা আমার ঘটনা শুনার পর আমার ধর্ষনজনিত ঘটনাসহ যাবতীয় চিকিৎসার ব্যবস্থ্ াকরে আমাকে হাসপাতালের ওয়ানস্টফ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) বিভাগ-এ ভর্তি রাখেন। এরপর ২১/০৫/২০২৬ইং ওয়ানস্টফ ক্রাইসিস আমাকে চিকিসার ব্যবস্থা পত্রের ছাড়পত্র দিয়া হাসপাতাল হতে ছুটি দেন এবং বলেন আমি ছাড়পত্র নিয়ে যেন দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় যেয়ে মামলা দায়ের করি।
থানায় আসার পর আমি ২১/০৫/২০২৬ইং তারিখ আনুমানিক সন্ধ্যা ৭ ঘটিকার সময় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় গিয়ে ঢাকা মেডিকেলের চিকিৎসার অরজিনাল ছাড়পত্র থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ওসি তদন্তকে দেই। চিকিৎসার ব্যবস্খাপত্র পাওয়ার পর শুরু হয় পুনরায় মামলা না নেওয়ার জন্য নানা ধরনের তালবাহানা ও আমাকে দেখানো হয় বিভিন্ন ভয় ভীতি। মানবাধিকার কর্মীদেরও যেভাবে ভয়-ভীতি ও আটক করা হয় আমার ও খাদিজার ধর্ষনের ঘটনায় দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকরা ঘটনা জানার পর উপস্থিত হয়। এরিমধ্যে ওসি তদন্তের রুমে যাওয়া মানবাধিকার কর্মী পারভীনকে অজ্ঞাতনামা একজন নারী কনস্টেবল কে ওসি নির্দেশ দেন আমাকে যারা হাসপাতালে নিয়ে গেছে ঐ মানবাধিকার কর্মী মাকসুদা ও পারভীনকে যেন আটক করে। এরিমধ্যে ইন্সেপেক্টর তদন্তের রুমে যাওয়া মানবাধিকার কর্মী পারভীন কে মহিলা কনস্টেবল ইন্সেপেক্টর তদন্তের রুমে দরজা লাগিয়ে দিয়ে ঐ মানবাধিকারকর্মীকে আটক করে। কিছুক্ষণ পর ইন্সেপেক্টর তদন্ত ও ইন্সেপেক্টর অপারেশনের নির্দেশে ঐ মানবাধিকার কর্মীকে ছেড়ে দেন। এরপর অজ্ঞাতনামা মহিলা কন্সস্টেবল আমাকে ভয় ভীতি দেখায় যে আমার ঘটনায় মানবাধিকার কর্মীদেরই আটক করে দিয়েছে তাই অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল আলম , বিপি নং-৮২০৮১২০৭৪৪, স্যার যে ভাবে বলে আমি যেন তার কথার বাহিরে না যাই। প্রয়োজন হলে তিনি ওসি স্যার কে বলে আমাকে আরও কিছু টাকা নিয়ে দিতে পারবেন। তারপরও আমি আমার ঘটনায় যাতে মামলা না করি আর সাংবাদিকদের কাছে যেন মুখ না খুলি কেউ জিজ্ঞেস করলে আমি যেন বলি, আমি কেরাণীগঞ্জ এলাকায় বিভিন্ন বাসা বাড়িতে যেয়ে দেহ ব্যবসা করতাম তাই পুলিশ আমাকে ধরে নিয়ে আসছে।
এ বলে পুলিশের সাথে থাকা মোবাইল ক্যামেরায় আমাকে দিয়ে বলানো কথার ভিডিও ফুটেজ ধারণ করে রাখে এবং আমাকে ভয়-ভীতি দেখায় আমি মামলা করতে চাইলে উল্টো আমাকে পতিতা সাজিয়ে বিভিন্ন মিডিয়ার কাছে তাহা উপস্থাপন করবে আর আমাকে দিয়ে তাদের শিখানো কথা বলিয়ে ধারণ করা ভিডিও চিত্র পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দেখিয়ে আমার ঘটনা ভিন্ন দিকে প্রভাবিত করবে। আমি যদি তাদের কথার অবাধ্য হই তাহলে তারা আমার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরদিন ২২/০৫/২০২৬ইং তারিখ সকাল ১০ ঘটিকায় আমাকে ও পৃথক ধর্ষিত খাদিজা নামে অন্য এক নারীকে সহ পুলিশ কর্মকর্তারা আমাকে ঢাকা মেডিকেল ওসিসিতে নিয়ে যায়। পুলিশ বলে আমার ডিএনএ টেস্ট করাতে হবে। এরপর ঢাকা মেডিকেলে প্রায় ২ হতে ৩ ঘন্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করিয়ে মেডিকেলে খাদিজাকে ভর্তি করে রেখে দিয়ে আমাকে হাসপাতাল হতে ফিরিয়ে নিয়ে আসে। এবং বলে, পরে অন্য দিন আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে। এরপর ২৩/০৫/২০২৬ইং তারিখ পুনরায় আমাকে আবারও থানা হতে হাসপাতালে নিয়ে যায়। ঐ দিন ও হাসপাতাল হতে আমাকে ফেরত নিয়ে আসে। এভাবে আমাকে ঘুরাইতে থাকে এরিমধ্যে আমার ঘটনা যেনে যাওয়া বিভিন্ন সাংবাদিকরা আমার কাছ থেকে জানতে চায় আমার ঘটনায় মামলা হয়েছে কিনা। তখন আমি দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার পুলিশের কাছে জানতে চাই আমার ঘটনায় মামলা হয়েছে কিনা আমি সাংবাদিকদের কি বলব? তখন পুলিশ বলে মামলা হয়েছে। অন্যদিকে আমি পুলিশের কাছ থেকে মামলার এজাহার পত্র না পেয়ে আমি নিরুপায় হয়ে ঢাকা জেলার বিজ্ঞ আদালতে ২৩/০৫/২০২৬ইং তারিখ একজন আইনজীবীর মাধ্যমে খোজ নেই জানতে পারি আমার ঘটনায় দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানা হতে মামলার কোন ফরওয়াডিং এফআইআর তথ্য আদালতে পাঠানো হয় নাই। খাদিজার ধর্ষণ মামলা নং-৫১, তারিখ-২১/০৫/২০২৬ইং, ধারা-৭/৯ (৩) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০। খাদিজার মামলা নেওয়া হলেও আমার মামলা অদ্য পর্যন্ত হয়েছে কিনা পুলিশের কাছ থেকে কোন তথ্য পাই নাই। আমার মামলার আমার ঘটনায় আসামীদের আটক করে আনার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ঐ আসামীদের ও অদ্য পর্যন্ত আটক বা গ্রেফতার আর করে নাই। ছেড়ে দেওয়া অজ্ঞাতনামা ৬ নং বিবাদী মহিলা তার মোবাইল নং-০১৩৪৭০১১০৫৮, ঐ মহিলাকে ছেড়ে না দিয়ে তার অত্র ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারটির কল লিস্ট সংগ্রহ করিয়া ১৯/০৫/২০২৬ইং তারিখে আমার ঘটনার ধর্ষকদের সনাক্তকরা সম্ভব হতো। কেননা আমাকে ধর্ষণ করা ব্যক্তিরা মহিলার উক্ত নাম্বারে ঘটনার দিন সবাই মহিলার সাথে ফোনে কথা বলেছেন আমি এ কথাও পুলিশের কাছে বলেছি। তাতেও পুলিশ আমার কথা না শুনে আমার অভিযুক্ত বিবাদীদের কাছ হতে মোটা অংকের আর্থিক সুবিধা নিয়ে মামলা ভিন্ন দিকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চালিয়ে আসামীদের গ্রেফতারের পর ছেড়ে দিয়ে এখন আবার পুলিশ খোঁজতেছে। আমাকে বলেছে আসামীদের মোবাইল নাম্বার আর ছবি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সংগ্রহ করে এনে দিতে পারলে তারা পরে দেখবে। এমতাবস্থায় পুলিশের নানা তাল বাহানা ও অপেশাদারি আচরণ ও আসামী গ্রেফতারের পর ছেড়ে দিয়ে এখন আবার খোজা খুজি করছে পুলিশ বলেছে থানায় মামলা হয়েছে আদালতে গিয়ে ফরওয়াডিং এর কাগজ পাই নি। তাছাড়া আমাকেও কোন প্রাথমিক তথ্য বিবরণী মামলার কাগজ পত্র না দেওয়ায় আমি গোলক ধাধার মধ্যে রহিয়া আমি ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত হচ্ছি।
ক্রাইম নিউজ মিডিয়ার প্রতিবেদক ভিকটিমের মুঠোফোনে কথা হলে, মামলার বাদিনী ভিকটিম ক্রাইম নিউজ মিডিয়াকে জানায় পুলিশ আসামী ছেড়ে দিয়ে আবার এখন খুঁজে বেড়াচ্ছে তাই আমি পুলিশের ঊর্ধ্বতন মহল সহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছি। যাতে আমি আমি ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হই।
এ বিষয়ে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল আলম এর সাথে ক্রাইম নিউজ মিডিয়ার পক্ষ হতে মুঠোফোনে কথা হলে সাইফুল আলম বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা নেওয়া হয়েছে। মামলা নং-৫২, তারিখঃ ২১/০৫/২০২৬ইং , মামলার ধারাঃ ৯(৩)/৩০ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ তৎসহ ৮(১) পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রন আইন ২০১২। নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক একাধিক ব্যক্তি কর্তৃক ধর্ষণ সহ ধর্ষণের সহায়তা ও পর্নোগ্রাফি ধারণ করার অপরাধ এ মামলা হয়েছে।
ক্রাইম নিউজ মিডিয়ার অনুসন্ধানে ধর্ষণের ঘটনাস্থল দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানাধীন বালুর চর শুভাঢ্যা ইউনিয়নের মিরেরবাগ মিজানের বাড়ির নিচতলার একটি ফ্ল্যাটে। ঘটনাস্থলের আশেপাশের এলাকার একাধিক ব্যাক্তিরা জানান মিজানের বাড়িতে সারা দিন রাত নারী পুুরুষের আগমন দেখা যেত এবং এই বাড়িতে এক মহিলা তার দুই কন্যা সন্তান নিয়ে এবং দুই জামাতা নিয়ে ঐ বাড়িতে ৩টি ফ্ল্যাট ভাড়া নেয়। ঐ ফ্ল্যাটগুলোতে অজ্ঞাতনামা ঐ নারী মেয়ে মানুষ ফ্ল্যাটে রাখিয়া বহিরাগত পুরুষ দিয়ে দেহ ব্যবসা করাইতো।
বাড়ির মালিককে ফ্ল্যাটের বাড়তি ভাড়া পাওয়ায় সব কিছু জানার পরে ও তাকে কিছুই বলত না। এছাড়া মাঝে মধ্যে পুলিশের আনাগোনাও ঐ ফ্ল্যাটে দেখা যেত। আবার মাঝে মধ্যে কিছু নারীদের কান্না কাটির আওয়াজ ও শুনা যেত। তবে এলাকার অনেকেই জানে কিছু বলতে সাহস পেতে না ঐ নারী ফ্ল্যাটে নারী ও মাদক ব্যবসা করত। ১৯/০৫/২০২৬ইং তারিখে সন্ধ্যার পরে হঠাৎ দেখি এক দল পুলিশ সাদা পোশাকে এসে ফ্ল্যাট পরিচালক সর্দারনী নারীকে ও ঐ ফ্ল্যাট হতে অন্য আরো দুই জন মেয়েকে উদ্ধার করে কিছু খদ্দের সহ দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় নিয়ে যেতে দেখেছেন এলাকাবাসীর অনেকেই ক্রাইম নিউজ মিডিয়ার প্রতিবেদকের কাছে বলেছেন।
এছাড়া পুলিশ সব কিছু যেনে ও না জানার ভান করে মাঝে মধ্যে ঐ নারীর সাথে কি যেন সুবিধা নিতে উক্ত ফ্ল্যাটে যাতায়াত করত। তবে আমরা এলাকাবাসী চাই এই ধর্ষিতার অভিযোগে যেহেতু নারীকে ধরে নিয়ে গেছে এই নারী যেন ন্যায় বিচার পায় এবং ফ্ল্যাট পরিচালনা কারী অজ্ঞাতনামা নারী সর্দারনীর যেন আইনের আওতায় বাধা পরে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ বিচার হয়।
মামলার খোজ নিয়ে জানা যায় অভিযুক্ত ফ্ল্যাট পরিচালনাকারী অজ্ঞাতনামা নারীকে সহ কিছু লোককে উক্ত ফ্ল্যাট হতে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে এলেও তাদের ধর্ষিতার মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয় নাই। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে ঠিকই ফ্ল্যাট পরিচালনাকারী নারীকে গ্রেফতারের পর থানায় এনে ছেড়ে দিলেও পুলিশ কেন মামলায় গ্রেফতার দেখাইনি এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওসি তদন্ত আবুল কালাম আজাদ এর কাছে জানতে চাওয়া হলে এ বিষয়ে তিনি কথা বলতে রাজি হন নি। তবে পুলিশ জানিয়ে মামলায় উল্লেখিত আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু

দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগ ধর্ষণ মামলার আসামী ছেড়ে দিয়ে আবার ও খুঁজছে

আপডেট সময় ০৩:১২:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগ
ধর্ষণ মামলার আসামী ছেড়ে দিয়ে আবার ও খুঁজছে

মোঃ আলমগীর ( সেলিম) :
দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগ ধর্ষণ মামলার আসামী ছেড়ে দিয়ে আবার খুঁজছে এ বিষয়ে ভিকটিম মামলার বাদিনী ছদ্দনাম (আছিয়া) মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজি বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে বাদিনী উল্লেখ করেন:
আমি থানায় উপস্থিত হয়ে এই মর্মে এজাহার দায়ের করিতেছি যে, আমি স্বামী পরিত্যাক্তা দুই সন্তানের জননী। দর্জি কাজ করিয়া জীবিকা নির্বাহ করিয়া আসিতেছিলাম। এমতাবস্থায় দর্জি কাজ না থাকায় কাজের সন্ধান করাকালীন ১ ও ২নং বিবাদীর সাথে আমার পরিচয় হয়। এক পর্যায়ে ১ ও ২নং বিবাদী আমাকে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর জন্য বিভিন্ন সময় কথা বলে আসছিল। এমতাবস্থায় ১ ও ২নং বিবাদীর প্রস্তাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য আমি রাজি হইলে তারা বলে মালয়েশিয়ায় গার্মেন্টস এর কাজে বাংলাদেশী প্রায় মাসে ৭০-৮০ হাজার টাকা আমার বেতন পরবে। যেতে লাগবে প্রায় ১,০০,০০/- (এক লক্ষ) টাকা এক পর্যায় আমি বিদেশ যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করে বহু কষ্টে ধার দেনা করিয়া ১ লক্ষ টাকা জোগাড় করিয়া ১ ও ২ নং বিবাদীর কাছে আমি ০১/০৩/২০২৬ইং তারিখে আমার পাসপোর্ট ও টাকা জমা দেই। এরপর প্রায় ২ মাস যাবত নানা তাল বাহানা করিয়া আমাকে ঘুরাইতে থাকে এমতাবস্থায় তাদের তাল বাহানা ভাল না বুঝিয়া আমি ১ ও ২ বিবাদীর কাছে আমার টাকা ও পাসপোর্ট ফেরত চাই। তখন ১ ও ২ নং বিবাদী আমাকে অদ্য ১৯/০৫/২০২৬ইং তারিখ তাদের সাথে কেরাণীগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসের সামনে এসে দেখা করতে বলে। তাদের কথা মতো অদ্য বেলা সকাল ১২ ঘটিকার সময় কেরাণীগঞ্জ পাসপোর্ট অফিস এর সামনে রাস্তায় ১ ও ২ এবং ৩ নং বিবাদীর সাথে আমার দেখা হয়। একপর্যায়ে আনুমানিক বেলা ১২ ঘটিকার সময় ১,২ ও ৩নং বিবাদী আমার সাথে দেখা করে। একপর্যায় ৩নং বিবাদী মজিবরের সাথে আমাকে পাসপোর্ট ও টাকা নেওয়ার জন্য তাদের অফিসের কথা বলিয়া পাঠায়।
তখন মজিবর আমাকে কেরানীগঞ্জ পাসপোর্ট অফিস এলাকা হতে সিএনজি করে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ বালুরচরের ১ ও ২ নং বিবাদীর বাসা/অফিসের কথা বলে হোল্ডিং নং-১৭৫১, বালুরচর, থানা-দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ, জেলা-ঢাকা একটি বাসায় নিয়ে যায়। ঐ বাসাটি ৩ রুমের ফ্ল্যাট। ফ্ল্যাটের ভিতরে ঢুকে ডান পাশের একটি কক্ষে আমাকে নিয়ে একটি চেয়ারে বসতে দেয়। ঐ রুমে ফ্লোরে শুধু তোষক বিছানো দেখে ৩নং বিবাদীকে আমি বলি এটা কেমন অফিস ফ্লোরে তোষক বিছানো। এরিমধ্যেই কিছুক্ষণ পর ১ ও ২ নং এবং অজ্ঞাতনামা ৫ ও ৬ নং বিবাদীরা রুমে প্রবেশ করে। এরিমধ্যে আমি বসে থাকা কক্ষে সকল বিবাদীরা ঢোকে। ১ ও ২ নং বিবাদী আমার শরীরের বিভিন্ন স্পর্শ কাতর জায়গায় হাতাহাতি করতে থাকে ও আমার সাথে থাকা বাটন মোবাইল সেটটি কেড়ে নিয়ে মোবাইলে সেইভ থাকা সকল নাম্বার কেটে দেয়।
তখন আমি বুজতে পারি তাদের উদ্দেশ্য ভালো না ঐ মুহুর্তে আমি তাদের কাছে পাসপোর্ট ও আমার দেওয়া ১ লক্ষ টাকা তাদের কাছে ফেরত চাইলে তখন পুরুষ বিবাদীরা বলে, আমি যদি তাদের সাথে ঐ কক্ষে যৌন সহবাস করি তাহলে তারা আমার পাসপোর্ট ও টাকা ফেরত দিয়ে দেবে। তখন আমি তাদের উদ্দেশ্য ভালো না বুঝতে পেরে দৌরে রুম থেকে বের হতে নিলে অজ্ঞাতনামা মহিলা বিবাদী আমার চুলের মুঠি ধরিয়া রুমের ভিতরে ঢুকাইয়া দিয়া দরজার ছিটকারী লাগাইয়া দেয়। ১, ২ ৩ ও ৪ নং বিবাদী সহ অজ্ঞাতনামা ৭-৮ জন বিবাদীরা আমাকে শারীরিক ভাবে নির্যাতন করিয়া ঘটনাস্থলের রুমে আটক রাখিয়া ১নং বিবাদীর সাথে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র রিভালবার দেখাইয়া আমাকে গুলি করে হত্যা করার নানাবিধ ভয়ভীতি দেখাইয়া বেলা ১২ ঘটিকা হইতে সন্ধ্যা ৬.৩০ ঘটিকা পর্যন্ত বিভিন্ন সময় সকলে মিলিয়া একের পর এক জনে আমাকে ধর্ষণ করে ও তাদের সাথে থাকা মোবাইল ক্যামেরায় আমার বিবস্ত্র ছবি তুলে ও একে অপরের ধর্ষণের ভিডিও চিত্র ধারণ করে।
৬নং অজ্ঞাতনামা ৪-৫ জন বিবাদীরা ধর্ষকদের সহযোগীতা করে। এক পর্যায় আনুমানিক বেলা ৬.৩০ ঘটিকার সময় আমি অসুস্থ হইয়া পরিলে বিবাদীরা আমাকে নানা ধরনের ভয়-ভীতি দেখাইয়া টাকা ও পাসপোর্ট না দিয়া রুম থেকে বাহির করিয়া একটি রিক্সায় তুলিয়া দেয়। এমতাবস্থায় আমি আমার আত্মীয় স্বজনের সাথে বুঝ পরামর্শ করিয়া আমার ধর্ষণের ঘটনায় ন্যায় বিচার পেতে থানায় গিয়া এজাহার দায়ের করি।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এজাহার দেয়ার পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ইন্সেপেক্টর তদন্ত, ইন্সেপেক্টর অপারেশন আগ্রহের সাথে আমার এজাহারটি গ্রহণ করে তার অধীনস্ত পুলিশ কর্মকতা একজন এস.আই, আরও একজন এএসআই এবং একজন মহিলা কনসটেবল ও পুরুষ কনসেটবলসহ অজ্ঞাতানামা বেশকিছু পুলিশ সদস্যকে আমার ধর্ষনের ঘটনা তদন্তের জন্য তাদেরকে ঘটনাস্থলে পাঠান। ঐ সকল দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল বাসা হতে আমাকে ধর্ষণের পর ধর্ষকরা একটি কাপড় দিয়ে ধর্ষণের আলামত মুছে ছিল। পুলিশ ঘটনাস্থল হতে উক্ত ধর্ষণের আলামতের কাপড় উদ্ধার করে তার সাথে মাদকদ্রব্য ও উদ্ধার করে এবং আমার অভিযুক্ত মহিলা তার মোবাইল নং-০১৩৪৭০১১০৫৮, সহ কয়েকজন আসামীকে আটক করে পুলিশ সদস্যরা দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় নিয়ে আসেন। এরই মধ্যে আসামী থানায় আনার পর শুরু হয় আসামী ছাড়িয়ে নেয়ার জন্য তদবীর, থানার পুলিশের দালালসহ এলাকার বিভিন্ন মাস্তানরা গভীর রাতে থানায় উপস্থিত হয়ে মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে আমার অভিযুক্ত আসামীদের ছাড়িয়ে নিয়ে যান। এরপর শুরু হয় আমাকে নিয়ে নাটকীয়তা। আমাকে সারা রাত থানায় বসিয়ে রেখে থানার পুলিশ কর্মকর্তারা সারা রাতভর প্রায় শতাধিক লোককে বিভিন্ন জায়গা থেকে গ্রেফতার করে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় এনে রাতভর “ঈদ বানিজ্য” করে শতাধিক লোকের কাছ হতে লক্ষ লক্ষ টাকা ভয়ভীতি দেখিয়ে হাতিয়ে নেয় পুলিশ কর্মকর্তারা।
আর এরিমধ্যে ওসি সহ পুলিশ কর্মকর্তারা আমাকে ভয় ভীতি দেখিয়ে ওসির শিখিয়ে দেওয়া কথা বার্তা আমাকে দিয়ে বলায় এবং ঐ কথা তাদের মোবাইলে ভিডিও চিত্র ধারণ করে এবং সারারাত বিভিন্ন মানুষকে মোবাইললে ধারণ করা ভিডিও ওসি তদন্ত এবং ওসি মানুষকে দেখায় এবং বলে আমি একজন দেহজীবী মিথ্যা মামলা করতে থানায় এসেছি। এরপর গত ২০/০৫/২০২৬ইং তারিখ আনুমানিক সকাল ০৯ ঘটিকার সময় প্লাস্টিকের বড় একটা ব্যাগ ভর্তি করে সারা রাত কামানো ঘুষের চাদাবাজির প্রায় আনুমানিক ৫০-৬০ লক্ষ টাকা অফিসার ইনচার্জ তার গাড়িতে করে নিয়ে যায় এবং যাওয়ার সময় আমার অভিয্ক্তুদের ছেড়ে দেয়া আসামীদের কাছ হতে নেয়া মোটা অংকের টাকা হতে আমাকে অফিসার ইনচার্জ বলে, ১২ জনে ধর্ষণের দায়ে নারীকে ক্ষতিপূরণ দিলেন ৩০০০ টাকা ১১-১২ জনে তোমাকে ধর্ষন করছে এছাড়া ধর্ষকদের মধ্যে যেহেতু একজন পুলিশ সদস্য রহিয়াছে তাই তোমাকে কাজের পারিশ্রমিক দিয়ে দিচ্ছি।
এতে পার পিস ২৫০ টাকা করে তোমাকে পারিশ্রমিক দিয়ে দিচ্চি এ ৩০০০ হাজার টাকা ২টি ১০০০ টাকার নোট এবং ২টি ৫০০ টাকার নোট যাহার টাকার নাম্বার ঙ-শ ০৯২৮২০০, জ-ল ১৮৭৮৭১৫ এরপর দুটি ১০০০ টাকার নোটের নাম্বার গ-ল ৪৫০১৭১০, খ-ষ ৩৪০৩৪৪৩ টাকা দিয়ে আমাকে বলে টাকা নিয়ে তুমি সোজা বাসায় চলে যাও। তোমার সাথে যা হয়েছে তা বাহিরের কেউ যেন জানে না। চুপচাপ থানা হতে চলে যাও। আমাকে ওসি ৩০০০ হাজার টাকা দিয়ে থানা থেকে বের করে দেয়। এবং বলে তোমার থেকে ভালো ভালো মেয়ে আমার কেরানীগঞ্জ এলাকার দেহজীবী ব্যবসায়ী সর্দারনী দের বাসায় ২০০ টাকা হলেই একবারের জন্য পাওয়া যায়। ৩০০০ টাকা নিয়ে থানা থেকে চলে যাও আর কখনো ধর্ষনের মামলার কথা চিন্তাও করিও না। এ বলে আমাকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা হতে বের করে দেয়।
একপর্যায়ে আমি ন্যায় বিচার পাওয়ার আশায় চিকিৎসাহীন অসুস্থ অবস্থায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় বসে থাকি, ন্যায় বিচার না পেয়ে আনুমানিক সন্ধ্যা ৭ঘটিকার সময় আমি রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় কেরানীগঞ্জ বি.আর.টি.এর সম্মুখে গেলে আমি অসুস্থ হয়ে রাস্তা মাথা ঘুরে রাস্তায় পড়ে যাই। ঐ সময় আমার চারপাশে জড়ো হওয়া পথচারীদের মধ্যে দুজন নারী মানবাধিকার কর্মী পারভীন ও মাসুদা তারা আমার মাথায় পানি ঢেলে সেবা করে একপর্যায়ে আমি কিছুটা সুস্থ হলে আমার সকল ঘটনা ঐ মানবাধিকার কর্মীদের কাছে খুলে বলি। তখন তারা আমাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমারজিন্সি বিভাগে নিয়ে আমার চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। একপর্যায়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দায়িত্বরত কর্মকর্তা ডাক্তারগনরা আমার ঘটনা শুনার পর আমার ধর্ষনজনিত ঘটনাসহ যাবতীয় চিকিৎসার ব্যবস্থ্ াকরে আমাকে হাসপাতালের ওয়ানস্টফ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) বিভাগ-এ ভর্তি রাখেন। এরপর ২১/০৫/২০২৬ইং ওয়ানস্টফ ক্রাইসিস আমাকে চিকিসার ব্যবস্থা পত্রের ছাড়পত্র দিয়া হাসপাতাল হতে ছুটি দেন এবং বলেন আমি ছাড়পত্র নিয়ে যেন দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় যেয়ে মামলা দায়ের করি।
থানায় আসার পর আমি ২১/০৫/২০২৬ইং তারিখ আনুমানিক সন্ধ্যা ৭ ঘটিকার সময় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় গিয়ে ঢাকা মেডিকেলের চিকিৎসার অরজিনাল ছাড়পত্র থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ওসি তদন্তকে দেই। চিকিৎসার ব্যবস্খাপত্র পাওয়ার পর শুরু হয় পুনরায় মামলা না নেওয়ার জন্য নানা ধরনের তালবাহানা ও আমাকে দেখানো হয় বিভিন্ন ভয় ভীতি। মানবাধিকার কর্মীদেরও যেভাবে ভয়-ভীতি ও আটক করা হয় আমার ও খাদিজার ধর্ষনের ঘটনায় দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকরা ঘটনা জানার পর উপস্থিত হয়। এরিমধ্যে ওসি তদন্তের রুমে যাওয়া মানবাধিকার কর্মী পারভীনকে অজ্ঞাতনামা একজন নারী কনস্টেবল কে ওসি নির্দেশ দেন আমাকে যারা হাসপাতালে নিয়ে গেছে ঐ মানবাধিকার কর্মী মাকসুদা ও পারভীনকে যেন আটক করে। এরিমধ্যে ইন্সেপেক্টর তদন্তের রুমে যাওয়া মানবাধিকার কর্মী পারভীন কে মহিলা কনস্টেবল ইন্সেপেক্টর তদন্তের রুমে দরজা লাগিয়ে দিয়ে ঐ মানবাধিকারকর্মীকে আটক করে। কিছুক্ষণ পর ইন্সেপেক্টর তদন্ত ও ইন্সেপেক্টর অপারেশনের নির্দেশে ঐ মানবাধিকার কর্মীকে ছেড়ে দেন। এরপর অজ্ঞাতনামা মহিলা কন্সস্টেবল আমাকে ভয় ভীতি দেখায় যে আমার ঘটনায় মানবাধিকার কর্মীদেরই আটক করে দিয়েছে তাই অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল আলম , বিপি নং-৮২০৮১২০৭৪৪, স্যার যে ভাবে বলে আমি যেন তার কথার বাহিরে না যাই। প্রয়োজন হলে তিনি ওসি স্যার কে বলে আমাকে আরও কিছু টাকা নিয়ে দিতে পারবেন। তারপরও আমি আমার ঘটনায় যাতে মামলা না করি আর সাংবাদিকদের কাছে যেন মুখ না খুলি কেউ জিজ্ঞেস করলে আমি যেন বলি, আমি কেরাণীগঞ্জ এলাকায় বিভিন্ন বাসা বাড়িতে যেয়ে দেহ ব্যবসা করতাম তাই পুলিশ আমাকে ধরে নিয়ে আসছে।
এ বলে পুলিশের সাথে থাকা মোবাইল ক্যামেরায় আমাকে দিয়ে বলানো কথার ভিডিও ফুটেজ ধারণ করে রাখে এবং আমাকে ভয়-ভীতি দেখায় আমি মামলা করতে চাইলে উল্টো আমাকে পতিতা সাজিয়ে বিভিন্ন মিডিয়ার কাছে তাহা উপস্থাপন করবে আর আমাকে দিয়ে তাদের শিখানো কথা বলিয়ে ধারণ করা ভিডিও চিত্র পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দেখিয়ে আমার ঘটনা ভিন্ন দিকে প্রভাবিত করবে। আমি যদি তাদের কথার অবাধ্য হই তাহলে তারা আমার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরদিন ২২/০৫/২০২৬ইং তারিখ সকাল ১০ ঘটিকায় আমাকে ও পৃথক ধর্ষিত খাদিজা নামে অন্য এক নারীকে সহ পুলিশ কর্মকর্তারা আমাকে ঢাকা মেডিকেল ওসিসিতে নিয়ে যায়। পুলিশ বলে আমার ডিএনএ টেস্ট করাতে হবে। এরপর ঢাকা মেডিকেলে প্রায় ২ হতে ৩ ঘন্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করিয়ে মেডিকেলে খাদিজাকে ভর্তি করে রেখে দিয়ে আমাকে হাসপাতাল হতে ফিরিয়ে নিয়ে আসে। এবং বলে, পরে অন্য দিন আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে। এরপর ২৩/০৫/২০২৬ইং তারিখ পুনরায় আমাকে আবারও থানা হতে হাসপাতালে নিয়ে যায়। ঐ দিন ও হাসপাতাল হতে আমাকে ফেরত নিয়ে আসে। এভাবে আমাকে ঘুরাইতে থাকে এরিমধ্যে আমার ঘটনা যেনে যাওয়া বিভিন্ন সাংবাদিকরা আমার কাছ থেকে জানতে চায় আমার ঘটনায় মামলা হয়েছে কিনা। তখন আমি দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার পুলিশের কাছে জানতে চাই আমার ঘটনায় মামলা হয়েছে কিনা আমি সাংবাদিকদের কি বলব? তখন পুলিশ বলে মামলা হয়েছে। অন্যদিকে আমি পুলিশের কাছ থেকে মামলার এজাহার পত্র না পেয়ে আমি নিরুপায় হয়ে ঢাকা জেলার বিজ্ঞ আদালতে ২৩/০৫/২০২৬ইং তারিখ একজন আইনজীবীর মাধ্যমে খোজ নেই জানতে পারি আমার ঘটনায় দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানা হতে মামলার কোন ফরওয়াডিং এফআইআর তথ্য আদালতে পাঠানো হয় নাই। খাদিজার ধর্ষণ মামলা নং-৫১, তারিখ-২১/০৫/২০২৬ইং, ধারা-৭/৯ (৩) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০। খাদিজার মামলা নেওয়া হলেও আমার মামলা অদ্য পর্যন্ত হয়েছে কিনা পুলিশের কাছ থেকে কোন তথ্য পাই নাই। আমার মামলার আমার ঘটনায় আসামীদের আটক করে আনার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ঐ আসামীদের ও অদ্য পর্যন্ত আটক বা গ্রেফতার আর করে নাই। ছেড়ে দেওয়া অজ্ঞাতনামা ৬ নং বিবাদী মহিলা তার মোবাইল নং-০১৩৪৭০১১০৫৮, ঐ মহিলাকে ছেড়ে না দিয়ে তার অত্র ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারটির কল লিস্ট সংগ্রহ করিয়া ১৯/০৫/২০২৬ইং তারিখে আমার ঘটনার ধর্ষকদের সনাক্তকরা সম্ভব হতো। কেননা আমাকে ধর্ষণ করা ব্যক্তিরা মহিলার উক্ত নাম্বারে ঘটনার দিন সবাই মহিলার সাথে ফোনে কথা বলেছেন আমি এ কথাও পুলিশের কাছে বলেছি। তাতেও পুলিশ আমার কথা না শুনে আমার অভিযুক্ত বিবাদীদের কাছ হতে মোটা অংকের আর্থিক সুবিধা নিয়ে মামলা ভিন্ন দিকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চালিয়ে আসামীদের গ্রেফতারের পর ছেড়ে দিয়ে এখন আবার পুলিশ খোঁজতেছে। আমাকে বলেছে আসামীদের মোবাইল নাম্বার আর ছবি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সংগ্রহ করে এনে দিতে পারলে তারা পরে দেখবে। এমতাবস্থায় পুলিশের নানা তাল বাহানা ও অপেশাদারি আচরণ ও আসামী গ্রেফতারের পর ছেড়ে দিয়ে এখন আবার খোজা খুজি করছে পুলিশ বলেছে থানায় মামলা হয়েছে আদালতে গিয়ে ফরওয়াডিং এর কাগজ পাই নি। তাছাড়া আমাকেও কোন প্রাথমিক তথ্য বিবরণী মামলার কাগজ পত্র না দেওয়ায় আমি গোলক ধাধার মধ্যে রহিয়া আমি ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত হচ্ছি।
ক্রাইম নিউজ মিডিয়ার প্রতিবেদক ভিকটিমের মুঠোফোনে কথা হলে, মামলার বাদিনী ভিকটিম ক্রাইম নিউজ মিডিয়াকে জানায় পুলিশ আসামী ছেড়ে দিয়ে আবার এখন খুঁজে বেড়াচ্ছে তাই আমি পুলিশের ঊর্ধ্বতন মহল সহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেছি। যাতে আমি আমি ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হই।
এ বিষয়ে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল আলম এর সাথে ক্রাইম নিউজ মিডিয়ার পক্ষ হতে মুঠোফোনে কথা হলে সাইফুল আলম বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা নেওয়া হয়েছে। মামলা নং-৫২, তারিখঃ ২১/০৫/২০২৬ইং , মামলার ধারাঃ ৯(৩)/৩০ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ তৎসহ ৮(১) পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রন আইন ২০১২। নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক একাধিক ব্যক্তি কর্তৃক ধর্ষণ সহ ধর্ষণের সহায়তা ও পর্নোগ্রাফি ধারণ করার অপরাধ এ মামলা হয়েছে।
ক্রাইম নিউজ মিডিয়ার অনুসন্ধানে ধর্ষণের ঘটনাস্থল দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানাধীন বালুর চর শুভাঢ্যা ইউনিয়নের মিরেরবাগ মিজানের বাড়ির নিচতলার একটি ফ্ল্যাটে। ঘটনাস্থলের আশেপাশের এলাকার একাধিক ব্যাক্তিরা জানান মিজানের বাড়িতে সারা দিন রাত নারী পুুরুষের আগমন দেখা যেত এবং এই বাড়িতে এক মহিলা তার দুই কন্যা সন্তান নিয়ে এবং দুই জামাতা নিয়ে ঐ বাড়িতে ৩টি ফ্ল্যাট ভাড়া নেয়। ঐ ফ্ল্যাটগুলোতে অজ্ঞাতনামা ঐ নারী মেয়ে মানুষ ফ্ল্যাটে রাখিয়া বহিরাগত পুরুষ দিয়ে দেহ ব্যবসা করাইতো।
বাড়ির মালিককে ফ্ল্যাটের বাড়তি ভাড়া পাওয়ায় সব কিছু জানার পরে ও তাকে কিছুই বলত না। এছাড়া মাঝে মধ্যে পুলিশের আনাগোনাও ঐ ফ্ল্যাটে দেখা যেত। আবার মাঝে মধ্যে কিছু নারীদের কান্না কাটির আওয়াজ ও শুনা যেত। তবে এলাকার অনেকেই জানে কিছু বলতে সাহস পেতে না ঐ নারী ফ্ল্যাটে নারী ও মাদক ব্যবসা করত। ১৯/০৫/২০২৬ইং তারিখে সন্ধ্যার পরে হঠাৎ দেখি এক দল পুলিশ সাদা পোশাকে এসে ফ্ল্যাট পরিচালক সর্দারনী নারীকে ও ঐ ফ্ল্যাট হতে অন্য আরো দুই জন মেয়েকে উদ্ধার করে কিছু খদ্দের সহ দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় নিয়ে যেতে দেখেছেন এলাকাবাসীর অনেকেই ক্রাইম নিউজ মিডিয়ার প্রতিবেদকের কাছে বলেছেন।
এছাড়া পুলিশ সব কিছু যেনে ও না জানার ভান করে মাঝে মধ্যে ঐ নারীর সাথে কি যেন সুবিধা নিতে উক্ত ফ্ল্যাটে যাতায়াত করত। তবে আমরা এলাকাবাসী চাই এই ধর্ষিতার অভিযোগে যেহেতু নারীকে ধরে নিয়ে গেছে এই নারী যেন ন্যায় বিচার পায় এবং ফ্ল্যাট পরিচালনা কারী অজ্ঞাতনামা নারী সর্দারনীর যেন আইনের আওতায় বাধা পরে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ বিচার হয়।
মামলার খোজ নিয়ে জানা যায় অভিযুক্ত ফ্ল্যাট পরিচালনাকারী অজ্ঞাতনামা নারীকে সহ কিছু লোককে উক্ত ফ্ল্যাট হতে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে এলেও তাদের ধর্ষিতার মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয় নাই। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে ঠিকই ফ্ল্যাট পরিচালনাকারী নারীকে গ্রেফতারের পর থানায় এনে ছেড়ে দিলেও পুলিশ কেন মামলায় গ্রেফতার দেখাইনি এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওসি তদন্ত আবুল কালাম আজাদ এর কাছে জানতে চাওয়া হলে এ বিষয়ে তিনি কথা বলতে রাজি হন নি। তবে পুলিশ জানিয়ে মামলায় উল্লেখিত আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।