সিএনএম প্রতিনিধিঃ
পাবনা জেলার ভাংগুরা থানা এলাকার মন্ডতুষ ইউনিয়ন ঘেষা ভরাল নদীর খাল পাট ও গজার মারার মাঝামাঝি স্থান হতে ভরাল নদী হতে ভেকু দিয়ে মাটি কেটে নাসু মেম্বার, শাওন, বাবলু, তরুন সিন্ডিকেট দীর্ঘদিন যাবত শুকনো ভরাল নদী হতে ডেজার ব্যবহার করে মাটি কেটে তাদের রয়েল ইট ভাটায় ইট বানানোর কাজে মাটি ব্যবহার হচ্ছে।
ইট ভাটার এক শ্রমিক “ক্রাইম নিউজ মিডিয়া“কে বলেন, আমরা গরিব মানুষ কর্ম করে খাই। কিন্তু নাসু মেম্বার শাওন ও বাবলু ্তরুন মিয়াকে ইট ভাটার পার্টনার হিসাবে রেখে তারা ভরাল নদী হতে মাটি কেটে আনে।
সূত্রে জানা যায়,কয়েকদিন আগে পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্থানীয় কর্মকর্তারা ভরাল নদী পরিদর্শন করতে আসলে নাসু বাহিনী তাদেরকে কয়েক লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে বিদায় করেছে। এছাড়া স্থানীয় জেলা প্রশাসক সহ স্থানীয় আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যদের ইট বেচা টাকার নিয়মিত একটি অংশ দিয়ে ম্যানেজ করা রয়েছে। তাই রয়েল ইট ভাটার বিষয়ে কেউ কোন আইনানুগ ব্যবস্থা নেন না। রয়েল ইট ভাটার বৈধ কোন কাগজপত্র ও নাই।
অনুসন্ধানকালে ক্রাইম নিউজ মিডিয়াকে এলাকার স্থানীয় অনেকেই তাদের নাম গোপন রাখা সূত্রে জানায়, নাসু মেম্বারের ইট ভাটার চিমনি থেকে মাঝে মধ্যেই কালো ধোয়ায় এলাকা অন্ধকার হয়ে যায়। এতে পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।
স্থানীয় পরিবেশবাদীরাও নাসু বাহিনীর কাছ হতে ঘুষ গ্রহণ করে নিরব রয়েছে। নাসু মেম্বার প্রতি বছর রয়েল ইট ভাটায় লক্ষ লক্ষ ইট তৈরি করে কোটি কোটি টাকা অবৈধ ইনকাম করছে তাহা যেন দুর্নীতি দমন কমিশন ও দেখে না।
এ বিষয়ে ১৮/০৪/২০২৬ইং তারিখ নাসু মেম্বারের সাথে মুঠো ফোনে নাসু মেম্বারের মোবাইল সিমে ০১৭১২-১৩৮১৮৯ ক্রাইম নিউজ মিডিয়া হতে মোঃ আলমগীর (সেলিম) তার ফোনে কল দিয়ে ইট ভাটায় ভরাল নদী হতে মাটি কাটার বিষয় জানতে চাওয়া হলে নাসু মেম্বার বলেন, ভাই ইট ভাটার বৈধ কাগজপত্র সংগ্রহ করা বর্তমানে অনেক কঠিন তাই আমরা সবাইকে ম্যানেজ করে রয়েল ইট ভাটাটা চালাই। আমরা ৪ জন পার্টনার ঃ নাসু মেম্বার, শাওন, বাবলু, তরুন। আপনি তাদেরকে ফোন দেন তারা ভালো বলতে পারবে।
নাসু মেম্বার আরো বলেন, যে আমাদের এলাকায় আরো ইট ভাটা রয়েছে তারাও তো ভরাল নদীর মাটি ব্যবহার করে আপনারা তাদের বক্তব্য নিয়েছিলেন কিনা? এই বলে কলটি কেটে দেয়।
ঘন্টা খানেক পর এক ব্যক্তি ক্রাইম নিউজ মিডিয়ার অফিসিয়াল সিম নাম্বারে- ০১৭৪৬২২৬৫৮৮ হতে ফোন করে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ম্যানেজ করার চেষ্টা করে।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড এর স্থানীয় কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কে ফোনে না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য জানা যায় নি।
চলবে…….