ফজলে রাব্বি নামে এক ভোক্তভোগী যাত্রাবাড়ি থানায় গিয়ে ভিডিও ফুটেজ প্রমাণ সহ চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিলে অভিযোগ গ্রহণ করে চাঁদাবাজদের সাথে আপোষ মিমাংসা করে নেওয়ার জন্য বলে অভিযোগ গ্রহণকারী পুলিশ।
অন্যদিকে অভিযোগকারী চাঁদাবাজদের সাথে আপোষ মিমাংসা করতে না চাইলে বাদীকে আদালতে গিয়ে মামলা করার জন্য বলে।
অভিযোগকারী তার অভিযোগে উল্লেখ করেনঃ-
আমি মোঃ ফজলে রাব্বি (২৬), পিতা-টুকু মিয়া, মাতা-মর্জিনা বেগম, সাং-ফাঁসিতলা, থানা-গোবিন্দগঞ্জ, এ/পি, ১৪৭/২, উত্তর যাত্রাবাড়ী, থানা-যাত্রাবাড়ী, ঢাকা থানায় হাজির হইয়া বিবাদী ১। সুইটি খানম (২৬), পিতা- শরীফ হেমায়েত উদ্দিন, মাতা-সুফিয়া বেগম মোবাইল-০১৬১১১৮৪৯২১, এন আইডি নং-৯১৬৩৭৪৮২৪৮, স্থায়ী- সাং-শাসন, উপজেলা/থানা-মোল্লারহাট, জেলা-বাগেরহাট, বাংলাদেশ বর্তমান: এ/পি-কাজল, স্কুল গলি, উপজেলা/থানা: যাত্রাবাড়ী, জেলা-ঢাকা সহ অজ্ঞাতনামা ৫ জন আসামীদের বিরুদ্ধে এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করিতেছি যে, আমি দৈনিক লিখনী সংবাদ অন লাইন পত্রিকার প্রধান সম্পাদক। পাশাপাশি বিউটিফুল লাইফ লজিস্টিক সার্ভিস লিঃ রেজিঃ নং-১৮৬৪৭৩, ২৪ নং শহীদ ফারুক রোড, চৌধুরী ভিলা, থানা-যাত্রাবাড়ী, ঢাকায় সুনামের সহিত ব্যবসা করে আসছি। এমতাবস্থায় গত ১১/০১/২০২৬ তারিখ বিকাল ৩.৪১ ঘটিকার সময়ে উক্ত বিবাদীরা আমার বিউটিফুল লাইফ লজিস্টিক সার্ভিস লিঃ প্রবেশ করে। তখন আমি তাদের পরিচয় জানতে চাইলে বিবাদীরা নিজেদের প্রশাসনের লোক পরিচয় দেয় এবং আমার প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্র দেখতে চায়। আমি তাদের কাগজপত্র দেখাইতে অনিহা প্রকাশ করলে বিবাদীরা আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ সহ আমাকে এলোপাথারী কিল ঘুষি লাথি মারিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করে। আমি ডাকচিৎকার করিলে আশে পাশের লোকজন আগাইয়া আসিতে থাকলে উক্ত বিবাদীরা আমার প্রতিষ্ঠানের ৫০% শেয়ার দাবী করে। তাদের চাহিদা মতে না দেওয়া হইলে আমার প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিবে এবং বিভিন্ন ভয়-ভীতি সহ মিথ্যা মামলা করার হুমকি প্রদান করে চলে যায়। আমি তাদের ভয়ে আইনের আশ্রয় নিতে সাহস পাই নাই। অদ্য ২৩/০২/২০২৬ তারিখ বেলা অনুমান ০১:৫৫ ঘটিকার সময়ে উক্ত বিবাদীরা পুনরায় আমার প্রতিষ্ঠানে অনধিকারে প্রবেশ করে নিজেদের ভ্রাম্যমান আদালতের সদস্য পরিচয় দেয় এবং আমার নিকট ৩ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। আমি চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় আমার উপর ক্ষিপ্ত হইয়া মারধর করিতে উদ্যত হয়। ঐ সময়ে আমার অফিসে উপস্থিত আমার ক্লাইন্ডগণ ভয়ে চলে যায়। যাহাতে আমার কোম্পানীর ২ থেকে ৩ লক্ষ টাকা ক্ষতি সাধন হয়। বিবাদীরা পরবর্তীতে চাঁদার টাকা না পাইলে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ সহ আমাকে খুন জখম করার হুমকি দিয়ে চলে যায়। ক্রাইম নিউজ মিডিয়ার অনুসন্ধানে জানা যায়
সুইটি নামক ঐ চাদাবাজ নারী বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে নিজেকে সুনামধন্য অপরাধ বিচিত্রা পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করে। তার একটি বিশাল গ্রুপ রয়েছে। ঐ গ্রুপ নিয়ে সন্ধার পরে যাত্রাবাড়ির থানা সহ ডিএমপির বিভিন্ন থানার আশেপাশে ঘোর ঘোর করে অবৈধ কোন প্রতিষ্ঠানের মালামাল রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সন্ধান পেলেই ঐ সকল গাড়ি আটক করে নিজেদের সাংবাদিক ও প্রশাসনের লোক পরিচয় দিয়ে মোটা অংকের চাঁদা দাবী করে । চাঁদা না পেলেই তাদের সাথে মারপিট করে প্রভাব খাটিয়ে সাধারণের মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয়।
এ বিষয়ে সুইটির ও অপরাধ বিচিত্রা সম্পাদকের মোবাইল নাম্বারে ফোন করে না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায় নি।