ঢাকা ০৫:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসহ গ্যাস সিলিন্ডার ও খেজুরের দাম বৃদ্ধি

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৭:৫৫:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৪৩ বার পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"ai_enhance":1,"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

সিএনএমঃ
পবিত্র রমজান মাসকে কেন্দ্র করে কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের, বিশেষ করে গ্যাস সিলিন্ডার ও খেজুরের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বিপাকে পড়ছেন সাধারন ক্রেতারা সরকার নির্ধারিত ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৩৫৬ টাকা হলেও এক পাইকারী ও খুচরা দোকানদার ২০০০ টাকা দাম চান। ক্রেতা দাম এত বেশি কেন জিজ্ঞাসা করলে দোকানী বলেন আমাদের অনেক চড়া দামে গ্যাস সিলিন্ডার কিনে আনতে হচ্ছে তাই উপায় নেই।
বিকল্প না থাকায় শেষ পর্যন্ত সেই ক্রেতাকে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ৬৪৪ টাকা বেশি দিয়ে সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হতে দেখা যায়। এদিকে ২০২৫-২৬ সালের রমজানকে ঘিরে সরকার খেজুরের আমদানিমূল্য ও খুচরা দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে।
সরকার খেজুর আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ৪০% থেকে কমিয়ে ১৫% করেছে, যা দাম কমানোর উদ্দেশ্যে করা হয়েছে কিন্তু বাজারগুলোতে দেখা যায়, সাধারণ মানের খেজুর ১৬৫-১৮০ টাকা এবং জাহিদি খেজুর ১৭০-১৮০ টাকার মধ্যে বিক্রির নির্দেশনা থাকলেও বাজার মনিটরিংয়ের অভাবে বা অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে অনেক ক্ষেত্রে এর চেয়ে বেশি দামে যেমন, সাধারন খেজুর ২৮০-৩০০ টাকা ও জাহিদি খেজুর ৬০০-৭০০ টাকায়  বিক্রি করছে।
বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারী সরেজমিনে উপজেলার বাতাকান্দি বাজার, আসমানিয়া বাজার, মাছিমপুর বাজার ও কড়িকান্দি বাজার গেলে এমন ঘটনা দেখা যায়।
নীরব নামের এক ক্রেতা বলেন সিলিন্ডার গ্যাসে বিক্রিতে হরিলুট চলছে। তার ভাষায়, ১৪০০ টাকার বোতল এখন ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
গ্রাহকদের অভিযোগ, হঠাৎ এভাবে দাম বেড়ে যাওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। আগে কখনো কখনো ২০ থেকে ৫০ টাকা বেশি নিলেও এবার একলাফে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য বড় চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার ২১০০টাকা থেকে ২৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের দাবি, বাজারে সিলিন্ডারের সরবরাহ কম থাকায় তাদেরও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে, ফলে বিক্রির দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।
উপজেলার সচেতন মহলের লোকজন ও সাধারন ক্রেতারা এবিষয়ে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করার মাধ্যমে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসহ গ্যাস সিলিন্ডার ও খেজুরের দাম বৃদ্ধি

আপডেট সময় ০৭:৫৫:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সিএনএমঃ
পবিত্র রমজান মাসকে কেন্দ্র করে কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের, বিশেষ করে গ্যাস সিলিন্ডার ও খেজুরের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বিপাকে পড়ছেন সাধারন ক্রেতারা সরকার নির্ধারিত ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৩৫৬ টাকা হলেও এক পাইকারী ও খুচরা দোকানদার ২০০০ টাকা দাম চান। ক্রেতা দাম এত বেশি কেন জিজ্ঞাসা করলে দোকানী বলেন আমাদের অনেক চড়া দামে গ্যাস সিলিন্ডার কিনে আনতে হচ্ছে তাই উপায় নেই।
বিকল্প না থাকায় শেষ পর্যন্ত সেই ক্রেতাকে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ৬৪৪ টাকা বেশি দিয়ে সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হতে দেখা যায়। এদিকে ২০২৫-২৬ সালের রমজানকে ঘিরে সরকার খেজুরের আমদানিমূল্য ও খুচরা দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে।
সরকার খেজুর আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ৪০% থেকে কমিয়ে ১৫% করেছে, যা দাম কমানোর উদ্দেশ্যে করা হয়েছে কিন্তু বাজারগুলোতে দেখা যায়, সাধারণ মানের খেজুর ১৬৫-১৮০ টাকা এবং জাহিদি খেজুর ১৭০-১৮০ টাকার মধ্যে বিক্রির নির্দেশনা থাকলেও বাজার মনিটরিংয়ের অভাবে বা অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে অনেক ক্ষেত্রে এর চেয়ে বেশি দামে যেমন, সাধারন খেজুর ২৮০-৩০০ টাকা ও জাহিদি খেজুর ৬০০-৭০০ টাকায়  বিক্রি করছে।
বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারী সরেজমিনে উপজেলার বাতাকান্দি বাজার, আসমানিয়া বাজার, মাছিমপুর বাজার ও কড়িকান্দি বাজার গেলে এমন ঘটনা দেখা যায়।
নীরব নামের এক ক্রেতা বলেন সিলিন্ডার গ্যাসে বিক্রিতে হরিলুট চলছে। তার ভাষায়, ১৪০০ টাকার বোতল এখন ২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
গ্রাহকদের অভিযোগ, হঠাৎ এভাবে দাম বেড়ে যাওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়। আগে কখনো কখনো ২০ থেকে ৫০ টাকা বেশি নিলেও এবার একলাফে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য বড় চাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার ২১০০টাকা থেকে ২৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতাদের দাবি, বাজারে সিলিন্ডারের সরবরাহ কম থাকায় তাদেরও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে, ফলে বিক্রির দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।
উপজেলার সচেতন মহলের লোকজন ও সাধারন ক্রেতারা এবিষয়ে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করার মাধ্যমে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।