ঢাকা ১০:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ ছিনতাইকারী গ্রেফতার জার্সিতে ‘ভোজিনহা’ নামেই খেলবেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ৬ হাজার ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার এক বছরেই ৩০ পারা মুখস্থ, হাফেজ হলো ৮ বছরের আব্দুর রহমান লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে টোল নেবে না হুথিরা অনির্দিষ্টকালের জন্য এস আলম গ্রুপের ১১ কারখানা বন্ধ র‍্যাবের ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও প্রসিকিউশন টিম চারদিক বন্যার পানিতে ডুবলেও ডুবে না ক্লাস্টার বসতভিটা

মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করে মুক্তিপণ আদায় করছে বৈষম্য বিরোধী আওয়ামী দোসরা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৭:২৯:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৫৮ বার পড়া হয়েছে
মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করে মুক্তিপণ আদায় করছে
বৈষম্য বিরোধী আওয়ামী দোসরা
সিএনএম প্রতিবেদনঃ
রাজধানীর যাত্রাবাড়ি এলাকায় প্রায় ৩৫টি আবাসিক হোটেলে চলে নারী ঘটিত দেহ ব্যবসা।এলাকাবাসীরা এই হোটেলগুলোকে পতিতালয় হিসেবেই চিনে।থানা পুলিশের গোপন সহযোগিতায় এই হোটেলগুলোতে নারী আটক করে শুধু দেহ ব্যবসায়ী না সেখানে হচ্ছে মাদক কারবার এবং বিভিন্ন দাগী দোষী ফেরারি বিভিন্ন মামলার আসামীরা ঐ আস্তানা হতে বিভিন্ন সময় যাত্রাবাড়ি এলাকার আশে পাশে ছিনতাইকারীরা ছিনতাই করে এলাকার চুর ডাকাত প্রভাবশালী মাস্তান হতে শুরু করে বহু ধরনের গড ফাদাররা আস্তানা গেরেছে যাত্রাবাড়ি মোড়স্থ মেঘনা আবাসিক হোটেলে। ঐ হোটেলের মালিক ম্যানেজারগণরা আওয়ামীলীগ দলীয় লোক হওয়ায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে সহযোগিতা করেছেন। এর ফলে যাত্রাবাড়ি থানায় এ সকল বৈষম্য বিরোধীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারায় একাধিক মামলা রয়েছে। এই বৈষম্য বিরোধীদের গড ফাদার মেঘনা হোটেলের জিএম মোঃ ফরিদ এর বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ি থানায় একাধিক মামলা থাকলেও র‌্যাব-৩ এক মামলায় তাকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠায়। আইনের ফাঁক ফোকর দিয়ে জুলাই হত্যার মামলার আসামী ফরিদ জামিনে মুক্ত হয়ে মেঘনা আবাসিক হোটেলে আস্তানা গেরে দল বল নিয়ে বিভিন্ন নারীদের সংগ্রহ করে হোটেলটিকে পতিতালয় বানিয়ে নারীদের দিয়ে দেহ ব্যবসা করছে। অন্যান্য সদস্যদের দিয়ে বিভিন্ন লোকজন ধরে এনে মামলার ক্ষতিপূরণ দাবী করে হোটেলের রুমে আটক করে মধ্যযুগীয় কায়দায় মারপিট করে মুক্তিপণ আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ১১/০১/২০২৬ইং তারিখ নোয়াখালীর ছাতার পাইয়া গ্রামের তবারক আলীর ছেলে মোঃ হাসান কে আটক করে বেধরক মারধর পূর্বক মুক্তিপণ আদায় করে এ বিষয়ে ভোক্তভোগী একটি এজাহার লিখে থানায় জমা দিয়েছেন এজাহারে উল্লেখিত বিবাদীরা হলেন, মোঃ ফরিদ, মোঃ নাসির, মোঃ শুক্কুর, মোঃ দাদন, মোঃ কাউসার, মোঃ রতন, মোঃ রুবেল, মোঃ মানিক, মোঃ সুমন, মোঃ সাইফুল্লাহ, আব্দুল মোমেন, অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জন।এজাহারে ভোক্তভোগী বলেন, আমাকে গত ১১/০১/২০২৬ইং তারিখে সন্ধ্যা ৬ ঘটিকার সময় ২নং বিবাদী মোঃ নাসির তার ব্যবহৃত মোবাইল ঃ ০১৭২৫-৭২৯২২৭ হতে আমার ব্যবহৃত মোবাইল ০১৮৬৭১৪০৬৪০ , ০১৭০৩৮৯৪২৫৫ নাম্বারে ফোন দিয়ে বলে, ১নং বিবাদী ফরিদ আমাকে মেঘনা আবাসিক হোটেলে আসতে বলে। তখন আমি তার কথামতো আনুমানিক সময় রাত ৮ ঘটিকায় মেঘনা আবাসিক হোটেলের কাউন্টারে গিয়ে ফরিদের সাথে কথা বলি। ঐ সময় (১-১১) নং ও ১২নং অজ্ঞাতনামা বিবাদীরা একে একে ফরিদের ফোনে হোটেলে আসে। এরিমধ্যে ১নং বিবাদী ফরিদ আমাকে বলে, ৫ই আগষ্ট এর বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে (১-১২) নং বিবাদীরা আন্দোলনে যোগদান করেছিল ঐ সময় আমি তাদের হোটেলে ডিউটি করা কালীন ঐ ঘটনা জানতাম বলে,বিবাদীরা আমাকে হুমকি ধমকি দেয়। এক পর্যায়ে ১নং বিবাদী বলে, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে পরবর্তীতে তার নামে যাত্রাবাড়ি থানায় একাধিক মামলা হয়েছে। বৈষম্য বিরোধী একটি মামলায় গ্রেফতার হয়ে জেল থেকে জামিনে বের হতে তার প্রায় ১০ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। ঐ খরচের ১০ লক্ষ টাকা আমার কাছে দাবী করে। তখন আমি বিবাদীদের বলি, আমি গরীব মানুষ এত টাকা কোথায় পাবো। তখন (১,২ ও ১০) নং বিবাদীর নির্দেশে অন্যান্য বিবাদীরা আমাকে হোটেলের ২০৯ নং কক্ষে নিয়ে আটক করে এবং সকল বিবাদীরা মিলে আমার দুই পা, হাত, রশি দিয়ে বাধে এবং কাপড় দিয়ে চোখ বাঁধে। এরপর আমাকে বেধরক লোহার পাইপ দিয়ে বেধরক ভাবে পিটায় এবং আমার কাছে ১০ লক্ষ মুক্তি পণ দাবী করে। কিছুক্ষণ পিটানোর পর আমার চোখ খুলে আমার আত্মীয় স্বজনের কাছে আমাকে দিয়ে ফোন করায় এবং আমার গলায় পরিহিত এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন ১নং বিবাদী নিয়ে যায় আমার পকেটে থাকা নগদ ৩ হাজার টাকাও আমার ব্যবহৃত বিকাশ সিম নং-০১৯৭৯৩২০১২৫ হতে বিবাদীদের সিম নং- ০১৭১৯২৮৭৫১৩ তে আমার সিম হতে ৩১০০ টাকা ট্রান্সফার করে নিয়ে যায় এবং এনফিনিক্স এ্যান্ডোয়েট মোবাইল সেটটি নিয়ে যায় যার মূল্য আনুমানিক ৩০ হাজার টাকা। এবং আমাকে নির্যাতন করার বিবাদীদের ক্যামেরায় ভিডিও ফুটেজ ধারণ করে ঐ ভিডিও ফুটেজ আমার আত্মীয় স্বজন সহ বিভিন্ন জায়গায় পাঠায় এবং মুক্তিপণের ১০ লক্ষ টাকা দাবী করে। আমি টাকা দিতে না পারায় আমাকে প্রায় ৩০ ঘন্টা ২০৯ কক্ষ হতে তৃতীয় তলায় ৩১১ নং কক্ষে নিয়ে বিভিন্ন সময় মারধর করে এবং ৩নং বিবাদী শুক্কুর তার সাথে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র রিভালবার, মাথায় তাক করে আমাকে গুলি করে হত্যা করার ভয় দেখায়। এরপর ১০নং বিবাদী সাইফুল্লার সাথে থাকা একটি ইলেকট্রিক শর্ট গান দিয়ে আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ঐ ইলেকট্রিক যন্ত্র দ্বারা শর্ট দেয়। এভাবে এক রুম থেকে আরেক রুমে নিয়ে গিয়ে বিবাদীরা ৩০ ঘন্টা পর্যন্ত মুক্তিপণের টাকা আদায়ের জন্য আমাকে বিভিন্ন শারীরিক নির্যাতন করে। এক পর্যায়ে আমার পরিবার আমার বন্ধু মোঃ রাব্বানীর সাথে যোগাযোগ করিয়া ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা জোগাড় করিয়া দিলে আমার বন্ধু রাব্বানী উক্ত হোটেলে আসিয়া বিবাদীদের টাকা দিয়া আমাকে মুক্ত করে। আমি অসুস্থ থাকায় আমাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়া চিকিৎসা করায়। যাহার ব্যবস্থাপত্রের রিসিট ট্যাকিং নং-২৬০০৯৫৬৮৪, তারিখ: ১৩/০১/২০২৬ইং, আমাকে মারধর করার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করিয়া থানায় এসে এজাহার দায়ের করেন।

ওসি, ইন্সেপেক্টর তদন্ত, ইন্সেপেক্টর অপারেশন এর ফোনে পাওয়া না যাওয়ায় থানায় মামলা হয়েছে কিনা জানা যায় নি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু

মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করে মুক্তিপণ আদায় করছে বৈষম্য বিরোধী আওয়ামী দোসরা

আপডেট সময় ০৭:২৯:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করে মুক্তিপণ আদায় করছে
বৈষম্য বিরোধী আওয়ামী দোসরা
সিএনএম প্রতিবেদনঃ
রাজধানীর যাত্রাবাড়ি এলাকায় প্রায় ৩৫টি আবাসিক হোটেলে চলে নারী ঘটিত দেহ ব্যবসা।এলাকাবাসীরা এই হোটেলগুলোকে পতিতালয় হিসেবেই চিনে।থানা পুলিশের গোপন সহযোগিতায় এই হোটেলগুলোতে নারী আটক করে শুধু দেহ ব্যবসায়ী না সেখানে হচ্ছে মাদক কারবার এবং বিভিন্ন দাগী দোষী ফেরারি বিভিন্ন মামলার আসামীরা ঐ আস্তানা হতে বিভিন্ন সময় যাত্রাবাড়ি এলাকার আশে পাশে ছিনতাইকারীরা ছিনতাই করে এলাকার চুর ডাকাত প্রভাবশালী মাস্তান হতে শুরু করে বহু ধরনের গড ফাদাররা আস্তানা গেরেছে যাত্রাবাড়ি মোড়স্থ মেঘনা আবাসিক হোটেলে। ঐ হোটেলের মালিক ম্যানেজারগণরা আওয়ামীলীগ দলীয় লোক হওয়ায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে সহযোগিতা করেছেন। এর ফলে যাত্রাবাড়ি থানায় এ সকল বৈষম্য বিরোধীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারায় একাধিক মামলা রয়েছে। এই বৈষম্য বিরোধীদের গড ফাদার মেঘনা হোটেলের জিএম মোঃ ফরিদ এর বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ি থানায় একাধিক মামলা থাকলেও র‌্যাব-৩ এক মামলায় তাকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠায়। আইনের ফাঁক ফোকর দিয়ে জুলাই হত্যার মামলার আসামী ফরিদ জামিনে মুক্ত হয়ে মেঘনা আবাসিক হোটেলে আস্তানা গেরে দল বল নিয়ে বিভিন্ন নারীদের সংগ্রহ করে হোটেলটিকে পতিতালয় বানিয়ে নারীদের দিয়ে দেহ ব্যবসা করছে। অন্যান্য সদস্যদের দিয়ে বিভিন্ন লোকজন ধরে এনে মামলার ক্ষতিপূরণ দাবী করে হোটেলের রুমে আটক করে মধ্যযুগীয় কায়দায় মারপিট করে মুক্তিপণ আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ১১/০১/২০২৬ইং তারিখ নোয়াখালীর ছাতার পাইয়া গ্রামের তবারক আলীর ছেলে মোঃ হাসান কে আটক করে বেধরক মারধর পূর্বক মুক্তিপণ আদায় করে এ বিষয়ে ভোক্তভোগী একটি এজাহার লিখে থানায় জমা দিয়েছেন এজাহারে উল্লেখিত বিবাদীরা হলেন, মোঃ ফরিদ, মোঃ নাসির, মোঃ শুক্কুর, মোঃ দাদন, মোঃ কাউসার, মোঃ রতন, মোঃ রুবেল, মোঃ মানিক, মোঃ সুমন, মোঃ সাইফুল্লাহ, আব্দুল মোমেন, অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জন।এজাহারে ভোক্তভোগী বলেন, আমাকে গত ১১/০১/২০২৬ইং তারিখে সন্ধ্যা ৬ ঘটিকার সময় ২নং বিবাদী মোঃ নাসির তার ব্যবহৃত মোবাইল ঃ ০১৭২৫-৭২৯২২৭ হতে আমার ব্যবহৃত মোবাইল ০১৮৬৭১৪০৬৪০ , ০১৭০৩৮৯৪২৫৫ নাম্বারে ফোন দিয়ে বলে, ১নং বিবাদী ফরিদ আমাকে মেঘনা আবাসিক হোটেলে আসতে বলে। তখন আমি তার কথামতো আনুমানিক সময় রাত ৮ ঘটিকায় মেঘনা আবাসিক হোটেলের কাউন্টারে গিয়ে ফরিদের সাথে কথা বলি। ঐ সময় (১-১১) নং ও ১২নং অজ্ঞাতনামা বিবাদীরা একে একে ফরিদের ফোনে হোটেলে আসে। এরিমধ্যে ১নং বিবাদী ফরিদ আমাকে বলে, ৫ই আগষ্ট এর বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে (১-১২) নং বিবাদীরা আন্দোলনে যোগদান করেছিল ঐ সময় আমি তাদের হোটেলে ডিউটি করা কালীন ঐ ঘটনা জানতাম বলে,বিবাদীরা আমাকে হুমকি ধমকি দেয়। এক পর্যায়ে ১নং বিবাদী বলে, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে পরবর্তীতে তার নামে যাত্রাবাড়ি থানায় একাধিক মামলা হয়েছে। বৈষম্য বিরোধী একটি মামলায় গ্রেফতার হয়ে জেল থেকে জামিনে বের হতে তার প্রায় ১০ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। ঐ খরচের ১০ লক্ষ টাকা আমার কাছে দাবী করে। তখন আমি বিবাদীদের বলি, আমি গরীব মানুষ এত টাকা কোথায় পাবো। তখন (১,২ ও ১০) নং বিবাদীর নির্দেশে অন্যান্য বিবাদীরা আমাকে হোটেলের ২০৯ নং কক্ষে নিয়ে আটক করে এবং সকল বিবাদীরা মিলে আমার দুই পা, হাত, রশি দিয়ে বাধে এবং কাপড় দিয়ে চোখ বাঁধে। এরপর আমাকে বেধরক লোহার পাইপ দিয়ে বেধরক ভাবে পিটায় এবং আমার কাছে ১০ লক্ষ মুক্তি পণ দাবী করে। কিছুক্ষণ পিটানোর পর আমার চোখ খুলে আমার আত্মীয় স্বজনের কাছে আমাকে দিয়ে ফোন করায় এবং আমার গলায় পরিহিত এক ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন ১নং বিবাদী নিয়ে যায় আমার পকেটে থাকা নগদ ৩ হাজার টাকাও আমার ব্যবহৃত বিকাশ সিম নং-০১৯৭৯৩২০১২৫ হতে বিবাদীদের সিম নং- ০১৭১৯২৮৭৫১৩ তে আমার সিম হতে ৩১০০ টাকা ট্রান্সফার করে নিয়ে যায় এবং এনফিনিক্স এ্যান্ডোয়েট মোবাইল সেটটি নিয়ে যায় যার মূল্য আনুমানিক ৩০ হাজার টাকা। এবং আমাকে নির্যাতন করার বিবাদীদের ক্যামেরায় ভিডিও ফুটেজ ধারণ করে ঐ ভিডিও ফুটেজ আমার আত্মীয় স্বজন সহ বিভিন্ন জায়গায় পাঠায় এবং মুক্তিপণের ১০ লক্ষ টাকা দাবী করে। আমি টাকা দিতে না পারায় আমাকে প্রায় ৩০ ঘন্টা ২০৯ কক্ষ হতে তৃতীয় তলায় ৩১১ নং কক্ষে নিয়ে বিভিন্ন সময় মারধর করে এবং ৩নং বিবাদী শুক্কুর তার সাথে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র রিভালবার, মাথায় তাক করে আমাকে গুলি করে হত্যা করার ভয় দেখায়। এরপর ১০নং বিবাদী সাইফুল্লার সাথে থাকা একটি ইলেকট্রিক শর্ট গান দিয়ে আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ঐ ইলেকট্রিক যন্ত্র দ্বারা শর্ট দেয়। এভাবে এক রুম থেকে আরেক রুমে নিয়ে গিয়ে বিবাদীরা ৩০ ঘন্টা পর্যন্ত মুক্তিপণের টাকা আদায়ের জন্য আমাকে বিভিন্ন শারীরিক নির্যাতন করে। এক পর্যায়ে আমার পরিবার আমার বন্ধু মোঃ রাব্বানীর সাথে যোগাযোগ করিয়া ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা জোগাড় করিয়া দিলে আমার বন্ধু রাব্বানী উক্ত হোটেলে আসিয়া বিবাদীদের টাকা দিয়া আমাকে মুক্ত করে। আমি অসুস্থ থাকায় আমাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়া চিকিৎসা করায়। যাহার ব্যবস্থাপত্রের রিসিট ট্যাকিং নং-২৬০০৯৫৬৮৪, তারিখ: ১৩/০১/২০২৬ইং, আমাকে মারধর করার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করিয়া থানায় এসে এজাহার দায়ের করেন।

ওসি, ইন্সেপেক্টর তদন্ত, ইন্সেপেক্টর অপারেশন এর ফোনে পাওয়া না যাওয়ায় থানায় মামলা হয়েছে কিনা জানা যায় নি।