ঢাকা ১১:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ ছিনতাইকারী গ্রেফতার জার্সিতে ‘ভোজিনহা’ নামেই খেলবেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ৬ হাজার ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার এক বছরেই ৩০ পারা মুখস্থ, হাফেজ হলো ৮ বছরের আব্দুর রহমান লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে টোল নেবে না হুথিরা অনির্দিষ্টকালের জন্য এস আলম গ্রুপের ১১ কারখানা বন্ধ র‍্যাবের ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও প্রসিকিউশন টিম চারদিক বন্যার পানিতে ডুবলেও ডুবে না ক্লাস্টার বসতভিটা

ভিডিও বার্তায় দেখা গেল মাদুরোকে

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৩:৫১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৮৮ বার পড়া হয়েছে

সিএনএম ডেস্কঃ

নিউ ইয়র্কে পৌঁছোনোর পর রবিবার বন্দি মাদুরোর কয়েক সেকেন্ডের একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। আটক হওয়ার পর এই প্রথম তাকে ওই ভিডিওতে কিছু বলতে শোনা গেল। তবে বেশি কথা নয়। পাঁচটি শব্দ উচ্চারণ করেছেন মাদুরো।

শনিবার নিজের প্রাসাদের শোয়ার ঘর থেকে সস্ত্রীক মাদুরোকে তুলে এনেছে মার্কিন বাহিনী। তাদেরকে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস থেকে সোজা আমেরিকায় উড়িয়ে আনা হয়। আমেরিকার দীর্ঘ দিনের অভিযোগ, মাদক পাচার এবং অন্যান্য অপরাধের জন্য তেল ব্যবহার করে ভেনেজুয়েলা। ওই তেল চুরি করা হয় ভেনেজুয়েলার বিভিন্ন খনি থেকে। তারপর তা বিক্রি করে জঙ্গি কার্যকলাপে ব্যবহার করা হয়। আর সব কিছুই হচ্ছে মাদুরোর নির্দেশে! তাই তাকে গ্রেফতার করে মার্কিন বিচারব্যবস্থার সামনে ফেলতে চেয়েছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ট্রাম্প নিজেই মাদুরোকে নিউ ইয়র্কে নিয়ে যাওয়ার কথা জানান। সেখানেই তাকে বিচারের সম্মুখীন করা হবে বলেও জানান তিনি। নিউ ইয়র্কে পৌঁছোনোর পরই মাদুরোকে নিয়ে যাওয়া হয় ম্যানহাটনের আমেরিকার মাদক নিয়ন্ত্রক সংস্থা (ডিইএ) সদর দফতরে। তবে পুরো যাত্রাতেই তার হাতে হাতকড়া পরানো ছিল বন্দিদের মতোই।

মাদুরোকে ডিইএ দফতরে নিয়ে যাওয়ার সময়ের একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। ওই ভিডিওতে মাদুরোকে অত্যন্ত শান্ত দেখাচ্ছে। ধীর পায়ে তিনি হেঁটে চলেছেন ডিইএ’র দুই কর্মকর্তার সঙ্গে। সে সময় তার সঙ্গে থাকা কর্মকর্তাদের মাদুরোকে বলতে শোনা যায়, ‘গুড নাইট’, ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’!

মাদুরো এবং তার স্ত্রীকে প্রথমে নিউ ইয়র্কের স্টুয়ার্ট এয়ার ন্যাশনাল গার্ড ঘাঁটিতে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর সেখান থেকে তাদের হেলিকপ্টারে করে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয় ম্যানহাটনের ডিইএ-র সদর দফতরে। সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয় ব্রুকলিনের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাদুরোকে ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে পাঠানো হতে পারে।

শনিবার আমেরিকার অ্যাটর্নি জেনারেল পামেলা বন্ডি সরাসরি ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনেছেন। জানিয়েছেন, শিগগিরই তাদেরকে আমেরিকার বিচারব্যবস্থার সম্মুখীন করা হবে। মাদক, সন্ত্রাস, কোকেন পাচারের মতো অভিযোগ তো রয়েছেই। এ ছাড়াও মাদুরোর বিরুদ্ধে অস্ত্র অপরাধের অভিযোগও আনা হবে। মার্কিন বিচার বিভাগ জানিয়েছিল, মাদুরোর বিরুদ্ধে দুর্নীতিগ্রস্ত, অবৈধ সরকার পরিচালনার অভিযোগ আনা হয়েছে!

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু

ভিডিও বার্তায় দেখা গেল মাদুরোকে

আপডেট সময় ০৩:৫১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

সিএনএম ডেস্কঃ

নিউ ইয়র্কে পৌঁছোনোর পর রবিবার বন্দি মাদুরোর কয়েক সেকেন্ডের একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। আটক হওয়ার পর এই প্রথম তাকে ওই ভিডিওতে কিছু বলতে শোনা গেল। তবে বেশি কথা নয়। পাঁচটি শব্দ উচ্চারণ করেছেন মাদুরো।

শনিবার নিজের প্রাসাদের শোয়ার ঘর থেকে সস্ত্রীক মাদুরোকে তুলে এনেছে মার্কিন বাহিনী। তাদেরকে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস থেকে সোজা আমেরিকায় উড়িয়ে আনা হয়। আমেরিকার দীর্ঘ দিনের অভিযোগ, মাদক পাচার এবং অন্যান্য অপরাধের জন্য তেল ব্যবহার করে ভেনেজুয়েলা। ওই তেল চুরি করা হয় ভেনেজুয়েলার বিভিন্ন খনি থেকে। তারপর তা বিক্রি করে জঙ্গি কার্যকলাপে ব্যবহার করা হয়। আর সব কিছুই হচ্ছে মাদুরোর নির্দেশে! তাই তাকে গ্রেফতার করে মার্কিন বিচারব্যবস্থার সামনে ফেলতে চেয়েছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ট্রাম্প নিজেই মাদুরোকে নিউ ইয়র্কে নিয়ে যাওয়ার কথা জানান। সেখানেই তাকে বিচারের সম্মুখীন করা হবে বলেও জানান তিনি। নিউ ইয়র্কে পৌঁছোনোর পরই মাদুরোকে নিয়ে যাওয়া হয় ম্যানহাটনের আমেরিকার মাদক নিয়ন্ত্রক সংস্থা (ডিইএ) সদর দফতরে। তবে পুরো যাত্রাতেই তার হাতে হাতকড়া পরানো ছিল বন্দিদের মতোই।

মাদুরোকে ডিইএ দফতরে নিয়ে যাওয়ার সময়ের একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। ওই ভিডিওতে মাদুরোকে অত্যন্ত শান্ত দেখাচ্ছে। ধীর পায়ে তিনি হেঁটে চলেছেন ডিইএ’র দুই কর্মকর্তার সঙ্গে। সে সময় তার সঙ্গে থাকা কর্মকর্তাদের মাদুরোকে বলতে শোনা যায়, ‘গুড নাইট’, ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’!

মাদুরো এবং তার স্ত্রীকে প্রথমে নিউ ইয়র্কের স্টুয়ার্ট এয়ার ন্যাশনাল গার্ড ঘাঁটিতে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর সেখান থেকে তাদের হেলিকপ্টারে করে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয় ম্যানহাটনের ডিইএ-র সদর দফতরে। সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয় ব্রুকলিনের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাদুরোকে ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে পাঠানো হতে পারে।

শনিবার আমেরিকার অ্যাটর্নি জেনারেল পামেলা বন্ডি সরাসরি ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ এনেছেন। জানিয়েছেন, শিগগিরই তাদেরকে আমেরিকার বিচারব্যবস্থার সম্মুখীন করা হবে। মাদক, সন্ত্রাস, কোকেন পাচারের মতো অভিযোগ তো রয়েছেই। এ ছাড়াও মাদুরোর বিরুদ্ধে অস্ত্র অপরাধের অভিযোগও আনা হবে। মার্কিন বিচার বিভাগ জানিয়েছিল, মাদুরোর বিরুদ্ধে দুর্নীতিগ্রস্ত, অবৈধ সরকার পরিচালনার অভিযোগ আনা হয়েছে!