ঢাকা ০২:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভয়ংকর কিশোর গ্যাং এর বিরুদ্ধে অবশেষ মামলা নিলো পুলিশ, ঘটনার আগের দিন অস্ত্র হাতে এলাকায় শোডাউন দিচ্ছিল ওরা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৭:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৩
  • ৩৯৩ বার পড়া হয়েছে
মোঃ আলমগীর (সেলিম) :
ওরা ভয়ংকর কিশোর গ্যাং, দাপিয়ে বেড়াচ্ছে রূপনগর এলাকা একাধিক খুন করেও প্রকাশ্যেই ঘুরে বেড়াচ্ছে ২৭/০৯/২০২৩ তারিখ রাত আনুমানিক ১০.১০ ঘটিকার সময় স¤্রাট নামক এক শিশু (১৪) রাস্তা দিয়ে বাসায় আসার পথে দুয়ারিপাড়া, মনির মোল্লার ভবন সংলগ্ন যাওয়া মাত্রই এলাকার পূর্ব পরিচিত কিশোরগ্যাং (১) মোঃ সাগর আহমেদ ওরফে আঙ্গুলকাটা সাগর (২২) মোবাইল—০১৬১২৫৭৮৮৪৩, (২) মোঃ তানভীর (২২), মোবাইল—০১৩০২৭৬৬১৫৬ কিশোরগ্যাং লিডার, (৩) রাকিব (২০) মোবাইল—০১৯৭৬০২৬৪৯১, কিশোরগ্যাং লিডার  (৪) তারেক (২৯), মোবাইল—০১৬৭৪৭০৮২৮০ কিশোরগ্যাং লিডার , (৫) বারেক (২৮), মোবাইল—০১৮৮১৯৯৩৪০৪ কিশোরগ্যাং লিডার, (৬) রিয়াজ ওরফে লাল্টু জিহাদ (২০), (৭) রাব্বি ওরফে পলি রাব্বি (২২), (৮) আনোয়ার (২১) (৯) আকাশ (২২) মোবাইল—০১৯৪৩৬২৮৪৮৮, (১০) সাগর ওরফে বডি ভাঙ্গা সাগর (২১), (১১) রতন (২৩), (১২) সামশু (৩২), (১৩) রাসেল ওরফে টিকটক রাসেল (২০), (১৪) রাব্বি (২১), (১৫) ইমরান (২৭) কিশোরগ্যাং লিডার, (১৬) সাব্বির—০১৪০৬০০৩৭৯৯।

অজ্ঞাতনামা আরো ৮/১০জন কিশোর গ্যাং এর সদস্যরা সম্রাট পথ গতিরোধ করিয়া এলাকার প্রতিবেশি সুজন এর সাথে কিশোরগ্যাংদের পূর্ব শত্রুতা থাকায় মোঃ সম্রাট  শাহজাহান—এর কাছে জানতে চায় সুজন এখন কোথায় আছে? মোঃ সম্রাট  শাহজাহান সুজন কোথায় আছে বলতে না পারায় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে উল্লেখিত বিবাদীরা তাদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র—সস্ত্র চাপাতী, বড় ধারালো ছোড়া, বিভিন্নজাতের চাকু, চাইনিজ কুড়াল, লোহার রড, পাইপ ও সুইজ গিয়ার চাকু নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে অতর্কিতভাবে আক্রমন করিয়া মোঃ স¤্রাটকে মারপিট করতে থাকে একপর্যায়ে শিশুটি মাটিতে পড়িয়া গেলে রাসেল ওরফে টিকটক রাসেল মোঃ সম্রাটকে জাপটাইয়া রাস্তার উপর ধরে রাখলে রাকিব এর হাতে থাকা চাকু দিয়ে  মোঃ সম্রাট—এর পিঠের বাম পাশে কাধের নিচে কোপায়, বারেক এর হাতে থাকা চাইনিজ কুড়াল দিয়ে মেরুদন্ডে কোপ মারে, ইমরান কিশোরগ্যাং লিডার ও তারেক কিশোরগ্যাং লিডার দু‘জন মিলে ধারালো বড় ছোড়া দিয়ে মোঃ সম্রাটকে  জবাই করার চেষ্টা করে এবং রিয়াজ ওরফে লাল্টু জিহাদ এর হাতে থাকা বড় ধারালো ছোড়া দিয়ে কনুইয়ের উপর কোপ মারিলে মারাত্বক রক্তাক্ত কাটা জখম অবস্থায় ছটপট করাকালীন সময় মোঃ সাগর আহমেদ ওরফে আঙ্গুলকাটা সাগর এর হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এবং অন্যান্য কিশোরগ্যাং এর সদস্যরা এলোপাথারীভাবে মোঃ সম্রাটকে মারপিট করাকালিন পথচারী লোকজনেরা ঘটনাস্থলে জড়ো হলে।

অন্যান্য কিশোরগ্যাং সদস্য তাদের হাতে থাকা ধারালো একাধিক চাকু ও বারেক, (কিশোরগ্যাং লিডার) আগ্নোস্ত্র রিবালবার তাক করিয়া আগাইয়া আসা পথচারীদের ভয় দেখায় কিশোরগ্যাং সদস্যদের মধ্য হতে ২/৩জন ঘটনাস্থলের মনির মোল্লার ভবনের সিসি ক্যামেরায় যাতে ঘটনার ভিডিও চিত্র ধারণ না হয় সে বিষয়ে নানা ধরনের চেষ্টা করে এবং আগত লোকজনদের আতংকিত করিয়া সকল কিশোগ্যাং সদস্যরা দৌড়াইয়া পালাইয়া যায়। কিছুর দুর যাওয়ার পর যে সুজনকে তারা খুজছিল পথই একটি সেলুনে সুজনকে পেয়ে যায়। সুজনকে দেখা মাত্রই অর্তকিত হামলা চালিয়ে একই কায়দায় সুজনকেও কুপিয়ে আহত করে, দ্রুত পালাইয়া যায় কিশোরগ্যাং সদস্যরা।একপর্যায়ে এলাকার প্রতিবেশি ইয়াসিন ও ইউসুফসহ আরো লোকজন মিলে তাৎক্ষনিক স¤্রাটকে একটি সিএনজিতে উঠিয়ে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে জরুরী বিভাগে নিয়া আর সুজনকে শহীদ সোরওয়াদীর্ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করান। অবস্থা অবনতি হওয়ায় চিকিৎসক হাসপাতালে ভর্তি রাখেন। আর এদিকে তাদেরকে যে অস্ত্র-সস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করেছিল সে অস্ত্র নিয়ে এলাকার বিভিন্ন জায়গা মহরা দিচ্ছে। তবে সুজনের ঘটনায় রূপনগর থানায় দ্রুত মামলা হলেওসম্রাটের  ঘটনায় মামলা নিতে প্রথমে পুলিশ গড়িমসি করে এরপর পুলিশের অর্ধতনদের সম্রাটের  মা নাজমা ঘটনার বিষয় লিখিত আবেদন করলে পুলিশের উর্ধতন কতৃর্পক্ষের নির্দেশে পুঙ্খানোপুঙ্খ তদন্তের পর রূপনগর থানায় একটি মামল রুজু হয়, মামলা নং—৮, তারিখ ১২/১১/২০২৩ইং ধারা—১৪৩/৩০৭/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩২৬/৫০৬/৩৪ প্যানালকোড ১৮৬০ ধারা মোতাবেক মামলা হওয়ার পর তদন্ত কর্মকর্তা সাবইনেসপ্টের নিঃস্ত্র মহসিন আলী, এজহার নামীয় ৪ তারেক ও ১৩নং—রাসেলকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করলে আদালত জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

দুই আসামী গ্রেফতার হয়ে জেলে যাওয়ায় সম্রাটের পরিবারকে গ্রেফতার না হওয়া অন্যান্য আসামী ও তাদের পরিবারের পক্ষ হতে নানা ধরনের হুমকি দিয়া আসছে। গ্রেফতার হওয়া আসামীকে জামিনে মুক্ত করাসহ এবং মামলা তুলে নিতে নানাবিধ হুমকি সম্রাটের মা নাজমা ক্রাইম নিউজ মিডিয়াকে বলেন—মামলার আসামীরা মিরপুর এলাকর ভয়ংকর কিশোরগ্যাং। তাদের শেলটারে রয়েছে প্রভাবশালী কিছু গডফাদার, এ সকল কিশোরগ্যাংদেরকে নানা ধরনের অপরাধ করানো হয়। এজহার নামীয় পলাতক আসামীরা  প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় প্রকাশ্যেই ঘুরে বেড়াচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যক্তি জানান এই কিশোরগ্যাং এর সদস্যরা এলাকায় দীর্ঘদিন যাবত তারা নানা ধরনের অপরাধ কর্মক করে বেড়াচ্ছে। যেমন—মাদক ব্যবসাসহ ছিনতাই এর মতো ঘটনাও ঘটাচ্ছে। ফোন রিসিভ না করায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়া যায় নি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

ভয়ংকর কিশোর গ্যাং এর বিরুদ্ধে অবশেষ মামলা নিলো পুলিশ, ঘটনার আগের দিন অস্ত্র হাতে এলাকায় শোডাউন দিচ্ছিল ওরা

আপডেট সময় ০৭:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৩
মোঃ আলমগীর (সেলিম) :
ওরা ভয়ংকর কিশোর গ্যাং, দাপিয়ে বেড়াচ্ছে রূপনগর এলাকা একাধিক খুন করেও প্রকাশ্যেই ঘুরে বেড়াচ্ছে ২৭/০৯/২০২৩ তারিখ রাত আনুমানিক ১০.১০ ঘটিকার সময় স¤্রাট নামক এক শিশু (১৪) রাস্তা দিয়ে বাসায় আসার পথে দুয়ারিপাড়া, মনির মোল্লার ভবন সংলগ্ন যাওয়া মাত্রই এলাকার পূর্ব পরিচিত কিশোরগ্যাং (১) মোঃ সাগর আহমেদ ওরফে আঙ্গুলকাটা সাগর (২২) মোবাইল—০১৬১২৫৭৮৮৪৩, (২) মোঃ তানভীর (২২), মোবাইল—০১৩০২৭৬৬১৫৬ কিশোরগ্যাং লিডার, (৩) রাকিব (২০) মোবাইল—০১৯৭৬০২৬৪৯১, কিশোরগ্যাং লিডার  (৪) তারেক (২৯), মোবাইল—০১৬৭৪৭০৮২৮০ কিশোরগ্যাং লিডার , (৫) বারেক (২৮), মোবাইল—০১৮৮১৯৯৩৪০৪ কিশোরগ্যাং লিডার, (৬) রিয়াজ ওরফে লাল্টু জিহাদ (২০), (৭) রাব্বি ওরফে পলি রাব্বি (২২), (৮) আনোয়ার (২১) (৯) আকাশ (২২) মোবাইল—০১৯৪৩৬২৮৪৮৮, (১০) সাগর ওরফে বডি ভাঙ্গা সাগর (২১), (১১) রতন (২৩), (১২) সামশু (৩২), (১৩) রাসেল ওরফে টিকটক রাসেল (২০), (১৪) রাব্বি (২১), (১৫) ইমরান (২৭) কিশোরগ্যাং লিডার, (১৬) সাব্বির—০১৪০৬০০৩৭৯৯।

অজ্ঞাতনামা আরো ৮/১০জন কিশোর গ্যাং এর সদস্যরা সম্রাট পথ গতিরোধ করিয়া এলাকার প্রতিবেশি সুজন এর সাথে কিশোরগ্যাংদের পূর্ব শত্রুতা থাকায় মোঃ সম্রাট  শাহজাহান—এর কাছে জানতে চায় সুজন এখন কোথায় আছে? মোঃ সম্রাট  শাহজাহান সুজন কোথায় আছে বলতে না পারায় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে উল্লেখিত বিবাদীরা তাদের হাতে থাকা দেশীয় অস্ত্র—সস্ত্র চাপাতী, বড় ধারালো ছোড়া, বিভিন্নজাতের চাকু, চাইনিজ কুড়াল, লোহার রড, পাইপ ও সুইজ গিয়ার চাকু নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে অতর্কিতভাবে আক্রমন করিয়া মোঃ স¤্রাটকে মারপিট করতে থাকে একপর্যায়ে শিশুটি মাটিতে পড়িয়া গেলে রাসেল ওরফে টিকটক রাসেল মোঃ সম্রাটকে জাপটাইয়া রাস্তার উপর ধরে রাখলে রাকিব এর হাতে থাকা চাকু দিয়ে  মোঃ সম্রাট—এর পিঠের বাম পাশে কাধের নিচে কোপায়, বারেক এর হাতে থাকা চাইনিজ কুড়াল দিয়ে মেরুদন্ডে কোপ মারে, ইমরান কিশোরগ্যাং লিডার ও তারেক কিশোরগ্যাং লিডার দু‘জন মিলে ধারালো বড় ছোড়া দিয়ে মোঃ সম্রাটকে  জবাই করার চেষ্টা করে এবং রিয়াজ ওরফে লাল্টু জিহাদ এর হাতে থাকা বড় ধারালো ছোড়া দিয়ে কনুইয়ের উপর কোপ মারিলে মারাত্বক রক্তাক্ত কাটা জখম অবস্থায় ছটপট করাকালীন সময় মোঃ সাগর আহমেদ ওরফে আঙ্গুলকাটা সাগর এর হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এবং অন্যান্য কিশোরগ্যাং এর সদস্যরা এলোপাথারীভাবে মোঃ সম্রাটকে মারপিট করাকালিন পথচারী লোকজনেরা ঘটনাস্থলে জড়ো হলে।

অন্যান্য কিশোরগ্যাং সদস্য তাদের হাতে থাকা ধারালো একাধিক চাকু ও বারেক, (কিশোরগ্যাং লিডার) আগ্নোস্ত্র রিবালবার তাক করিয়া আগাইয়া আসা পথচারীদের ভয় দেখায় কিশোরগ্যাং সদস্যদের মধ্য হতে ২/৩জন ঘটনাস্থলের মনির মোল্লার ভবনের সিসি ক্যামেরায় যাতে ঘটনার ভিডিও চিত্র ধারণ না হয় সে বিষয়ে নানা ধরনের চেষ্টা করে এবং আগত লোকজনদের আতংকিত করিয়া সকল কিশোগ্যাং সদস্যরা দৌড়াইয়া পালাইয়া যায়। কিছুর দুর যাওয়ার পর যে সুজনকে তারা খুজছিল পথই একটি সেলুনে সুজনকে পেয়ে যায়। সুজনকে দেখা মাত্রই অর্তকিত হামলা চালিয়ে একই কায়দায় সুজনকেও কুপিয়ে আহত করে, দ্রুত পালাইয়া যায় কিশোরগ্যাং সদস্যরা।একপর্যায়ে এলাকার প্রতিবেশি ইয়াসিন ও ইউসুফসহ আরো লোকজন মিলে তাৎক্ষনিক স¤্রাটকে একটি সিএনজিতে উঠিয়ে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে জরুরী বিভাগে নিয়া আর সুজনকে শহীদ সোরওয়াদীর্ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা করান। অবস্থা অবনতি হওয়ায় চিকিৎসক হাসপাতালে ভর্তি রাখেন। আর এদিকে তাদেরকে যে অস্ত্র-সস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করেছিল সে অস্ত্র নিয়ে এলাকার বিভিন্ন জায়গা মহরা দিচ্ছে। তবে সুজনের ঘটনায় রূপনগর থানায় দ্রুত মামলা হলেওসম্রাটের  ঘটনায় মামলা নিতে প্রথমে পুলিশ গড়িমসি করে এরপর পুলিশের অর্ধতনদের সম্রাটের  মা নাজমা ঘটনার বিষয় লিখিত আবেদন করলে পুলিশের উর্ধতন কতৃর্পক্ষের নির্দেশে পুঙ্খানোপুঙ্খ তদন্তের পর রূপনগর থানায় একটি মামল রুজু হয়, মামলা নং—৮, তারিখ ১২/১১/২০২৩ইং ধারা—১৪৩/৩০৭/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩২৬/৫০৬/৩৪ প্যানালকোড ১৮৬০ ধারা মোতাবেক মামলা হওয়ার পর তদন্ত কর্মকর্তা সাবইনেসপ্টের নিঃস্ত্র মহসিন আলী, এজহার নামীয় ৪ তারেক ও ১৩নং—রাসেলকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করলে আদালত জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

দুই আসামী গ্রেফতার হয়ে জেলে যাওয়ায় সম্রাটের পরিবারকে গ্রেফতার না হওয়া অন্যান্য আসামী ও তাদের পরিবারের পক্ষ হতে নানা ধরনের হুমকি দিয়া আসছে। গ্রেফতার হওয়া আসামীকে জামিনে মুক্ত করাসহ এবং মামলা তুলে নিতে নানাবিধ হুমকি সম্রাটের মা নাজমা ক্রাইম নিউজ মিডিয়াকে বলেন—মামলার আসামীরা মিরপুর এলাকর ভয়ংকর কিশোরগ্যাং। তাদের শেলটারে রয়েছে প্রভাবশালী কিছু গডফাদার, এ সকল কিশোরগ্যাংদেরকে নানা ধরনের অপরাধ করানো হয়। এজহার নামীয় পলাতক আসামীরা  প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় প্রকাশ্যেই ঘুরে বেড়াচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যক্তি জানান এই কিশোরগ্যাং এর সদস্যরা এলাকায় দীর্ঘদিন যাবত তারা নানা ধরনের অপরাধ কর্মক করে বেড়াচ্ছে। যেমন—মাদক ব্যবসাসহ ছিনতাই এর মতো ঘটনাও ঘটাচ্ছে। ফোন রিসিভ না করায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তার বক্তব্য নেওয়া যায় নি।