ঢাকা ১২:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এক ইউপি সদস্য ও দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ ৮ জনের নামে আদালতে মামলা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১১:২৭:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • ৪৬২ বার পড়া হয়েছে

সিএনএমঃ

রাজধানীর হাতিরঝিল থানার ওসি আব্দুর রশিদ এবং সাভার উপজেলার বনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামসহ সাতজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ভ্রুণ হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন এক নারী।

বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এ মামলাটি করা হয়। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত বিচারক জুলফিকার হায়াত অভিযোগ আমলে নিয়েছেন তবে আদেশ দেননি। মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী সারোয়ার হোসেন এ তথ্য জানান।

মামলার অপর আসামিরা হলেন- ডেমরার বাসিন্দা তানীম রেজা বাপ্পী, সাহিদা তানীম, যাত্রাবাড়ীর নিউ পপুলার আবাসিক হোটেলের মালিকোর্টক জাবেল হোসেন পাপন, মো. জামাল, পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন।

মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি মামলার বাদীকে বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণ করেন অভিযুক্তরা। এ ঘটনায় ২১ মার্চ মামলা করা হয়। কিন্তু অভিযুক্ত আসামিরা মামলার বাদীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাদের পক্ষে স্বীকারোক্তি আদায় করে জামিন নেয়। এ সময় তারা মামলার বাদী ও তার সন্তানকে গুমের হুমকি দেয়। এরপর গত ২৩ মার্চ একইভাবে বাদীর ওপর নির্যাতন চালায় তারা। একপর্যায়ে মামলার বাদী গর্ভবতী জানতে পেরে খিলগাঁও গোড়ানের একটি ক্লিনিকে নিয়ে ভ্রুণ হত্যা করে। এসব ঘটনার পর এখনও ভিকটিমের ফোন ট্র‍্যাক করে জিম্মি করে রাখা হচ্ছে বলেও জানান ওই নারী।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

এক ইউপি সদস্য ও দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ ৮ জনের নামে আদালতে মামলা

আপডেট সময় ১১:২৭:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

সিএনএমঃ

রাজধানীর হাতিরঝিল থানার ওসি আব্দুর রশিদ এবং সাভার উপজেলার বনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামসহ সাতজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ভ্রুণ হত্যার অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন এক নারী।

বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এ মামলাটি করা হয়। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত বিচারক জুলফিকার হায়াত অভিযোগ আমলে নিয়েছেন তবে আদেশ দেননি। মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী সারোয়ার হোসেন এ তথ্য জানান।

মামলার অপর আসামিরা হলেন- ডেমরার বাসিন্দা তানীম রেজা বাপ্পী, সাহিদা তানীম, যাত্রাবাড়ীর নিউ পপুলার আবাসিক হোটেলের মালিকোর্টক জাবেল হোসেন পাপন, মো. জামাল, পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন।

মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি মামলার বাদীকে বিয়ের আশ্বাসে ধর্ষণ করেন অভিযুক্তরা। এ ঘটনায় ২১ মার্চ মামলা করা হয়। কিন্তু অভিযুক্ত আসামিরা মামলার বাদীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তাদের পক্ষে স্বীকারোক্তি আদায় করে জামিন নেয়। এ সময় তারা মামলার বাদী ও তার সন্তানকে গুমের হুমকি দেয়। এরপর গত ২৩ মার্চ একইভাবে বাদীর ওপর নির্যাতন চালায় তারা। একপর্যায়ে মামলার বাদী গর্ভবতী জানতে পেরে খিলগাঁও গোড়ানের একটি ক্লিনিকে নিয়ে ভ্রুণ হত্যা করে। এসব ঘটনার পর এখনও ভিকটিমের ফোন ট্র‍্যাক করে জিম্মি করে রাখা হচ্ছে বলেও জানান ওই নারী।