ঢাকা ১২:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জরাজীর্ণ ভবন ভেঙে ভূমিকম্প সহনীয় ভবন নির্মাণ করা হবে

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১০:৩৮:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মে ২০২২
  • ২২৮ বার পড়া হয়েছে

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বলেছেন, জরাজীর্ণ সব ভবন ভেঙে দেশে ভূমিকম্প সহনীয় ভবন নির্মাণ করা হবে।

তিনি বলেন, ভবনগুলো ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প সহনশীল হবে। ভবন নির্মাণে অনুসরণ করা হবে বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোডের (বিএনবিসি) সব শর্ত।

বিএসআরএফ-এর সভাপতি তপন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হক।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জাপানের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় ভূমিকম্প-সহনীয় নকশায় নতুন করে ভবন তৈরি করা হবে। এরইমধ্যে নির্মিত কিছু ভবন আমরা পরীক্ষা করবো, কোনো দুর্বলতা থাকলে সেগুলো শক্তিশালী করা হবে।’

তিনি বলেন, বজ্রপাতে মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি কমাতে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এক কোটি তালগাছের চারা লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। ৩৮ লাখ তালগাছ লাগানোর পর দেখা গেলো যত্নের অভাবে গাছগুলোর বেশিরভাগ নষ্ট হয়ে গেছে। তালগাছ উঁচু হতে ৩০ থেকে ৪০, এমনকি ৫০ বছর লাগে। বজ্রপাত প্রতিরোধে এটা ততোটা কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারবে না। এখন বজ্রপাত প্রতিরোধে আধুনিক বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি প্রবর্তন হয়েছে। সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে তিনি জানান।

সূত্র : বাসস

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

জরাজীর্ণ ভবন ভেঙে ভূমিকম্প সহনীয় ভবন নির্মাণ করা হবে

আপডেট সময় ১০:৩৮:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মে ২০২২

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বলেছেন, জরাজীর্ণ সব ভবন ভেঙে দেশে ভূমিকম্প সহনীয় ভবন নির্মাণ করা হবে।

তিনি বলেন, ভবনগুলো ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প সহনশীল হবে। ভবন নির্মাণে অনুসরণ করা হবে বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোডের (বিএনবিসি) সব শর্ত।

বিএসআরএফ-এর সভাপতি তপন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হক।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জাপানের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় ভূমিকম্প-সহনীয় নকশায় নতুন করে ভবন তৈরি করা হবে। এরইমধ্যে নির্মিত কিছু ভবন আমরা পরীক্ষা করবো, কোনো দুর্বলতা থাকলে সেগুলো শক্তিশালী করা হবে।’

তিনি বলেন, বজ্রপাতে মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতি কমাতে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এক কোটি তালগাছের চারা লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। ৩৮ লাখ তালগাছ লাগানোর পর দেখা গেলো যত্নের অভাবে গাছগুলোর বেশিরভাগ নষ্ট হয়ে গেছে। তালগাছ উঁচু হতে ৩০ থেকে ৪০, এমনকি ৫০ বছর লাগে। বজ্রপাত প্রতিরোধে এটা ততোটা কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারবে না। এখন বজ্রপাত প্রতিরোধে আধুনিক বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি প্রবর্তন হয়েছে। সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে তিনি জানান।

সূত্র : বাসস