ঢাকা ০৭:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাওমির সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১০:০০:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মে ২০২২
  • ২২১ বার পড়া হয়েছে

বেআইনি বিদেশি মুদ্রা লেনদেনের অভিযোগে শাওমির ৫ হাজার ৫৫১ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। বিদেশ মুদ্রা লেনদেন আইনে (ফেমা) তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে ইডি।

ইডির তদন্তে উঠে এসেছে, স্মার্টফোন নির্মাণকারী সংস্থাটি ২০১৪ সালে ভারতে তাদের কাজ শুরু করে। ২০১৫ সাল থেকে তারা বিদেশে টাকা পাঠাতে শুরু করে।

ইডির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আমেরিকার দু’টি সংস্থাকে যে টাকা পাঠানো হয়েছিল তাও শাওমি নিজস্ব সুবিধার জন্য।

শাওমি ভারতে মোবাইল ব্র্যান্ড ‘এমই’-র পরিবেশক। ভারতীয় উৎপাদকদের কাছ থেকে মোবাইলের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নিয়ে তৈরি সেট বিপণন করে শাওমি।

বিবৃতিতে ইডি দাবি করেছে, ‘বিভিন্ন ভুয়া নথি তৈরি করে বিদেশি সংস্থাগুলোকে অর্থ পাঠানো হয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রা পাঠানোর সময় বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্যও দিয়েছে স্মার্টফোন সংস্থাটি। এমনকি যে সংস্থাগুলোকে টাকা পাঠানো হয়েছে, সেগুলো থেকে কোনো পরিষেবাই নেয়নি শাওমি।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

শাওমির সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত

আপডেট সময় ১০:০০:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মে ২০২২

বেআইনি বিদেশি মুদ্রা লেনদেনের অভিযোগে শাওমির ৫ হাজার ৫৫১ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। বিদেশ মুদ্রা লেনদেন আইনে (ফেমা) তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে ইডি।

ইডির তদন্তে উঠে এসেছে, স্মার্টফোন নির্মাণকারী সংস্থাটি ২০১৪ সালে ভারতে তাদের কাজ শুরু করে। ২০১৫ সাল থেকে তারা বিদেশে টাকা পাঠাতে শুরু করে।

ইডির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আমেরিকার দু’টি সংস্থাকে যে টাকা পাঠানো হয়েছিল তাও শাওমি নিজস্ব সুবিধার জন্য।

শাওমি ভারতে মোবাইল ব্র্যান্ড ‘এমই’-র পরিবেশক। ভারতীয় উৎপাদকদের কাছ থেকে মোবাইলের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নিয়ে তৈরি সেট বিপণন করে শাওমি।

বিবৃতিতে ইডি দাবি করেছে, ‘বিভিন্ন ভুয়া নথি তৈরি করে বিদেশি সংস্থাগুলোকে অর্থ পাঠানো হয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রা পাঠানোর সময় বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্যও দিয়েছে স্মার্টফোন সংস্থাটি। এমনকি যে সংস্থাগুলোকে টাকা পাঠানো হয়েছে, সেগুলো থেকে কোনো পরিষেবাই নেয়নি শাওমি।’