ঢাকা ০৯:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করতে কলাপাড়ায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০২:০৬:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ মার্চ ২০২২
  • ২৩২ বার পড়া হয়েছে

আগামীকাল (২১ মার্চ) উদ্বোধন হতে যাচ্ছে দেশের বৃহৎ পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র। এদিন পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আসবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি উপস্থিত থেকে উদ্বোধন করবেন ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র। এ উপলক্ষে ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে দুটি ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদনের সব নির্মাণকাজ।

প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি সাজানো হচ্ছে নতুন সাজে। প্যান্ডেল সাজানোর কাজ প্রায় শেষের দিকে। এ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলে দেশের বিদ্যুতের ঘাটতি কমবে, এমনটাই মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালীতে কয়লাভিত্তিক এ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নির্মাণকাজ শুরুর পর থেকে নানা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরও ২০২০ সালের ১৫ মে প্রথম ইউনিটের ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে দিতে সক্ষম হয় বিসিপিসিএল। একই বছরের ৮ ডিসেম্বর আলট্রা সুপার প্রযুক্তি ব্যবহার করে দ্বিতীয় ইউনিটের ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি। কিন্তু গোপালগঞ্জ সাবস্টেশনের ধারণক্ষমতা কম থাকায় এবং গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকার আমিনবাজার পর্যন্ত সঞ্চালন লাইনের কাজ শেষ না হওয়ায় দ্বিতীয় ইউনিটের ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ এখন পর্যন্ত সরবরাহ করতে পারছে না বিদ্যুৎকেন্দ্রটি। তবে এ বছরের ডিসেম্বর মাস থেকে পুরো ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দিতে সক্ষম হবে এ পাওয়ার প্ল্যান্টটি।

ধানখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি টিনু মৃধা বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা কোনো দিন ভোলার নয়। তার আগমনের খবরে আমাদের এলাকার মানুষ আনন্দিত।

পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক শাহ গোলাম মাওলা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে আমরা বিুদ্যৎকেন্দ্রের অভ্যন্তরে নতুন করে সাজাচ্ছি। ইতিমধ্যে প্যান্ডেল তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র দক্ষিণাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করবে।

সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিষয়ে পটুয়াখালী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ (পিপিএম) গণমাধ্যমকে জানান, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে সর্বোচ্চ গুরুত্বসহকারে নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। সব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ চলছে। ইতোমধ্যে সাদাপোশাকের নিরাপত্তা বাহিনীসহ চার স্তরবিশিষ্ট নিরাপত্তা বাহিনী মাঠে কাজ করছে।

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন (ডিসি) গণমাধ্যমকে জানান, শুধু পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎই নয়, ওই দিন দেশের শতভাগ বিদ্যুতায়ন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। তার আগমনকে ঘিরে ইতোমধ্যে আমরা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করতে কলাপাড়ায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:০৬:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ মার্চ ২০২২

আগামীকাল (২১ মার্চ) উদ্বোধন হতে যাচ্ছে দেশের বৃহৎ পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র। এদিন পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আসবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি উপস্থিত থেকে উদ্বোধন করবেন ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র। এ উপলক্ষে ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে দুটি ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদনের সব নির্মাণকাজ।

প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি সাজানো হচ্ছে নতুন সাজে। প্যান্ডেল সাজানোর কাজ প্রায় শেষের দিকে। এ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলে দেশের বিদ্যুতের ঘাটতি কমবে, এমনটাই মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালীতে কয়লাভিত্তিক এ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নির্মাণকাজ শুরুর পর থেকে নানা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরও ২০২০ সালের ১৫ মে প্রথম ইউনিটের ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে দিতে সক্ষম হয় বিসিপিসিএল। একই বছরের ৮ ডিসেম্বর আলট্রা সুপার প্রযুক্তি ব্যবহার করে দ্বিতীয় ইউনিটের ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি। কিন্তু গোপালগঞ্জ সাবস্টেশনের ধারণক্ষমতা কম থাকায় এবং গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকার আমিনবাজার পর্যন্ত সঞ্চালন লাইনের কাজ শেষ না হওয়ায় দ্বিতীয় ইউনিটের ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ এখন পর্যন্ত সরবরাহ করতে পারছে না বিদ্যুৎকেন্দ্রটি। তবে এ বছরের ডিসেম্বর মাস থেকে পুরো ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দিতে সক্ষম হবে এ পাওয়ার প্ল্যান্টটি।

ধানখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি টিনু মৃধা বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা কোনো দিন ভোলার নয়। তার আগমনের খবরে আমাদের এলাকার মানুষ আনন্দিত।

পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক শাহ গোলাম মাওলা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে আমরা বিুদ্যৎকেন্দ্রের অভ্যন্তরে নতুন করে সাজাচ্ছি। ইতিমধ্যে প্যান্ডেল তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র দক্ষিণাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করবে।

সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিষয়ে পটুয়াখালী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ (পিপিএম) গণমাধ্যমকে জানান, প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে সর্বোচ্চ গুরুত্বসহকারে নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে। সব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ চলছে। ইতোমধ্যে সাদাপোশাকের নিরাপত্তা বাহিনীসহ চার স্তরবিশিষ্ট নিরাপত্তা বাহিনী মাঠে কাজ করছে।

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন (ডিসি) গণমাধ্যমকে জানান, শুধু পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎই নয়, ওই দিন দেশের শতভাগ বিদ্যুতায়ন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। তার আগমনকে ঘিরে ইতোমধ্যে আমরা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি।