ঢাকা ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘আ.লীগের রঙে রঞ্জিতদের দিয়েই কমিশন গঠন হচ্ছে’

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১২:৫৭:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ২৪০ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা: বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, যেখানে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী সেখানে নির্বাচন কমিশন গঠন হলেই বা কি আর না হলেই কি? ভোট তো করবে ডিসি-এসপিরা। এটা তো প্রধানমন্ত্রীর কিচেন কমিশন।

এর বাইরে কোনো ভূমিকা তারা রাখতে পারবে না।

সোমবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শেরে বাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যদিও স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, কিন্তু তারা তাদের সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করবে না। এর আগেও সেরকম ক্ষমতা প্রয়োগ করতে আমরা দেখিনি। এর আগেও প্রশাসনিক ক্যাডারের সিনিয়রদের দেওয়া হয়েছে, এবারও তাই করা হয়েছে।

তিনি বলেন, যাদের মানসিকতা আওয়ামী লীগের রঙে রঞ্জিত, তাদের দিয়েই তারা কমিশন গঠন করেছে। আমি আবারও বলছি এটা শেখ হাসিনার কিচেন কমিশন।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি ঠেকাতে না পারা সরকারের ব্যর্থতা দাবি করে রিজভী আহমেদ বলেন, ভোটারবিহীন সরকারের জবাবদিহিতা থাকে না। সাধারণ মানুষ বাঁচলো কি মরলো, এটা নিয়ে তারা কখনও ভ্রক্ষেপ করে না। যারা মধ্যম আয়ের মানুষ, স্বল্প আয়ের মানুষ তাদেরতো নাভিশ্বাস উঠেছে। একটা রুদ্ধশ্বাস অবস্থা। যেভাবে দাম বাড়ছে, তাতে জনগণের গলার শ্বাসনালি টেনে ধরা হয়েছে। সাধারণ মানের চালও ৬৫ থেকে ৭০ টাকা। এছাড়া খুবই প্রয়োজনীয় চিনি, গুঁড়োদুধ, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, ভোজ্য তেল যেটা প্রতিদিন বেঁচে থাকার জন্য খেতে হয় সেগুলোর দাম বেড়েছে। সুতরাং সত্যিকার অর্থে যদি জবাবদিহিমূলক সরকার থাকতো তাহলে দ্রুত মার্কেট ইন্টারভেনশন করে দাম নিয়ন্ত্রণ করতো।

তিনি বলেন, আজকে যারা বাজারে দাম বাড়াচ্ছে তারা সরকারের লোক। এই যে বাজার সিন্ডিকেট, মাফিয়া তারা সব সরকারের লোক। সরকার তাদের লোক সব জায়গায় লাগিয়ে রেখেছে। জনগণকে শোষণ করো, আত্মসাৎ করো, লুট করো। সেই লুটেরই অংশ হিসেবে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের যে বাজার সিন্ডিকেট আছে তারাই এজন্য দায়ী।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম মাহতাব, সদস্য সচিব আব্দুর রহিমসহ দলের নেতা-কর্মীরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

‘আ.লীগের রঙে রঞ্জিতদের দিয়েই কমিশন গঠন হচ্ছে’

আপডেট সময় ১২:৫৭:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২২

ঢাকা: বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, যেখানে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী সেখানে নির্বাচন কমিশন গঠন হলেই বা কি আর না হলেই কি? ভোট তো করবে ডিসি-এসপিরা। এটা তো প্রধানমন্ত্রীর কিচেন কমিশন।

এর বাইরে কোনো ভূমিকা তারা রাখতে পারবে না।

সোমবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শেরে বাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন যদিও স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান, কিন্তু তারা তাদের সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করবে না। এর আগেও সেরকম ক্ষমতা প্রয়োগ করতে আমরা দেখিনি। এর আগেও প্রশাসনিক ক্যাডারের সিনিয়রদের দেওয়া হয়েছে, এবারও তাই করা হয়েছে।

তিনি বলেন, যাদের মানসিকতা আওয়ামী লীগের রঙে রঞ্জিত, তাদের দিয়েই তারা কমিশন গঠন করেছে। আমি আবারও বলছি এটা শেখ হাসিনার কিচেন কমিশন।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি ঠেকাতে না পারা সরকারের ব্যর্থতা দাবি করে রিজভী আহমেদ বলেন, ভোটারবিহীন সরকারের জবাবদিহিতা থাকে না। সাধারণ মানুষ বাঁচলো কি মরলো, এটা নিয়ে তারা কখনও ভ্রক্ষেপ করে না। যারা মধ্যম আয়ের মানুষ, স্বল্প আয়ের মানুষ তাদেরতো নাভিশ্বাস উঠেছে। একটা রুদ্ধশ্বাস অবস্থা। যেভাবে দাম বাড়ছে, তাতে জনগণের গলার শ্বাসনালি টেনে ধরা হয়েছে। সাধারণ মানের চালও ৬৫ থেকে ৭০ টাকা। এছাড়া খুবই প্রয়োজনীয় চিনি, গুঁড়োদুধ, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, ভোজ্য তেল যেটা প্রতিদিন বেঁচে থাকার জন্য খেতে হয় সেগুলোর দাম বেড়েছে। সুতরাং সত্যিকার অর্থে যদি জবাবদিহিমূলক সরকার থাকতো তাহলে দ্রুত মার্কেট ইন্টারভেনশন করে দাম নিয়ন্ত্রণ করতো।

তিনি বলেন, আজকে যারা বাজারে দাম বাড়াচ্ছে তারা সরকারের লোক। এই যে বাজার সিন্ডিকেট, মাফিয়া তারা সব সরকারের লোক। সরকার তাদের লোক সব জায়গায় লাগিয়ে রেখেছে। জনগণকে শোষণ করো, আত্মসাৎ করো, লুট করো। সেই লুটেরই অংশ হিসেবে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের যে বাজার সিন্ডিকেট আছে তারাই এজন্য দায়ী।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম মাহতাব, সদস্য সচিব আব্দুর রহিমসহ দলের নেতা-কর্মীরা।