ঢাকা ০২:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবসও আজ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০১:৩৯:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ৩০৯ বার পড়া হয়েছে

আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি। ভালোবাসা দিবস বলে গোটা পৃথিবীতেই এ তারিখটা তরুণ প্রজন্মের কাছে অন্য রকম। কিন্তু বাংলাদেশে অনেকেই এই দিনটিকে পালন করেন স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস হিসাবে। 

১৯৮২ সালে বাংলাদেশে তৎকালীন সামরিক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের শিক্ষামন্ত্রী ড. মজিদ খানের ঘোষিত শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করেন।

এর প্রতিবাদে ১৫ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী হরতাল আহ্বান করা হয়। এরপর থেকেই ১৪ ফেব্রুয়ারি স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

এ আন্দোলনে পধ ধরেই ১৯৯০ সালের ৪ ডিসেম্বর স্বৈরাচারী এরশাদের পতন ঘটে। ৬ ডিসেম্বর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে বাধ্য হন।

স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস জাতীয়ভাবে স্বীকৃত কোনো দিবস না হলেও এরশাদ পতনের পর থেকে বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে দিবসটি বিদ্যমান। অনেকেরই অভিযোগ, মূলত ভালোবাসার দিবসের আড়ালে চাপা পড়ে যাওয়ার কারণে তাৎপর্য হারিয়েঠে দিবসটি।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবসও আজ

আপডেট সময় ০১:৩৯:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২২

আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি। ভালোবাসা দিবস বলে গোটা পৃথিবীতেই এ তারিখটা তরুণ প্রজন্মের কাছে অন্য রকম। কিন্তু বাংলাদেশে অনেকেই এই দিনটিকে পালন করেন স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস হিসাবে। 

১৯৮২ সালে বাংলাদেশে তৎকালীন সামরিক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের শিক্ষামন্ত্রী ড. মজিদ খানের ঘোষিত শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করেন।

এর প্রতিবাদে ১৫ ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী হরতাল আহ্বান করা হয়। এরপর থেকেই ১৪ ফেব্রুয়ারি স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

এ আন্দোলনে পধ ধরেই ১৯৯০ সালের ৪ ডিসেম্বর স্বৈরাচারী এরশাদের পতন ঘটে। ৬ ডিসেম্বর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে বাধ্য হন।

স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস জাতীয়ভাবে স্বীকৃত কোনো দিবস না হলেও এরশাদ পতনের পর থেকে বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে দিবসটি বিদ্যমান। অনেকেরই অভিযোগ, মূলত ভালোবাসার দিবসের আড়ালে চাপা পড়ে যাওয়ার কারণে তাৎপর্য হারিয়েঠে দিবসটি।