রোজভিউ আবাসিক হোটেল যেন নারীদের মরণ ফাঁদ নির্যাতিতারা মামলা করলে আসামী ধরা পরে না পুলিশের হাতে বহুরূপী ভয়ংকর পেশায় জড়িত এক নারীর নাম শাহিদা
এর ফাঁদে পা দিয়েই পুরুষরা হচ্ছে হানিট্র্যাপ এর শিকার
মোঃ আলমগীর (সেলিম)
বহুরূপী ভয়ংকর পেশায় জড়িত এক নারীর নাম শাহিদা
এর ফাঁদে পা দিয়েই পুরুষরা হচ্ছে হানিট্র্যাপ এর শিকার।
শেরপুর জেলার- শ্রীবদি থানাধীন সতানী, মধুরানী কুড়ের পুল গ্রামের আবু বকর সিদ্দিকের মেয়ে শাহিদা ছোটবেলা হতে বাবা মায়ের খুব আদরে বড় হয়েছে। প্রাপ্ত বয়ষ্ক হওয়ায় তার পরিবার এলাকার ভালো পাত্র দেখে শাহিদাকে বিয়ে দেন। বরের ছদ্দনাম মনির তাদের সংসারে একটি কন্যা সন্তান হওয়ার শাহিদা পর পুরুষের দিনে দিনে বিভিন্ন পরকীয়ায় জড়িয়ে পরে। একদিন স্বামীর হাতে নাতে পরকীয়ার বিষয় ধরা পরে। এরপর প্রথম বিয়ের স্বামীর সংসার থেকে শাহিদা বের হয়ে তার কন্যা সন্তানটি তার গ্রামে বাবা মায়ের কাছে রেখে সুমন নামে এক বাস ড্রাইভারের প্রেমে হাবুডুবু খেয়ে ঐ পরকীয়া প্রেমিক সুমনের সাথে ঢাকায় চলে আসে। ঢাকায় এসে জীবিকা নির্বাহের তাগিদে এরিমধ্যে চাহিদা মতো কোন কর্ম না পেয়ে মুগদা এলাকায় দেহজীবী পতিতা সর্দারনী আঙ্গুরি ওরফে আনোয়ারার সাথে হাত মিলিয়ে মুগদা এলাকার বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপ চলা বাসাবাড়ি গুলোতে দেহজীবী হয়ে পতিতা ব্যবসা ধরেন।
আনোয়ারা বাসায় কিছুদিন দেহ ব্যবসা করার পর আরিফ হোসেন সুজন নামে এক বড় মাপের নারী ব্যবসায়ী দালালের সাথে শাহিদা প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এক সময় তারা ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখে। সুজন ও শাহিদা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে যাত্রাবাড়ি থানা এলাকায় কুতুবখালী একটি ফ্ল্যাট বাসা ভাড়া নিয়ে ঐ বাসায় সুন্দরী মেয়ে মানুষ রাখিয়া শাহিদা ও সুজন খদ্দের সংগ্রহ করিয়া বিভিন্ন মেয়েদের দিয়ে দেহ ব্যবসা করাইত। নামীদামী খদ্দের বেশি পয়সা ওয়ালা খদ্দেরের সাথে শাহিদা নিজে ই দেহ বিলিয়ে দিত। এভাবে চলছিল শাহিদার টাকা কামানোর জীবন। এরিমধ্যে হঠাৎ একদিন টাকার ভাগাভাগি নিয়ে শাহিদা ও সুজনের সাথে ঝগড়া, মারামারি হয়। এক পর্যায়ে শাহিদা সুজনের নামে মামলা দেয়। সুজনও শাহিদার নামে মামলা করে যার একটি মামলা নং-৯৩, তারিখ: ২১/০৮/২০২৩ইং, ধারা-৩২৩/৩০৭/৩২৬/৩০৬ প্যানাল কোট ১৮৬০ মামলার পর দুজন দুদিকে চলে যায়। শাহিদা সুজনের কাছ হতে আলাদা হয়ে তৃতীয় বারের মতো হুমায়ুন কবির ওরফে মিরাজ এর হাত ধরে স্বামী স্ত্রী পরিচয় দিয়ে যাত্রাবাড়ি থানা এলাকার কুতুবখালী এলাকায় ভিন্ন একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে ঐ বাসায় কবিরকে নিয়ে শাহিদার শুরু হয় নতুন আঙ্গিকে দেহ ব্যবসা। কবির ও শাহিদার কাজ হচ্ছে ডিএমপি মিরপুর, কোতয়ালী, তেজগাঁও, যাত্রাবাড়ি, ডেমরা থানা এলাকার অসামাজিক কার্যকলাপ চলা বিভিন্ন আবাসিক হোটেল ও ফ্ল্যাট বাসায় গিয়ে শাহিদা দেহ ব্যবসা করে রাতারাতি ধনী হওয়ার লালসায় শাহিদা বিভিন্ন পয়সাওয়ালা খদ্দেরদের পটিয়ে কৌশলে তাদের ফ্ল্যাট বাসায় নিয়ে আসে। এরপর কবির তার একটি দলবল নিয়ে ঐ ফ্ল্যাটে হাজির হয়ে নিজেকে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী র্যাব-১০ এর সদস্য পরিচয় দেয়। আর কবিরের সাথে আসা লোকজন তাদের সাথে কিছু ক্যামেরা থাকে ঐ ক্যামেরায় খদ্দের ও শাহিদাকে বিসস্ত্র করিয়া আপত্তিকর ছবি তোলে কবিরের সাথে থাকা লোকজন নিজেদের নামী দামী পত্রিকার ও টিভি চ্যানেলের পরিচয় দিয়ে নানা ফন্দি ফিকির করে খদ্দেরকে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে সাংবাদিক পরিচয়দানকারীদের ক্যামেরায় তোলা স্টিল ছবি ও ভিডিও খদ্দেরের পরিবারের কাছে ফুটেজ পাঠিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে খদ্দেরের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবী করে। এক পর্যায় কবিরদের চাহিদা মতো টাকা পেলে খদ্দেরকে ছেড়ে দেয়।
এভাবে কবিরের সাথে শাহিদার বেশ কিছুদিন খদ্দের মুক্তিপণ ও তাদের ভাষায় ফিটিং ব্যবসা করার পর শনি আখড়া কবরস্থান গলির এলাকার লোকজন শাহিদা ও কবিরের অপকর্মের কথা জানাজানি হয়ে গেলে এলাকার কিছু যুবক শাহিদাদের হাতে নাতে প্রমাণাদি সহ ধরার পর তাদের গণপিটুনি দিয়ে ঐ ফ্ল্যাট হতে এলাকাবাসী বের করে দেয়।
শাহিদা ৪র্থ বারের মতো ভিন্ন পথ বেছে নেয়। শাহিদা বিভিন্ন বাসা বাড়ি আবাসিক হোটেলে গিয়ে এবার বিভিন্ন মেয়েদের বড় লোক হওয়ার লোভ দেখিয়ে মেয়েদের বান্ধবী বানিয়ে শাহিদার সাথে বাসায় এনে হুমায়ুন করিব মিরাজের হাতে তুলে দিত। কবির কৌশলে ভারতের হায়দারাবাদ, বোম্বে, মহারাষ্ট্র সহ ভারতের বিভিন্ন পতিতালয় ও দেহ ব্যবসা চলে এমন বাসাবাড়ির এজেন্টদের কাছে বিক্রি করে দিত। অনেক মেয়ে শাহিদা ও কবিরগং দ্বারা ভারতে পাচার হয়ে এজেন্টদের কাছ হতে পালাতে গিয়ে ঐ দেশের পুলিশের হাতে ধরা পরে জেল হাজতে রহিয়াছে। শাহিদা ও কবিরগংদের হাত হতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রিয়ামনি নামে এক নারী ক্রাইম নিউজ মিডিয়াকে জানান কবির ও শাহিদার অপকর্মের কথা।
ভারতে নারী পাচার করতে গিয়ে হুমায়ুন কবির মিরাজ বেনাপোল সীমান্তে বেশ কিছু নারী পাচারকালে বিজিবির হাতে নাতে ধরা পরে মামলা খেয়ে কিছুদিন শাহিদা ও কবিরের ব্যবসা বন্ধ থাকলেও পুনরায় আবার ও শুরু করেন তাদের মানব পাচার ব্যবসা এরি মধ্যে একদিন ১০ হাজার টাকা কম বেশি টাকার ভাগাভাগি নিয়ে কবিরের সাথে দ্বন্ধ হয় এই কারণে কবির ও শাহিদা আবার ও আলাদা হয়ে যায়।
এবার করিবকে ছেড়ে দিয়ে যাত্রাবাড়ি থানাধীন কাজলা নয়ানগর এলাকায় আবার একটি ফ্ল্যাট বাসা ভাড়া নেন। ঐ বাসায় শাহিদার স্বামী হিসেবে মাহাবুবুর রহমান আপেল নামে এক মাদক কারবারী ও নারী ব্যবসায়ী দালাল কে বেছে নেয়। আপেল নামে ঐ দালাল মাদক এনে শাহিদার ফ্ল্যাটে রেখে নিজেরা সেবন করত এবং ফ্ল্যাটে আসা খদ্দেরদের কাছে ও চড়া দামে বিক্রি করত। মাঝে মধ্যে বিত্তবান পয়সা ওয়ালা ব্যক্তিদেরকে শাহিদার পূর্বের দলবল দিয়ে পূর্বের ন্যায় ভুয়া র্যাবের সদস্য ও অপসাংবাদিক বানিয়ে এলাকার তার দলের কিছু সিছকে ছিনতাইকারীদের দিয়ে খদ্দেরদের সর্বশান্ত করা হতো।
শাহিদার তিন নং পাতানো স্বামী কবির জেনে যায় যে কবিরকে বাদ দিয়ে মাহাবুবুর রহমান আপেল নামে এক চিহ্নিত মাদককারবারীর হাত মিলিয়েছে শাহিদা। কবির খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পারে শাহিদা যে আপেলের সাথে স্বামী স্ত্রী পরিচয় দিয়ে বাসা ভাড়া নিয়েছেন। ঐ মাহাবুবুর রহমান আপেল যাত্রাবাড়ি এলাকায় শিরিন নামে আরো একটি মেয়ের সাথে বাসা ভাড়া নিয়ে নানাবিধ অপকর্ম করছে। কবির শিরিণের সাথে হাত মিলায় এবং শাহিদা ও আপেল এর গোপন সম্পর্কের কথা শিরিনকে বলে দেয়। শিরিন শাহিদাকে খুজতে থাকে এবং শাহিদাও জেনে যায় আপেল তার মতো শিরিনকে দিয়ে একই রকম কাজ করায়। তাই তার ফ্ল্যাটে ইনকাম খুব কম হওয়ায় তখন শাহিদা, আপেল ও শিরিন হুমায়ুন কবির মিরাজের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে শাহিদার সংঘবদ্ধ চক্রের ফিটিং ব্যবসায়ী রনিকে সহ বেশ কয়েজনের নামে যাত্রাবাড়ি থানায় একটি ঘটনা সাজিয়ে সাজানো গণধর্ষণ মামলা দেয়।
মামলা হওয়ার পর আসামীরা জানতে পারে তাদের নামে যাত্রাবাড়ি থানায় মামলা হয়েছে যাহার মামলা নং-৮০, তারিখ-১৯/০৩/২০২৫ইং, জিআরনং-২৮৫, ধারা-৯(৩) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ সংশোধিত ২০২০ তৎসহ ৮(১)/৮(২) পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রন আইন ২০১২ ইং মামলা হওয়ার পর মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হুমায়ুন করিব মিরাজ ও রনিগংরা বারবার মামলা থেকে রেহাই পেতে চেষ্টা করে আসামী হুমায়ুন কবির মিরাজ ও অন্যান্য এজাহার নামীয় আসামীরা তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের সাথে গোপন কথা সারে। এরপর তদন্ত কর্মকর্তা একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে শিরিন ও আপেল এবং তাদের বাসা হতে আর যাত্রাবাড়ি কাচাবাজার এর এক কাচামাল ব্যবসায়ী যার নাম বিল্লাল। তাকে গ্রেফতার করে ঐ মামলার এজাহার নামীয় আসামী হুমায়ুন কবির মিরাজের নামের শেষে ওরফে বিল্লাল লিখে কাচামাল ব্যবসায়ী বিল্লালকে হুমায়ুন কবির মিরাজ ওরফে বিল্লাল নামক ব্যক্তিকে গণধর্ষণ মামলার আসামী দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠান।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কবিরকে শাহিদার বশে আনতে ও তার সাথে পুনরায় সম্পর্ক মজবুত করতে এই মামলার থেকে হুমায়ুন কবির মিরাজের পরিবর্তে বিল্লালকে আসামী বানিয়ে দেন। হুমায়ুন কবির মিরাজ মামলা থেকে রেহাই পাওয়ার পর শাহিদার সাথে যেমন কথা ছিল তেমন কথা না রাখায় আবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেন। অনেক দৌড় ঝাপের পর শাহিদা ও কবির মিলে মিশে পূর্বের কাজে তারা ফিরে যায়। বর্তমানে শাহিদা ফেইসবুকে খদ্দেরদের আকৃষ্ট করতে শাহিদা ফেইসবুকে ও ইন্টারনেটের বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে খদ্দেরকে আকৃষ্ট করা বিভিন্ন ছবি ছেড়ে একাধিক নাম্বারে ফেইসবুকে বন্ধু হওয়া খদ্দেরদের সাথে বিভিন্ন ভাবে যোগাযোগ করে তাদের পটিয়ে শাহিদাদের ফ্ল্যাটে এনে পূর্বের কায়দায় খদ্দেরদের ফাদে ফেলে মোটা অংকের টাকা রোজগার করছে।
শাহিদা ও কবিরের নামে বে নামে যে সকল মোবাইল সিম রয়েছে ঐ সিমগুলো যাচাই করলে শাহিদা ও কবিরের লোমহর্ষক নানাবিধ অপরাধ কর্মের তথ্য মিলবে। বর্তমানে শাহিদা সিলেট কুয়াকাটা, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, ফরিদপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, দৌলদিয়া পতিতালয় সহ ঢাকা শহরে গড়ে তোলেছে বিশাল দেহ ব্যবসার নেট ওয়ার্ক।
এই সিন্ডিকেটে প্রায় শতাধিক মানব পাচার কারী ও খদ্দের সংগ্রহকারী দালাল এর মধ্যে তার সহযোগী দালালরা খদ্দের সংগ্রহ করার জন্য ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়ে ঢাকা শহরের রাস্তার ফুটপাত ও এলাকার ওলি গলিতে চোখ পরলেই দেখা যায় রাস্তায় পরে আছে এ সকল দালালদের ভিজিটিং কার্ড তাতে মোবাইল নাম্বার দেওয়া থাকে।
শাহিদা চক্রের সহযোগীদের কিছু মোবাইল নাম্বার তুলে ধরা হলোঃ
১) জোসনা ববি ওরফে পলাশ ০১৭৩০-৮৯৪২৫৫, ০১৯৭৯-৩২০১২৫,
২) মিজান-০১৯১৪-৭৫০০২৯,০১৩৩৯-৫২০৭৭৩,
৩) রকি ভাই-০১৪০১-০০৪৫৫১,০১৪০১০০৪৫৫১
৪) ফারুক ভাই ০১৩৩৭৯৯০৫১৭
৫) দাদন ভাই ০১৯২৮১০৩৮৭৭
৬) বীর ভাই ০১৯৭৬১২৮২৫৯
৭) বরকত ভাই ০১৮১২২৪২৪৩৮
৮) মোঃ মানিক ০১৯১৮৩০৩৫০৪, ০১৭২৪২৯২৩৪৪
৯) বিজয় ভাই ০১৮৩৭৫০১১০০
১০) মজনু ভাই ০১৭১২৭৬২১২৯
১১) কামাল ভাই ০১৬২২৮২১৩৯৭
১২) ইমন ভাই ০১৩৩৮৬২৪১৮২
১৩) হীরা ভাই ০১৮৩৬১৩২০৩৫
১৪) রাজ ভাই ০১৭৯৯৩৪২৯৭০
১৫) সাদিক ভাই ০১৩১৪৬২৬২৬৩
১৬) হোটেল বৈশাখী ০১৯১৭৭৮১২৬৬
১৭) শাহাদাত ভাই ০১৮২০২৩৮৪০৬
১৮) কাজল ভাই ০১৮৪৫৫৩৯৫৭৫
১৯) পাখি ভাই ০১৩০৬২০৩৩৮৫
২০) ইমন ভাই ০১৯২৫৩৩৫৬৮১
২১। সিরাজ ০১৮৫২-০৮৬৯৯৮
২২। মিরাজ ০১৮৬৬-০১৯১৬৬ ।
শাহিদার সাথে কথা হলে শাহিদা “ক্রাইম নিউজ মিডিয়া”র সাংবাদিককে হুমকির সুরে বলে আমাদের কাজে আপনাদের সমস্যা কি? আমাদের বড় বড় টিভি চ্যানেল ও আইপি টিভি বিভিন্ন পত্রিকার সাংবাদিক আছে। আমাদের পিছনে লাইগেন না। তাহলে ঝামেলায় ফালাইয়া দিমু এ কাজ আমরা একা করি না। আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর অনেক সদস্য আমাদের সাথে জড়িত পারলে তাদের সাক্ষাৎকার আনেন দেখি আপনারা কত বড় সাংবাদিক।
অনুসন্ধানকালে একাধিক নারী নিজেদের পরিচয় গোপন রাখা স্বত্ত্বে জানায় শাহিদা সিন্ডিকেট দ্বারা ভারতে পাচার হয়ে নির্যাতনের ফলে বহু কষ্টে তারা দেশে এসেছে ন্যায় বিচার পেতে যে কোন সময় আইনের দ্বারস্থ হবে।
নিজের পরিচয় গোপন করে কামাল নামে এক ব্যক্তি জানায়। আমার একটু বদ অভ্যাস ছিল এর জন্য শাহিদার বাসায় গিয়ে পরবর্তীতে তাদের লোকজন এসে আমাকে বিবস্ত্র হওয়া দুইজন মেয়ের সাথে একত্রিত করে আমাকেও বিবস্ত্র করে ছবি তোলে ঐ ছবি আমার ফ্যামিলির কাছে পাঠানোর ভয় দেখিয়ে আমার কাছ হতে প্রায় ২ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এই শাহিদা চক্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেই তার সহযোগী দ্বারা হুমকি ধমকি এমনকি পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে ও অভিযোগ তৈরি করেও আইন শৃঙ্খলাবাহিনীকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করে।
গত ইংরেজি ৩০/০৩/২০২৬ইং তারিখ যাত্রাবাড়িতে লুন্ঠিত টাকাসহ হানি ট্র্র্যাপ চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার হয়েছে।
পরবর্তী অনুসন্ধানে আরো আসছে—–