ঢাকা ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ ছিনতাইকারী গ্রেফতার জার্সিতে ‘ভোজিনহা’ নামেই খেলবেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ৬ হাজার ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার এক বছরেই ৩০ পারা মুখস্থ, হাফেজ হলো ৮ বছরের আব্দুর রহমান লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে টোল নেবে না হুথিরা অনির্দিষ্টকালের জন্য এস আলম গ্রুপের ১১ কারখানা বন্ধ র‍্যাবের ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও প্রসিকিউশন টিম চারদিক বন্যার পানিতে ডুবলেও ডুবে না ক্লাস্টার বসতভিটা

বিভিন্ন অপারেটরের ৫১ হাজার ২৫১টি সিম কার্ডসহ গ্রেফতার ৮

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৬:১৭:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৫৬ বার পড়া হয়েছে

সিএনএমঃ
ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ও উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে পাঁচ চীনা নাগরিকসহ প্রতারক চক্রের ৮ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় বিভিন্ন অপারেটরের ৫১ হাজার ২৫১টি সিম কার্ড, ৫১টি মোবাইল ফোন এবং ২১টি ভিওআইপি গেটওয়ে সামগ্রী জব্দ করা হয়।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—চেন লিং ফেং, জেং কং, জেং চাংকিয়াং, ওয়েন জিয়ান কিউ, হুয়াং ঝেং জিয়াং, মো. জাকারিয়া (২৬), নিয়াজ মাসুম (২০) এবং কামরুল হাসান ওরফে হাসান জয় (৩৮)।
উপ-কমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানান, ডিবি সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের ওয়েবভিত্তিক অপরাধ তদন্ত টিম অনলাইনে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, টেলিগ্রাম গ্রুপ ব্যবহার করে অর্থ আত্মসাৎসহ বিভিন্ন সাইবার অপরাধের অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে চক্রটির সন্ধান পায়।
পরবর্তীতে গত ৮ জানুয়ারি ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিয়াজ মাসুম ও কামরুল হাসান ওরফে হাসান জয়কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে অনলাইন প্রতারণায় ব্যবহৃত ১৪টি ভিওআইপি গেটওয়ে ডিভাইস, বিভিন্ন অপারেটরের ৫১ হাজার ৬৭টি সিম কার্ড, চারটি মোবাইল ফোন, দুটি সিপিইউ ও একটি ল্যাপটপ জব্দ করা হয়।
ডিবি জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা কখনো চাকরি দেওয়ার নামে, কখনো উচ্চ মুনাফার বিনিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে এবং কখনো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কম দামে দেওয়ার আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন প্রচার করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিতো। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানায় পুলিশ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু

বিভিন্ন অপারেটরের ৫১ হাজার ২৫১টি সিম কার্ডসহ গ্রেফতার ৮

আপডেট সময় ০৬:১৭:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

সিএনএমঃ
ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ও উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে পাঁচ চীনা নাগরিকসহ প্রতারক চক্রের ৮ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় বিভিন্ন অপারেটরের ৫১ হাজার ২৫১টি সিম কার্ড, ৫১টি মোবাইল ফোন এবং ২১টি ভিওআইপি গেটওয়ে সামগ্রী জব্দ করা হয়।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—চেন লিং ফেং, জেং কং, জেং চাংকিয়াং, ওয়েন জিয়ান কিউ, হুয়াং ঝেং জিয়াং, মো. জাকারিয়া (২৬), নিয়াজ মাসুম (২০) এবং কামরুল হাসান ওরফে হাসান জয় (৩৮)।
উপ-কমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানান, ডিবি সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের ওয়েবভিত্তিক অপরাধ তদন্ত টিম অনলাইনে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, টেলিগ্রাম গ্রুপ ব্যবহার করে অর্থ আত্মসাৎসহ বিভিন্ন সাইবার অপরাধের অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে চক্রটির সন্ধান পায়।
পরবর্তীতে গত ৮ জানুয়ারি ভাটারা থানাধীন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিয়াজ মাসুম ও কামরুল হাসান ওরফে হাসান জয়কে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে অনলাইন প্রতারণায় ব্যবহৃত ১৪টি ভিওআইপি গেটওয়ে ডিভাইস, বিভিন্ন অপারেটরের ৫১ হাজার ৬৭টি সিম কার্ড, চারটি মোবাইল ফোন, দুটি সিপিইউ ও একটি ল্যাপটপ জব্দ করা হয়।
ডিবি জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা কখনো চাকরি দেওয়ার নামে, কখনো উচ্চ মুনাফার বিনিয়োগের প্রলোভন দেখিয়ে এবং কখনো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কম দামে দেওয়ার আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন প্রচার করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিতো। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানায় পুলিশ।