ঢাকা ০৯:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপি নেতা আলালকে বিদেশগমনে বাধা না দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০২:১১:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুন ২০২২
  • ৩০৪ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে বিদেশ গমনে বাধা না দিতে সরকারের ইমিগ্রেশন বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

রোববার (২৬ জুন) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এসএম মনিরুজ্জামান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

একইসঙ্গে মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে বিদেশ গমনে বাধা সৃষ্টি করাকে কেন অবৈধ এবং সংবিধান পরিপন্থি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

আদালতে আলালের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম, তাকে সহায়তা করেন অ্যাডভোকেট পারভেজ হোসেন ও অ্যাডভোকেট মো. ওমর ফারুক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আবুল কালাম খান দাউদ।

পরে অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেন, গুরুতর অসুস্থ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল গত ১২ জুন চিকিৎসার জন্য ভারত গমনকালে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তাকে কোনো কারণ প্রদর্শন ছাড়াই ফেরত পাঠায়। ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের এই আচরণকে চ্যালেঞ্জ করে একটি রিট দায়ের করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

বিএনপি নেতা আলালকে বিদেশগমনে বাধা না দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

আপডেট সময় ০২:১১:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুন ২০২২

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে বিদেশ গমনে বাধা না দিতে সরকারের ইমিগ্রেশন বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

রোববার (২৬ জুন) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এসএম মনিরুজ্জামান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

একইসঙ্গে মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকে বিদেশ গমনে বাধা সৃষ্টি করাকে কেন অবৈধ এবং সংবিধান পরিপন্থি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

আদালতে আলালের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম, তাকে সহায়তা করেন অ্যাডভোকেট পারভেজ হোসেন ও অ্যাডভোকেট মো. ওমর ফারুক। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আবুল কালাম খান দাউদ।

পরে অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেন, গুরুতর অসুস্থ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল গত ১২ জুন চিকিৎসার জন্য ভারত গমনকালে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তাকে কোনো কারণ প্রদর্শন ছাড়াই ফেরত পাঠায়। ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের এই আচরণকে চ্যালেঞ্জ করে একটি রিট দায়ের করা হয়।