ঢাকা ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধাপরাধ মামলায় খুলনার নাজের আলীর জামিন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০১:৪৩:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মে ২০২২
  • ২৮৭ বার পড়া হয়েছে

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় খুলনার ডুমুরিয়ার নাজের আলী ফকিরকে (৬৮) স্বাস্থ্যগত কারণে জামিন দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার (২৫ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন।

এর আগে গত ২১ এপ্রিল মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় খুলনার ডুমুরিয়া থানা ও ঢাকা থেকে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

নাজের আলী ছাড়া গ্রেফতার অন্যরা হলেন- আব্দুর রহিম (৬৮), শামসুর রহমান (৭৫), জাহান আলী বিশ্বাস (৬৭), মো. শাজাহান (৬৮), করিম শেখ (৬৮), আবু বকর সরদার (৬৭ ), রওশন আলী গাজী (৭২) ও সোহরাব হোসেন সরদার (৬২)।

আসামিরা ১৯৭১ সালের ১৮ মে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া গ্রাম থেকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে থাকা আনু মোল্লা ওরফে আজিজ শেখ, মজিদ বিশ্বাস, সাহেব আলী, শামসুল মোল্লা, ইমাম শেখ, আমজাদ সরদার, আব্দুল লতিফ মোড়ল ও কাওসার শেখসহ ৯ জনকে ধরে নির্যাতন করতে করতে রানাই এলাকার বকুলতলা এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে তাদেরকে গুলি করে হত্যার পর মরদেহ নদীতে ফেলে দেয়। সেখান থেকে জীবন নিয়ে একজন পালিয়ে আসতে সক্ষম হন। ওই ঘটনায় খর্নিয়া গ্রামের লিয়াকত আলী গাজী বাদী হয়ে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি ডুমুরিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা মিলেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

যুদ্ধাপরাধ মামলায় খুলনার নাজের আলীর জামিন

আপডেট সময় ০১:৪৩:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মে ২০২২

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় খুলনার ডুমুরিয়ার নাজের আলী ফকিরকে (৬৮) স্বাস্থ্যগত কারণে জামিন দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

বুধবার (২৫ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন।

এর আগে গত ২১ এপ্রিল মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় খুলনার ডুমুরিয়া থানা ও ঢাকা থেকে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

নাজের আলী ছাড়া গ্রেফতার অন্যরা হলেন- আব্দুর রহিম (৬৮), শামসুর রহমান (৭৫), জাহান আলী বিশ্বাস (৬৭), মো. শাজাহান (৬৮), করিম শেখ (৬৮), আবু বকর সরদার (৬৭ ), রওশন আলী গাজী (৭২) ও সোহরাব হোসেন সরদার (৬২)।

আসামিরা ১৯৭১ সালের ১৮ মে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া গ্রাম থেকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে থাকা আনু মোল্লা ওরফে আজিজ শেখ, মজিদ বিশ্বাস, সাহেব আলী, শামসুল মোল্লা, ইমাম শেখ, আমজাদ সরদার, আব্দুল লতিফ মোড়ল ও কাওসার শেখসহ ৯ জনকে ধরে নির্যাতন করতে করতে রানাই এলাকার বকুলতলা এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে তাদেরকে গুলি করে হত্যার পর মরদেহ নদীতে ফেলে দেয়। সেখান থেকে জীবন নিয়ে একজন পালিয়ে আসতে সক্ষম হন। ওই ঘটনায় খর্নিয়া গ্রামের লিয়াকত আলী গাজী বাদী হয়ে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি ডুমুরিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা মিলেছে।