সিএনএম ডেস্কঃ
মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে পৃথক অভিযানে তিনটি কারখানা থেকে ১৫৫ বাংলাদেশিসহ ২৩৪ বিদেশি শ্রমিককে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম)।
মুয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের অপারেশন প্রধান মোহাম্মদ ইজওয়ান ওসমানের নেতৃত্বে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা থেকে অভিযানটি চালানো হয়। এসময় কয়েকজন বিদেশি শ্রমিক পালানোর চেষ্টা করলেও ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা পুরো কারখানা এলাকা ঘিরে রাখায় তারা পালাতে পারেননি।
আটক শ্রমিকদের বিরুদ্ধে বৈধ কাগজপত্র না থাকা, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান এবং অনুমোদিত পাস বা পারমিটের অপব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে।
জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম অভিযানটি মুয়ারের পারিত জামিল এলাকায় দুটি আসবাবপত্র কারখানায় চালানো হয়। দুই ঘণ্টাব্যাপী ‘অপস মাহির’ অভিযানে ১৭৬ জন পুরুষ বিদেশি শ্রমিককে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ১৪৭ জন বাংলাদেশি, ২৭ জন নেপালি, দুজন চীনা এবং একজন মিয়ানমারের নাগরিক।
অভিযানের সময় কারখানায় ব্যবস্থাপকের দায়িত্বে থাকা দুই স্থানীয় নারী কর্মীকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়।
বাতু পাহাতের জালান আয়ার হিতাম-ইয়ং পেং এলাকায় একটি কাঠের কারখানায় দুপুর ১২টার দিকে অভিযান চালানো হয়। সেখানে সাত নারীসহ ৫৮ বিদেশি শ্রমিককে আটক করা হয়। আটক শ্রমিকদের মধ্যে ২৪ জন মিয়ানমারের, ১৬ জন ভারতের, আটজন বাংলাদেশের, সাতজন চীনের, দুজন নেপালের এবং একজন পাকিস্তানের নাগরিক। এ অভিযানে একজন স্থানীয় লরি চালককেও আটক করা হয়।
বাতু পাহাত ইমিগ্রেশন বিভাগের অপারেশন প্রধান ইখমাল ফাউজির নেতৃত্বে ৫৫ জন কর্মকর্তা ও সদস্য অভিযানে অংশ নেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, আটক বিদেশি শ্রমিকদের বয়স ২০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। তাদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ১৯৫৯-এর বিভিন্ন ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে তাদের বিরুদ্ধে বৈধ ভ্রমণ বা কাজের কাগজপত্র ছাড়া মালয়েশিয়ায় প্রবেশ, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান এবং নির্ধারিত পাস বা পারমিটের অপব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযান শেষে আটক ২৩৪ বিদেশি শ্রমিককে জিজ্ঞাসাবাদ ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য জোহরের পেকান নানাস, পন্তিয়ানের ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে পাঠানো হয়।
Reporter Name 

























