জাতীয় নির্বাচনসহ সব নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহের জন্য অনলাইনে কার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ ক্ষেত্রে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমকর্মীদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসিসহ (আরএফডি) অন্যান্য অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে একটি সফটওয়্যার প্রস্তুতের উদ্যোগ নিয়েছে সংস্থাটি।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনে অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
আখতার আহমেদ বলেন,আমরা একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছি। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তারা একটি প্রতিবেদন দেবে। যার ভিত্তিতে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বাসস ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী বলেন, নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নির্ভর করে স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর। কিন্তু অনেক অপেশাদার এবং দলীয় নেতাকর্মী সাংবাদিক কার্ড নিতেন অতীতে।
এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে, এজন্য একটা স্বচ্ছ প্রক্রিয়া আনা দরকার। নির্বাচন কমিশন যে উদ্যোগ নিয়েছে, এতে পেশাদার সাংবাদিকরা যেন কার্ড পান, আমরা সে অনুরোধ জানিয়েছি।
এর আগে নির্বাচন ভবনের সম্মলেন কক্ষে ইসি সচিব আখতার আহমদের সভাপতিত্বে অংশীজনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক কাজী জেসিন, ইসির অতিরিক্ত সচিব মো. সামসুল আলম, আরএফইডির সভাপতি কাজী এমাদ উদ্দীন জেবেল ও সাধারণ সম্পাদক ইকরাম-উদ দৌলাসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে কোনো ট্রায়াল ছাড়াই অনলাইনে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক কার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ইসি। সে সময় একটি ওয়েবসাইটও তৈরি করা হয় অনেকটা তড়িঘড়ি করে। তবে সেই সাইটে আবেদনের পর ১৪ হাজার সাংবাদিকের তথ্য উন্মুক্ত হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় গণমাধ্যমের আপত্তি ও দেশব্যাপী সমালোচনার মুখে সে প্রক্রিয়া থেকে সরে আসে নির্বাচন কমিশন। তবে এবার আর কোনো ঝুঁকি না নিয়ে সবার সঙ্গে আলোচনা করে একটি কার্যকর উপায় ও সফটওয়্যারে প্রস্তুতের দিকে যাচ্ছে সংস্থাটি।
Reporter Name 























