সিএনএমঃ
রাজধানীর মৌচাকে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা বিল্লাল হোসেন তালুকদার হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ডিএসসিসি’র সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর বিএনপি নেতা খাজা হাবিবুল্লাহ হাবিবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাতে গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিবিপ্রধান অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম।
ডিবিপ্রধান অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাতে গোপন সংবাদে রাজধানীর পুরান ঢাকার লালবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল।
ডিবিপ্রধান অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, এজাহারভুক্ত আসামি না হলেও ওই ঘটনায় তার সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। এজন্য তাকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকান্ডের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে জানান ডিবিপ্রধান।
উল্লেখ্য, গত ৮ জুন রাতে মৌচাকের আনারকলি মার্কেটের সামনে সালিশ বৈঠকের মধ্যে রমনা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক বিল্লাল হোসেনকে ছুরিকাঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। এ ঘটনায় পরদিন একটি মামলা করেন নিহতের স্ত্রী আম্বিয়া খাতুন। তাতে যুবদলের ২১ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে।
এই মামলার এজাহারভুক্ত ৯ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে হত্যায় প্রধান অভিযুক্ত রমনা থানা যুবদলের বহিষ্কৃত আহ্বায়ক দিদারুল ইসলাম বাবুকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তিনি আগাম জামিনে আছেন।
রমনা থানা পুলিশ ঘটনার পর জানিয়েছিল, আনারকলি মার্কেটের সামনের ফুটপাতের দোকান থেকে চাঁদাবাজি নিয়ে বিরোধের জের ধরে ওই হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে প্রকৃতপক্ষে কী কারণে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে হত্যা করা হয় তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।
রমনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইয়াছিন মিয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন কল ধরেননি। বরং সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। তাছাড়া রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারও ফোন ধরেননি। ফলে এ বিষয়ে তাদের কারও কোন বক্তব্য মেলেনি।
রমনা থানার ডিউটি অফিসার এসআই সুশান্ত কুমার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুর দেড়টায় খাজা হাবিবুল্লাহ হাবিব গুরুতর অসুস্থ হলে চিকিৎসার জন্য পুলিশ হেফাজতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাকে কেন কি কারণে আটক বা গ্রেফতার দেখানো হয়েছে কি-না সে বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। পরে বিষয়টি জানানো হবে বলেও জানান এসআই সুশান্ত কুমার।
Reporter Name 























