সিএনএমঃ
নড়াইলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া জুলাইযোদ্ধাদের মারধর করতে পারলে পুরস্কার ঘোষণা করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ১১ জনকে আসামি করে নড়াইল সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার (৬ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে দলটির জেলা কমিটির সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম এ অভিযোগ করেন।
অভিযুক্তরা হলেন- বঙ্গবন্ধু জাতীয় পরিষদ, নড়াইলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মিজানুর রহমান নয়ন (৩৮), সহ-সভাপতি সৌরভ কর্মকার (২৬), লোহাগড়া উপজেলার কুন্দসী গ্রামের সজিবুল ইসলাম হৃদয় (২৬), একই এলাকার শাহাদাত হোসেন রায়হান (২৫), লোহাগড়ার চাচই গ্রামের আরব শিকদারের ছেলে ইমন শিকদার (২৪), লোহাগড়া উপজেলা নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চাচই গ্রামের সাইফুল জমাদ্দারের ছেলে মো. মিলন জমাদ্দার (২৯), মল্লিকপুর গ্রামের মো. ইস্রাফিল (২৫), কাশিপুর ইউনিয়নের কামেশ্বরপুর গ্রামের মো. সজীব চৌধুরী (২৬), লোহাগড়ার কালনা গ্রামের এস কে আসলাম (২৫), নড়াইল পৌরসভার নড়াইল গ্রামের মহসীন বিশ্বাসের ছেলে মো. আব্দুল্লাহ আল জাবের লোটাস (৪০) ও সদর উপজেলার চন্ডিবরপুর ইউনিয়নের সিবানন্দপুর গ্রামের আজগর শেখের ছেলে মো. জুবায়ের শেখ (২০)।
অভিযোগে আমিরুল ইসলাম উল্লেখ করেছেন, অভিযুক্তরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন উস্কানিমূলক লেখালেখি, বিভিন্ন ভুয়া ভিডিও পোস্ট এবং আমাকেসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দকে মারতে পারলে ৫০ হাজার টাকা, ১ লাখ টাকা, ২ লাখ টাকা, ৫ লাখ টাকাসহ ইত্যাদি পরিমাণে অর্থ পুরস্কার ঘোষণা করছেন। যা আমাদের জীবনের নিরাপত্তার জন্য হুমকি।
নড়াইল জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম বলেন, জুলাই আসায় আওয়ামী লীগের নেতারা বিদেশে বা বিভিন্ন অজ্ঞাত স্থানে পালিয়ে থেকে তারা এ ধরনের হুমকি দিচ্ছে। তাদের আইনের আওতায় আনা জরুরি। আমরা আইনের দারস্থ হয়েছি। প্রতিকার চাই, তবে প্রতিকার না পেলে আমরা প্রস্তুত আছি পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য।
অভিযুক্তদের মধ্যে আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অভিযোগে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, সেই ১১ জনের মধ্যে আমি নিজেকে বাদ দিলে বাকি ১০ জনের অধিকাংশকেই ব্যক্তিগতভাবে চিনি না।
এমনকি যিনি এই অভিযোগ করেছেন, তাকেও আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি না। তাঁর সঙ্গে আমার কখনো কোনো কথা হয়নি। তাঁর সঙ্গে আমার কখনো দেখা হয়েছে কি না, সেটিও আমার জানা নেই। তাই আমার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ কী ভিত্তিতে আনা হয়েছে সেটি আমার বোধগম্য নয়।
অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Reporter Name 

























