ঢাকা ০৩:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসলামী আন্দোলনের ৩০ দফার ইশতেহার ঘোষণা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৭:৪৪:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৪০ বার পড়া হয়েছে

সিএনএমঃ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী জনকল্যান মূলক ৩০ দফা ইশতেহার ঘোষণা করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির এবং চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনের আইএবি মিলনায়তনে দলটির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন।

মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, আমাদের ইশতেহারের নামকরণ করা হয়েছে ‘জনপ্রত্যাশার ইশতেহার’। কারণ মহান স্বাধীনতার যুদ্ধ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে জনপ্রত্যাশার উন্মেষ ঘটেছে তা রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রতিফলিত করার অঙ্গীকার নিয়েই আমাদের এই ইশতেহার।

১. দেশের স্থায়ী শান্তি ও মানবতার সার্বিক মুক্তির লক্ষ্যে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন।

২. দুর্নীতি, দুঃশাসন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, মাদকমুক্ত কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।

৩. সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সুশাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা।

৪. রাষ্ট্রপরিচালনায় সর্বত্র শরীয়াহ’র প্রাধান্য।

৫. কৃষি ও শিল্পবিপ্লব ঘটিয়ে বেকার ও দারিদ্র্যমুক্ত এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধশালী দেশ গঠন।

৬. নৈতিকতায় সমৃদ্ধ কর্মমুখী, বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা।

৭. সার্বজনীন কর্মসংস্থান।

৮. পর্যায়ক্রমিক রাষ্ট্রসংস্কার।

৯. মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশার প্রতি দায়বদ্ধতা।

১০. আর্থিক, সামরিক ও কূটনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি।

১১. নারী, শ্রমিক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকারসহ সব জনগোষ্ঠীর মৌলিক ও মানবাধিকারের সুরক্ষা।

১২. রাষ্ট্র-সমাজ ও অর্থনীতিতে বৈষম্য বিলোপ।

১৩. সবার জন্য সাশ্রয়ী ও উন্নত স্বাস্থ্যব্যবস্থা।

১৪. পরিবেশ দূষণ রোধ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও জলবায়ু অভিঘাত মোকাবিলায় গুরুত্ব।

১৫. ধর্মীয় স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও পারস্পরিক সহাবস্থান।

১৬. শুধু দুর্নীতি-সন্ত্রাস দমন নয়; নির্মূলকরণ কর্মসূচিও গ্রহণ করা হবে।

১৭. শুধু আইনের শাসন নয়; ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠা।

১৮. জনমতের যথার্থ প্রতিফলন, সুষ্ঠু নির্বাচন ও কার্যকর সংসদ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে PR (Proportional Represenation) পদ্ধতি বাস্তবায়ন।

১৯. মানুষের সার্বিক কল্যাণ প্রতিষ্ঠায় ধর্ম ও রাজনীতির সমন্বয় করা।

২০. দুর্নীতি, সন্ত্রাস, খুন ও অনৈতিক পেশার সাথে জড়িতদের রাজনীতিতে নিষিদ্ধ করণ।

২১. খুন, গুম, মিথ্যা, গায়েবি মামলা, জুলুম, নির্যাতন ও দুঃশাসনের বিলোপ।

২২. জনগণের বাক-স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।

২৩. নারীদের শুধু সমঅধিকার নয়; অগ্রাধিকার প্রতিষ্ঠা করা হবে।

২৪. শিল্পোদ্যোক্তাদের ঋণ প্রদান, গ্যাস, বিদুৎ, পানি, স্যুয়ারেজ, আমদানি-রফতানি কার্যক্রমে ওয়ানস্টপ সার্ভিস কর্মসূচি গ্রহণ।

২৫. সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করা।

২৬. কওমি মাদ্রাসায় ডিগ্রীধারীসহ দক্ষ ও যোগ্য ওলামায়ে কিরামকে সরকারি সুযোগের আওতাভুক্ত করা।

২৭. সড়ককে নিরাপদ করার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

২৮. বাংলাদেশকে ১৫ বছরের মধ্যে উন্নত ও কল্যাণরাষ্ট্রে পরিণত করা।

২৯. শ্রমের মর্যাদা ও শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা।

৩০. দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধকল্পে সব সিন্ডিকেট ভেঙে দেয়া।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসলামী আন্দোলনের ৩০ দফার ইশতেহার ঘোষণা

আপডেট সময় ০৭:৪৪:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সিএনএমঃ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী জনকল্যান মূলক ৩০ দফা ইশতেহার ঘোষণা করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির এবং চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনের আইএবি মিলনায়তনে দলটির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন।

মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, আমাদের ইশতেহারের নামকরণ করা হয়েছে ‘জনপ্রত্যাশার ইশতেহার’। কারণ মহান স্বাধীনতার যুদ্ধ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে জনপ্রত্যাশার উন্মেষ ঘটেছে তা রাষ্ট্র পরিচালনায় প্রতিফলিত করার অঙ্গীকার নিয়েই আমাদের এই ইশতেহার।

১. দেশের স্থায়ী শান্তি ও মানবতার সার্বিক মুক্তির লক্ষ্যে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন।

২. দুর্নীতি, দুঃশাসন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, মাদকমুক্ত কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।

৩. সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সুশাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা।

৪. রাষ্ট্রপরিচালনায় সর্বত্র শরীয়াহ’র প্রাধান্য।

৫. কৃষি ও শিল্পবিপ্লব ঘটিয়ে বেকার ও দারিদ্র্যমুক্ত এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধশালী দেশ গঠন।

৬. নৈতিকতায় সমৃদ্ধ কর্মমুখী, বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা।

৭. সার্বজনীন কর্মসংস্থান।

৮. পর্যায়ক্রমিক রাষ্ট্রসংস্কার।

৯. মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশার প্রতি দায়বদ্ধতা।

১০. আর্থিক, সামরিক ও কূটনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি।

১১. নারী, শ্রমিক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকারসহ সব জনগোষ্ঠীর মৌলিক ও মানবাধিকারের সুরক্ষা।

১২. রাষ্ট্র-সমাজ ও অর্থনীতিতে বৈষম্য বিলোপ।

১৩. সবার জন্য সাশ্রয়ী ও উন্নত স্বাস্থ্যব্যবস্থা।

১৪. পরিবেশ দূষণ রোধ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও জলবায়ু অভিঘাত মোকাবিলায় গুরুত্ব।

১৫. ধর্মীয় স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও পারস্পরিক সহাবস্থান।

১৬. শুধু দুর্নীতি-সন্ত্রাস দমন নয়; নির্মূলকরণ কর্মসূচিও গ্রহণ করা হবে।

১৭. শুধু আইনের শাসন নয়; ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠা।

১৮. জনমতের যথার্থ প্রতিফলন, সুষ্ঠু নির্বাচন ও কার্যকর সংসদ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে PR (Proportional Represenation) পদ্ধতি বাস্তবায়ন।

১৯. মানুষের সার্বিক কল্যাণ প্রতিষ্ঠায় ধর্ম ও রাজনীতির সমন্বয় করা।

২০. দুর্নীতি, সন্ত্রাস, খুন ও অনৈতিক পেশার সাথে জড়িতদের রাজনীতিতে নিষিদ্ধ করণ।

২১. খুন, গুম, মিথ্যা, গায়েবি মামলা, জুলুম, নির্যাতন ও দুঃশাসনের বিলোপ।

২২. জনগণের বাক-স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।

২৩. নারীদের শুধু সমঅধিকার নয়; অগ্রাধিকার প্রতিষ্ঠা করা হবে।

২৪. শিল্পোদ্যোক্তাদের ঋণ প্রদান, গ্যাস, বিদুৎ, পানি, স্যুয়ারেজ, আমদানি-রফতানি কার্যক্রমে ওয়ানস্টপ সার্ভিস কর্মসূচি গ্রহণ।

২৫. সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করা।

২৬. কওমি মাদ্রাসায় ডিগ্রীধারীসহ দক্ষ ও যোগ্য ওলামায়ে কিরামকে সরকারি সুযোগের আওতাভুক্ত করা।

২৭. সড়ককে নিরাপদ করার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

২৮. বাংলাদেশকে ১৫ বছরের মধ্যে উন্নত ও কল্যাণরাষ্ট্রে পরিণত করা।

২৯. শ্রমের মর্যাদা ও শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা।

৩০. দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধকল্পে সব সিন্ডিকেট ভেঙে দেয়া।