ঢাকা ০৪:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে মামলার আসামী

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৪:২৩:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫
  • ২৭৮ বার পড়া হয়েছে
সকালের সময় পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে মামলার আসামী হলেন বজলু
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
মাঝে মধ্যে পত্র পত্রিকায় দেখা যায় ও লোক মুখে শোনা যায় সাংবাদিকতার আড়ালে বিভিন্ন সাংবাদিকরা চাঁদাবাজি করে বেড়াচ্ছে। তবে মূল পেশাদার সাংবাদিকরা যখন সংবাদ সংগ্রহে ব্যস্ত থাকেন তখন নামধারী কিছু লোক নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পরছে। এমনকি বিভিন্ন আবাসিক হোটেলের দালালরাও গলায় কার্ড ঝুলিয়ে মোটর বাইকের সামনে প্রেস লিখে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন রাজধানী। আবার কোন পত্রিকার একটি পরিচয়পত্র সংগ্রহ করতে পারলেই পত্রিকায় সংবাদ সংগ্রহের কাজের নামে দেদারচে চাঁদাবাজি করছে এক শ্রেণির যুবক। গলায় সাংবাদিকের পরিচয়পত্র প্রেস লেখা ফিতা গলায় ঝুলিয়ে নামি দামী মোটর সাইকেল আর ছোট বড় ক্যামেরা সাথে নিয়ে কয়েকজন সহকর্মীদের সাথে নিয়ে সাংবাদিক বড় ভাই সেজে বিশাল ভাবে থাকেন ঐ সকল চাঁদবাজরা। ঐ সকল চাঁদাবাজদের সাথে কিছু নারী সদস্য ও দেখা যায়। তারা সাংবাদিকতার তেমন কিছু না জানলেও নিজেদের নামী দামী পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে থাকেন বা একাধিক পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দেন। তবে পেশাদার সাংবাদিকরা নিজেদের দায়িত্ব পালনে সততা ও আদর্শের সাথে যখন অফিসিয়াল কর্ম ব্যস্ততায় থাকে ঐ সময় গুলোতে চাঁদাবাজরা রাস্তায় রাস্তায় ঘোরে দেশের বিভিন্ন আবাসিক হোটেল সহ নানা ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি ও চুরির মতো ঘটনাও ঘটায়।
গত ইংরেজি ০১/০৬/২০২৫ তারিখ ডেমরা থানায় আলমগীর সিদ্দিকী নামক এক ব্যক্তি বজলুর রহমান, আমিনুল, শামীমা নামে ব্যক্তিদ্বয়ের বিরুদ্ধে ডেমরা থানায় চাঁদাবাজি ও চুরির মামলা করেছেন। যাহার মামলা নং- ০১, ধারা-১৪৩/৪৪৮/৩৮৫/৩৮০/৫০৬ পেনাল কোড। মামলার ঘটনা থেকে জানা যায় আলমগীর সিদ্দিকী ডেমরা থানাধীন ডগাইর বাজার, শিফা গেøাবাল টুরিজম লি. এন্ড কনসালেটেশন সেন্টার এন্ড ওয়ার্ল্ড প্রোগ্রাম রিচার্জ সেন্টার এর পরিচালক। তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গত ইংরেজি  ২৩/০৫/২০২৫ইং রাত আনুমানিক রাত আনুমানিক ৭ টা ৫০ মিনিটের সময় বজলুর রহমান শামীমা ও আমিনুল দুই সহকর্মীকে সহ ঐ প্রতিষ্ঠানে গিয়ে নিজেকে সকালের সময় পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে আলমগীর সিদ্দিকীকে নানাবিধ হুমকি দেয়। যে তার প্রতিষ্ঠানে ভেজাল আছে। এজন্য আলমগীর সিদ্দিকীর কাছে প্রতিষ্টানের লাইসেন্স ও কাগজপত্র দেখতে চায়। আদালতের পারমিশন ছাড়া আলমগীর সিদ্দিকী কাগজপত্র দেখাইতে না চাইলে বজলুর রহমানরা তার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে লেখালেখি করবে বলে হুমকি দেয়। সমাধান করার কথা বলে আলমগীর সিদ্দিকীর কাছে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে। এক পর্যায়ে অফিসের ঐ প্রতিষ্ঠানের ল্যাবের ভিতরে বজলুরা প্রবেশ করে টেবিলের নিচে তার ব্যাগের ভিতর হতে আলমগীর সিদ্দিকীর নিজ নামীয় ডাচ বাংলা ব্যাংকের চেক বই তার ভিতরে স্বাক্ষরিত  ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার ও ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার চেক এবং টেবিলের উপরে থাকা বিভিন্ন ধরনের ঔষধ যার মূল্য ২০ হাজার টাকা এছাড়া অফিসিয়াল   ডকুমেন্ট চুরি করে নিয়ে যায়। যাওয়ার সময় আলমগীর সিদ্দিকীকে খুন করার হুমকি দিয়া চলিয়া যায়। চাঁদাবাজি ও চুরির ফুটেজ ঐ প্রতিষ্ঠানের সিসি ক্যামেরার ধারণ করা রহিয়াছে বলে আলমগীর সিদ্দিকী ক্রাইম নিউজ মিডিয়াকে জানায়। এছাড়া এলাকার বজলুর রহমানের এক পরিচিতি ব্যক্তি ক্রাইম নিউজ মিডিয়াকে সুমন মিয়া জানায় বজলুর পিতার নাম : মোঃ আজগর মিয়া, তার গ্রামের বাড়ি বরিশাল জেলার নলছিটি থানা এলাকায়। সে দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন পত্রিকার পরিচয়পত্র বানিয়ে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ও সাহিত্যিক কেন্দ্রের সদস্য পরিচয় দিয়ে ডেমরা থানা এলাকায় বিশাল একটি অফিস ভাড়া নিয়ে তার সাথে নারী পুরুষ প্রায় ১০-১২ জনকে তার সহকর্মী হিসাবে রেখে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলোতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। কোন প্রতিষ্ঠান তাকে চাঁদা না দিলেই সত্য মিথ্যা লিখে ব্যবসায়ীদের মান সম্মান ক্ষুন্ন করে এবং ব্যবসায়ীক ক্ষতি করে। কিছুদিন আগে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকা ও ইউটিউব চ্যানেলে তার বিভিন্ন অপকর্মের সংবাদ প্রকাশ হয়। তবে অসাধু কিছু পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে সুসম্পর্ক থাকায় ডিএমপির বিভিন্ন থানা এলাকায় ঘুরে ঘুরে দলবল নিয়ে চাঁদাবাজি করে। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক নারী জানান তার বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত করলে দেখা যাবে সে কোন পত্রিকায় নিয়মিত বেতন ভুক্ত হিসেবে পেশাদার সাংবাদিকতা করেন না। তবে তার সাথে থাকা দলবল সহকর্মীদের ও বিশাল অফিস ভাড়া ব্যক্তিগত খরচ কোথা থেকে আসে। চাঁদাবাজি, চুরি সহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত বলেও ঐ নারী জানান।এ বিষয়ে সকালের সময় পত্রিকার সম্পাদকের সাথে ফোনে যোগাযোগ করে তাকে না পাওয়ায় কথা বলে নিশ্চিত হওয়া যায় নি বজলু আসলে সকালের সময়ের সাংবাদিক কিনা? এছাড়া বজলুর মুঠো ফোনে আলাপ কালে তিনি বলেন যে আমার নামে আলমগীর সিদ্দিকী মিথ্যা মামলা করেছে। আমি জামিন নেওয়ার পর এ বিষয় নিয়ে লড়ব।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে মামলার আসামী

আপডেট সময় ০৪:২৩:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫
সকালের সময় পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে মামলার আসামী হলেন বজলু
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
মাঝে মধ্যে পত্র পত্রিকায় দেখা যায় ও লোক মুখে শোনা যায় সাংবাদিকতার আড়ালে বিভিন্ন সাংবাদিকরা চাঁদাবাজি করে বেড়াচ্ছে। তবে মূল পেশাদার সাংবাদিকরা যখন সংবাদ সংগ্রহে ব্যস্ত থাকেন তখন নামধারী কিছু লোক নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পরছে। এমনকি বিভিন্ন আবাসিক হোটেলের দালালরাও গলায় কার্ড ঝুলিয়ে মোটর বাইকের সামনে প্রেস লিখে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন রাজধানী। আবার কোন পত্রিকার একটি পরিচয়পত্র সংগ্রহ করতে পারলেই পত্রিকায় সংবাদ সংগ্রহের কাজের নামে দেদারচে চাঁদাবাজি করছে এক শ্রেণির যুবক। গলায় সাংবাদিকের পরিচয়পত্র প্রেস লেখা ফিতা গলায় ঝুলিয়ে নামি দামী মোটর সাইকেল আর ছোট বড় ক্যামেরা সাথে নিয়ে কয়েকজন সহকর্মীদের সাথে নিয়ে সাংবাদিক বড় ভাই সেজে বিশাল ভাবে থাকেন ঐ সকল চাঁদবাজরা। ঐ সকল চাঁদাবাজদের সাথে কিছু নারী সদস্য ও দেখা যায়। তারা সাংবাদিকতার তেমন কিছু না জানলেও নিজেদের নামী দামী পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে থাকেন বা একাধিক পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দেন। তবে পেশাদার সাংবাদিকরা নিজেদের দায়িত্ব পালনে সততা ও আদর্শের সাথে যখন অফিসিয়াল কর্ম ব্যস্ততায় থাকে ঐ সময় গুলোতে চাঁদাবাজরা রাস্তায় রাস্তায় ঘোরে দেশের বিভিন্ন আবাসিক হোটেল সহ নানা ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি ও চুরির মতো ঘটনাও ঘটায়।
গত ইংরেজি ০১/০৬/২০২৫ তারিখ ডেমরা থানায় আলমগীর সিদ্দিকী নামক এক ব্যক্তি বজলুর রহমান, আমিনুল, শামীমা নামে ব্যক্তিদ্বয়ের বিরুদ্ধে ডেমরা থানায় চাঁদাবাজি ও চুরির মামলা করেছেন। যাহার মামলা নং- ০১, ধারা-১৪৩/৪৪৮/৩৮৫/৩৮০/৫০৬ পেনাল কোড। মামলার ঘটনা থেকে জানা যায় আলমগীর সিদ্দিকী ডেমরা থানাধীন ডগাইর বাজার, শিফা গেøাবাল টুরিজম লি. এন্ড কনসালেটেশন সেন্টার এন্ড ওয়ার্ল্ড প্রোগ্রাম রিচার্জ সেন্টার এর পরিচালক। তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গত ইংরেজি  ২৩/০৫/২০২৫ইং রাত আনুমানিক রাত আনুমানিক ৭ টা ৫০ মিনিটের সময় বজলুর রহমান শামীমা ও আমিনুল দুই সহকর্মীকে সহ ঐ প্রতিষ্ঠানে গিয়ে নিজেকে সকালের সময় পত্রিকার সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে আলমগীর সিদ্দিকীকে নানাবিধ হুমকি দেয়। যে তার প্রতিষ্ঠানে ভেজাল আছে। এজন্য আলমগীর সিদ্দিকীর কাছে প্রতিষ্টানের লাইসেন্স ও কাগজপত্র দেখতে চায়। আদালতের পারমিশন ছাড়া আলমগীর সিদ্দিকী কাগজপত্র দেখাইতে না চাইলে বজলুর রহমানরা তার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে লেখালেখি করবে বলে হুমকি দেয়। সমাধান করার কথা বলে আলমগীর সিদ্দিকীর কাছে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে। এক পর্যায়ে অফিসের ঐ প্রতিষ্ঠানের ল্যাবের ভিতরে বজলুরা প্রবেশ করে টেবিলের নিচে তার ব্যাগের ভিতর হতে আলমগীর সিদ্দিকীর নিজ নামীয় ডাচ বাংলা ব্যাংকের চেক বই তার ভিতরে স্বাক্ষরিত  ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার ও ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার চেক এবং টেবিলের উপরে থাকা বিভিন্ন ধরনের ঔষধ যার মূল্য ২০ হাজার টাকা এছাড়া অফিসিয়াল   ডকুমেন্ট চুরি করে নিয়ে যায়। যাওয়ার সময় আলমগীর সিদ্দিকীকে খুন করার হুমকি দিয়া চলিয়া যায়। চাঁদাবাজি ও চুরির ফুটেজ ঐ প্রতিষ্ঠানের সিসি ক্যামেরার ধারণ করা রহিয়াছে বলে আলমগীর সিদ্দিকী ক্রাইম নিউজ মিডিয়াকে জানায়। এছাড়া এলাকার বজলুর রহমানের এক পরিচিতি ব্যক্তি ক্রাইম নিউজ মিডিয়াকে সুমন মিয়া জানায় বজলুর পিতার নাম : মোঃ আজগর মিয়া, তার গ্রামের বাড়ি বরিশাল জেলার নলছিটি থানা এলাকায়। সে দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন পত্রিকার পরিচয়পত্র বানিয়ে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ও সাহিত্যিক কেন্দ্রের সদস্য পরিচয় দিয়ে ডেমরা থানা এলাকায় বিশাল একটি অফিস ভাড়া নিয়ে তার সাথে নারী পুরুষ প্রায় ১০-১২ জনকে তার সহকর্মী হিসাবে রেখে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলোতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। কোন প্রতিষ্ঠান তাকে চাঁদা না দিলেই সত্য মিথ্যা লিখে ব্যবসায়ীদের মান সম্মান ক্ষুন্ন করে এবং ব্যবসায়ীক ক্ষতি করে। কিছুদিন আগে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকা ও ইউটিউব চ্যানেলে তার বিভিন্ন অপকর্মের সংবাদ প্রকাশ হয়। তবে অসাধু কিছু পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে সুসম্পর্ক থাকায় ডিএমপির বিভিন্ন থানা এলাকায় ঘুরে ঘুরে দলবল নিয়ে চাঁদাবাজি করে। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক নারী জানান তার বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত করলে দেখা যাবে সে কোন পত্রিকায় নিয়মিত বেতন ভুক্ত হিসেবে পেশাদার সাংবাদিকতা করেন না। তবে তার সাথে থাকা দলবল সহকর্মীদের ও বিশাল অফিস ভাড়া ব্যক্তিগত খরচ কোথা থেকে আসে। চাঁদাবাজি, চুরি সহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত বলেও ঐ নারী জানান।এ বিষয়ে সকালের সময় পত্রিকার সম্পাদকের সাথে ফোনে যোগাযোগ করে তাকে না পাওয়ায় কথা বলে নিশ্চিত হওয়া যায় নি বজলু আসলে সকালের সময়ের সাংবাদিক কিনা? এছাড়া বজলুর মুঠো ফোনে আলাপ কালে তিনি বলেন যে আমার নামে আলমগীর সিদ্দিকী মিথ্যা মামলা করেছে। আমি জামিন নেওয়ার পর এ বিষয় নিয়ে লড়ব।