ঢাকা ০৫:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লাইভ করা তরুণের মরদেহ চমেক হাসপাতালে

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১১:৫৯:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুন ২০২২
  • ২২৪ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ফেসবুকে লাইভ করা তরুণের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই তরুণের সহকর্মী রুয়েল।  

অলিউর রহমান মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের ফটিগুলী গ্ৰামের আশিক মিয়ার ছেলে। সে সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে শ্রমিকের কাজ করতেন।

শনিবার (০৪ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে আগুনের ঘটনা ঘটে। রাত ১১টা থেকে ফেসবুকে লাইভ করছিলেন অলিউর রহমান। লাইভ চলাকালীন হঠাৎ ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। এতে আশপাশের সবকিছু অন্ধকার হয়ে যায়। প্রায় চার মিনিট  ধরে ফেসবুকে লাইভ অন্ধকার দেখা যাচ্ছিল। বিস্ফোরণের পর থেকেই নিখোঁজ ছিল লাইভে থাকা অলিউর রহমান।

অলিউর রহমানের সহকর্মী রুয়েল বলেন, আমরা ওই সময় খাবারের জন্য ডিপো থেকে চলে আসি। কিন্তু ফেসবুকে লাইভ করার জন্য অলিউর সেখানে থেকে যায়। তার লাইভ ভিডিও দেখলেই বুঝতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, অলিউর আর বেঁচে নেই। তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ চট্টগ্ৰাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে। এখন তার মরদেহ  নেওয়ার জন্য স্বজনরা চট্টগ্রাম যাচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

লাইভ করা তরুণের মরদেহ চমেক হাসপাতালে

আপডেট সময় ১১:৫৯:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুন ২০২২

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ফেসবুকে লাইভ করা তরুণের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই তরুণের সহকর্মী রুয়েল।  

অলিউর রহমান মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের ফটিগুলী গ্ৰামের আশিক মিয়ার ছেলে। সে সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে শ্রমিকের কাজ করতেন।

শনিবার (০৪ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে আগুনের ঘটনা ঘটে। রাত ১১টা থেকে ফেসবুকে লাইভ করছিলেন অলিউর রহমান। লাইভ চলাকালীন হঠাৎ ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। এতে আশপাশের সবকিছু অন্ধকার হয়ে যায়। প্রায় চার মিনিট  ধরে ফেসবুকে লাইভ অন্ধকার দেখা যাচ্ছিল। বিস্ফোরণের পর থেকেই নিখোঁজ ছিল লাইভে থাকা অলিউর রহমান।

অলিউর রহমানের সহকর্মী রুয়েল বলেন, আমরা ওই সময় খাবারের জন্য ডিপো থেকে চলে আসি। কিন্তু ফেসবুকে লাইভ করার জন্য অলিউর সেখানে থেকে যায়। তার লাইভ ভিডিও দেখলেই বুঝতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, অলিউর আর বেঁচে নেই। তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ চট্টগ্ৰাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে। এখন তার মরদেহ  নেওয়ার জন্য স্বজনরা চট্টগ্রাম যাচ্ছে।