ঢাকা ১০:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতীয় প্রেস ক্লাবে কে জি মোস্তফার জানাজা সম্পন্ন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৩:২২:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মে ২০২২
  • ২১৭ বার পড়া হয়েছে

গীতিকার, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও কলামিস্ট কে জি মোস্তফার ২য় জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার দুপুর পৌনে ২টায় জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বরে অনুষ্ঠিত হয় ২য় জানাজা। এতে ইমামতি করেন মাওলানা মনিরুজ্জামান।

জানাজায় অংশগ্রহণ করেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, সহ-সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, যুগ্ম সম্পাদক মাইনুল ইসলাম, কোষাধক্ষ্য শাহেদ চৌধুরী, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি ওমর ফারুক, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি এম. আবদুল্লাহ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সোহেল হায়দার চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি মুরসালিন নোমানী, কবি এরশাদ মজুমদার প্রমুখ।

এর আগে আজিমপুর নিউ পল্টন কলোনীর শাহী মসজিদে প্রথম জানাজা শেষে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে লাশবাহী ফ্রিজিং গাড়িতে কে জি মোস্তফার মরদেহ প্রেস ক্লাবে নিয়ে আসা হয়।

গতকাল রাত ৮টার দিকে গীতিকার, সাংবাদিক ও কলামিস্ট কে জি মোস্তফা আজিমপুরে নিজ বাসায় অসুস্থবোধ করলে তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি ও হৃদরোগে ভুগছিলেন।

তোমারে লেগেছে এতো যে ভালো চাঁদ বুঝি তা জানে’ এবং ‘আয়নাতে ওই মুখ দেখবে যখন’ কালজয়ী গান দুটির গীতিকার তিনি। দুটি গানের সুরকার ছিলেন রবিন ঘোষ।

১৯৩৭ সালের ১ জুলাই নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন কে জি মোস্তফা। তিনি ১৯৬০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। দৈনিক ইত্তেফাকে ১৯৫৮ সালে শিক্ষানবিশ হিসেবে সাংবাদিকতায় যোগ দেন তিনি।

১৯৭৬ সালে তিনি বিসিএস (তথ্য) ক্যাডারভুক্ত হন এবং চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের সহকারী সম্পাদক পদে যোগ দেন। ১৯৯৬ সালে সিনিয়র সম্পাদক (যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদা) হিসেবে অবসর নেন।

খ্যাতিমান এই গীতিকার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি পদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সঙ্গীত বিভাগ থেকে ‘দেশবরেণ্য গীতিকার’ পদকসহ আরও বহু পদকে ভূষিত হয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় প্রেস ক্লাবে কে জি মোস্তফার জানাজা সম্পন্ন

আপডেট সময় ০৩:২২:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মে ২০২২

গীতিকার, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও কলামিস্ট কে জি মোস্তফার ২য় জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার দুপুর পৌনে ২টায় জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বরে অনুষ্ঠিত হয় ২য় জানাজা। এতে ইমামতি করেন মাওলানা মনিরুজ্জামান।

জানাজায় অংশগ্রহণ করেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, সহ-সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, যুগ্ম সম্পাদক মাইনুল ইসলাম, কোষাধক্ষ্য শাহেদ চৌধুরী, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি ওমর ফারুক, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি এম. আবদুল্লাহ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সোহেল হায়দার চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি মুরসালিন নোমানী, কবি এরশাদ মজুমদার প্রমুখ।

এর আগে আজিমপুর নিউ পল্টন কলোনীর শাহী মসজিদে প্রথম জানাজা শেষে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে লাশবাহী ফ্রিজিং গাড়িতে কে জি মোস্তফার মরদেহ প্রেস ক্লাবে নিয়ে আসা হয়।

গতকাল রাত ৮টার দিকে গীতিকার, সাংবাদিক ও কলামিস্ট কে জি মোস্তফা আজিমপুরে নিজ বাসায় অসুস্থবোধ করলে তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি ও হৃদরোগে ভুগছিলেন।

তোমারে লেগেছে এতো যে ভালো চাঁদ বুঝি তা জানে’ এবং ‘আয়নাতে ওই মুখ দেখবে যখন’ কালজয়ী গান দুটির গীতিকার তিনি। দুটি গানের সুরকার ছিলেন রবিন ঘোষ।

১৯৩৭ সালের ১ জুলাই নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন কে জি মোস্তফা। তিনি ১৯৬০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। দৈনিক ইত্তেফাকে ১৯৫৮ সালে শিক্ষানবিশ হিসেবে সাংবাদিকতায় যোগ দেন তিনি।

১৯৭৬ সালে তিনি বিসিএস (তথ্য) ক্যাডারভুক্ত হন এবং চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের সহকারী সম্পাদক পদে যোগ দেন। ১৯৯৬ সালে সিনিয়র সম্পাদক (যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদা) হিসেবে অবসর নেন।

খ্যাতিমান এই গীতিকার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি পদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সঙ্গীত বিভাগ থেকে ‘দেশবরেণ্য গীতিকার’ পদকসহ আরও বহু পদকে ভূষিত হয়েছেন।