ঢাকা ০৭:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুস্থদের ৪০ বস্তা চাল বিক্রি করলেন ইউপি সচিব

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৯:২৭:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মে ২০২২
  • ২১৫ বার পড়া হয়েছে

দুস্থ-অসহায় পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ না করে বিক্রির অভিযোগে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে উপজেলার কামারদহ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সচিব রোকনুজ্জামানকে আটক করেছে পুলিশ।

রোববার (১ মে) সন্ধ্যার দিকে তাকে আটক করে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ।

মুঠোফোনে ওসি জানান, ইউএনও ও উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তার মৌখিক অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে আটক করা হয়। তবে তার বিরুদ্ধে কেউ এখন পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ করেনি। সচিব রোকনুজ্জামানকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, গত ২৫ এপ্রিল কামারদহ ইউনিয়নের গরিব-অসহায় চার হাজার সুবিধাভোগী পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণের কথা। কিন্তু ওজনে কম ও সুবিধাভোগী অনেক পরিবারকে চাল না দিয়ে ওই দিন চাল বিতরণ শেষ করা হয়। এ নিয়ে চাল আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবের বিরুদ্ধে। বিতরণের আগেই চালের বস্তা পিকআপ ভ্যানে ফাঁসিতলা বাজারের ব্যবসায়ী আল-আমিনের কাছে বিক্রি করা হয় বলেও অভিযোগ করেছে সুবিধাভোগীসহ স্থানীয়রা।

চাল ব্যবসায়ী আল-আমিন চাল কেনার কথা স্বীকার করে মুঠোফোনে বলেন, ২৪ এপ্রিল রাতে সচিব তাকে ফোন করে চাল বিক্রির কথা জানালে তিনি ২৮ টাকা কেজি দরে চালের দাম ঠিক করেন। পরে ২৫ এপিল সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পরিষদের একটি রুম থেকে ৪০ বস্তা (৫০ কেজি) ওজনের চালের বস্তা পিকআপ ভ্যানে করে নিয়ে আসেন। চালের বস্তা পিকআপ ভর্তির সময় সচিব রোকনুজ্জামান ও চৌকিদার বাবলু মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

দুস্থদের ৪০ বস্তা চাল বিক্রি করলেন ইউপি সচিব

আপডেট সময় ০৯:২৭:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মে ২০২২

দুস্থ-অসহায় পরিবারের মাঝে চাল বিতরণ না করে বিক্রির অভিযোগে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে উপজেলার কামারদহ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সচিব রোকনুজ্জামানকে আটক করেছে পুলিশ।

রোববার (১ মে) সন্ধ্যার দিকে তাকে আটক করে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ।

মুঠোফোনে ওসি জানান, ইউএনও ও উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তার মৌখিক অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে আটক করা হয়। তবে তার বিরুদ্ধে কেউ এখন পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ করেনি। সচিব রোকনুজ্জামানকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, গত ২৫ এপ্রিল কামারদহ ইউনিয়নের গরিব-অসহায় চার হাজার সুবিধাভোগী পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণের কথা। কিন্তু ওজনে কম ও সুবিধাভোগী অনেক পরিবারকে চাল না দিয়ে ওই দিন চাল বিতরণ শেষ করা হয়। এ নিয়ে চাল আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবের বিরুদ্ধে। বিতরণের আগেই চালের বস্তা পিকআপ ভ্যানে ফাঁসিতলা বাজারের ব্যবসায়ী আল-আমিনের কাছে বিক্রি করা হয় বলেও অভিযোগ করেছে সুবিধাভোগীসহ স্থানীয়রা।

চাল ব্যবসায়ী আল-আমিন চাল কেনার কথা স্বীকার করে মুঠোফোনে বলেন, ২৪ এপ্রিল রাতে সচিব তাকে ফোন করে চাল বিক্রির কথা জানালে তিনি ২৮ টাকা কেজি দরে চালের দাম ঠিক করেন। পরে ২৫ এপিল সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পরিষদের একটি রুম থেকে ৪০ বস্তা (৫০ কেজি) ওজনের চালের বস্তা পিকআপ ভ্যানে করে নিয়ে আসেন। চালের বস্তা পিকআপ ভর্তির সময় সচিব রোকনুজ্জামান ও চৌকিদার বাবলু মিয়া উপস্থিত ছিলেন।