ঢাকা ০২:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অবৈধ সম্পদ : রাজউকের সিবিআই নেতার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০১:২০:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ এপ্রিল ২০২২
  • ২১৯ বার পড়া হয়েছে

দেড় কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে রাজউকের সাবেক সিবিআই নেতার স্ত্রী নাছিমা আক্তার সীমার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয় সংস্থাটির উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। বুধবার (২১ এপ্রিল) দুদকের ঊর্ধ্বতন একটি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

অন্যদিকে ওই সময় তার স্ত্রী আসামি নাছিমা আক্তার সীমার নামে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সম্পদ বিবরণী নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তিনি ২০১৮ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি কমিশনে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। তার দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণী যাচাই-বাছাই করে দেখা যায়, নাছিমা আক্তার তার দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে তার নিজ নামে ৩০ লাখ ৩১ হাজার ৫০০ টাকার স্থাবর ও ১৭ লাখ ৭০ হাজার টাকার অস্থাবরসহ মোট ৪৮ লাখ ১ হাজার ৫০০ টাকার সম্পদের ঘোষণা দেন। কিন্তু দুদকের অনুসন্ধানে ১ কোটি ১৪ হাজার ৪৪ হাজার ১৩৬ টাকা সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। যা তার ঘোষণা করা সম্পদের তুলনায় ৬৬ লাখ ৪২ হাজার ৬৩৬ টাকা বেশি। অর্থাৎ তিনি সম্পদ বিবরণীতে গোপন বা মিথ্যা বিবরণ দিয়েছেন। যা দুদক আইন ২০০৪ এর ২৬ (২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

এছাড়া নাছিমা আক্তার সীমার ৯৮ লাখ ৪৪ হাজার ১৩৬ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের প্রমাণ পাওয়া যায় দুদকের অনুসন্ধানে। যা দুদক আইন ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ এর ৪ (২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

অবৈধ সম্পদ : রাজউকের সিবিআই নেতার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় ০১:২০:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ এপ্রিল ২০২২

দেড় কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে রাজউকের সাবেক সিবিআই নেতার স্ত্রী নাছিমা আক্তার সীমার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয় সংস্থাটির উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। বুধবার (২১ এপ্রিল) দুদকের ঊর্ধ্বতন একটি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

অন্যদিকে ওই সময় তার স্ত্রী আসামি নাছিমা আক্তার সীমার নামে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সম্পদ বিবরণী নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তিনি ২০১৮ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি কমিশনে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। তার দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণী যাচাই-বাছাই করে দেখা যায়, নাছিমা আক্তার তার দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে তার নিজ নামে ৩০ লাখ ৩১ হাজার ৫০০ টাকার স্থাবর ও ১৭ লাখ ৭০ হাজার টাকার অস্থাবরসহ মোট ৪৮ লাখ ১ হাজার ৫০০ টাকার সম্পদের ঘোষণা দেন। কিন্তু দুদকের অনুসন্ধানে ১ কোটি ১৪ হাজার ৪৪ হাজার ১৩৬ টাকা সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। যা তার ঘোষণা করা সম্পদের তুলনায় ৬৬ লাখ ৪২ হাজার ৬৩৬ টাকা বেশি। অর্থাৎ তিনি সম্পদ বিবরণীতে গোপন বা মিথ্যা বিবরণ দিয়েছেন। যা দুদক আইন ২০০৪ এর ২৬ (২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

এছাড়া নাছিমা আক্তার সীমার ৯৮ লাখ ৪৪ হাজার ১৩৬ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের প্রমাণ পাওয়া যায় দুদকের অনুসন্ধানে। যা দুদক আইন ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ এর ৪ (২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।