ঢাকা ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আ.লীগ ছাড়া কেউ শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেনি

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৮:৪৫:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ মার্চ ২০২২
  • ২৪৬ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের ইতিহাসে একমাত্র আওয়ামী লীগ ২০০১ সালে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছে। এছাড়া কোনো সরকার তা করেনি, বরং প্রাণহানি ঘটিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার চার দিনব্যাপী স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর সমাপনী অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা যদি বাংলাদেশের ইতিহাস দেখি, সেই ৭১ থেকে ৭৫ সাল এবং ৭৫ এর ১৫ আগস্টের চরম আঘাত। তারপরে অন্ধকারের যাত্রা শুরু। বাংলাদেশ হারিয়ে ফেলে তার স্বাধীনতার চেতনা, জয় বাংলা স্লোগান, ৭ মার্চের ভাষণ, বঙ্গবন্ধুর নাম নিষিদ্ধ, ছবি নিষিদ্ধ, ২১ বছর এভাবে বাংলাদেশের বিজয়ের ইতিহাস পদদলিত হয় এবং অন্য ইতিহাস জানানোর চেষ্টা করা হয়। ইতিহাস কখনো কেউ মুছে ফেলতে পারে না। আর সত্যের জয় হয়। এটা কেউ কখনো বাধা দিয়ে থামিয়ে দিতে পারে না। আজ সেটাই হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আগামী দিনের পথ দেখেছিলেন তার ঐতিহাসিক ভাষণের সাহায্যে। রেসকোর্স ময়দানে ২৫শে মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আক্রমণ শুরু করে। রাজারবাগ পুলিশ ফাঁড়ি, পিলখানাসহ একই সঙ্গে সেই ধানমন্ডির বাড়ি। জাতির পিতা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচার করেছিলেন। এখনকার পিলখানা হেডকোয়ার্টার পিপিআর এই ফাঁড়ি থেকে তিনি এ ঘোষণা প্রচার করেছিলেন। সেই স্বাধীনতার ঘোষণা সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দিয়েছিল এবং বিভিন্ন পুলিশ স্টেশনের মাধ্যমে সংগ্রাম পরিষদের হাতে ওই ভোররাতের দিকে বার্তা পৌঁছে দেয়। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ব্যাপক প্রচার শুরু করে সেদিন থেকে। ২৬শে মার্চ থেকে এ ঘোষণার সাথে সাথেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে তারা নিয়ে যায় পাকিস্তানে এবং বন্দি করে রাখে।
রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা দেয়। তাকে ফাঁসি দেওয়ার জন্য অর্ডার দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এর মধ্যেই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১৬ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, আন্তর্জাতিক চাপে পাকিস্তান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। তিনি পাকিস্তান থেকে লন্ডন চলে যান। সেখান থেকে বাংলাদেশের ফিরে আসেন ১০ই জানুয়ারি ১৯৭২ সালে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তিনি ভাষণ দিয়েছিলেন। একটি স্বাধীন রাষ্ট্র কীভাবে চলবে, সেই দিকনির্দেশনা, সবকিছু তিনি এখানে ঘোষণা করেন। বাঙালি জাতির ইতিহাসের সঙ্গে এ জায়গাটা আমাদের জন্য অত্যন্ত ঐতিহাসিক একটি স্থান। জাতির পিতা শুধু স্বাধীনতাই দেননি, যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ গড়ে তুলেছিলেন। এই ঘুণে ধরা সমাজ ব্যবস্থা ভেঙে নতুন সমাজ ব্যবস্থা করার ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করে সেই উপনিবেশিক শাসনের অচলায়তন ভেঙে নতুন পথে যাত্রা শুরু করেছিলেন। বাংলাদেশের তৃণমূলের মানুষ যেন ক্ষমতাসীন হয় তার ব্যবস্থা করে নিয়েছিলেন। আর তখনই আসল চরম আঘাত। মাত্র সাড়ে তিন বছর তিনি সময় পেয়েছিলেন।

দেশের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, আমি কৃতজ্ঞতা জানাই এদেশের জনগণের প্রতি তারা বারবার ভোট দিয়ে আমাদের তাদের সেবা করার সুযোগ দিয়েছে বলেই আজকে আমরা ২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী পালন করার সুযোগ পেয়েছি, ২০২১ সাল স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন সুযোগ পেয়েছি। যদিও করোনাভাইরাসের কারণে আমাদের অনুষ্ঠান সীমিত আকারে করতে হয়েছে। আমরা ২০২২ সাল পর্যন্ত নিয়ে এসেছি।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব যখন ক্ষমতায় ছিলেন যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ গড়ে তুলে তিনি উন্নয়নের পথে অগ্রযাত্রা শুরু করেন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর তখন এই দেশের মানুষ কিছুটা উন্নয়নের ছোঁয়া পায়। আবার ২০০৯ সালে যখন আমরা সরকার গঠন করি পুনরায়, তখন থেকে এই ১৩ বছর, ১৩ বছরে আমরা যে লক্ষ্য স্থির করেছি, ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ যাতে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়, আমরা আজকে স্বল্পোন্নত দেশ। আওয়ামী লীগ সরকার আসার পর আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি, আমাদের দেশে মানুষের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে, বাংলাদেশের মানুষের গড় আয় বৃদ্ধি পেয়েছে, স্বাক্ষরতার হার বৃদ্ধি পেয়েছে, সবচেয়ে বড় কথা আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলেছি। আজকে শতভাগ বিদ্যুৎ দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করেছি। সারা বাংলাদেশের প্রতিটি ঘর আমরা আলোকিত করেছি। বাংলাদেশ আলোর পথে যাত্রা শুরু করেছে।

শেখ হাসিনা বর্তমান প্রজন্মের উদ্দেশে বলেন, বাংলাদেশকে নিয়ে আর কেউ খেলতে পারবে না। এ দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে আর কখনো কেউ কেউ ছিনিমিনি খেলতে পারবে না। বাংলাদেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। ইনশাল্লাহ এগিয়ে যাবে। আজকে যে প্রজন্ম তাদের কাছে আমার এটাই থাকবে আহ্বান, আমরা কিন্তু পরিকল্পনা দিয়ে গেছি। যেমন ২০২১ পর্যন্ত আমরা পরিকল্পনা দিয়েছিলাম, সেটা বাস্তবায়ন করেছি। আমরা স্যাটেলাইট যুগে প্রবেশ করেছি, নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট করেছি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন করেছি, মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করছি, দেশে অর্থনৈতিক অঞ্চল করছি। বাংলাদেশে কেউ যেন অবহেলা করতে না পারে, বাংলাদেশের মানুষ যেন বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে চলতে পারে, শিক্ষায়-দীক্ষায় জ্ঞানে, প্রযুক্তি জ্ঞানে, বিজ্ঞানে সবদিক থেকে যেন আমরা এগিয়ে থাকতে পারি।

দেশের একটি মানুষও ভূমিহীন থাকবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, আজ আমরা দারিদ্র্যের হার কমাতে সক্ষম হয়েছি, একটি মানুষও ভূমিহীন থাকবে না, গৃহহীন থাকবে না। জাতির পিতা যে লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলেন আমরা তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ এই বাংলাদেশের কোনো মানুষই ভূমিহীন, গৃহহীন থাকবে না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

আ.লীগ ছাড়া কেউ শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেনি

আপডেট সময় ০৮:৪৫:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ মার্চ ২০২২

বাংলাদেশের ইতিহাসে একমাত্র আওয়ামী লীগ ২০০১ সালে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছে। এছাড়া কোনো সরকার তা করেনি, বরং প্রাণহানি ঘটিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার চার দিনব্যাপী স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর সমাপনী অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা যদি বাংলাদেশের ইতিহাস দেখি, সেই ৭১ থেকে ৭৫ সাল এবং ৭৫ এর ১৫ আগস্টের চরম আঘাত। তারপরে অন্ধকারের যাত্রা শুরু। বাংলাদেশ হারিয়ে ফেলে তার স্বাধীনতার চেতনা, জয় বাংলা স্লোগান, ৭ মার্চের ভাষণ, বঙ্গবন্ধুর নাম নিষিদ্ধ, ছবি নিষিদ্ধ, ২১ বছর এভাবে বাংলাদেশের বিজয়ের ইতিহাস পদদলিত হয় এবং অন্য ইতিহাস জানানোর চেষ্টা করা হয়। ইতিহাস কখনো কেউ মুছে ফেলতে পারে না। আর সত্যের জয় হয়। এটা কেউ কখনো বাধা দিয়ে থামিয়ে দিতে পারে না। আজ সেটাই হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আগামী দিনের পথ দেখেছিলেন তার ঐতিহাসিক ভাষণের সাহায্যে। রেসকোর্স ময়দানে ২৫শে মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আক্রমণ শুরু করে। রাজারবাগ পুলিশ ফাঁড়ি, পিলখানাসহ একই সঙ্গে সেই ধানমন্ডির বাড়ি। জাতির পিতা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচার করেছিলেন। এখনকার পিলখানা হেডকোয়ার্টার পিপিআর এই ফাঁড়ি থেকে তিনি এ ঘোষণা প্রচার করেছিলেন। সেই স্বাধীনতার ঘোষণা সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দিয়েছিল এবং বিভিন্ন পুলিশ স্টেশনের মাধ্যমে সংগ্রাম পরিষদের হাতে ওই ভোররাতের দিকে বার্তা পৌঁছে দেয়। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ব্যাপক প্রচার শুরু করে সেদিন থেকে। ২৬শে মার্চ থেকে এ ঘোষণার সাথে সাথেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে তারা নিয়ে যায় পাকিস্তানে এবং বন্দি করে রাখে।
রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা দেয়। তাকে ফাঁসি দেওয়ার জন্য অর্ডার দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এর মধ্যেই পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১৬ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, আন্তর্জাতিক চাপে পাকিস্তান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। তিনি পাকিস্তান থেকে লন্ডন চলে যান। সেখান থেকে বাংলাদেশের ফিরে আসেন ১০ই জানুয়ারি ১৯৭২ সালে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তিনি ভাষণ দিয়েছিলেন। একটি স্বাধীন রাষ্ট্র কীভাবে চলবে, সেই দিকনির্দেশনা, সবকিছু তিনি এখানে ঘোষণা করেন। বাঙালি জাতির ইতিহাসের সঙ্গে এ জায়গাটা আমাদের জন্য অত্যন্ত ঐতিহাসিক একটি স্থান। জাতির পিতা শুধু স্বাধীনতাই দেননি, যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ গড়ে তুলেছিলেন। এই ঘুণে ধরা সমাজ ব্যবস্থা ভেঙে নতুন সমাজ ব্যবস্থা করার ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করে সেই উপনিবেশিক শাসনের অচলায়তন ভেঙে নতুন পথে যাত্রা শুরু করেছিলেন। বাংলাদেশের তৃণমূলের মানুষ যেন ক্ষমতাসীন হয় তার ব্যবস্থা করে নিয়েছিলেন। আর তখনই আসল চরম আঘাত। মাত্র সাড়ে তিন বছর তিনি সময় পেয়েছিলেন।

দেশের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, আমি কৃতজ্ঞতা জানাই এদেশের জনগণের প্রতি তারা বারবার ভোট দিয়ে আমাদের তাদের সেবা করার সুযোগ দিয়েছে বলেই আজকে আমরা ২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী পালন করার সুযোগ পেয়েছি, ২০২১ সাল স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন সুযোগ পেয়েছি। যদিও করোনাভাইরাসের কারণে আমাদের অনুষ্ঠান সীমিত আকারে করতে হয়েছে। আমরা ২০২২ সাল পর্যন্ত নিয়ে এসেছি।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব যখন ক্ষমতায় ছিলেন যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ গড়ে তুলে তিনি উন্নয়নের পথে অগ্রযাত্রা শুরু করেন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর তখন এই দেশের মানুষ কিছুটা উন্নয়নের ছোঁয়া পায়। আবার ২০০৯ সালে যখন আমরা সরকার গঠন করি পুনরায়, তখন থেকে এই ১৩ বছর, ১৩ বছরে আমরা যে লক্ষ্য স্থির করেছি, ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ যাতে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়, আমরা আজকে স্বল্পোন্নত দেশ। আওয়ামী লীগ সরকার আসার পর আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি, আমাদের দেশে মানুষের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে, বাংলাদেশের মানুষের গড় আয় বৃদ্ধি পেয়েছে, স্বাক্ষরতার হার বৃদ্ধি পেয়েছে, সবচেয়ে বড় কথা আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলেছি। আজকে শতভাগ বিদ্যুৎ দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করেছি। সারা বাংলাদেশের প্রতিটি ঘর আমরা আলোকিত করেছি। বাংলাদেশ আলোর পথে যাত্রা শুরু করেছে।

শেখ হাসিনা বর্তমান প্রজন্মের উদ্দেশে বলেন, বাংলাদেশকে নিয়ে আর কেউ খেলতে পারবে না। এ দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে আর কখনো কেউ কেউ ছিনিমিনি খেলতে পারবে না। বাংলাদেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। ইনশাল্লাহ এগিয়ে যাবে। আজকে যে প্রজন্ম তাদের কাছে আমার এটাই থাকবে আহ্বান, আমরা কিন্তু পরিকল্পনা দিয়ে গেছি। যেমন ২০২১ পর্যন্ত আমরা পরিকল্পনা দিয়েছিলাম, সেটা বাস্তবায়ন করেছি। আমরা স্যাটেলাইট যুগে প্রবেশ করেছি, নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট করেছি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন করেছি, মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করছি, দেশে অর্থনৈতিক অঞ্চল করছি। বাংলাদেশে কেউ যেন অবহেলা করতে না পারে, বাংলাদেশের মানুষ যেন বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে চলতে পারে, শিক্ষায়-দীক্ষায় জ্ঞানে, প্রযুক্তি জ্ঞানে, বিজ্ঞানে সবদিক থেকে যেন আমরা এগিয়ে থাকতে পারি।

দেশের একটি মানুষও ভূমিহীন থাকবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, আজ আমরা দারিদ্র্যের হার কমাতে সক্ষম হয়েছি, একটি মানুষও ভূমিহীন থাকবে না, গৃহহীন থাকবে না। জাতির পিতা যে লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলেন আমরা তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। ইনশাআল্লাহ এই বাংলাদেশের কোনো মানুষই ভূমিহীন, গৃহহীন থাকবে না।