ঢাকা ০১:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ ছিনতাইকারী গ্রেফতার জার্সিতে ‘ভোজিনহা’ নামেই খেলবেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ৬ হাজার ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার এক বছরেই ৩০ পারা মুখস্থ, হাফেজ হলো ৮ বছরের আব্দুর রহমান লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে টোল নেবে না হুথিরা অনির্দিষ্টকালের জন্য এস আলম গ্রুপের ১১ কারখানা বন্ধ র‍্যাবের ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও প্রসিকিউশন টিম চারদিক বন্যার পানিতে ডুবলেও ডুবে না ক্লাস্টার বসতভিটা

হুজির মুফতি হান্নানের ছোট ভাই মুন্সি ইকবাল গ্রেপ্তার

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০৯:০৯:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ মার্চ ২০২২
  • ২৩১ বার পড়া হয়েছে

নিষিদ্ধ সংগঠন আনসার আল ইসলামের অন্যতম সংগঠক মুন্সি ইকবাল আহমেদকে (৬২) ঢাকার সাভারের রাজাসন থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।  

র‌্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তার মুন্সি ইকবাল আহমেদ শুরুতে নিষিদ্ধ সংগঠন হরকাতুল জিহাদের নেতা ছিলেন। পরে ২০০৪ সালের ২১ মে সাবেক ব্রিটিশ হাই কমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর সিলেটে গ্রেনেড হামলার ঘটনার পর আত্মগোপনে চলে যান।

মুন্সি ইকবাল পরে হুজি ছেড়ে আনসার আল ইসলামে যোগ দেন। শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তারকালে তার কাছ থেকে উগ্রবাদী কার্যক্রমে ব্যবহৃত মোবাইল, উগ্রবাদী বই ও লিফলেট উদ্ধার করে।

শনিবার বিকেলে র‍্যাব-৪ সহকারী পরিচালক এএসপি (মিডিয়া) মাজহারুল ইসলাম জানান, মুন্সি ইকবাল নিষিদ্ধ সংগঠন হরকাতুল জিহাদের নেতা ছিলেন। ২০০৪ সালের ২১ মে সাবেক ব্রিটিশ হাই কমিশনার আনোয়ার চৌধুরী সিলেটে গ্রেনেড হামলার শিকার হন। এরপর তাদের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়। এ কারণে তিনি আনসার আল ইসলামে যোগ দিয়ে জঙ্গিবাদী কার্যক্রম শুরু করেন।

মুন্সি ইকবাল বর্তমানে আনসার আল ইসলামের অন্যতম সংগঠক বলে র‍্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। সংগঠনের কয়েকজন সদস্য নিয়ে শুক্রবার রাতে সংগঠনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বৈঠকে মিলিত হন।

dhakapost

জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা যায়, আনসার আল ইসলামের সংগঠক হিসেবে অন্যান্য সদস্যদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ স্থাপন করে আসছিলেন তিনি। তার মোবাইল থেকে বিভিন্ন উগ্রবাদী কথোপকথনের ও প্রচার প্রচারণার প্রমাণ জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার মুন্সি ইকবাল আহমেদ গোপালগঞ্জ জেলার স্থানীয় একটি কলেজ থেকে এইচএসসি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। পরে সাভারে এলাকায় বসবাস শুরু করেন। পরিবারের ১০ ভাই-বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়। আলোচিত জঙ্গি সংগঠন হুজি বির প্রধান মুফতি হান্নানের ভাই তিনি।

২০০৪ সালের তৎকালীন ব্রিটিশ হাই কমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা মামলার প্রধান আসামি মুফতি হান্নান, পরে তার ফাসি কার্যকর হয়। তার আরও দুই ভাই মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত।

গ্রেপ্তার ইকবাল বেশ কয়েক বছর ধরে নিষিদ্ধ আনসার আল ইসলামের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দেশে এবং দেশের বাইরে (আফগানিস্তান) পলাতক থেকে প্রশিক্ষণসহ নতুন নতুন কৌশল রপ্ত করেছেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় সন্ত্রাস ও নাশকতা সংশ্লিষ্ট চারটি মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি অন্যান্য সহচরদের গ্রেপ্তারে র‌্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু

হুজির মুফতি হান্নানের ছোট ভাই মুন্সি ইকবাল গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৯:০৯:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ মার্চ ২০২২

নিষিদ্ধ সংগঠন আনসার আল ইসলামের অন্যতম সংগঠক মুন্সি ইকবাল আহমেদকে (৬২) ঢাকার সাভারের রাজাসন থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।  

র‌্যাব জানিয়েছে, গ্রেপ্তার মুন্সি ইকবাল আহমেদ শুরুতে নিষিদ্ধ সংগঠন হরকাতুল জিহাদের নেতা ছিলেন। পরে ২০০৪ সালের ২১ মে সাবেক ব্রিটিশ হাই কমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর সিলেটে গ্রেনেড হামলার ঘটনার পর আত্মগোপনে চলে যান।

মুন্সি ইকবাল পরে হুজি ছেড়ে আনসার আল ইসলামে যোগ দেন। শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তারকালে তার কাছ থেকে উগ্রবাদী কার্যক্রমে ব্যবহৃত মোবাইল, উগ্রবাদী বই ও লিফলেট উদ্ধার করে।

শনিবার বিকেলে র‍্যাব-৪ সহকারী পরিচালক এএসপি (মিডিয়া) মাজহারুল ইসলাম জানান, মুন্সি ইকবাল নিষিদ্ধ সংগঠন হরকাতুল জিহাদের নেতা ছিলেন। ২০০৪ সালের ২১ মে সাবেক ব্রিটিশ হাই কমিশনার আনোয়ার চৌধুরী সিলেটে গ্রেনেড হামলার শিকার হন। এরপর তাদের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়। এ কারণে তিনি আনসার আল ইসলামে যোগ দিয়ে জঙ্গিবাদী কার্যক্রম শুরু করেন।

মুন্সি ইকবাল বর্তমানে আনসার আল ইসলামের অন্যতম সংগঠক বলে র‍্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। সংগঠনের কয়েকজন সদস্য নিয়ে শুক্রবার রাতে সংগঠনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বৈঠকে মিলিত হন।

dhakapost

জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা যায়, আনসার আল ইসলামের সংগঠক হিসেবে অন্যান্য সদস্যদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ স্থাপন করে আসছিলেন তিনি। তার মোবাইল থেকে বিভিন্ন উগ্রবাদী কথোপকথনের ও প্রচার প্রচারণার প্রমাণ জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার মুন্সি ইকবাল আহমেদ গোপালগঞ্জ জেলার স্থানীয় একটি কলেজ থেকে এইচএসসি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। পরে সাভারে এলাকায় বসবাস শুরু করেন। পরিবারের ১০ ভাই-বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়। আলোচিত জঙ্গি সংগঠন হুজি বির প্রধান মুফতি হান্নানের ভাই তিনি।

২০০৪ সালের তৎকালীন ব্রিটিশ হাই কমিশনার আনোয়ার চৌধুরীর ওপর গ্রেনেড হামলা মামলার প্রধান আসামি মুফতি হান্নান, পরে তার ফাসি কার্যকর হয়। তার আরও দুই ভাই মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত।

গ্রেপ্তার ইকবাল বেশ কয়েক বছর ধরে নিষিদ্ধ আনসার আল ইসলামের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দেশে এবং দেশের বাইরে (আফগানিস্তান) পলাতক থেকে প্রশিক্ষণসহ নতুন নতুন কৌশল রপ্ত করেছেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় সন্ত্রাস ও নাশকতা সংশ্লিষ্ট চারটি মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি অন্যান্য সহচরদের গ্রেপ্তারে র‌্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।