1. hrhfbd01977993@gmail.com : admi2017 :
  2. editorr@crimenewsmedia24.com : CrimeNews Media24 : CrimeNews Media24
  3. editor@crimenewsmedia24.com : CrimeNews Media24 : CrimeNews Media24
বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
"ফটো সাংবাদিক আবশ্যক" দেশের প্রতিটি থানা পর্যায়ে "ক্রাইম নিউজ মিডিয়া" সংবাদ সংস্থায় ১জন রিপোর্টার ও ১জন ফটো সাংবাদিক আবশ্যক। আগ্রহী প্রার্থীরা  যোগাযোগ করুন। ইমেইলঃ cnm24bd@gmail.com ০১৯১১৪০০০৯৫
সংবাদ শিরোনাম ::
থাইল্যান্ডে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা আসামী প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করলেও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খুজে পায় না যুদ্ধ ব্যয়ের অর্থ জলবায়ুর প্রভাব মোকাবেলায় ব্যবহার হলে বিশ্ব রক্ষা পেত: প্রধানমন্ত্রী আসামী প্রকাশ্যে ঘোরাফেরা করলেও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খুজে পায় না তাকে আরআরএফের সভাপতি হাবিবুল্লাহ মিজান, সম্পাদক নিশাত বিজয় দেশীয় খেলাকে সমান সুযোগ দিন: প্রধানমন্ত্রী স্বচ্ছতার সাথে সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র বাছাই হবে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী ২০২৪ এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যু চিরন্তন সত্য — জিএম জামাল

“স্মার্ট ঝালমুড়ি ওয়ালা”কে চিরতরে হারাতে যাচ্ছে রাজধানীবাসী

  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২১, ৯.০৫ এএম
  • ৩৩৭ বার পড়া হয়েছে

মোঃ নাজমুল ইসলামঃ

রাজধানীর শাহবাগের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ফুটপাতে ঝালমুড়ি বিক্রি করেন জুলহাস। তার মুড়ি রাখার বস্তায় একপাশে রাখেন ফুলের মালা দিয়ে সাজানো বঙ্গবন্ধুর বাঁধাই করা একখানা ছবি আর অন্য পাশে রাখেন তার বাবার মুক্তিযোদ্ধার সনদের বাঁধাই করা ফটোকপি। চোখে চশমা, কানে এয়ারফোন, চকচকে শার্ট, গলায় টাই, পায়ে কালো সু, পকেটে মোবাইল ও কলম এবং হাতে সিলভার রংয়ের ঘড়ি পরেন জুলহাস। ৪৫ বছর বয়সের এই ব্যক্তি সর্বদা এমন পরিপাটি সাজে ঝালমুড়ি বিক্রি করে রীতিমত ভাইরাল।
১৯৭৫ সালের ১মে শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার ধানকাটি গ্রামে জন্ম জুলহাসের। বর্তমানে তিন সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে বসুন্ধরা সিটি শপিং মলের পেছনে ছোট একটি বাসায় ভাড়া থাকেন তিনি। তার পিতা মো. তছলিম হাওলাদার একজন মুক্তযোদ্ধা ছিলেন। যুদ্ধে বাংলাদেশ জয়ের পর এদেশীয় রাজাকারদের হাতে তার পিতার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি জুলহাসের।
প্রথমে লুঙ্গি পড়ে ঝাল মুড়ি বিক্রি করতাম। এখন পরিষ্কার ও স্মার্ট কাপড় পড়ে ঝাল মুড়ি বিক্রি করি। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুরের মতো আধুনিক বানাতে চায়। আমার কাছেও যারা ঝালমুড়ি খায়, তারা মনে করে সিঙ্গাপুর বসে খাচ্ছে।’
কেউ পরিচয় জানতে চাইলে এভাবেই নিজের ব্যাখ্যা দেন স্মার্ট ঝালমুড়ি ওয়ালা খ্যাত বহুল আলোচিত ব্যক্তি জুলহাস হাওলাদার। এই স্মার্ট ঝালমুড়ি ওয়ালাকে এবার চিরতরে হারাতে যাচ্ছে রাজধানীবাসী। ছেলের চিকিৎসা ও সংসারের হাল টানতে না পেরে এবার রাজধানীতে আর না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জুলহাস।
জুলহাস জানান, ‘বাবা যখন মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে যায় তখন দাদাকে এদেশীয় রাজাকাররা কুকুরের ভ্যাকসিন দিয়ে মেরে ফেলে। পরবর্তীতে দেশ জয়ের পর বাবা যখন ফিরে আসে তখন অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গ নিয়ে ওইসব রাজাকারদের মেরে ফেলা হয়। সেই রাজাকাদের বংশের লোকরাই পরবর্তীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফখরুদ্দিন আহমেদের সময়ে আমার বাবা ও বড় ভাইকে হত্যা করে।’

তিনি জানান, ‘আমার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে যুদ্ধে যাওয়ার সময় ঘরে দু’মুঠো চাল ও ডাল পর্যন্ত রেখে যেতে পারেননি। যুদ্ধের চার বছর পর আমার জন্ম হয়েছে। মানুষের বাসা থেকে ভাতের মাড়, জুটা খাবার কুড়িয়ে খেয়েছি। অভাবের কারণে লেখাপড়া করতে পারিনি। বাসা বাড়িতে কাজ করেছি, বিভিন্ন পেশার পর এখন স্মার্ট হয়ে ঝালমুড়ি বিক্রি করছি।’

পূর্বে গণমাধ্যমের নিউজ ও বিভিন্ন ইউটিউবারদের ভিডিওতে জুলহাস প্রধানমন্ত্রীকে নিজ হাতে ঝালমুড়ি বানিয়ে খাওয়ানোর সখের কথা জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীকে ঝালমুড়ি বানিয়ে খাওয়ানোর সখ পূরণ হয়েছে কিনা জানতে চাইলে জুলহাস বলেন, ‘না, এখনও আমি প্রধানমন্ত্রীকে নিজ হাতে ঝালমুড়ি বানিয়ে খাওয়াতে পরিনি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাছ থেকে দুটো কথা বলতে পারলে আর তাকে আমার হাতে ঝালমুড়ি বানিয়ে খাওয়াতে পারলে আমি সবথেকে বেশি শান্তি পাবো। আমার বিশ্বাস একদিন আমি এ সখ নিশ্চয়ই পূরণ করতে পারবো। জননেত্রী ভিক্ষুকদের সঙ্গে কথা বলেছেন, ভ্যানচালকের সঙ্গে কথা বলেছেন, আমার সঙ্গেও তিনি কথা বলবেন।’
বিশ্ব এখন করোনা ভাইরাসের প্রভাবে কলঙ্কিত। বাংলাদেশও এই পরিস্থিতির বাহিরে নয়। আগে পরিপাটি পোশাকে স্মার্ট এ ঝালমুড়ি বিক্রেতা জুলহাসকে ঘিরেই উৎসুক মানুষের ভিড় লেগে থাকতো। করোনার কারণে এখন সেই ভিড় নেই।
এ সময়ে ব্যবসা কেমন যাচ্ছে জানতে চাইলে জুলহাস বলেন, ‘করোনায় ঝালমুড়ি আগের মতো এখন আর মানুষ খায় না। তাই বেচা-বিক্রি কম হওয়ায় রাজধানীতে টিকে থাকাটা এখন আমার জন্য কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তাছাড়া, আমার তিন সন্তানের মধ্যে বড় ছেলেটার একটা কঠিন রোগ হয়েছে। যার চিকিৎসা এদেশে নেই। ওকে একটু ভালো খাবার খাওয়াবো তাও প্রতিদিন ব্যবস্থা করতে পারি না। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আগামি দু’এক মাসের মধ্যে রাজধানী ছেড়ে চিরতরে গ্রামে চলে যাবো।’ গ্রামে গিয়ে স্মার্টভাবে ঝালমুড়ি বিক্রি করবেন কী, সেখানে কী রাজধানীর থেকে বেশি আয় করতে পারবেন জানতে চাইলে জুলহাস বলেন, ‘এতদিন গ্রামে ঘর ছিলো না। মা কিস্তিতে টাকা এনে আমার জন্য একটি ঘর তুলেছেন। আমি আমার পরিবার নিয়ে সেই ঘরে গিয়ে থাকবো। ঢাকায় বাসা ভাড়া দিতে হয়, শাক-সবজি থেকে শুরু করে সব কিছু কিনতে হয়। কিন্তু গ্রামে থাকলে আমি শাক-সবজী চাষ করতে পারবো। মাছ ধরতে পারবো। আর যে কাজ পাবো সেই কাজ করবো। সুযোগ হলে গ্রামে গিয়ে ঝালমুড়ি বিক্রি করবো।’

সরকার গৃহহীনদের ঘর দিচ্ছে, পুঁজিহীনদের ব্যবসা করতে ঋণ দিচ্ছে এসবের কিছু পেতে আগ্রহী কীনা জানতে চাইলে জুলহাস জানান, ‘আমি সরকারের কাছ থেকে দানের কিছু চাই না। আমি ভালোভাবে ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু ব্যবসা করার পুঁজি আমার নেই। সরকার যদি আমাকে ব্যবসা করার জন্য সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করে দেয় তবে আমি ৫০টি ছাগল ও ১০০টি মুরগী পালবো। টাকা পেলে আমি এই ধরনের ব্যবসা করতে চাই। আমি সরকারের থেকে দান চাই না, ঋণ চাই।’

জুলহাসের বড় ছেলের কী ধরনের রোগ হয়েছে এবং চিকিৎসার জন্য কী পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে জানতে চাইলে স্ত্রী সুমা বেগম জানান, ‘আমাদের ৩ সন্তানের মধ্যে বড় ছেলেটা পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ার সময় অসুস্থ হয়ে যায়। আস্তে আস্তে ওর শরীরের সমস্ত শক্তি হারিয়ে ফেলছে। এখন ও উঠে দাঁড়াতে পর্যন্ত পারে না। মাঝে মাঝে বসে থাকার অবস্থাতেও পড়ে যায়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাক্তাররা ওর এই রোগটিকে ‘ডুশিনি মাসকুলার ডিসট্রফি’ বলে জানিয়েছেন। তারা বলেছেন এই রোগের চিকিৎসা বাংলাদেশে নেই।’

সুমা বেগম আরও বলেন, ‘আমার স্বামী বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে শ্রদ্ধা করে বুকে ধারন করেছে। এজন্য আমিও আমার স্বামীকে সব সময় সম্মান করি। বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার কাছে আমার ছেলেটার সু-চিকিৎসার দাবি জানাচ্ছি। আমার সন্তানটি সুস্থ্য হলে এটাই হবে আমার সবথেকে বড় পাওয়া।’

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

জাতীয় ঈদগাহে সুষ্ঠুভাবে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত করার লক্ষে ৫ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান বিপিএম (বার), পিপিএম (বার)। এছাড়াও রাজধানীর প্রতিটি ঈদ জামাতকে ঘিরে আলাদা আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথাও জানিয়েছেন তিনি। আজ মঙ্গলবার জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান ডিএমপি কমিশনার। ডিএমপি কমিশনার বলেন, রাজধানীর প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে। জাতীয় ঈদগাহে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধান বিচারপতি, মাননীয় বিচারপতিবৃন্দ, মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবর্গ, ঢাকাস্থ মুসলিম দেশের কূটনৈতিকবৃন্দ এবং অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ঈদ জামাত আদায় করবেন। প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি একত্রে এই ঈদগাহ মাঠে নামাজ আদায় করতে পারবেন। গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, ঈদের প্রধান জামাতসহ রাজধানীর সকল মসজিদ ও ইদগাহে ঈদের জামাতকে ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ঈদগাহ ও আশপাশ এলাকা স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) এর ইকুইপমেন্ট ও ডিএমপির ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করানো হবে। পুরো এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হবে। এছাড়াও ড্রোন পেট্রোলিং ও ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। পর্যাপ্ত সংখ্যক ইউনিফর্মধারী পুলিশ সদস্যদের সমন্বয়ে জাতীয় ঈদগাহের চারপাশে বহির্বেষ্টনী ও আন্ত:বেষ্টনী গড়ে তোলা হবে। প্রবেশ গেটে মেটাল ডিটেক্টর ও আর্চওয়ের মাধ্যমে তল্লাশি করা হবে। ইউনিফর্ম পুলিশের পাশাপাশি ডিবি পুলিশ, এসবি ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা সিভিল পোশাকে তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সোয়াট টিম, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট স্ট্যান্ডবাই থাকবে। এছাড়াও দুর্ঘটনা এড়াতে ফায়ার সার্ভিস ও তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবায় মেডিকেল টিম নিয়োজিত থাকবে। তিনি বলেন, প্রধান ঈদ জামাত ঘিরে দশটি স্থানে পার্কিং ব্যবস্থা করেছে ডিএমপির ট্রাফিক রমনা বিভাগ। ঈদ জামাত ঘিরে আটটি রাস্তা ডাইভারসন দেওয়া হবে, যাতে কোনোরকমের হয়রানি ছাড়া মুসল্লিরা আসতে পারেন। নারীদের জন্য নামাজের পৃথক ব্যবস্থা থাকবে, তাদেরকে নারী পুলিশ সদস্যরা তল্লাশি করবেন। তিনি আরো বলেন, এবার ঢাকায় ১৮৪টি ঈদগাহে ও ১ হাজার ৪৮৮ টি মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রত্যেকটি ঈদ জামাতের জন্য আলাদা আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। একটি জামাতও নিরাপত্তা বলয়ের বাইরে থাকবে না। নাগরিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যারা ঈদের নামাজে অংশ নিতে আসবেন তারা আমাদের তল্লাশি কার্যক্রমে সাহায্য করবেন। কেউ দাহ্য বা ধারালো বস্তু নিয়ে আসবেন না। যে কোনো সমস্যা হলে পুলিশকে জানান। জামাত থেকে বের হওয়ার সময় ধৈর্যের সঙ্গে সুশৃঙ্খলভাবে বের হবেন। সাংবাদিকদেরে এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ এলাকায় পাহাড়ি সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) কোনো তৎপরতার তথ্য নেই। পাশাপাশাপি কোন ধরনের জঙ্গি তৎপরতার তথ্যও নেই। তারপরও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সকল বিষয় বিবেচনায় রেখেই নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে বাস মালিক সমিতিসহ সকল স্টেকহোল্ডারদের আমাদের বৈঠক হয়েছে। তারা আমাদের নির্ধারিত ভাড়া আদায়েরর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। রাজধানীর সকল যাত্রীবাহী বাস কাউন্টার ও স্টেশনগুলোতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ তৎপর রয়েছে। কোন ধরনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এসময় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) এ কে এম হাফিজ আক্তার বিপিএম-বার (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত); অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) ড. খঃ মহিদ উদ্দিন বিপিএম-বার (অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত); অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস, ফিন্যান্স এন্ড প্রকিউরমেন্ট) মহাঃ আশরাফুজ্জামান বিপিএম; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ মুনিবুর রহমান বিপিএম-সেবা; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মোঃ আসাদুজ্জামান বিপিএম (বার); অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বিপিএম (বার), পিপিএম (বার); যুগ্ম পুলিশ কমিশনারগণ, উপ-পুলিশ কমিশনারগণ ও বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাগণসহ এবং প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

themesbazar_crimenew87
© All rights reserved © 2015-2021
Site Customized Crimenewsmedia24.Com