ঢাকা ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু কর্মমুখী ও কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণই দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ ছিনতাইকারী গ্রেফতার জার্সিতে ‘ভোজিনহা’ নামেই খেলবেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ৬ হাজার ৯৪০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেফতার এক বছরেই ৩০ পারা মুখস্থ, হাফেজ হলো ৮ বছরের আব্দুর রহমান লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে টোল নেবে না হুথিরা অনির্দিষ্টকালের জন্য এস আলম গ্রুপের ১১ কারখানা বন্ধ র‍্যাবের ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনে ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও প্রসিকিউশন টিম চারদিক বন্যার পানিতে ডুবলেও ডুবে না ক্লাস্টার বসতভিটা

কক্সবাজারে বন্ধুর হাতে খুন: পাঁচ আসামির যাবজ্জীবন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১২:৩৭:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ২৬১ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজার: কক্সবাজার শহরের আলোচিত মেহেদী হাসান হত্যা মামলায় পাঁচ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে নগদ পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবদুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।

এ সময় আদালত জরিমানার টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা করে সরকারি কোষাগারে আর বাকি টাকা মেহেদীর মা রোজিনা আক্তারকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, কক্সবাজার শহরের বাহারছড়ার বাসিন্দা ফরিদ আহামদের ছেলে মোহাম্মদ ফারুক প্রকাশ ওমর ফারুক, আবুল বশরের ছেলে শাহেদ, মধ্যম বাহারছড়ার তৈয়বুর রহমানের ছেলে সাগর, জহির আহমদের ছেলে মিঠু ও আমির হোসেনের ছেলে ওয়াসিম। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামি মোহাম্মদ ফারুক ও শাহেদ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায়ের দিন থেকে তাদের শাস্তি কার্যকর হবে।

এ ছাড়াও পলাতক থাকা তিন আসামি মিঠু, ওয়াসিম ও সাগর গ্রেপ্তার বা আত্মসমর্পণের তারিখ থেকে তাদের সাজা কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন বিচারক।

নিহত মেহেদি হাসান একই এলাকার মোহাম্মদ সোলাইমান পেশকারের ছেলে। ২০১০ সালের ২০ এপ্রিল রাত ১০টার দিকে কক্সবাজার শহরের সার্কিট হাউস রোডে পাঁচ বন্ধুর হামলায় নিহত হন মেহেদী।

কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোজাফফর আহমদ হেলালী জানান, মেহেদী হাসান হত্যার ঘটনায় তার বাবা মোহাম্মদ সোলাইমান ২০১০ সালের ২২ এপ্রিল কক্সবাজার সদর থানায় মামলা করেন। মামলায় ৩০২/৩৪ ধারায় চার্জ গঠন করেন আদালত। আদালত সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্কের পর পাঁচ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। এ মামলায় আসামিপক্ষে মোহাম্মদ জাকারিয়া, তৌহিদুল আনোয়ার, আমির হোসেন মামলা পরিচালনা করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

CrimeNews Media24

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে প্যারাসেইলিং থেকে ছিটকে সমুদ্রে পড়ে পর্যটকের মৃত্যু

কক্সবাজারে বন্ধুর হাতে খুন: পাঁচ আসামির যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ১২:৩৭:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২২

কক্সবাজার: কক্সবাজার শহরের আলোচিত মেহেদী হাসান হত্যা মামলায় পাঁচ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে নগদ পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবদুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।

এ সময় আদালত জরিমানার টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা করে সরকারি কোষাগারে আর বাকি টাকা মেহেদীর মা রোজিনা আক্তারকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, কক্সবাজার শহরের বাহারছড়ার বাসিন্দা ফরিদ আহামদের ছেলে মোহাম্মদ ফারুক প্রকাশ ওমর ফারুক, আবুল বশরের ছেলে শাহেদ, মধ্যম বাহারছড়ার তৈয়বুর রহমানের ছেলে সাগর, জহির আহমদের ছেলে মিঠু ও আমির হোসেনের ছেলে ওয়াসিম। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামি মোহাম্মদ ফারুক ও শাহেদ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায়ের দিন থেকে তাদের শাস্তি কার্যকর হবে।

এ ছাড়াও পলাতক থাকা তিন আসামি মিঠু, ওয়াসিম ও সাগর গ্রেপ্তার বা আত্মসমর্পণের তারিখ থেকে তাদের সাজা কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন বিচারক।

নিহত মেহেদি হাসান একই এলাকার মোহাম্মদ সোলাইমান পেশকারের ছেলে। ২০১০ সালের ২০ এপ্রিল রাত ১০টার দিকে কক্সবাজার শহরের সার্কিট হাউস রোডে পাঁচ বন্ধুর হামলায় নিহত হন মেহেদী।

কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মোজাফফর আহমদ হেলালী জানান, মেহেদী হাসান হত্যার ঘটনায় তার বাবা মোহাম্মদ সোলাইমান ২০১০ সালের ২২ এপ্রিল কক্সবাজার সদর থানায় মামলা করেন। মামলায় ৩০২/৩৪ ধারায় চার্জ গঠন করেন আদালত। আদালত সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্কের পর পাঁচ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। এ মামলায় আসামিপক্ষে মোহাম্মদ জাকারিয়া, তৌহিদুল আনোয়ার, আমির হোসেন মামলা পরিচালনা করেন।